দেশে মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই তথ্য জানিয়েছে। আজ বিকেল ৪টা থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হবে। বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সূত্র: বাজুস
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সবশেষ ভরিতে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ওইদিন বিকেল থেকেই কার্যকর হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় বিক্রি হবে। আজ সোমবারও (২৩ মার্চ) নির্ধারিত এই দামেই বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা চলছে। বাজুস জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় চাহিদার কথা মাথায় রেখে তারা নিয়মিত এই সমন্বয় করছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৯ বার কমানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালেও দেশের বাজারে রেকর্ড ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ঈদের আগে স্বর্ণের এই বড় দরপতন সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বিশেষ সুযোগ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রলয়ঙ্করী প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। সোমবার (২৩ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম একদিনেই ২ শতাংশের বেশি কমে চার মাসের সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পট গোল্ডের দাম ২.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৩৭২.৮৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়ে টানা নবম দিনের মতো মূল্যবান এই ধাতুটির দরপতন ঘটল, যেখানে গত এক সপ্তাহেই দাম কমেছে ১০ শতাংশের বেশি। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ বাড়ছে। এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে, যা বিনিয়োগকারীদের স্বর্ণের চেয়ে অন্যান্য খাতে আগ্রহী করে তুলছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাল্টা জবাবে ইরানও উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এহেন উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা মূল্যস্ফীতির চাপকে আরও ত্বরান্বিত করছে। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। রুপার দাম ৩.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫.৬১ ডলারে এবং প্লাটিনামের দাম ২.৯ শতাংশ কমে ১,৮৬৬.৬৫ ডলারে নেমেছে। প্যালাডিয়ামের দামও ০.৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এশিয়ার শেয়ারবাজারে অস্থিরতা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে স্বর্ণের বাজারে এই দরপতন ও অনিশ্চয়তা আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো মূল্যবান এই ধাতুর দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। নতুন দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দামে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা কিনতে খরচ পড়বে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা। সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের দাম ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সময় অনুযায়ী স্বর্ণ ও রুপার দাম সমন্বয় করা হয়ে থাকে।
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা। বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। নতুন নির্ধারিত মূল্য বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং শুক্রবার (৬ মার্চ) পর্যন্ত একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বর্ণের নতুন দাম ২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২,৬৮,২১৪ টাকা ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২,৫৬,০২৫ টাকা ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২,১৯,৪৫৮ টাকা সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১,৭৯,১৫৯ টাকা বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে। স্বর্ণের পাশাপাশি কমেছে রুপার দামও। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিতে ৬৪১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা। রুপার নতুন দাম ২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ৬,৫৩২ টাকা ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ৬,২৪০ টাকা ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ৫,৩৬৫ টাকা সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ৪,০২৪ টাকা বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব এবং স্থানীয় কাঁচামালের দামের পরিবর্তনের কারণে স্বর্ণ ও রুপার দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। এর প্রভাবে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। তবে শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নীতিকে ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে দাম বাড়ার গতি কিছুটা সীমিত রয়েছে। খবর রয়টার্স। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫,১৬৮ দশমিক ৪৩ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারসের দাম দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৫,১৭৯ দশমিক ২০ ডলারে দাঁড়ায়। এদিকে বৃহস্পতিবার ইরানের রাজধানী তেহরানে বড় ধরনের হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় ইরানি কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। পাল্টা জবাবে ইরানও ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানা গেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটাল ইকোনমিক্সের পণ্যবাজার বিশ্লেষক হামাদ হুসেইন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত তীব্র হলে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকতে পারেন। তবে দীর্ঘ সময় জ্বালানি পণ্যের উচ্চমূল্য বজায় থাকলে সুদের হার কমার সম্ভাবনা কমে যেতে পারে। এতে স্বর্ণের দামের বড় ধরনের উত্থান সীমিত থাকতে পারে। বিশ্ববাজারে অস্থিরতার প্রভাবে মার্কিন ডলারের মানও বেড়েছে। তিন মাসের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কিছুটা নেমে এলেও বৃহস্পতিবার ডলার সূচক প্রায় দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বাড়ছে, যা মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে। সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে সুদের হার বেশি থাকলে স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রবণতা কম থাকে, কারণ এটি সুদবিহীন সম্পদ। এদিকে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাবেক ফেডারেল রিজার্ভ গভর্নর কেভিন ওয়ারশকে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। একই দিন ফেডারেল রিজার্ভের প্রকাশিত ‘বেইজ বুক’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে পণ্যের দাম বাড়ছে এবং শ্রমবাজার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী ১৮ মার্চের বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে। এ তথ্য জানিয়েছে সিএমই গ্রুপের ফেডওয়াচ টুল। এদিকে বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক বেকার ভাতা দাবির তথ্য এবং ফেব্রুয়ারির কর্মসংস্থান প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করছেন। এসব তথ্য চলতি বছরে সুদের হার নীতির বিষয়ে নতুন ইঙ্গিত দিতে পারে। অন্যদিকে ধাতব বাজারে স্পট সিলভারের দাম দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮৩ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ২,১৭২ দশমিক ২০ ডলারে উঠেছে। তবে প্যালাডিয়ামের দাম দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১,৬৬২ দশমিক ৭ ডলারে নেমে এসেছে।
বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করে। এই দামেই শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
মুসলমানদের ওপর সামর্থ্য অনুযায়ী জাকাত প্রদান ফরজ। জাকাতের মূল হিসাব স্বর্ণ ও রূপার মূল্যকে কেন্দ্র করে নির্ধারণ করা হয়। কোনো মুসলমানের কাছে এক চন্দ্রবছর (হাওল) পূর্ণ হলে সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ, সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা এগুলোর সমমূল্যের নগদ অর্থ বা ব্যবসায়িক সম্পদ থাকলে তার ওপর জাকাত ফরজ হয়। বর্তমান সময়ে স্বর্ণ ও রূপার দাম নিয়মিত ওঠানামা করছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসলামিক স্কলারদের মতে, জাকাতের হিসাব করতে হবে হাওল পূর্ণ হওয়ার দিনের বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী। অর্থাৎ, যেদিন সম্পদের এক চন্দ্রবছর পূর্ণ হবে, সেদিনকার বাজারদর হিসাব করেই জাকাত নির্ধারণ করতে হবে। ক্রয়মূল্য বা আগের বিনিয়োগের মূল্য এ ক্ষেত্রে বিবেচ্য নয়। ব্যবসায়িক সম্পদের জাকাত হিসাবের ক্ষেত্রেও বর্তমান বাজারমূল্যই গ্রহণযোগ্য। অধিকাংশ ফিকহবিদের মতে, হাওল পূর্ণ হওয়ার দিনে ব্যবসায়িক পণ্যের মোট বাজারমূল্যের ওপর ২.৫ শতাংশ জাকাত আদায় করতে হবে। নগদ অর্থ না থাকলে স্বর্ণ, রূপা ও ব্যবসায়িক পণ্য একত্রে হিসাব করে নিসাব পরিমাণে পৌঁছালে জাকাত ফরজ হবে। কেবল নিসাব পরিমাণ স্বর্ণ থাকলে এবং নগদ অর্থ না থাকলে তাৎক্ষণিক জাকাত প্রদান বাধ্যতামূলক নয়। তবে ইচ্ছাকৃত বিলম্ব বা অবহেলা শারিয়াহসম্মত নয়। প্রয়োজনে স্বর্ণের অংশ বিক্রি করে বা পরবর্তীতে নগদ অর্থ হাতে এলে জাকাত আদায় করা যেতে পারে। জাকাত আদায়ের মূলনীতি হলো—সম্পদ নিসাব পরিমাণে পৌঁছানো, এক চন্দ্রবছর পূর্ণ হওয়া এবং হাওল পূর্ণ হওয়ার দিনের বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী সঠিক হিসাব করে সময়মতো জাকাত প্রদান করা।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।