মায়ের কোল থেকে ১১ দিনের নবজাতককে নিয়ে যান বাবা, ২০০ মাইল দূরে উদ্ধার
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে হেফাজতের আইনি অধিকার না থাকা বাবার বিরুদ্ধে ১১ দিনের নবজাতক ছেলেকে অনুমতি ছাড়া নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাতভর অনুসন্ধানের পর বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মাইল দূরে উইন্সলো এলাকার কাছ থেকে শিশুটিকে অক্ষত উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ৩১ জুলাই শুক্রবার রাতে পশ্চিম অ্যারিজোনার সারপ্রাইজ শহর থেকে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর সন্দেহভাজন একটি গাড়ির বিবরণসহ রাজ্যজুড়ে ‘অ্যাটেম্পট টু লোকেট’ বা এটিএল বার্তা পাঠানো হয়।
বার্তাটি পাওয়ার পর নাভাহো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সদস্যরা সম্ভাব্য গাড়িটির সন্ধান শুরু করেন। ১ আগস্ট শনিবার সকালে উত্তর অ্যারিজোনার উইন্সলো এলাকায় গাড়িটি শনাক্ত করে থামানো হয়। পরে গাড়ির ভেতর থেকে নবজাতকটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন কর্মকর্তারা। অভিযানে অ্যারিজোনা ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেফটির সদস্যরাও সহায়তা করেন।
শিশুটির শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাত পাওয়া যায়নি। তবে বয়স মাত্র ১১ দিন হওয়ায় সতর্কতামূলকভাবে তাকে স্থানীয় একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শিশুটিকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়।
সারপ্রাইজ পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির বাবা তার আইনগত হেফাজ
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সাভানাহ পুলিশ বিভাগের ছয় কর্মীকে ফ্লক লাইসেন্স প্লেট শনাক্তকরণ ক্যামেরা ব্যবস্থার সম্ভাব্য অপব্যবহারের অভিযোগে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্বাধীন তদন্তের জন্য মামলাটি জর্জিয়া ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (জিবিআই) কাছে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। সাভানাহর মেয়র ভ্যান জনসন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ছয় কর্মীর মধ্যে চারজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং দুজন বেসামরিক কর্মচারী রয়েছেন। অভিযোগ সামনে আসার পরই পুলিশ বিভাগ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা প্রশাসনিক ছুটিতে থাকবেন। মেয়র বলেন, জনসাধারণের আস্থা কোনোভাবেই আপসের বিষয় নয়। অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, ব্যক্তিগত বা অনুমোদনহীন কাজে নয়। তাই অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে ঠিক কীভাবে ফ্লক ক্যামেরা ব্যবস্থার অপব্যবহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো কর্মীদের পরিচয়ও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। একই দিনে জর্জিয়ার হ্যাবারশাম কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ও জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজের বাইরে অন্য উদ্দেশ্যে ফ্লক ক্যামেরা ব্যবস্থায় প্রবেশের অভিযোগে এক ডেপুটিকে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে জর্জিয়ার বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের একাধিক ঘটনার অভিযোগ সামনে এসেছে। গত দুই মাসে চেরোকি কাউন্টির তিনজন শেরিফ ডেপুটি, অ্যালবানি পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তা এবং রিচমন্ড কাউন্টির তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও লাইসেন্স প্লেট শনাক্তকরণ ডাটাবেসের অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। সর্বশেষ ঘটনাটিও সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে।
এইচ-ওয়ান-বি ভিসাধারীদের সবচেয়ে বেশি বেতন দেয় যেসব মার্কিন প্রতিষ্ঠান
ভিড় কমার অপেক্ষায় ছিলেন, ইন-এন-আউট রেস্টুরেন্টে প্রথম দিনেই বন্দুক হামলায় প্রাণ হারালেন ব্যক্তি
নিউইয়র্কে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার ডলারে ফ্ল্যাট! কেনার আগে জেনে নিন শর্ত
বিশ্বখ্যাত মার্কিন পপ তারকা ও অভিনেত্রী আরিয়ানা গ্রান্দে দীর্ঘদিনের টানা কাজ এবং ব্যক্তিগত জীবন ও শারীরিক অবস্থা নিয়ে চলমান জনসমালোচনার মধ্যে জনসম্মুখ থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার প্রতিনিধির বরাতে আন্তর্জাতিক একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, ‘ইটারনাল সানশাইন’ ট্যুর শেষ হওয়ার পর তিনি কিছুদিনের জন্য জনসমক্ষে উপস্থিতি কমিয়ে দেবেন এবং বিশ্রামে থাকবেন। আরিয়ানা গ্রান্দের প্রতিনিধি জানান, চলমান সফরটি তিনি ইতিবাচকভাবে শেষ করতে চান। এরপর তিনি নিজের সুস্থতা ও মানসিক স্বস্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে জনসম্মুখের কাজ থেকে বিরতি নেবেন। প্রতিনিধির ভাষ্য, দীর্ঘ সময় ধরে তার ব্যক্তিগত জীবন, স্বাস্থ্য ও শারীরিক গঠন নিয়ে চলা অবিরাম জনসমালোচনা এই সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ। এ সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে লন্ডনের বার্বিকান থিয়েটারে ২০২৭ সালে মঞ্চস্থ হওয়ার কথা থাকা স্টিফেন সন্ডহাইমের বিখ্যাত মিউজিক্যাল ‘সানডে ইন দ্য পার্ক উইথ জর্জ’-এর ওয়েস্ট এন্ড প্রযোজনা থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন গ্রান্দে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তার সিদ্ধান্তকে তারা সম্মান জানাচ্ছে এবং নির্ধারিত সময়েই নতুন শিল্পী নিয়ে নাটকটি মঞ্চস্থ হবে। সম্প্রতি নতুন অ্যালবাম ও মিউজিক ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরিয়ানা গ্রান্দের শারীরিক অবস্থা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তবে তার ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, তিনি ট্যুরজুড়ে উচ্চমাত্রার শারীরিক পরিশ্রমসাপেক্ষ পরিবেশনা সফলভাবেই করে যাচ্ছেন এবং সফর শেষ করার দিকেই মনোযোগী রয়েছেন। ৩২ বছর বয়সী এই শিল্পী ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। সংগীতের পাশাপাশি ‘উইকেড’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্যও তিনি প্রশংসিত হন। গত কয়েক বছরে সংগীত, অভিনয় এবং ধারাবাহিক প্রচারণামূলক কাজের ব্যস্ততার মধ্যেই তিনি ছিলেন। আরিয়ানা গ্রান্দে কবে আবার জনসম্মুখে ফিরবেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময় জানানো হয়নি। তার প্রতিনিধির ভাষ্য অনুযায়ী, আপাতত ট্যুর শেষ করে বিশ্রাম নেওয়া এবং ব্যক্তিগত সুস্থতার দিকেই মনোযোগ দিতে চান এই তারকা।
মায়ের কোল থেকে ১১ দিনের নবজাতককে নিয়ে যান বাবা, ২০০ মাইল দূরে উদ্ধার
ট্রাম্পের পোস্টে চাঞ্চল্য, যুক্তরাষ্ট্রের ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ হিসেবে ভেনেজুয়েলার মানচিত্র
দ্রুত সাক্ষাৎকারের জন্য ৭৫০ ডলার দিয়ে মিলবে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার নতুন সুযোগ
নিউইয়র্ক সিটির গৃহহীনদের জরুরি আশ্রয় নিশ্চিত করতে পাঁচটি বরোর বিভিন্ন হোটেল ব্যবহারের জন্য ১৮৬ কোটি ডলারের একটি চুক্তি নবায়ন করেছে মেয়র জোহরান মামদানির প্রশাসন। নতুন এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। চুক্তিটি করা হয়েছে নিউইয়র্ক সিটি হোটেল অ্যাসোসিয়েশন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে, যারা প্রায় ৩০০টি হোটেলের প্রতিনিধিত্ব করে। তবে নগর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজন হলেই কেবল এসব হোটেলকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। পুরো ১৮৬ কোটি ডলারের অর্থ ব্যয় নাও হতে পারে। নিউইয়র্ক সিটির গৃহহীন সেবা বিভাগ জানিয়েছে, গত ১৫ বছরে বিভিন্ন সংকটের সময় তাদের বাণিজ্যিক হোটেলের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। একই সঙ্গে তারা স্থায়ী ও উন্নতমানের আশ্রয়কেন্দ্র চালু করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে বিশেষ করে শিশু থাকা পরিবারগুলোর জন্য হোটেলের ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমানো যায়। শহরের ‘রাইট টু শেল্টার’ আইন অনুযায়ী আশ্রয়প্রার্থী প্রত্যেককে থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হয়। এ কারণে প্রয়োজনীয় শয্যা ধরে রাখতে এই চুক্তি নবায়ন করা হয়েছে। গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ৮২ হাজার ৯২৯ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু অবস্থান করছিলেন। কোভিড-১৯ মহামারির সময় জরুরি ভিত্তিতে গৃহহীনদের নিরাপদ আশ্রয় দিতে হোটেল ব্যবহারের পরিধি বাড়ানো হয়েছিল। পরে অভিবাসন সংকটের সময়ও হাজারো আশ্রয়প্রার্থীকে রাখার জন্য শহরের প্রায় ১৫০টি হোটেল, মোটেল ও সরাইখানাকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রূপান্তর করা হয়। এদিকে একই কর্মসূচির আওতায় হোটেলে অবস্থানরত গৃহহীন ব্যক্তি ও পরিবারগুলোর দৈনন্দিন সেবার জন্য দুটি সামাজিক সেবাদানকারী সংস্থাকেও ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের দুটি আলাদা চুক্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সমালোচকদের দাবি, হোটেলকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করায় পর্যটন খাতের ওপর চাপ বাড়ছে এবং কক্ষের প্রাপ্যতা কমে যাচ্ছে। তবে গৃহহীনদের নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর মতে, পর্যাপ্ত স্থায়ী আবাসন গড়ে না ওঠা পর্যন্ত এই ব্যবস্থা একটি প্রয়োজনীয় বিকল্প।
ইতালির স্থায়ী রেসিডেন্সি মিলবে না যাদের, প্রকাশ হলো ৫টি শ্রেণির তালিকা
বহুতল ভবন থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করলেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ