আমেরিকা

মিশিগানের একটি মসজিদে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলার হুমকি

মিশিগান প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ৩, ২০২৬ ২২:৭
ম্যাডিসন হাইটসের মসজিদে হুমকির ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হুমকির অভিযোগে মামলা করেছে ওকল্যান্ড কাউন্টি প্রসিকিউটরের দপ্তর। ছবি: সংগৃহীত
ম্যাডিসন হাইটসের মসজিদে হুমকির ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হুমকির অভিযোগে মামলা করেছে ওকল্যান্ড কাউন্টি প্রসিকিউটরের দপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

মিশিগানের ম্যাডিসন হাইটসে একটি মসজিদে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ৩৫ বছর বয়সী এক গৃহহীন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হুমকি ও কম্পিউটার ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ঘটনাটিকে ধর্মীয় বিদ্বেষপ্রসূত হুমকির উদ্বেগজনক উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়, ধর্মীয় নেতারা এবং ওকল্যান্ড কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয়।

 

ওকল্যান্ড কাউন্টি প্রসিকিউটরের দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ক্রিস্টোফার লর্ডের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হুমকির মিথ্যা অভিযোগ (False Threat of Terrorism) এবং কম্পিউটার ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তার সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। আদালত তার জামিন ৫ লাখ ডলার নগদে নির্ধারণ করেছেন।

 

তদন্তে জানা গেছে, গত ২৮ জুন বিকেলে ম্যাডিসন হাইটসের আমেরিকান ইসলামিক কমিউনিটি সেন্টার-এর ভয়েসমেইলে একাধিক হুমকিমূলক বার্তা রেখে যায় অভিযুক্ত। সেখানে মসজিদের সদস্যদের হত্যার হুমকি, মুসলিমদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি এবং সহিংসতার ভাষা ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ।

 

ঘটনার পর মিশিগানের মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরা এবং ইমামস কাউন্সিল অব মিশিগান এক সংবাদ সম্মেলনে এ ধরনের হুমকির তীব্র নিন্দা জানান।

ইমামস কাউন্সিল অব মিশিগানের সহসভাপতি স্টিভ মুস্তাফা এলতুর্ক বলেন, মুসলিমদের বিরুদ্ধে এ ধরনের হুমকি নতুন নয়। তবে ২০২৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসলামবিদ্বেষমূলক ঘটনাগুলো আরও বেড়েছে বলে তাদের পর্যবেক্ষণ।

 

ডিয়ারবর্ন হাইটসের ইসলামিক হাউস অব উইজডম-এর প্রতিষ্ঠাতা ইমাম মোহাম্মদ আলী এলাহী বলেন, ইসলামবিদ্বেষ বহুদিন ধরেই সমাজে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

ধর্মীয় নেতারা জানান, চলতি বছরে মিশিগানে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও বিদ্বেষমূলক ঘটনার সংখ্যা তাদের নথিভুক্ত ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে উপাসনালয়গুলোকে লক্ষ্য করে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা বেড়েছে।

 

ধর্মীয় অধিকারকর্মী সাইয়েদ নাজাহ আল-হুসাইনি বলেন, এটি শুধু একটি মসজিদের বিরুদ্ধে হুমকি নয়, বরং সব ধর্মের মানুষের নিরাপদে উপাসনার অধিকারের ওপর আঘাত। তার ভাষায়, গির্জা, সিনাগগ, মন্দির কিংবা মসজিদ, সব উপাসনালয়ই নিরাপদ থাকা উচিত।

 

সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া বক্তারা অভিযোগ করেন, মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক ঘটনার ক্ষেত্রে প্রায়ই সমান গুরুত্ব দেওয়া হয় না। তাদের দাবি, অন্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক অপরাধ ঘটলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ফেডারেল সংস্থা দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানালেও ম্যাডিসন হাইটসের এই ঘটনার পর এখন পর্যন্ত এফবিআই বা যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেয়নি। এমনকি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এফবিআই মসজিদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগও করেনি বলে তারা দাবি করেন।

 

এমলাইভের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এফবিআই এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

ওকল্যান্ড কাউন্টির প্রসিকিউটর ক্যারেন ম্যাকডোনাল্ড বলেন, মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিরাপদে ধর্মীয় উপাসনা করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ব্যক্তিগত সংকট বা মাদকাসক্তির কারণ থাকলেও ধর্মীয় বিদ্বেষপ্রসূত হুমকি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, একই ব্যক্তি ট্রয় শহরের একটি রেস্তোরাঁর কর্মীকেও মদ্যপ অবস্থায় হুমকি দেওয়ার অভিযোগে পৃথক তদন্তের আওতায় রয়েছেন।

মিশিগান শাখার কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (CAIR-MI)-এর নির্বাহী পরিচালক ইমাম দাউদ ওয়ালিদ বলেন, উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে সহিংসতার হুমকিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত এবং এ ঘটনায় অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছে তাদের সংগঠন।

 

এ ধরনের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে মসজিদ, সিনাগগ ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা কিংবা হামলার হুমকির ঘটনা বেড়েছে বলে বিভিন্ন গবেষণা ও নিরাপত্তা সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

 

সূত্র: MLive, Oakland County Prosecutor's Office

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
নিউইয়র্কের স্কুলগুলোতে ২৫০টির বেশি ই হুদি বি দ্বেষী ঘটনার অভিযোগ
নিউইয়র্কের স্কুলগুলোতে ২৫০টির বেশি ই হুদি বি দ্বেষী ঘটনার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন শিক্ষকরা

ইউনাইটেড জিউইশ টিচার্স নামের একটি ইহুদি শিক্ষকদের সংগঠনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে যে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলগুলোতে অন্তত ২৫০টি ইহুদি বিদ্বেষী এবং ইসরায়েলবিরোধী ঘটনা ঘটেছে।   গত জানুয়ারিতে মেয়র জোহরান মামদানী এবং স্কুল চ্যান্সেলর কামার স্যামুয়েলসের কাছে পাঠানো এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, সিটিতে সামগ্রিক ঘৃণাত্মক অপরাধ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার অর্ধেকের বেশি ঘটনাই ইহুদি বিদ্বেষী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সংগঠনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই তথ্যগুলো ইহুদি শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত শত্রুতার একটি স্থায়ী প্রবণতা প্রকাশ করে।   নথিবদ্ধ ঘটনার বেশিরভাগ জুড়েই রয়েছে সরাসরি হয়রানি, ভাঙচুর ও হুমকি। এর পাশাপাশি পক্ষপাতদুষ্ট পাঠ্যক্রম, নির্দেশনামূলক উপকরণ এবং ওয়াকআউট বা বিক্ষোভের মতো বিঘ্ন সৃষ্টিকারী ঘটনাও উল্লেখযোগ্য হারে রয়েছে। এসব ঘটনার কারণে পুরো শিক্ষাব্যবস্থাজড়ে একটি প্রতিকূল শিক্ষণ ও কর্মপরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। যদিও সিটি স্কুলগুলো নির্দিষ্ট কোনো ধর্মের ভিত্তিতে ঘৃণাত্মক ঘটনার আলাদা পরিসংখ্যান প্রকাশ করে না, তবে ধর্মভিত্তিক বুলিং, হয়রানি এবং বৈষম্যের সামগ্রিক ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।   উপাত্ত অনুযায়ী, প্রি-কোভিড সময়কালের ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে এমন ১৫১টি ঘটনা ঘটেছিল, যা পরবর্তীতে বেড়ে ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ৩৬৭টি, ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ৩৯৮টি এবং ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ৩১৯টিতে দাঁড়ায়।   সংগঠনের সভাপতি মোশে স্পার্ন জানান, নথিভুক্ত ঘটনার প্রায় এক চতুর্থাংশ বা ২৩ শতাংশ ছিল ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্য সম্পর্কিত পক্ষপাতদুষ্ট শিক্ষা, ১০ শতাংশ ওয়াকআউট এবং বাকিগুলো অনলাইন পোস্টসহ অন্যান্য স্টাফ অ্যাকশনের সাথে সম্পর্কিত। ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী, প্রতিবেদনের ৩৭ শতাংশ ঘটনা ব্রুকলিনের স্কুলগুলোতে, ২৭ শতাংশ কুইন্সে, ২৫ শতাংশ ম্যানহাটনে, ৯ শতাংশ ব্রংক্সে এবং ২ শতাংশ স্টেটান দ্বীপে সংঘটিত হয়েছে।   মৌখিক হয়রানির বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইহুদিবিদ্বেষী ট্রপ, হলোকাস্টের প্রসঙ্গ এবং ইসরায়েলি ইহুদিদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া ভাঙচুরের ঘটনায় স্বস্তিকা চিহ্ন ও অন্যান্য ঘৃণাত্মক প্রতীক অঙ্কনের পাশাপাশি শারীরিক হুমকি এবং হামলার ঘটনাও ঘটেছে।   অভিযোগ রয়েছে যে, অনেক ক্ষেত্রে ইহুদিদের ধর্মীয় সুবিধা এবং স্কুল জীবনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত বা অস্বীকৃত হয়েছে। ইউনাইটেড জিউইশ টিচার্স জানিয়েছে, স্কুল বা জেলা নেতৃত্ব এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, যার ফলে প্রতিকূল পরিবেশ বহাল রয়েছে।   কুইন্সের টাউনসেন্ড হাই স্কুলে গ্র্যাজুয়েশনের পর ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সে যোগদানের কারণে এক শিক্ষার্থীকে হয়রানি করা এবং ব্রুকলিন টেক হাই স্কুলের ব্ল্যাকবোর্ডে স্বস্তিকা খোদাই করার মতো ঘটনা এর কিছু উদাহরণ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংগঠনটি শিক্ষা বিভাগের সমস্ত নিয়ম নীতি এবং পেশাদার প্রশিক্ষণে আন্তর্জাতিক হলোকাস্ট স্মরণ জোটের (IHRA) ইহুদিবিদ্বেষের সংজ্ঞা গ্রহণের সুপারিশ করেছে।   অন্যদিকে, শিক্ষা বিভাগের একজন প্রতিনিধি জানিয়েছেন যে বৈষম্য ও ইহুদিবিদ্বেষের বিরুদ্ধে তাদের 'শূন্য সহনশীলতা' (zero tolerance) নীতি রয়েছে। প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো রিপোর্ট করা ঘটনার যথাযথ তদন্ত ও প্রতিক্রিয়া জানাতে তারা বদ্ধপরিকর। ‘রেসপেক্ট ফর অল’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিটি স্কুলে বুলিং ও পক্ষপাত প্রতিরোধে ডেডিকেটেড স্টাফ এবং অভিযোগ জানানোর নানা মাধ্যম চালু রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৬ ১৪:৭
নিউইয়র্কে ৯৯২ ডলারেই অ্যাপার্টমেন্ট! ব্রুকলিনে শুরু ৬৩ ইউনিটের হাউজিং লটারি

নিউইয়র্কে ৯৯২ ডলারেই অ্যাপার্টমেন্ট! ব্রুকলিনে শুরু ৬৩ ইউনিটের হাউজিং লটারি

ট্রাম্প যেখানে, সেখানেই নাটালি হার্প

ট্রাম্প যেখানে, সেখানেই নাটালি হার্প, ‘সিক্রেট ফ্লাইটেও’ তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নতুন কৌতূহল

সংগীতশিল্পী শাকিরা

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত কলম্বিয়ায় ১০ স্কুল গড়বেন শাকিরা, করবেন মিলিয়ন ডলারের সহায়তা

অপারেশনের পরদিন মাথা ও মুখ ফুলে যাওয়ায় ফিনকেন নিজেই মজা করে বলেছিলেন তাকে দেখতে ডিমের মতো লাগছে। ছবি: সংগৃহীত
১৭ হাজার ৫০০ ডলারে হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট, ডিমের মতো ফুলে গেল টিকটকারের মুখ

মাত্র ২৭ বছর বয়সেই চুল পড়া নিয়ে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভারের অ্যালেক্স ফিনকেন। শেষ পর্যন্ত হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। খরচ করেন ১৭ হাজার ৫০০ ডলার। কিন্তু অপারেশনের পরদিন আয়নায় নিজেকে দেখে রীতিমতো চমকে যান। মাথা ও মুখ এতটাই ফুলে গিয়েছিল যে নিজেই মজা করে বলেছিলেন, তাকে দেখতে ডিমের মতো লাগছে।   নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশের কোঠার শুরু থেকেই মেল প্যাটার্ন বল্ডনেস বা বংশগতভাবে চুল পাতলা হওয়ার সমস্যায় ভুগছিলেন ফিনকেন। ২৪ বছর বয়সের মধ্যে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে বাইরে বের হওয়ার সময় প্রায় সবসময় টুপি পরতেন। সামাজিক পরিবেশেও টুপি ছাড়া অস্বস্তি বোধ করতেন।   চুল ফিরে পাওয়ার আশায় তিনি সল্টলেক সিটিতে গিয়ে হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করান। প্রক্রিয়াটিতে তার মাথার পেছনের অংশ থেকে ৩ হাজার ৫৩৬টি হেয়ার ফলিকল সংগ্রহ করে চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বিভিন্ন অংশে প্রতিস্থাপন করা হয়।   অপারেশনের পর কিছুটা ফোলা স্বাভাবিক হতে পারে, সেটি আগেই জানতেন ফিনকেন। তবে নিজের ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়াটি এতটা দৃশ্যমান হবে, তা ভাবেননি তিনি।   প্রথম দিন তার কপালের দুই পাশ ফুলতে শুরু করে। দ্বিতীয় দিনে এক চোখের নিচে কালচে দাগ দেখা দেয় এবং ফোলা এতটাই বাড়ে যে দৃষ্টিতেও কিছুটা বাধা তৈরি হচ্ছিল। তৃতীয় দিনে সেই ফোলা মুখের নিচের দিকে নেমে ঘাড় পর্যন্ত পৌঁছে যায়।   নিজের এই পরিবর্তনের ভিডিও টিকটকে প্রকাশ করেন ফিনকেন। সেখানে তিনি মজা করে বলেন, অন্যদের ক্ষেত্রে চোখের চারপাশ কিছুটা ফুলে বক্সিং ম্যাচের পরের মতো দেখাতে পারে, কিন্তু তাকে দেখতে সরাসরি ডিমের মতো লাগছিল। ভিডিওটি পরে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।   ফিনকেনের ভাষ্য অনুযায়ী, অপারেশনের সময় মাথার ত্বকে দেওয়া স্যালাইন ও অ্যানেসথেশিয়ার দ্রবণই এই ফোলার অন্যতম কারণ। শরীরের লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের মাধ্যমে তরল ধীরে ধীরে নিচের দিকে নেমে যাওয়ার সময় কারও কারও ক্ষেত্রে মুখ ও চোখের আশপাশে উল্লেখযোগ্য ফোলা দেখা দিতে পারে।   তবে তার নিজের একটি ভুলও পরিস্থিতি খারাপ করে থাকতে পারে বলে স্বীকার করেছেন ফিনকেন। বুধবারের অপারেশনের আগে শুক্রবার ও শনিবার তিনি অ্যালকোহল পান করেছিলেন। পরে তিনি অন্যদের সতর্ক করে বলেন, হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্টের আগে চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা উচিত।   প্রাথমিকভাবে চেহারার পরিবর্তন দেখে ভয় পেলেও বড় ধরনের কোনো শারীরিক জটিলতা হয়নি বলে জানান তিনি। সবচেয়ে বেশি ফোলা ছিল প্রায় তিন দিন। এরপর প্রতিদিন দ্রুত অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। পঞ্চম দিনের দিকে ব্যথাও প্রায় চলে যায়।   পুরো অভিজ্ঞতার পরও হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই ফিনকেনের। তার মতে, এটি শুধু সৌন্দর্যের বিষয় ছিল না। দীর্ঘদিনের চুল পড়ার কারণে হারিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য।   বরং সাময়িকভাবে মুখ ফুলে যাওয়ার ঘটনাটিকে হাস্যরসের সঙ্গেই নিয়েছেন তিনি। ফিনকেনের অভিজ্ঞতা একই সঙ্গে মনে করিয়ে দিচ্ছে, হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট কসমেটিক প্রক্রিয়া হলেও এর পরবর্তী রিকভারি ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং অপারেশনের আগে ও পরে চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৬ ১১:৯
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার প্রভাব পড়ছে মার্কিন জ্বালানি বাজারে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল দাম গ্যালন প্রতি ৫.৪৬ ডলার বৃদ্ধি পাওয়ায়, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজ বাড়ির বারান্দায় গুলিতে নিহত হয়েছেন ক্যালটেকের খ্যাতিমান জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল গ্রিলমেয়ার। ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীর বাহিরে দূর গ্রহে পানির সন্ধান পাওয়া বিজ্ঞানী নিজ বাড়ির দরজায় গুলিতে নিহত

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ফ্লক ক্যামেরা সিস্টেমে নিজের আলাদা থাকা স্ত্রীর গাড়ির লাইসেন্স প্লেট ৭১৭ বার সার্চ করার অভিযোগ উঠেছে ফ্লোরিডার এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ছবি: সংগৃহীত

ফ্লক ক্যামেরায় স্ত্রীর গাড়ি ৭১৭ বার ট্র্যাক, এক মাসেই ২৮০ বার খুঁজেছেন পুলিশ কর্মকর্তা

হরমুজ প্রণালীকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখিয়ে নিজের ট্রুথ সোশ্যালে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড’ দাবি করে ট্রাম্পের নতুন মানচিত্র, ইরানের পাল্টা শর্ত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা কার্যত অচল হয়ে পড়ার মধ্যেই হরমুজ প্রণালীকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখিয়ে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা ওই মানচিত্রে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীকে বড় একটি বৃত্ত দিয়ে চিহ্নিত করে ‘ইউএস টেরিটরি’ লেখা হয়েছে।   দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পোস্ট এমন সময়ে এসেছে যখন হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিরোধ আরও জটিল হয়েছে। ইরান জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সমঝোতায় নির্ধারিত শর্তগুলো যুক্তরাষ্ট্র পূরণ না করা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ বন্ধ থাকবে।   ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও দেশটির শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের বক্তব্য উদ্ধৃত করে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, হরমুজ পুনরায় পুরোপুরি খুলতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে সামুদ্রিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের জব্দ করা সম্পদ অবমুক্ত করা।   তবে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। সোমবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের আত্মসমর্পণ করা উচিত। একই সঙ্গে তিনি আবারও স্পষ্ট করেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।   পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে ওমানকে ঘিরে ট্রাম্পের হুমকি। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক অংশীদার ওমান ইরানের সঙ্গে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার একটি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করছে। ট্রাম্প বলেছেন, ওমান যদি ইরানের সঙ্গে তার সমঝোতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।   রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান ও ওমান হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের একটি কাঠামো নিয়ে অগ্রগতি করলেও বৃহত্তর যুক্তরাষ্ট্র ইরান শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে আছে। ইরানের পক্ষ থেকেও সতর্ক করা হয়েছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে দেশটি হরমুজ এলাকায় পুরোপুরি আক্রমণাত্মক সামরিক অবস্থানে যেতে পারে।   কাতারও হরমুজ নিয়ে ইরান ও ওমানের সম্ভাব্য সমঝোতাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে হরমুজ নিয়ে চুক্তি হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা আবার শুরু করা অনেক সহজ হবে।   এর মধ্যেই মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালী থেকে বের হওয়ার সময় একটি জাহাজে প্রজেক্টাইল আঘাত হানার খবর দিয়েছে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস। ঘটনায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক হামলা ও উত্তেজনার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।   হরমুজ প্রণালী বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করা এই সরু নৌপথ দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পরিবহন করা হয়। ফলে সেখানে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে সরাসরি প্রভাব পড়ে।   সেই প্রভাব ইতোমধ্যে তেলের বাজারেও দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্রুত সমঝোতার আশা কমে যাওয়ায় মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা আরও বাড়তে পারে।   তবে ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়ায় হরমুজকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখানো মানচিত্র প্রকাশের অর্থ এই নয় যে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী প্রণালীটির সার্বভৌম মর্যাদা পরিবর্তিত হয়েছে। হরমুজের জলসীমা ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত এবং এটি আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রণালী। ট্রাম্পের পোস্টকে ঘিরে তাই চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৬ ৯:৪১
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ম্যাট্রেসের নিচে লুকিয়ে থাকা ২৪ বছর বয়সী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

ম্যাট্রেসের নিচে লুকিয়েও রক্ষা হলো না, পুলিশ দেখে মাকে ডাকায় অফিসারকে মায়ের ঘুষি

শিক্ষার্থীদের সাহায্য করতে স্কুল ছুটির পর ওয়ালমার্টে রাতভর কাজ করতেন সাউথ ক্যারোলিনার এক হাইস্কুলের প্রিন্সিপাল। ছবি: সংগৃহীত

অসহায় শিক্ষার্থীদের অভাব মেটাতে রাতে ওয়ালমার্টে চাকরি, পুরো বেতন বিলিয়ে দিতেন স্কুলের প্রিন্সিপাল

মেক্সিকান ফুড চেইন চিপোটলে

চিপোটলে দিচ্ছে ১০ লাখ ডলারের বেশি ফ্রি খাবার!আগামী তিন দিন যেভাবে পাবেন সুযোগ

0 Comments