আন্তর্জাতিক

তুরস্কে দুই দিনে দ্বিতীয়বার স্কুল শুটিং; গুলিতে নিহত ৪, আহত ২০

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ১৪, ২০২৬ ২১:১১
তুরস্কে স্কুলে গুলিতে আহত এক শিক্ষার্থীকে সরিয়ে নিচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনী। ছবি: এএফপি
তুরস্কে স্কুলে গুলিতে আহত এক শিক্ষার্থীকে সরিয়ে নিচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনী। ছবি: এএফপি

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার স্কুল শুটিংয়ের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) কাহরামানমারাস প্রদেশের ওনিকিশুবাত জেলার ‘আয়সার চালিক মিডল স্কুলে’ এক ছাত্রের এলোপাতাড়ি গুলিতে এক শিক্ষক ও তিন শিক্ষার্থীসহ মোট ৪ জন নিহত হয়েছেন। কাহরামানমারাস প্রদেশের গভর্নর মুকেররেম উনলুয়ের জানিয়েছেন, এই ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 

হামলাকারী ওই স্কুলেরই অষ্টম শ্রেণির ছাত্র এবং সে তার বাবার (একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা) লাইসেন্সকৃত পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র ও সাতটি ম্যাগাজিন নিয়ে স্কুলে এসেছিল। গভর্নর জানান, হামলাকারী নিজেও এই ঘটনায় নিহত হয়েছে। আতঙ্কে অনেক শিক্ষার্থীকে স্কুল ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মরক্ষা করতে দেখা গেছে। তুরস্কের বিচার মন্ত্রী আকিন গুরলেক ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন এবং এই সংক্রান্ত সংবাদের ওপর সাময়িক সম্প্রচার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।

 

এর মাত্র একদিন আগে, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) শানলিউরফা প্রদেশের সিভরেক জেলার একটি ভোকেশনাল হাই স্কুলে এক সাবেক ছাত্রের গুলিতে ১৬ জন আহত হয়েছিল, যে হামলাকারী পরে আত্মহত্যা করে। তুরস্কে সাধারণত এ ধরণের স্কুল শুটিং অত্যন্ত বিরল হলেও দুই দিনের ব্যবধানে পরপর দুটি রক্তক্ষয়ী ঘটনা পুরো দেশজুড়ে স্কুল নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে নেই কোনো ট্রাফিক সিগন্যাল, তবু নেই বিশৃঙ্খলা
বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে নেই কোনো ট্রাফিক সিগন্যাল, তবু নেই বিশৃঙ্খলা

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রাস্তায় বেরোলেই যানজট আর ট্রাফিক সিগন্যালের লাল-সবুজ বাতির লুকোচুরি আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। বিপুল জনসংখ্যার এই ব্যস্ত শহরে ট্রাফিক সিগন্যাল ছাড়া যান চলাচল এক মুহূর্তও কল্পনা করা কঠিন। অথচ বিশ্বের বুকেই এমন একটি দেশ রয়েছে, যার রাস্তায় কোনো ট্রাফিক লাইট বা স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল নেই। শান্ত, পরিচ্ছন্ন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সেই দেশটির নাম ভুটান।   হিমালয়ের কোলে অবস্থিত ছোট্ট এই দেশের রাজধানী থিম্পুতে কোনো স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল দেখা যায় না। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে যেখানে বিশ্বের প্রতিটি শহর ট্রাফিক লাইটনির্ভর, সেখানে থিম্পুর রাস্তায় গাড়ি চলাচল পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করেন ট্রাফিক পুলিশ। শহরের ব্যস্ত মোড়গুলোতে সুদৃশ্য বুথে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এবং বিশেষ শৈল্পিক ভঙ্গিমায় হাতের ইশারা দিয়ে তারা যানবাহন পরিচালনা করেন। চালক কখন থামবেন, কখন রাস্তা ছাড়বেন আর কখন চলবেন—সবটাই নির্ভর করে দায়িত্বরত পুলিশের নির্দেশনার ওপর। স্থানীয়রাও অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে এই নিয়ম মেনে চলেন।   অবাক করা বিষয় হলো, থিম্পুতে একসময় স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাধারণ মানুষ যন্ত্রের এই যান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাটি খুব একটা পছন্দ করেননি। তাদের কাছে যন্ত্রের লাল-সবুজ আলোর চেয়ে মানবিক উপস্থিতিতে যানজট নিরসন অনেক বেশি স্বাভাবিক, সুন্দর ও আপন মনে হয়েছিল। জনগণের অনীহার কারণেই পরবর্তীতে সেই সিগন্যাল সরিয়ে নিয়ে আবারও পুলিশ নিয়ন্ত্রিত পুরনো ব্যবস্থাতেই ফিরে যায় ভুটান কর্তৃপক্ষ।   ভুটানে ট্রাফিক সিগন্যাল না থাকার পেছনে তাদের তুলনামূলক কম জনসংখ্যা এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের ভূমিকাও অনেক। এখানকার চালকরা অত্যন্ত ধৈর্যশীল এবং তারা হর্ন বাজানো বা ওভারটেক করার মতো প্রতিযোগিতায় জড়ান না। বড় শহরের মতো তীব্র যানজট না থাকায় পুলিশের হাতের ইশারাই সেখানে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট। আধুনিকতার দৌড়ে যন্ত্রকে সরিয়ে মানবিক পদ্ধতিকে টিকিয়ে রাখার এই অভিনব দৃশ্য দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরাও থিম্পুর রাস্তায় দাঁড়িয়ে মুগ্ধ বিস্ময়ে ট্রাফিক পুলিশের কাজ উপভোগ করেন।

ইসতিয়াক আহমেদ প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১৩:১৮
যুক্তরাজ্যের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করতে প্রস্তুত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের স্বার্থে দরকার হলে ট্রাম্পের সমালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম

তীব্র গরম থেকে স্বস্তি দিতে জাপানে মাত্র ১০ মিনিটে শরীর ঠান্ডা করার ‘হিউম্যান ফ্রিজ’ চালু। ছবি: সংগৃহীত

জাপানে মাত্র ১০ মিনিটে শরীর ঠান্ডা করার ‘হিউম্যান ফ্রিজ’ চালু

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো ইরানি হামলায় ২০০-র বেশি সেনা নিহতের দাবি করেছে তেহরান। ছবি: সংগৃহীত

ইরানে সামরিক অভিযানে ২০০ জনের বেশি মার্কিন সেনা নিহত, দাবি আইআরজিসির

অবৈধভাবে অবস্থানরত ও আইন লঙ্ঘনকারী প্রবাসীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার

সৌদি আরবে গত এক সপ্তাহে দেশটির বিভিন্ন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মোট ১৪ হাজার ৯৭০ জন আইন অমান্যকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।   আটককৃতদের মধ্যে আবাসন বা ইকামাসংক্রান্ত আইন ভঙ্গের দায়ে ৭ হাজার ৪৩৭ জন, সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনে ৩ হাজার ৯৯১ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩ হাজার ৫৪২ জন রয়েছেন। এছাড়া অবৈধ উপায়ে সীমান্ত অতিক্রম করে সৌদি আরবে প্রবেশের সময় আরও ১ হাজার ৬২৬ জনকে আটক করা হয়, যাদের সিংহভাগই ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক। একইসঙ্গে অবৈধভাবে দেশত্যাগের সময় ৩৩ জন এবং অপরাধীদের বিভিন্নভাবে সহায়তা বা আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।   স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে ৩০ হাজারের বেশি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং এর মধ্যে ১৩ হাজারের বেশি মানুষকে ইতোমধ্যে নিজ দেশে ডিপোর্ট বা ফেরত পাঠানো হয়েছে। অবৈধ অভিবাসীদের যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি, এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ড বা অপরাধ চোখে পড়লে তা দ্রুত পুলিশকে গোপনে জানানোর জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।   সূত্র: গালফ নিউজ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১১:২৮
ফ্রান্সে প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট প্রাপ্তি সহজ ও দ্রুত করতে বিশেষ কনস্যুলার কার্যক্রম শুরু করেছে প্যারিস দূতাবাস। ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সে প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট সেবা সহজ করতে প্যারিস দূতাবাসের বিশেষ উদ্যোগ, সহায়তায় প্রবাসী কমিউনিটি

বেঙ্গালুরুতে বহুতল ভবনের চূড়ায় হোয়াইট হাউসের আদলে রাজপ্রাসাদ বানিয়েও থাকতে পারলেন না বিজয় মালিয়া। ছবি: সংগৃহীত

ভবনের ছাদে হোয়াইট হাউসের আদলে প্রাসাদ বানিয়েও একদিনও থাকা হলো না ভারতীয় ধনকুবেরের

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে দীর্ঘ ২৪১ দিন অবস্থান শেষে কাজাখস্তানে নিরাপদে অবতরণ করলেন তিন মহাকাশচারী। ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে দীর্ঘ ২৪১ দিন কাটিয়ে পৃথিবীতে ফিরলেন নাসার মহাকাশচারী ও দুই রুশ নভোচারী

বার্লিনে এলজিবিটিকিউ প্রাইড (ক্রিস্টোফার স্ট্রিট ডে) উদ্‌যাপনের সময় জনতার ভিড়ে একটি গাড়ি ঢুকে পড়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ ও জরুরি উদ্ধারকর্মীদের তৎপরতা। ছবি: রয়টার্স/এপি/সংগৃহীত।
বার্লিনে প্রাইড উৎসবে ভয়াবহ গাড়ি হামলা, নিহত ১ ও আহত বহুজন

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে বার্ষিক ক্রিস্টোফার স্ট্রিট ডে (সিএসডি) বা এলজিবিটিকিউ প্রাইড উদ্‌যাপনের সময় একটি গাড়ি জনতার ভিড়ে ঢুকে পড়লে অন্তত একজন নিহত এবং অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি ঘটার পরপরই উৎসবের বাকি কার্যক্রম বাতিল করা হয় এবং পুরো এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।   পুলিশ জানায়, হামলার পর চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বার্লিনজুড়ে বড় ধরনের অভিযান শুরু হয়েছে। তদন্তকারীরা একজন ২১ বছর বয়সী সন্দেহভাজনের পরিচয় শনাক্ত করেছেন। তিনি সশস্ত্র ও বিপজ্জনক হতে পারেন বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি তদন্তকারীরা।   হামলাটি বার্লিনের টিয়ারগার্টেন এলাকা ও ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের কাছে ঘটে, যেখানে ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ এলজিবিটিকিউ সমাবেশে কয়েক লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পর জরুরি সেবা কর্মীরা দ্রুত আহতদের হাসপাতালে পাঠান এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ।   জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ ম্যারৎস এবং বার্লিনের মেয়র কাই ভেগনার ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি স্বাধীনতা, বৈচিত্র্য এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর আঘাত। অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তারা।   পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও পেছনের কারণ উদ্‌ঘাটনে কাজ করছেন তদন্তকারীরা। 

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ৫:২৩
টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের মুকুট জিতল ডেনমার্কের কোপেনহেগেন

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের মুকুট জিতল ডেনমার্কের কোপেনহেগেন

কানাডায় প্রেমিকের হাতে খু ন ২৩ বছরের ভারতীয় তরুণী

কানাডায় প্রেমিকের হাতে খু ন ২৩ বছরের ভারতীয় তরুণী, শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রেমিক

দক্ষিণ চীনে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘নোল’, নিরাপদ আশ্রয়ে ৩ লাখ ৪০ হাজার মানুষ, বাতিল ১৫০ ফ্লাইট

দক্ষিণ চীনে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘নোল’, নিরাপদ আশ্রয়ে ৩ লাখ ৪০ হাজার মানুষ, বাতিল ১৫০ ফ্লাইট

0 Comments