বিপিসি

ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রাশিয়া থেকে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য বা তেল আমদানির জন্য বাংলাদেশকে ৬০ দিনের বিশেষ অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ সম্প্রতি এই ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। ১১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই ছাড়ের মেয়াদ আগামী ৯ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।   এর আগে গত ১২ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র ৩০ দিনের জন্য একটি সাময়িক ছাড় দিয়েছিল। তবে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতের মতো বাংলাদেশকেও দীর্ঘমেয়াদী ছাড় দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল সরকার। এরই প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশি কূটনীতিকদের তৎপরতায় এবার ৬০ দিনের অনুমতি মিলল। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাশিয়ার নির্দিষ্ট কিছু তেল কোম্পানির তালিকাও দেওয়া হয়েছে, যাদের কাছ থেকে বাংলাদেশ তেল সংগ্রহ করতে পারবে।   জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানিয়েছে, রাশিয়া থেকে এমন ধরনের অপরিশোধিত তেল আমদানির চেষ্টা চলছে যা দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব। বর্তমানে এই রিফাইনারি সৌদি আরব ও কুয়েতের তেলের ওপর নির্ভরশীল। রাশিয়ার বিশেষ ধরনের হালকা অপরিশোধিত তেল না পাওয়া গেলে বিকল্প হিসেবে তৃতীয় কোনো দেশে তা শোধন করে আনার পরিকল্পনাও রাখা হয়েছে।   উল্লেখ্য, সম্প্রতি ওয়াশিংটনে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জ্বালানি সহযোগিতা ও বাণিজ্যের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এই ছাড়ের ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
চালু হলো ‘ফুয়েল পাস’, তেল নিতে হলে জেনে নিন নিবন্ধনের নিয়ম

জ্বালানি তেল বিতরণে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর দুটি ফিলিং স্টেশনে চালু হয়েছে অ্যাপভিত্তিক ডিজিটাল সিস্টেম ‘ফুয়েল পাস’। আপাতত এই সুবিধা শুধু মোটরসাইকেল চালকদের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও, শীঘ্রই এটি সারাদেশে সব ধরনের যানবাহনের জন্য বাধ্যতামূলক হতে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে যেখানে মিলবে এই সুবিধা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এই পাইলট প্রকল্পটি বর্তমানে ঢাকার দুটি স্টেশনে কার্যকর করা হয়েছে: তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন ও আসাদগেটের সোনার বাংলা ফুয়েল স্টেশন। এই দুই স্টেশনে সফলতার পর পুরো দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে এই ডিজিটাল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। এই সিস্টেমটি সরাসরি বিআরটিএ (BRTA)-এর কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকবে। ডিজিটাল এই ব্যবস্থায় প্রতিটি নিবন্ধিত চালকের জন্য একটি নির্দিষ্ট কিউআর কোড (QR Code) থাকবে। ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার সময় এই কোড স্ক্যান করলেই বরাদ্দ অনুযায়ী জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে। এর ফলে একদিকে যেমন তেল চুরির ভয় থাকবে না, অন্যদিকে সরকার কেন্দ্রীয়ভাবে পুরো দেশের জ্বালানি চাহিদা ও সরবরাহ পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। নিবন্ধন করার সহজ ধাপসমূহ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে-স্টোর থেকে ‘Fuel Pass’ অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন। এছাড়া যাদের স্মার্টফোন নেই, তারা সরাসরি fuelpass.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে নিবন্ধন করে কিউআর কোডটি প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। নিবন্ধনের প্রক্রিয়া: ১. ওয়েবসাইটে বা অ্যাপে গিয়ে মোবাইল নম্বর দিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করুন। ২. মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করুন। ৩. একটি পাসওয়ার্ড সেট করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করুন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), গাড়ির ব্লু-বুক বা স্মার্ট কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, সচল ফোন নম্বর ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়া থেকে বন্দরে আসছে ২৬ হাজার টন অকটেন; জ্বালানি খালাসে ব্যস্ত চট্টগ্রাম

মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। বুধবার (৭ এপ্রিল) মার্শাল আইসল্যান্ডের পতাকাবাহী এই জাহাজটি বন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে এই প্রথম কোনো অকটেনবাহী জাহাজ বন্দরে আসছে।   এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে চারটি জাহাজ থেকে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি খালাসের কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে আসা ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ নামক জাহাজের খালাস কার্যক্রম মঙ্গলবারই শেষ হয়েছে। এর পাশাপাশি চীন থেকে এলপিজি নিয়ে আসা ‘গ্যাস জার্নি’ নামক জাহাজের খালাস বর্তমানে চলমান রয়েছে, যা বুধবার নাগাদ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)।   বন্দর সূত্র আরও জানায়, গত ৩১ মার্চ ভারত থেকে আসা ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ নামক জাহাজটি থেকে ভাটিয়ারিতে এলপিজি খালাস করা হচ্ছে। বর্তমানে অকটেনবাহী ‘সেন্ট্রাল স্টার’ এবং এলপিজিবাহী ‘মর্নিং জেইন’ জাহাজ দুটি বন্দরের জলসীমায় অবস্থান করছে। এই জাহাজগুলো সিরিয়াল অনুযায়ী জেটিতে ভিড়বে এবং পণ্য খালাস শুরু করবে।   চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, মঙ্গলবার জ্বালানিবাহী মোট পাঁচটি জাহাজ বন্দর এবং বন্দরের পথে অবস্থান করছিল। এর মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে আসা ‘মর্নিং জেইন’ জাহাজটি আগামী শুক্রবার বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এসব জাহাজের দ্রুত খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিশেষ তদারকি করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে জাহাজ

মালয়েশিয়া থেকে পরিশোধিত অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের জাহাজটি আগামী বুধবার বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।   জানা গেছে, বাংলাদেশ সময় সোমবার দিবাগত রাতে জাহাজটির অবস্থান আন্দামান সাগরে ছিল। এর আগে গত ৩ এপ্রিল মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী এই জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে।   Bangladesh Petroleum Corporation (বিপিসি) জানিয়েছে, জাহাজটিতে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার মধ্যেও দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এদিকে, এলপিজি ও এলএনজি নিয়ে আরও দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। এর মধ্যে নাইজেরিয়া থেকে আসা ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজে রয়েছে এলএনজি এবং চীন থেকে আসা ‘গ্যাস জার্নি’ জাহাজে রয়েছে এলপিজি। খালাস কার্যক্রম শেষে জাহাজ দুটি বুধবার বন্দর ত্যাগ করবে বলে জানা গেছে।   চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, বর্তমানে বন্দরের জলসীমায় একাধিক জাহাজ অবস্থান করছে এবং চারটি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাসের কাজ চলছে।   এর আগে ৩১ মার্চ ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ নামে একটি জাহাজ এবং ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে ‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ নামে আরেকটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ জাহাজ থেকে ভাটিয়ারিতে এলপিজি খালাস করা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
এক লাখ টন ডিজেল, দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার | ফাইল ছবি
জরুরি ভিত্তিতে ডিজেল ও এলএনজি কিনছে সরকার; ব্যয় হবে ২,২৪৯ কোটি টাকা

দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল এবং দুই কার্গো এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শনিবার (৪ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটায় রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এই জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কাজাখস্তানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান 'কাজাখ গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপি' থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানিতে ব্যয় হবে প্রায় ৬৮৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা। প্রতি ব্যারেল ডিজেলের মূল্য ধরা হয়েছে ৭৫.০৬ ডলার। এছাড়া সিঙ্গাপুরের 'আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড' থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানিতে খরচ হবে প্রায় ১,৫৬০ কোটি টাকা। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির মূল্য ১৯ ডলারের কিছু বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে।   জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হওয়া ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের নিয়মিত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো 'ফোর্স মেজর' ঘোষণা করে ডিজেল পাঠাতে অপারগতা জানায়। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি আমদানির এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   চুক্তি অনুযায়ী, আমদানিতব্য ডিজেল জর্জিয়ার বাটুমি বন্দর থেকে লোড হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস করা হবে। কাজাখস্তানের এই প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত দর আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় সাশ্রয়ী বলে মূল্যায়ন কমিটি জানিয়েছে। তবে এলএনজি ও ডিজেলের এই চূড়ান্ত মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা ও বিনিময় হারের ওপর নির্ভর করে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। সরকার আশা করছে, এই আমদানির ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
দেশের পাম্পগুলোতে গ্রাহকদের দীর্ঘ সারি | ছবি: রয়টার্স
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এবার আফ্রিকার দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও বিশ্ববাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় আমদানির উৎস বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে আফ্রিকার দেশগুলো থেকে পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। স্বাধীনতার পর গত ৫৫ বছরে আফ্রিকার কোনো দেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানি না করলেও, বর্তমান সংকট নিরসনে নাইজেরিয়া, আলজেরিয়া ও মরক্কোর মতো দেশগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে তেলের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সম্প্রতি নাইজেরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিয়াহ মো. মাইনুল কবির দেশটির পেট্রোলিয়াম প্রতিমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করে এই প্রস্তাব পেশ করেন।   ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়েছে, তার বিকল্প খুঁজতেই এই তৎপরতা। বর্তমানে সৌদি আরব, আরব আমিরাত ও কুয়েতের মতো দেশগুলো বাংলাদেশের প্রধান সরবরাহকারী হলেও সরকার এখন দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার কথা ভাবছে। আফ্রিকার ৯টি কূটনৈতিক মিশনে ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আলোচনার নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও আফ্রিকার মিশনগুলোর প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের জুম মিটিং হওয়ার কথা রয়েছে।   আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে নাইজেরিয়া, লিবিয়া, অ্যাঙ্গোলা এবং আলজেরিয়া দৈনিক বিপুল পরিমাণ তেল উৎপাদন করে। তবে এই অঞ্চলে ফ্রান্স, ইতালি ও চীনের মতো বড় বিনিয়োগকারীদের আধিপত্য থাকায় সেখান থেকে তেল নিশ্চিত করা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। সম্প্রতি ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির আলজেরিয়া সফরও প্রমাণ করে যে, ইউরোপীয় দেশগুলোও এখন আফ্রিকার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়াচ্ছে।   আন্তর্জাতিক এই অস্থিরতার মাঝেও দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে কোনো জ্বালানি ঘাটতি নেই এবং সরবরাহ ব্যবস্থা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত। তবে আমদানিকৃত তেলের ওপর নির্ভরতা কমাতে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
সব পেট্রোল পাম্পে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দিচ্ছে সরকার

দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করতে একজন করে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দেওয়া হবে। শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসাররা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) নির্ধারিত নিয়মে কাজ করবেন। পাম্পের প্রতিদিনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে তারা নিয়মিত প্রতিবেদন জমা দেবেন। বিপিসি সরাসরি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার পাম্পগুলোতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের বিষয়টি দেখভাল করবে। এছাড়া দেশের অন্যান্য জেলা ও বিভাগীয় শহরে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) প্রতিটি পাম্পের জন্য একজন করে সরকারি কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেবেন। এদিকে পৃথক এক বার্তায় মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো একটি চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল না কেনার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কেউ যদি অবৈধভাবে তেল মজুদ করার চেষ্টা করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে নিয়মিত জ্বালানি তেল ক্রয় প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলেও আশ্বস্ত করেছে মন্ত্রণালয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তি: ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে দেশে এলো নতুন জাহাজ

বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে জ্বালানি সরবরাহে চাপের সময় ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজটি এই চালান নিয়ে আসে।   বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, চীনের প্রতিষ্ঠান ইউনিপেকের সঙ্গে চুক্তির আওতায় এই জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সরবরাহ অনিশ্চয়তার মধ্যে এই চালান কিছুটা স্বস্তি এনে দেবে।   বিপিসি জানায়, আমদানি করা ডিজেল পরিবহন ও শিল্প খাতে ব্যবহৃত হবে। অন্যদিকে জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হবে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ বিলম্বের কারণে সম্প্রতি জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে।   এ মাসে মোট ১৭টি জাহাজে জ্বালানি আসার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এসেছে ৯টি। বাকি কয়েকটি জাহাজের সূচি এখনও অনিশ্চিত রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী জাহাজটি দেশে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে জ্বালানির বড় কোনো সংকট নেই। পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।   বিপিসি সাধারণত সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানি করে থাকে। দেশে বছরে প্রায় ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর একটি অংশ অপরিশোধিত তেল, যা মূলত সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে; বাকিটা পরিশোধিত অবস্থায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।   দেশে জ্বালানি ব্যবহারের বড় অংশই ডিজেলনির্ভর। কৃষি সেচ, পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর ব্যবহার বেশি হওয়ায় সরবরাহে সামান্য ঘাটতিও দ্রুত প্রভাব ফেলে। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৩ দিনের ডিজেল ও ২৫ দিনের জেট ফুয়েলের মজুত রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ভারত থেকে পাইপলাইনে দেশে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশে আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে। এটি সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।   বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিপিসি সূত্র জানায়, পাইপলাইনের মাধ্যমে এই প্রথম চালান দেশে পৌঁছানো শুরু হয়েছে এবং এটি জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখা এবং সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।   সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি করার ফলে পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে। এর আগে, গত রবিবার অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ-ভারত পাইপলাইন ব্যবহার করে আগামী চার মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।   দেশে ডিজেলের মজুদ এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার জন্য সরকারের এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মজুদ ১ লাখ টনের বেশি, আরও ২.৮০ লাখ টন ডিজেল আসছে

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে চলমান উদ্বেগের মাঝে বড় ধরনের স্বস্তির বার্তা দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) কাছে ১ লাখ টনের বেশি ডিজেল মজুত রয়েছে। এর পাশাপাশি আরও ২.৮০ লাখ টন পরিশোধিত ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে, যার একটি বড় অংশ ইতিমধ্যে দেশে পৌঁছাতে শুরু করেছে। শনিবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অপারেশন উইংয়ের প্রধান মনির হোসেন চৌধুরী জানান, দেশে প্রতি মাসে ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৩.৮০ লাখ টন। নতুন করে আমদানিকৃত তেল ইতিমধ্যে সমুদ্রে এবং জাহাজীকরণ প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ফলে মার্চ মাসে ডিজেল সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। এছাড়া আরও ১ লাখ টন ডিজেল আমদানির বিষয়টি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। জ্বালানি বিভাগের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বাজারে বর্তমানে যে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে তা মূলত 'প্যানিক বায়িং' বা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত ক্রয়ের ফল। বিশেষ করে বাইকারদের অযথা ভিড় কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে বলে মনে করছে বিভাগটি। সাধারণ মানুষ যদি প্রয়োজন অনুযায়ী তেল কেনেন, তবে পাম্পগুলোতে কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হবে না। অন্যদিকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতের জন্যও রয়েছে আশার খবর। সিঙ্গাপুর থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানি নিশ্চিত হওয়ায় গ্যাস সংকট দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে নভেম্বর পর্যন্ত পর্যাপ্ত সার মজুত থাকায় সার কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে, যা জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ ঠিক রাখতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও ৫০ দিনের চাহিদার সমপরিমাণ ফার্নেস অয়েল মজুত রয়েছে, যা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ৮, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Top week

ছবি: আমেরিকা বাংলা
আমেরিকা

১৭ কোটি টাকার বৃত্তি নিয়ে হার্ভার্ডে অনন্যা, মিশিগানে বাঙালি কমিউনিটিতে উচ্ছ্বাস

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ১১, ২০২৬ 0