যুক্তরাষ্ট্রে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হোসে কা'আল পপ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে শিশুর প্রতি যৌন নির্যাতনের অভিযোগে চাওয়া হোসে কা'আল পপকে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছে এবং নিউ জার্সিতে প্রত্যর্পণের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শিশুকে যৌন নির্যাতন এবং শিশু শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে নিউ জার্সির আদালত থেকে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত অভিযানে তাঁকে লুইজিয়ানায় শনাক্ত করে আটক করা হয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের সময় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে তাঁকে লুইজিয়ানার একটি আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাঁকে নিউ জার্সিতে নিয়ে যাওয়া হবে, যেখানে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিচার চলবে।
তদন্তকারীরা মামলার বিষয়ে অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশে সংযম দেখাচ্ছেন, যাতে ভুক্তভোগীর পরিচয় ও গোপনীয়তা সুরক্ষিত থাকে। একই সঙ্গে কেউ যদি এ ঘটনাসংক্রান্ত অতিরিক্ত তথ্য জানেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, আদালতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত হোসে কা'আল পপ আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যে বসবাসকারী এক দম্পতিকে দেশত্যাগের পর নিজ দেশ গুয়াতেমালায় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিহতরা হলেন নিক্সন জিওভান্নি পেরেজ (৪৩) এবং তাঁর স্ত্রী গ্লেন্ডি মারিসল গনজালেস (২৫)। তাঁদের এক বছর বয়সী কন্যাশিশুকে ঘটনাস্থলে জীবিত উদ্ধার করা হলেও দম্পতির তিন সন্তানই এখন স্বজনদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। গুয়াতেমালার প্রসিকিউটর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রেতালেউ এলাকার একটি আখক্ষেতে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের হাত বাঁধা ছিল। নিক্সনের ঘাড়ে গুলির আঘাত এবং গ্লেন্ডির মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা, একটি মোটরসাইকেল এবং অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা যায়নি এবং হত্যার উদ্দেশ্যও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিক্সন গত বছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত হন। পরে পরিবারকে একসঙ্গে রাখার উদ্দেশ্যে এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ থেকে গ্লেন্ডিও সম্প্রতি গুয়াতেমালায় ফিরে যান। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর পুনর্মিলনের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। গ্লেন্ডি যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালে অভিবাসী অধিকারবিষয়ক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে মিসৌরির ওভারল্যান্ড এলাকায় প্রবাসী সম্প্রদায় ও শ্রমিক সংগঠন শোক প্রকাশ করেছে এবং তাঁদের স্মরণে একটি শোকসভা আয়োজন করা হয়েছে। গুয়াতেমালার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে। এদিকে দেশটিতে চলতি বছরে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় সরকার নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গুয়াতেমালায় ফেরত পাঠানো মানুষের সংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
লস অ্যাঞ্জেলেস সিটি হলের ডাক কক্ষে রহস্যজনক সাদা গুঁড়া, ঝুঁকিপূর্ণ পদার্থ তদন্ত শুরু
যুক্তরাষ্ট্রে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হোসে কা'আল পপ
ফ্লোরিডার পথে বেরিয়ে আর ফেরেননি মেরিল, কোথায় হারালেন এই মেরিল?
যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো অঙ্গরাজ্যের টুইন ফলস শহরের একটি ইন-অ্যান্ড-আউট বার্গার রেস্তোরাঁয় সংঘটিত ভয়াবহ বন্দুক হামলায় নিহত তিনজনের একজন হিসেবে ২৩ বছর বয়সী কর্মী অ্যাশলি গারিবে-এর পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার স্টকটন থেকে সম্প্রতি আইডাহোতে আসা এই তরুণী নতুন শাখাটিতে কাজ শুরু করেছিলেন। পুলিশের তথ্যমতে, গত ১ আগস্ট স্থানীয় সময় বিকেলে টুইন ফলসের নতুন খোলা ইন-অ্যান্ড-আউট রেস্তোরাঁয় ২৪ বছর বয়সী চ্যাড উইলিয়ামস একটি রাইফেল নিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালান। হামলায় অ্যাশলি গারিবে ছাড়াও আরও দুইজন নিহত এবং সাতজন আহত হন। পরে হামলাকারী নিজেই আত্মহত্যা করেন। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, তিনি একাই হামলা চালিয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত হামলার উদ্দেশ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অ্যাশলির পরিবার ও বন্ধুরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, তিনি পরিশ্রমী, প্রাণবন্ত এবং সবার প্রিয় ছিলেন। উন্নত জীবনের আশায় তিনি ক্যালিফোর্নিয়া ছেড়ে আইডাহোতে এসেছিলেন এবং নতুন খোলা রেস্তোরাঁয় চাকরি নিয়েছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যু পরিবার, সহকর্মী এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। হামলায় নিহতদের মধ্যে ৫৯ বছর বয়সী ক্রিস্টোফার ক্লঞ্চও রয়েছেন। তিনি প্রথমবারের মতো ইন-অ্যান্ড-আউটে খাবার খেতে এসেছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। তৃতীয় নিহত ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশের আগে পরিবারের সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গুলির শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে রেস্তোরাঁজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক কর্মী ও ক্রেতা নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যান। এক কর্মী আহত সহকর্মীকে টেনে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। একই সময় দায়িত্বের বাইরে থাকা এক অঙ্গরাজ্য পুলিশ সদস্য এবং একজন সশস্ত্র বেসামরিক ব্যক্তি হামলাকারীর দিকে পাল্টা গুলি ছোড়েন, যা আরও বড় প্রাণহানি ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে তদন্তকারীদের ধারণা। ইন-অ্যান্ড-আউটের মালিক ও প্রেসিডেন্ট লিনসি স্নাইডার এক বিবৃতিতে নিহত কর্মী ও অন্যান্য ভুক্তভোগীদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পাশে থাকতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। টুইন ফলস পুলিশ, এফবিআই এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালকোহল, তামাক, আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক ব্যুরো (এটিএফ) যৌথভাবে ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্তকারীরা প্রত্যক্ষদর্শীদের ভিডিও, ছবি ও তথ্য জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এখন পর্যন্ত হামলার পেছনে কোনো রাজনৈতিক, ব্যক্তিগত বা আদর্শগত উদ্দেশ্য ছিল কি না, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।
লস অ্যাঞ্জেলেসে অ্যান্টি-আইসিই বিক্ষোভে সহিংসতা: পুলিশের গাড়িতে আগুন
জাপানে গবেষণা ইন্টার্নশিপে সুযোগ পেলেন চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মেয়ে তাহিয়া তাবাসসুম
ইরানের নেতৃত্বকে ‘চরম ভণ্ডামিপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে ক্ষেপলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ম্যাকন-বিব কাউন্টিতে ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের নতুন উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণে বিনিয়োগ করছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক উৎপাদন প্রতিষ্ঠান ইউনিফাইড লিগ্যাসি । এই প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী কয়েক বছরে ৫০০ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। কোম্পানির নতুন কারখানাটি ম্যাকনের বার্নস ফেরি রোডে নির্মিত হবে। এখানে প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, ডেটা সেন্টার এবং শিল্প খাতের জন্য উচ্চ-নির্ভুলতার ধাতব যন্ত্রাংশ, জেনারেটর এনক্লোজার, জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক, ওয়েল্ডেড অ্যাসেম্বলি এবং অন্যান্য বিশেষায়িত সরঞ্জাম উৎপাদন করা হবে। নির্মাণকাজ ২০২৬ সালেই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ইউনিফাইড লিগ্যাসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক উইলিয়ামস বলেন, মধ্য জর্জিয়ার দক্ষ জনশক্তি এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের ওপর আস্থা রেখেই এই বিনিয়োগ করা হচ্ছে। নতুন কারখানার মাধ্যমে কোম্পানির উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে এবং আরও বড় ও জটিল প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। নতুন এই প্রকল্পে উৎপাদন, দক্ষ কারিগরি, প্রকৌশল, লজিস্টিকস, মান নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন পদে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। জর্জিয়ার গভর্নর ব্রায়ান কেম্প বলেন, এই বিনিয়োগ প্রমাণ করে যে শক্তিশালী জনশক্তি, উন্নত অবকাঠামো এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের কারণে জর্জিয়া উৎপাদনশিল্পের জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। তার মতে, দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো এবং সরবরাহ ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টায় এ ধরনের বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইউনিফাইড লিগ্যাসির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউনিফাইড ডিফেন্স ২০২২ সাল থেকে জর্জিয়ার বাইরন শহরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নতুন এই বিনিয়োগের মাধ্যমে কোম্পানিটি মধ্য জর্জিয়ায় তাদের কার্যক্রম আরও বড় পরিসরে সম্প্রসারণ করছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জর্জিয়া ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট, ম্যাকন-বিব কাউন্টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল অথরিটি এবং জর্জিয়া পাওয়ার যৌথভাবে কাজ করছে।
চাঁদকে ঘিরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীর বক্তব্যে বিশ্বজুড়ে আলোচনা
অভিবাসন সুবিধায় কঠোর যাচাই শুরু, উচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোর আবেদন আরও কড়াভাবে খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র