সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ক্যালিফোর্নিয়ার লাইব্রেরিতে ১৮ বছরের বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ২

Unknown প্রকাশ: জুন ২৩, ২০২৬ ১৮:৮
ছবি: নিউইয়র্ক পোস্ট
ছবি: নিউইয়র্ক পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার চিকো শহরের একটি লাইব্রেরিতে গত সোমবার এক কিশোর বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত ৪৬ বছর বয়সী জ্যাকব হালের ভাই বেঞ্জামিন হেনেবেরি কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের কাছে সেদিনের ভয়ংকর ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, জ্যাকব সেদিন তার সাবেক প্রেমিকার মেয়েকে দেখাশোনা করছিলেন এবং তাকে নিয়ে লাইব্রেরিতে গিয়েছিলেন। বেঞ্জামিনের আক্ষেপ, তার ভাই সম্পূর্ণ ভুল সময়ে ভুল একটি জায়গায় উপস্থিত ছিলেন, যার খেসারত তাকে নিজের জীবন দিয়ে দিতে হয়েছে।

 

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের বরাত দিয়ে জানা যায়, ব্র্যাডলি স্কট সায়ার নামের ১৮ বছর বয়সী ওই হামলাকারী হঠাৎ করেই লাইব্রেরিতে প্রবেশ করে নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে। বেঞ্জামিন জানান, প্রবেশপথের কাছে থাকায় তার ভাই জ্যাকব সবার আগেই এই নির্মম বুলেটের শিকার হন। জ্যাকবকে হত্যার পর হামলাকারী ডেস্কে বসে থাকা ৭৪ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকেও গুলি করে হত্যা করে। এ সময় একটি শিশুও আহত হয়, যাকে পরবর্তীতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে সে আশঙ্কামুক্ত। সৌভাগ্যক্রমে জ্যাকবের সাথে থাকা তার সাবেক প্রেমিকার মেয়েটি এই ভয়াবহ হামলা থেকে সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় রক্ষা পায়।

 

তবে এই প্রাণহানির সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারত, যদি না লাইব্রেরির কর্মীরা অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিতেন। বুট কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি মাইক র‍্যামসি জানিয়েছেন, গুলির শব্দ শোনা মাত্রই কর্মীরা লাইব্রেরিতে উপস্থিত সাধারণ পাঠক ও শিশুদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন এবং দরজাগুলো ভেতর থেকে আটকে দেন। তাদের এই বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কারণেই সেদিন বড় ধরনের কোনো হত্যাযজ্ঞ ঘটেনি। অন্যদিকে, হামলাকারী সায়ার লাইব্রেরির পেছনের দরজা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। সম্প্রতি চিকো হাইস্কুল থেকে স্নাতক সম্পন্ন করা এই তরুণের বিরুদ্ধে বর্তমানে হত্যার দুটি অভিযোগ দায়ের করে তাকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।

 

নিহত ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বেঞ্জামিন বলেন, জ্যাকব অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন এবং প্রচুর বই পড়তেন। গত ২৪ ঘণ্টা ধরে নির্ঘুম এই ভাই বলেন, "আমি একবার কাঁদছি, আবার পরক্ষণেই শোকে পাথর হয়ে যাচ্ছি।" কেন তার ভাইকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলো, তা তিনি কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছেন না। তার ধারণা, এটি সম্পূর্ণ এলোপাতাড়ি একটি হামলা ছিল এবং হামলাকারী জ্যাকবকে আগে থেকে চিনত না। হামলাকারী সায়ারের প্রতি কোনো ক্ষোভ প্রকাশ না করে একরাশ হতাশা নিয়ে বেঞ্জামিন শুধু বলেন, "ছেলেটির দিকে তাকিয়ে আমার ভেতরে কোনো অনুভূতিই কাজ করেনি। সে অযথাই নিজের জীবনটা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিল। কী এক অর্থহীন অপচয়!"


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক।   হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।   গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে নতুন বন্ধুত্ব তৈরি ও তা ধরে রাখার প্রবণতা দিন দিন কমছে। ছবি: সংগৃহীত
এক বছরেও নতুন বন্ধু তৈরি করেননি যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেকের বেশি মানুষ, বাড়ছে একাকিত্ব

যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি ও ধরে রাখার প্রবণতা কমছে। নতুন এক জরিপে দেখা গেছে, দেশটির অর্ধেকের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক গত এক বছরে একজন নতুন বন্ধুও তৈরি করতে পারেননি। গবেষকেরা এই পরিস্থিতিকে ‘ফ্রেন্ডশিপ রিসেশন’ বা বন্ধুত্বের মন্দা হিসেবে বর্ণনা করছেন। সামাজিক যোগাযোগের সুযোগ কমে যাওয়া, ব্যস্ত জীবনযাপন এবং কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তনের কারণে মানুষের মধ্যে নতুন সম্পর্ক তৈরির প্রবণতা কমছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাম্বলের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, গত এক বছরে ৫২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নতুন কোনো বন্ধু তৈরি করতে পারেননি। ইউরোপে পরিচালিত ২০২৫ সালের একই জরিপে দেখা গেছে, ৬০ শতাংশ মানুষ নতুন বন্ধু তৈরি করতে চাইলেও তাঁদের ৫২ শতাংশের সেই অভিজ্ঞতা হয়নি।   যুক্তরাষ্ট্রে গত তিন দশকে ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সার্ভে সেন্টার অন আমেরিকান লাইফের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে ১২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক জানিয়েছেন, তাঁদের এমন কেউ নেই যাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলতে পারেন। ১৯৯০ সালে এই হার ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। অর্থাৎ তিন দশকে এমন মানুষের সংখ্যা চার গুণ হয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, শৈশব বা শিক্ষাজীবনের তুলনায় প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় বন্ধুত্ব তৈরি করা অনেক বেশি কঠিন। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির পর দূরবর্তী কর্মব্যবস্থা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভরতা এবং ব্যস্ত কর্মজীবনের কারণে মানুষের সরাসরি মেলামেশার সুযোগ কমেছে।   এই পরিস্থিতিতে একাকিত্ব কাটাতে কেউ কেউ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবটের সাহায্য নিচ্ছেন। বর্তমানে বিভিন্ন এআই অ্যাপ নিজেদের কথোপকথনের সঙ্গী এবং আবেগগত সহায়তাকারী হিসেবে তুলে ধরছে। সব সময় ব্যবহার করা যায় এবং সহজে কথা বলা যায়—এমন সুবিধার কারণে কিছু মানুষের কাছে এআই সঙ্গী হয়ে উঠছে।   ম্যানহাটন মেন্টাল হেলথের মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ স্টিভেন বুচওয়াল্ড জানিয়েছেন, প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় নতুন বন্ধুত্ব তৈরি করা স্বাভাবিকভাবেই কঠিন। নিয়মিত একই মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়ার সুযোগ কমে গেলে সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হয়।   একাকিত্ব শুধু মানসিক অস্বস্তির বিষয় নয়, এর শারীরিক স্বাস্থ্যগত প্রভাবও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সার্জন জেনারেল সামাজিক বিচ্ছিন্নতাকে জনস্বাস্থ্যের সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শক্তিশালী সামাজিক সম্পর্ক না থাকলে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি ৬০ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে।   বিশেষজ্ঞ বুচওয়াল্ডের মতে, দীর্ঘস্থায়ী একাকিত্বের কারণে মানসিক চাপ, ঘুমের সমস্যা এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, একাকিত্বের সময় শরীরে কর্টিসল নামের স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়ে। এর ফলে ঘুমের ব্যাঘাত, শরীরে প্রদাহ এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।   এ ছাড়া বিভিন্ন গবেষণায় সামাজিক বিচ্ছিন্নতার সঙ্গে বিষণ্নতা, উদ্বেগ, হৃদ্‌রোগ এবং স্মৃতিভ্রংশের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। একটি সমন্বিত গবেষণায় দীর্ঘস্থায়ী একাকিত্বের কারণে মৃত্যুঝুঁকির প্রভাবকে প্রতিদিন ১৫টি সিগারেট ধূমপানের সমতুল্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।   একাকিত্বের সমস্যা শুধু সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ব্যস্ত কর্মজীবন, পারিবারিক দায়িত্ব এবং নিয়মিত কাজের চাপের মধ্যেও অনেক মানুষ নিজেকে একা অনুভব করছেন। এএআরপির গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের সামাজিক যোগাযোগের পরিধি ছোট হয়ে আসছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, দূরবর্তী কর্মব্যবস্থার কারণে অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে স্বাভাবিক কথাবার্তা ও পরিচিত হওয়ার সুযোগ কমেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক মানুষের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তা সব সময় বাস্তব বন্ধুত্বের বিকল্প হয়ে উঠতে পারছে না।   স্টিভেন বুচওয়াল্ড বলেন, নতুন সম্পর্ক তৈরি ও ধরে রাখতে যে সময় ও প্রচেষ্টা প্রয়োজন, অনেক মানুষ সেটিকে গুরুত্ব দেন না। করোনাভাইরাস মহামারি এই পরিস্থিতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নিয়মিত অফিসে মধ্যাহ্নভোজ, শখের সংগঠন কিংবা সাপ্তাহিক ব্যায়ামের মতো সামাজিক কার্যক্রম কমে যাওয়ায় মানুষের পরিচিতির পরিধিও সংকুচিত হয়েছে।   তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়লেও নতুন বন্ধুত্ব তৈরি করা সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন নিয়মিত যোগাযোগ ও সচেতন উদ্যোগ। ব্যায়ামের ক্লাস, শখের সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ কিংবা বন্ধুত্ব তৈরির অ্যাপের মাধ্যমে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।   বন্ধুত্ব তৈরির ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজকেও কার্যকর মাধ্যম হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। আশ্রয়কেন্দ্রে খাবার পরিবেশন, এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম কিংবা স্থানীয় অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার মাধ্যমে একই ধরনের আগ্রহ ও মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া যায়।   এদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে সংখ্যার চেয়ে সম্পর্কের গভীরতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অনেক পরিচিত মানুষের পরিবর্তে এক বা দুটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও মানসিক চাপ কমাতে এবং জীবনযাত্রার সন্তুষ্টি বাড়াতে পারে। জার্নাল অব হ্যাপিনেস স্টাডিজে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা অল্প কয়েকটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়েছেন, তাঁদের জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি বেশি এবং মানসিক চাপ তুলনামূলক কম ছিল।   এ কারণে মনোবিদেরা নতুন অনেক বন্ধুর পেছনে ছোটার পরিবর্তে আগে থেকে থাকা একটি বা দুটি সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার পরামর্শ দিচ্ছেন। নিয়মিত ফোন করা, একসঙ্গে কফি পান করার পরিকল্পনা কিংবা পুরোনো বন্ধুর খোঁজ নেওয়ার মতো ছোট উদ্যোগও সম্পর্ক ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে।   বন্ধুত্বের এই সংকটের মধ্যে ‘স্লো ফ্রেন্ডশিপ’ বা ধীরগতির বন্ধুত্ব ধারণাটিও জনপ্রিয় হচ্ছে। এর মূল ভাবনা হলো, অল্প সময়ে অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পরিবর্তে একই কয়েকজনের সঙ্গে নিয়মিত সময় কাটিয়ে গভীর সম্পর্ক তৈরি করা।   প্রতিবেদনে এক নারীর অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে, যিনি ভ্রমণের সময় একা খাবার খেতে গিয়ে নতুন বন্ধুত্বের সমস্যা নিয়ে কথা বলেছিলেন। দেশে ফিরে তিনি একটি বই পড়ার ক্লাবে যোগ দেন। প্রথম বৈঠকে অস্বস্তি বোধ করলেও নিয়মিত অংশ নিতে থাকেন। পরে সেই দলের নারীরাই তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে ওঠেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত দেখা করা, একই ধরনের আগ্রহের মানুষের সঙ্গে সময় কাটানো এবং ছোট ছোট যোগাযোগ বজায় রাখাই প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ উপায়।   সূত্র: বেকা ব্লন্ডের প্রতিবেদন

প্রকাশ: নভেম্বর ৮, ২০২৬ ১১:৫৩
পাঁচ রাজ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল পদে ডেমোক্র্যাটদের জয়, নতুন আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ট্রাম্প প্রশাসন

পাঁচ রাজ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল পদে ডেমোক্র্যাটদের জয়, নতুন আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ট্রাম্প প্রশাসন

বানান ভুল ধরিয়ে দেওয়ার পর এআই শিক্ষকের রেগে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল। ছবি: সংগৃহীত

‘সেভেনটিন’ বানান জানে না এআই শিক্ষক, ভুল ধরিয়ে দিতেই রাগে ফোন কেটে দিল!

যুক্তরাষ্ট্রের শিশু-কিশোরদের মধ্যে মানসিক চাপ ও একাকিত্বের সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবটের সাহায্য নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

বন্ধুর বদলে এআই চ্যাটবট, পড়াশোনার পাশাপাশি মানসিক সহায়তা নিচ্ছে ৫৭ শতাংশ শিশু

২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে এগিয়ে জন ওসফ, স্ট্র-পোলে তলানিতে কমলা হ্যারিস
২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে এগিয়ে জন ওসফ, স্ট্র-পোলে তলানিতে কমলা হ্যারিস

২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটদের এক সম্মেলনে আয়োজিত 'স্ট্র-পোল'-এ (Straw poll) বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন জর্জিয়ার সিনেটর জন ওসফ। অন্যদিকে, এই অনানুষ্ঠানিক ভোটাভুটিতে চরম ভরাডুবি হয়েছে সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের।   ওবামা প্রশাসনের সাবেক কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠিত গ্রুপ 'ক্রুকড মিডিয়া' আয়োজিত 'ক্রুকড কন' (Crooked Con) নামক এই প্রগতিশীল সম্মেলনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে প্রায় এক হাজার সক্রিয় ভোটারের এই জরিপে ওসফ ৩৮ শতাংশ সমর্থন পেয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছেন।   জরিপে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে 'স্কোয়াড' খ্যাত কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কোর্টেজ (১৭ শতাংশ) এবং সাবেক পরিবহনমন্ত্রী পিট বুটিগিগ (১৪ শতাংশ)। ইলিনয়ের গভর্নর জে.বি. প্রিটজকার, পেনসিলভানিয়ার জশ শাপিরো, কেন্টাকির অ্যান্ডি বেশিয়ার এবং ক্যালিফোর্নিয়ার গ্যাভিন নিউসমের মতো পরিচিত নেতারা এক অঙ্কের ঘরেই আটকে গেছেন।   তবে এই জরিপে সবচেয়ে বড় চমক ছিল কমলা হ্যারিসের অবস্থান। ২০২৪ সালের ডেমোক্র্যাট দলীয় এই প্রার্থী মাত্র শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ (০.৬%) সমর্থন পেয়ে মিশিগানের সিনেটর এলিসা স্লটকিনের সঙ্গে যৌথভাবে ১৬তম স্থানে রয়েছেন। অথচ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগের প্রায় প্রতিটি প্রাথমিক জরিপেই তিনি দুই অঙ্কের ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন।   যদিও জর্জিয়ার সিনেটর জন ওসফ গত মাসে তার সিনেট নির্বাচনের বিতর্কে সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে, ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াই করার কোনো ইচ্ছাই তার নেই; তিনি কেবল সিনেটর হিসেবেই তার পুরো মেয়াদ শেষ করতে চান। সম্প্রতি জর্জিয়ার মতো কঠিন অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক কলিন্সকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে তিনি নতুন করে পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন।   তার এই আকর্ষণীয় রাজনৈতিক সাফল্য এবং চমৎকার বাগ্মিতার কারণেই অনেকেই তাকে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন। মজার বিষয় হলো, এই প্রগতিশীল সম্মেলনে জয়ী হলেও ওসফ 'মেডিকেয়ার ফর অল', 'গ্রিন নিউ ডিল', ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) বিলুপ্ত করা এবং সুপ্রিম কোর্টের সম্প্রসারণের মতো বামপন্থী নীতিগুলোর প্রকাশ্য বিরোধিতা করে নিজেকে মধ্যপন্থীদের কাছাকাছি রেখেছেন।   যদিও এই স্ট্র-পোলটি কোনো বিজ্ঞানসম্মত জরিপ নয়, তবে এটি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কট্টর ও সক্রিয় ভোটারদের বর্তমান রাজনৈতিক চিন্তাধারার একটি বড় প্রতিফলন। তা সত্ত্বেও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে করা রিয়েলক্লিয়ারপলিটিক্স-এর (RealClearPolitics) সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের সর্বশেষ সমন্বিত জরিপে এখনও ২১.৮ শতাংশ সমর্থন নিয়ে এগিয়ে আছেন কমলা হ্যারিস। এরপরেই ১৩.৫ শতাংশ সমর্থন নিয়ে গ্যাভিন নিউসম দ্বিতীয় এবং ১০.৮ শতাংশ সমর্থন নিয়ে জন ওসফ পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছেন।

প্রকাশ: নভেম্বর ৮, ২০২৬ ১১:১৫
বিনা মূল্যে হাঁটু বা পিঠের ব্রেস দেওয়ার কথা বলে বয়স্ক নাগরিকদের মেডিকেয়ার নম্বর হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। ছবি: সংগৃহীত

বিনা মূল্যে হাঁটুর ব্রেস দেওয়ার কথা বলে মেডিকেয়ার নম্বর চুরি, পরে আসছে হাজার ডলারের ভুয়া বিল

নিউইয়র্কে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতিতে বাংলাদেশিদের পরিচালিত মসজিদের কার্যক্রম বন্ধ

নিউইয়র্কে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতিতে বাংলাদেশিদের পরিচালিত মসজিদের কার্যক্রম বন্ধ

আঘাতে ১০ বছরের পালিত  শিশুর মৃত্যু, অভিযুক্ত মায়ের বিরুদ্ধে আগেও নির্যাতনের অভিযোগ

আঘাতে ১০ বছরের পালিত শিশুর মৃত্যু, অভিযুক্ত মায়ের বিরুদ্ধে আগেও নির্যাতনের অভিযোগ

দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে মাত্র ১৭ বছর বয়সে কানাডায় পাড়ি জমিয়েছিলেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত
১৭ বছর বয়সে আড়াই হাজার কানাডিয়ান ডলার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান ইলন মাস্ক!

দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে মাত্র ১৭ বছর বয়সে কানাডায় পাড়ি জমান ইলন মাস্ক। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মন্ট্রিয়লে পৌঁছানোর সময় তাঁর কাছে ছিল আনুমানিক ২ হাজার ৫০০ কানাডিয়ান ডলার। সঙ্গে ছিল বই ও কাপড়ভর্তি দুটি ব্যাগ। নতুন দেশে স্থায়ীভাবে থাকার জায়গা কিংবা নিশ্চিত কোনো চাকরি ছিল না। প্রযুক্তি খাতে কাজ করার স্বপ্ন নিয়েই শুরু হয়েছিল তাঁর নতুন জীবনের সংগ্রাম।   যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাত, বিশেষ করে সিলিকন ভ্যালিতে কাজ করার আকাঙ্ক্ষা থেকেই প্রথমে কানাডায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মাস্ক। তাঁর মা কানাডায় জন্মগ্রহণ করায় দেশটির নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ ছিল। মন্ট্রিয়লে পৌঁছে প্রথম কয়েক দিন একটি যুব হোস্টেলে কাটান তিনি। এরপর প্রায় ১০০ ডলারের বাস টিকিট কিনে গ্রেহাউন্ডে চড়ে কানাডার বিভিন্ন এলাকায় যাত্রা শুরু করেন।   এরপর সাসকাচুয়ান প্রদেশের সুইফট কারেন্টে এক আত্মীয়ের গমের খামারে কাজ পান মাস্ক। সেখানে প্রায় ছয় সপ্তাহ ধরে শস্য রাখার গুদাম পরিষ্কার, সবজি বাগানের পরিচর্যা এবং খামারের বিভিন্ন কাজে যুক্ত ছিলেন। খামারে কাজ করার পাশাপাশি নিজের থাকার ও জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করতে বিভিন্ন ধরনের শ্রমসাধ্য কাজ করতে হয়েছে তাঁকে।   পরে ভ্যাঙ্কুভারে গিয়ে কাঠ কাটার কাজ শুরু করেন। একটি লাম্বার মিলে বয়লার পরিষ্কারের কাজও নেন তিনি। কাজটি ছিল অত্যন্ত কঠিন ও শারীরিকভাবে পরিশ্রমসাধ্য। সুরক্ষা পোশাক পরে সরু একটি সুড়ঙ্গ দিয়ে বয়লারের ভেতরে ঢুকে গরম বালি ও কাঠের গুঁড়া পরিষ্কার করতে হতো। ২০২০ সালে থার্ড রো টেসলা পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাস্ক জানান, ঘণ্টাপ্রতি ১৮ ডলার মজুরির এই কাজ তিনি প্রায় চার দিন করেছিলেন। নিজের জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি হিসেবে অভিজ্ঞতাটির কথা উল্লেখ করেন তিনি।   কানাডায় কয়েক বছর কাটানোর পর কিংস্টনের কুইন্স ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন মাস্ক। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ায় পদার্থবিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করেন। এরপর প্রযুক্তি ব্যবসায় যুক্ত হয়ে প্রতিষ্ঠা করেন জিপ২। পরবর্তী সময়ে স্পেসএক্স প্রতিষ্ঠা এবং টেসলার নেতৃত্বের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান তিনি।   দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে অল্প অর্থ নিয়ে নতুন দেশে যাত্রা শুরু করা সেই ১৭ বছর বয়সী তরুণের জীবনের শুরুর দিকের এই অভিজ্ঞতাগুলো তাঁর দীর্ঘ উদ্যোক্তা জীবনের উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হয়ে রয়েছে।   সূত্র: মুনশটস পডকাস্ট

প্রকাশ: নভেম্বর ৮, ২০২৬ ১০:৪৫
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর ট্রাম্পের নেতৃত্ব ও মাগা আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের নেতৃত্বেই আস্থা হারাচ্ছেন মাগা সমর্থকদের একাংশ, নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন

যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে সপরিবারে নিজ দেশ ইসরায়েলে স্থায়ীভাবে ফিরে যাচ্ছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ তারকা গ্যাল গ্যাডট। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলিদের পৃথিবী ছোট হয়ে আসছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে সপরিবারে দেশে ফিরছেন গ্যাল গ্যাডট

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অ্যারন লেভির পাঠানো একটি ইমেইলের জবাবে তাঁর স্টার্টআপে বিনিয়োগ করেছিলেন বিলিয়নিয়ার মার্ক কিউবান। ছবি: সংগৃহীত

২০ বছর বয়সে এক ইমেইলে পেলেন সাড়ে ৩ লাখ ডলার, গড়লেন ৪৬০ কোটি ডলারের কোম্পানি

0 Comments