যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লেটন কাউন্টির একটি ওয়ালমার্ট স্টোরে অসাবধানতাবশত গুলি ছোড়ার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে ক্রেতাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এতে কেউ গুরুতর আহত হননি।
পুলিশ জানায়, স্টোরের ভেতরে একটি আগ্নেয়াস্ত্র থেকে অনিচ্ছাকৃতভাবে গুলি ছুটে যায়। পরে তদন্তে অস্ত্র বহনে অবহেলা এবং সংশ্লিষ্ট আইনি বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং স্টোরটি সাময়িকভাবে নিরাপদ ঘোষণা না করা পর্যন্ত ক্রেতাদের বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়।
প্রাথমিক তদন্তে কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, অস্ত্রটি নিরাপদভাবে বহন করা হচ্ছিল না। গুলি ছোড়ার ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত নয় বলে মনে হলেও কীভাবে অস্ত্র থেকে গুলি বেরিয়ে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সময় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যও সংগ্রহ করছে পুলিশ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনসমাগমপূর্ণ স্থানে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অবহেলার কারণে এ ধরনের ঘটনা বড় ধরনের প্রাণহানির কারণ হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
তদন্ত শেষ হলে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানানো হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের অরোরা এলাকায় আন্তঃরাজ্য মহাসড়ক আই-৮৮ এ এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের পূর্বমুখী লেন দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এতে এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। ইলিনয় অঙ্গরাজ্য পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোববার ভোর চারটার কিছু পর অরোরা এলাকার আই-৮৮ মহাসড়কে দুইটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি গাড়ি ভুল পথে চলতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি গাড়ির সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। দুর্ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনার পর তদন্ত ও উদ্ধারকাজের স্বার্থে অরচার্ড রোড থেকে রুট ৪৭ পর্যন্ত মহাসড়কের অংশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। কয়েক ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়। ইলিনয় অঙ্গরাজ্য পুলিশ জানিয়েছে, কী কারণে চালক ভুল পথে গাড়ি চালাচ্ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের নতুন হেলিপ্যাড ভেঙে আবার কাজ, ট্রাম্পের কড়া নির্দেশ
ওয়ালমার্টে অসাবধানতাবশত গুলির ঘটনা, গ্রেপ্তার দুজন
আজই বিক্রির জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে স্পেসএক্সের ৯০০ মিলিয়নের বেশি শেয়ার, মার্কেটে কী প্রভাব পড়তে পারে?
যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য নাগরিকত্ব অর্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তবে এই নাগরিকত্ব পেতে হলে নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করার পাশাপাশি কয়েকটি বাধ্যতামূলক ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সঠিক নিয়ম অনুসরণ করলে আবেদন থেকে শপথ গ্রহণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা সম্ভব। প্রথম ধাপ হলো নিজের যোগ্যতা নিশ্চিত করা। আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী অন্তত পাঁচ বছর ধরে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতে হবে। তবে মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে বৈধভাবে বিবাহিত এবং একসঙ্গে বসবাস করলে তিন বছর পরই আবেদন করা যায়। পাশাপাশি পাঁচ বছরের নিয়মে অন্তত ৩০ মাস এবং তিন বছরের নিয়মে অন্তত ১৮ মাস যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে হবে। যে অঙ্গরাজ্য থেকে আবেদন করা হবে সেখানে অন্তত তিন মাস বসবাসের প্রমাণ, সুনাগরিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য আচরণ এবং নিয়মিত কর পরিশোধের রেকর্ডও থাকতে হবে। দ্বিতীয় ধাপে নাগরিকত্বের আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিতে হয়। আবেদনটি অনলাইনে অথবা ডাকযোগে জমা দেওয়া যায়। এর সঙ্গে স্থায়ী বাসিন্দার পরিচয়পত্রের অনুলিপি, প্রয়োজনীয় বৈবাহিক নথি, ভ্রমণের তথ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যুক্ত করতে হয়। ২০২৬ সালের জন্য অনলাইনে আবেদন ফি ৭১০ ডলার এবং কাগজে আবেদন করলে ৭৬০ ডলার। আঙুলের ছাপ ও অন্যান্য পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের খরচ এই ফি-এর মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত। তৃতীয় ধাপে আবেদনকারীকে নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে আঙুলের ছাপ, ছবি এবং স্বাক্ষর দিতে হয়। আবেদন গ্রহণের পর কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থান জানিয়ে দেয়। এই ধাপে কোনো সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় না এবং পুরো কাজ সাধারণত অল্প সময়েই শেষ হয়। চতুর্থ ধাপ হলো নাগরিকত্বের সাক্ষাৎকার। এ সময় কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীর দেওয়া তথ্য, ভ্রমণের ইতিহাস, কর্মজীবন, বৈবাহিক অবস্থা এবং কর পরিশোধের তথ্য যাচাই করে। আবেদনপত্রে দেওয়া সব তথ্য সঠিক হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পঞ্চম ধাপে আবেদনকারীকে ইংরেজি ভাষা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস ও সরকারব্যবস্থা সম্পর্কিত পরীক্ষা দিতে হয়। বর্তমানে কার্যকর নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত প্রশ্নভান্ডার থেকে সর্বোচ্চ ২০টি প্রশ্ন করা হয় এবং অন্তত ১২টির সঠিক উত্তর দিতে হয়। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী এবং দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাসকারী কিছু আবেদনকারীর জন্য বিশেষ সুবিধাও রয়েছে। ষষ্ঠ ধাপে কর্তৃপক্ষ আবেদন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়। আবেদন অনুমোদিত হলে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য ডাকা হয়। অতিরিক্ত কাগজপত্র প্রয়োজন হলে অথবা পরীক্ষায় প্রথমবার উত্তীর্ণ না হলে আবেদন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হতে পারে এবং পরে আবার সুযোগ দেওয়া হয়। আবেদন বাতিল হলে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সপ্তম ও শেষ ধাপ হলো আনুগত্যের শপথ গ্রহণ। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে কেউ নাগরিক হিসেবে গণ্য হন না। অনুষ্ঠানের দিন আবেদনকারীকে তার স্থায়ী বাসিন্দার পরিচয়পত্র জমা দিতে হয় এবং নির্ধারিত শপথ পাঠ করতে হয়। এরপর তাকে নাগরিকত্বের সনদ দেওয়া হয়। এই সনদই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ। এর ভিত্তিতে তিনি মার্কিন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং ভোটাধিকারসহ একজন পূর্ণাঙ্গ মার্কিন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করতে পারবেন।
মেক্সিকোর হ্যালোপিনো মরিচে ভয়াবহ ব্যাকটেরিয়া , যুক্তরাষ্ট্রের ২৭ অঙ্গরাজ্যে অসুস্থ ৩৪৫ জন
ওয়ার্কিং ক্লাসের মানুষ এল-সায়েদের পাশে নেই', দাবি ভ্যান্সের
কস্টকোর এই ৫টি ট্রিক জানলে বাংলাদেশি পরিবার বছরে বাঁচাতে পারে ৮০০–১,২০০ ডলার
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লাস ভেগাসে এক অনুষ্ঠানে মঞ্চে উঠে আসা একটি ছোট শিশুকে সরে যেতে দেখে তাকে থামিয়ে দেন। এ সময় তিনি রসিকতার ছলে বলেন, “আমি চাই না ও বাইডেনের মতো এই মঞ্চ থেকে পড়ে যাক।” ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, শিশুটি মঞ্চের এক প্রান্তের দিকে এগিয়ে গেলে ট্রাম্প তাকে থামিয়ে নিরাপদ দিকে ফিরিয়ে দেন। এরপর উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে হাস্যরসের ভঙ্গিতে তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ইঙ্গিত করে মন্তব্য করেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্য মূলত বাইডেনের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঞ্চে হোঁচট খাওয়া বা ভারসাম্য হারানোর ঘটনাগুলোকে ঘিরে করা রাজনৈতিক খোঁচা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অতীতেও নির্বাচনী সমাবেশ ও জনসভায় বাইডেনের বয়স, শারীরিক সক্ষমতা এবং মঞ্চে পড়ে যাওয়ার ঘটনাগুলো নিয়ে একাধিকবার কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প। ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ শিশুটিকে নিরাপদে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ তার মন্তব্যকে রাজনৈতিক বিদ্রূপ হিসেবে দেখছেন।
বিচ্ছেদের পর সাবেক প্রেমিকাকে ৭.৬ মিলিয়ন ডলার দিলেন ট্রাম্প জুনিয়র, কেন?
আমেরিকার জাতীয় প্রতীক বল্ড ঈগল গুলি করে হত্যা করায় ওয়াশিংটনের বাসিন্দার বিরুদ্ধে ফেডারেল মামলা