সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের বিরুদ্ধে জিম্বাবুয়ের নারীকে আইসের হাতে আটক করানোর অভিযোগ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৯, ২০২৬ ১১:৪২
ফিনিক্স স্কাই হারবার বিমানবন্দরে উড়োজাহাজে ওঠার আগে জিম্বাবুয়ের এক নারীকে ডেকে নিয়ে আইসের হাতে আটক করানোর অভিযোগ। ছবি: সংগৃহীত
ফিনিক্স স্কাই হারবার বিমানবন্দরে উড়োজাহাজে ওঠার আগে জিম্বাবুয়ের এক নারীকে ডেকে নিয়ে আইসের হাতে আটক করানোর অভিযোগ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের ফিনিক্স স্কাই হারবার বিমানবন্দরে উড়োজাহাজে ওঠার আগে জিম্বাবুয়ের এক নারীকে ডেকে নিয়ে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার হাতে আটক করানোর অভিযোগ উঠেছে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের বিরুদ্ধে। ৪৪ বছর বয়সী প্যাটিয়েন্স গোরকে গত মার্চে বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়। পরে তাকে অ্যারিজোনার তিনটি পৃথক স্থানে প্রায় দুই সপ্তাহ আটক রাখা হয়। এ ঘটনায় গোর ও তার স্বামী ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

 

ঘটনার দিন গোর তার স্বামী ওলাওলুওয়া ওমোতোশোর সঙ্গে ফিনিক্স স্কাই হারবার বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে ছিলেন। তারা ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ভ্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় গেটের এক কর্মী বিমানবন্দরের মাইকে গোরকে বারবার কাউন্টারে আসতে বলেন। গোরের হাতে আগে থেকেই বোর্ডিং পাস থাকা সত্ত্বেও কর্মী সেটি নিয়ে কথা বলেন। গোর কাউন্টারের কাছে পৌঁছানোর পরপরই তিন ব্যক্তি সেখানে আসেন এবং তাকে তাদের সঙ্গে যেতে বলেন। পরে জানা যায়, তারা অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার কর্মকর্তা ছিলেন।

 

গোর ও তার স্বামীর করা মামলায় দাবি করা হয়েছে, বিমান সংস্থার কর্মী তাকে কাউন্টারে ডাকার পর অভিবাসন কর্মকর্তারা প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে উপস্থিত হন। এরপর বিমান সংক্রান্ত কথিত বিষয়টি নিয়ে আর কোনো আলোচনা হয়নি এবং গোরকে ফ্লাইটে ওঠার বিষয়েও আর কিছু বলা হয়নি। এসব ঘটনার ভিত্তিতে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, গোরকে আটক করার বিষয়টি আগে থেকেই প্রত্যাশিত ছিল। তবে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

দম্পতিটি ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের বিরুদ্ধে অবহেলা ও বেআইনি আটকের অভিযোগ এনেছেন। তাদের দাবি, ঘটনাটির কারণে আইনি খরচসহ ৭৫ হাজার ডলারের বেশি ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে গোরের সন্তান নেওয়ার চিকিৎসা প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। গোর নিজেই মামলায় নিজের পক্ষে লড়ছেন এবং এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার কাছেও মন্তব্য চাওয়া হলেও তারা প্রশ্নগুলোর জবাব দেয়নি।

 

আটকের পর গোরকে ফিনিক্সের অভিবাসন দপ্তর, ফ্লোরেন্স আটককেন্দ্র এবং এলয় আটককেন্দ্রে রাখা হয়। মামলার নথিতে তার আটকের পরিবেশ নিয়ে একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে মেঝেতে রাখা গদিতে ঘুমানো, খোলা শৌচাগার ব্যবহার, পরিষ্কার পোশাক ও অন্তর্বাস না পাওয়া এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অভাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আলোতে সংবেদনশীলতা থাকা সত্ত্বেও তাকে সানগ্লাস দেওয়া হয়নি বলেও মামলায় দাবি করা হয়েছে।

 

আটক অবস্থায় খাবার দেওয়ার সময় নিয়েও মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে সকালের খাবার ভোর ৪টায়, দুপুরের খাবার সকাল ১১টায় এবং রাতের খাবার বিকেল ৪টায় দেওয়া হতো বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে গোর ক্ষুধা, অস্বস্তি ও ঘুমের সমস্যায় ভুগেছিলেন বলে মামলার নথিতে দাবি করা হয়েছে। ওই সময় তার সন্তান নেওয়ার চিকিৎসা প্রক্রিয়াও ব্যাহত হয়।

 

আদালতে জমা দেওয়া চিকিৎসা নথি অনুযায়ী, গোর এমন একটি সময়সংবেদনশীল সন্তান নেওয়ার চিকিৎসা প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিলেন, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধ গ্রহণ, নিয়মিত চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ এবং নির্দিষ্ট সময়ে চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পন্ন করা প্রয়োজন ছিল। আটক অবস্থায় এসব চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। আটকের চার দিন পর তার আইনজীবী মানবিক কারণে তাকে মুক্তি দেওয়ার আবেদন করেন। ওই আবেদনে তার চলমান চিকিৎসার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

 

গোর প্রায় ২৪ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। ২০১১ সালে তার আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলেও একজন অভিবাসন বিচারক তাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিয়েছিলেন। ওই আদেশের কারণে তাকে জিম্বাবুয়েতে ফেরত পাঠানো থেকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল। আদালতে করা আবেদনে বলা হয়েছে, গোরের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড নেই এবং তিনি অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত নিয়মিত হাজিরায় অংশ নিতেন।

 

গোরের ১১ বছর বয়সী একটি মার্কিন নাগরিক সন্তান রয়েছে এবং তার আইনগত হেফাজতও তার কাছে। তিনি ১২ বছর ধরে একটি বড় বিমা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন এবং বর্তমানে জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৫ সালের আগস্টে তিনি ওমোতোশোকে বিয়ে করেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, আটকের আগে স্বামীর সঙ্গে ভ্রমণের সময় তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। ঘটনার দিনও তারা বিমানবন্দরে চেক-ইন ও নিরাপত্তা তল্লাশি শেষ করে বোর্ডিং পাস পেয়েছিলেন।

 

গোরকে আটক করার সময় অভিবাসন কর্মকর্তারা নিজেদের পরিচয় স্পষ্টভাবে দেননি বলে তার স্বামীর হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। কর্মকর্তারা গোরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও অপসারণের আদেশ থাকার কথা জানান। তবে ওমোতোশোর দাবি, তাকে যে পরোয়ানা দেখানো হয়েছিল তাতে বিচারকের স্বাক্ষর ছিল না। কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন ছাড়া অন্যরা নিজেদের নাম ও পরিচয় নম্বরও জানাননি বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। বিমান সংস্থার কর্মীরা ওই সময় কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো প্রশ্ন বা হস্তক্ষেপ করেননি বলেও মামলার নথিতে দাবি করা হয়েছে।

 

পরে গোরের আইনজীবী তাকে আটক রাখার বৈধতা নিয়ে ফেডারেল আদালতে আবেদন করেন। সরকারের পক্ষ থেকে তার মুক্তির আবেদনের বিরোধিতা করা হয়নি। ২৬ মার্চ জেলা বিচারক সুসান ব্রনোভিচ গোরকে মুক্তির নির্দেশ দেন। পরদিন তিনি অভিবাসন কর্তৃপক্ষের আটক অবস্থা থেকে মুক্তি পান।

 

মুক্তির পর গোর আবার সন্তান নেওয়ার চিকিৎসা শুরু করেন। তবে মামলার নথি অনুযায়ী, পরবর্তী চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় কোনো কার্যকর ভ্রূণ তৈরি হয়নি। তার স্বামী আদালতে দেওয়া হলফনামায় দাবি করেন, আটকের কারণে তাদের পরিবার এবং সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনায় গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের বিরুদ্ধে গোর ও তার স্বামীর করা মামলার অভিযোগগুলো এখনো আদালতে বিচারাধীন এবং এসব অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
আইসিইর থামানোর চেষ্টা থেকে পালিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত গুয়াতেমালার অভিবাসী মারিও
আইসিইর আটকের ভয়ে পালাতে গিয়ে নিহত অভিবাসী চালকের পরিবারের আহাজারি

মিশিগানের গ্র্যান্ড র‍্যাপিডসে আইসিইর গাড়ি থামানোর চেষ্টা থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত গুয়াতেমালার অভিবাসী মারিও ডেভিড করোনাডো হুয়ারেজের মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়েছে তার পরিবার। ৩৬ বছর বয়সী মারিও ছিলেন তিন সন্তানের বাবা। যুক্তরাষ্ট্রে নির্মাণকাজ করে উপার্জনের অর্থ তিনি গুয়াতেমালায় থাকা স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে পাঠাতেন বলে পরিবার জানিয়েছে।   মারিওর স্ত্রী মাসাদোনিয়া জানিয়েছেন, স্বামী প্রতিদিন পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলতেন। কিন্তু গত রোববার সকালে তার নিয়মিত ফোনটি আসেনি। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে তিনি সন্তানদের জানান, কেন তাদের বাবা ফোন করছেন না, তা তিনি জানেন না। পরে তারা জানতে পারেন, মারিও গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। স্ত্রী বলেন, মারিও সন্তানদের নিয়ে সবসময় চিন্তা করতেন এবং তাদের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতেন।   পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, মারিওর ১৩ ও ১১ বছর বয়সী দুই মেয়ে এবং ৭ বছরের একটি ছেলে রয়েছে। তিনি গ্র্যান্ড র‍্যাপিডসে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নির্মাণকাজ করছিলেন এবং উপার্জনের অর্থ নিয়মিত পরিবারকে পাঠাতেন। এখন তার মরদেহ গুয়াতেমালায় ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে পরিবার।   গ্র্যান্ড র‍্যাপিডস পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার দিকে হল স্ট্রিট ও সেঞ্চুরি অ্যাভিনিউ এলাকায় আইসিই এজেন্টরা মারিওর গাড়ি থামানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ বলছে, চালক সেখান থেকে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যান। প্রায় এক মাইল দূরে ম্যাককেনড্রিক স্ট্রিট ও সেঞ্চুরি অ্যাভিনিউ এলাকায় গাড়িটি একটি গাছে ধাক্কা দেয় এবং আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলেই চালকের মৃত্যু হয়।   পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার আগে আইসিইর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে গ্র্যান্ড র‍্যাপিডস পুলিশ বিভাগের কোনো পূর্বজ্ঞান বা সম্পৃক্ততা ছিল না। ফেডারেল এজেন্টদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্থানীয় তদন্তকারীদের সীমাবদ্ধতা থাকায় পুলিশ প্রধান জোসেফ ট্রিগ মিশিগান স্টেট পুলিশকে তদন্তে যুক্ত করার অনুরোধ করেন। গভর্নর গ্রেচেন হুইটমারও ঘটনাটি স্বাধীনভাবে পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন।   নিহত ব্যক্তিকে গুয়াতেমালার নাগরিক মারিও ডেভিড করোনাডো হুয়ারেজ হিসেবে শনাক্ত করেছেন গুয়াতেমালার শিকাগো কনসাল জেনারেল রোজারিও ওভান্দো। এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মারিও গুয়াতেমালার সান মার্কোস শহরের বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় অধিকারকর্মী ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তিনি স্ত্রী ও তিন সন্তানকে রেখে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করছিলেন।   এদিকে ঘটনার পর গ্র্যান্ড র‍্যাপিডসে অভিবাসী অধিকারকর্মীরা তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি তুলেছেন। তবে আইসিইর থামানোর চেষ্টা এবং পরবর্তী দুর্ঘটনার মধ্যে আইনগত দায় বা চূড়ান্ত কারণ এখনো তদন্তাধীন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের পক্ষ থেকেও বিস্তারিত কোনো বক্তব্য প্রকাশিত হয়নি বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।   মারিওর স্ত্রী এখন স্বামীকে হারিয়ে তিন সন্তানকে নিয়ে একা হয়ে পড়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তার মরদেহ গুয়াতেমালায় নিয়ে গিয়ে স্বজনদের কাছে দাফনের ব্যবস্থা করার জন্য সহায়তা চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনাস্থলের কাছে তাকে স্মরণ করে একটি ভিজিল বা স্মরণসভা আয়োজনের কথাও জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।   সূত্র: ফক্স ১৭, গ্র্যান্ড র‍্যাপিডস পুলিশ বিভাগ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ৫:২৩
জাতিসংঘ ভাষণের পর কূটনৈতিক বার্তায় ‘এআই’-এর বদলে ‘এসআই’ ব্যবহারের নির্দেশ

ট্রাম্পের নির্দেশের পর ‘এআই’ বদলে ‘এসআই’ লিখতে মার্কিন কূটনীতিকদের নির্দেশ

‘মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছিল বাংলাদেশ’ - তারেক রহমান

‘মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছিল বাংলাদেশ’ - তারেক রহমান

ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির সমর্থকের আত্মীয়ই বহিষ্কারের মুখে, ঠেকাতে মরিয়া লেপেজ

ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির সমর্থকের আত্মীয়ই বহিষ্কারের মুখে, ঠেকাতে মরিয়া লেপেজ

'ইসলাম গ্রহণের পর, বাবা ফেরারি কিনে বলেন, হিজাব খুললে গাড়িটি তোমার’
'ইসলাম গ্রহণের পর, বাবা ফেরারি কিনে বলেন, হিজাব খুললে গাড়িটি তোমার’: মার্কিন অধ্যাপক ড. শারিফা

ইসলাম গ্রহণের আগে নারীর অধিকার নিয়ে সক্রিয় ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের শারিফা কার্লো। নিজের লেখা ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, কিশোর বয়সে এমন একটি গোষ্ঠীর সংস্পর্শে এসেছিলেন, যারা তাঁকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পড়িয়ে মুসলিম নারীদের মধ্যে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করতে চেয়েছিল। কিন্তু ইসলাম সম্পর্কে গভীরভাবে পড়াশোনা করতে গিয়ে তাঁর নিজের বিশ্বাসই বদলে যায়। ১৯৮৫ সালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন বলে তাঁর প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন।    শারিফা কার্লোর নিজের বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি যখন কিশোরী ছিলেন, তখন এক ব্যক্তি তাঁকে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পড়ার পরামর্শ দেন। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের মিশরে দূতাবাসে কাজের সুযোগ করে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম নারীদের সঙ্গে কাজ করা এবং তাঁদের তৎকালীন নারী অধিকার আন্দোলনের দিকে উৎসাহিত করা।   এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই তিনি ইসলাম সম্পর্কে পড়াশোনা শুরু করেন। কোরআন, হাদিস ও ইসলামের ইতিহাস পড়তে গিয়ে শুরুতে তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ধর্মটির দুর্বলতা খুঁজে বের করা। কিন্তু তাঁর নিজের ভাষ্য অনুযায়ী, পড়াশোনা যত এগোয়, ইসলামের বার্তা তাঁকে তত বেশি আকৃষ্ট করতে থাকে। ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন বক্তব্য তাঁর কাছে যুক্তিসংগত মনে হতে শুরু করে।   ইসলাম সম্পর্কে নিজের ধারণা যাচাই করতে তিনি খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্ব নিয়েও পড়াশোনা করেন। তাঁর প্রকাশিত বর্ণনায় তিনি লিখেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অধ্যাপকের কাছ থেকে খ্রিস্টধর্মের ইতিহাস ও বাইবেলের বিভিন্ন ভাষার উৎস নিয়ে পড়াশোনা করেন। পাশাপাশি মুসলিম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যান। প্রায় তিন বছর ধরে ধর্ম ও বিশ্বাস নিয়ে পড়াশোনার পর এক মুসলিম ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি শাহাদাহ পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করেন বলে তাঁর নিজের লেখায় উল্লেখ রয়েছে।    ইসলাম গ্রহণের পর পরিবারের প্রতিক্রিয়াও ছিল কঠিন বলে জানিয়েছেন শারিফা। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, সে সময় তাঁর বাবা জার্মানিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ইসলাম গ্রহণের খবর জানালে বাবা তাঁকে জার্মানিতে ফিরে যাওয়ার জন্য চাপ দেন এবং ফিরে না এলে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা বলেন বলে তিনি দাবি করেছেন। এই বক্তব্যের অনুরূপ বিবরণ তাঁর ২০০৭ সালে প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক লেখাতেও রয়েছে।    হিজাব পরার বিষয়টিও তাঁর পরিবারের সঙ্গে বিরোধের কারণ হয়ে ওঠে বলে শারিফা জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বাবা তাঁকে একটি ফেরারি গাড়ি দেওয়ার প্রস্তাব দেন, তবে শর্ত ছিল তাঁকে হিজাব খুলতে হবে। তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এই ঘটনার বিবরণ পরবর্তী বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও তাঁর জীবনের গল্প নিয়ে প্রকাশিত লেখাতেও এসেছে।    ইসলাম গ্রহণের পর তাঁর পড়াশোনার পথও সহজ ছিল না বলে তিনি বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন। একটি সাক্ষাৎকারে শারিফা দাবি করেন, হিজাব পরার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষাজীবন নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং তাঁকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে নানা বাধার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তবে এসব ঘটনার স্বাধীন প্রাতিষ্ঠানিক নথি সহজে পাওয়া যায় না, তাই বিষয়গুলো তাঁর নিজের বর্ণনা হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।   পরবর্তী সময়ে শারিফা কার্লো আল আন্দালুসিয়া নামে তিনি ইসলাম নিয়ে লেখালেখি ও বক্তৃতার সঙ্গে যুক্ত হন। তাঁর নামে প্রকাশিত বিভিন্ন লেখায় ইসলামি বিশ্বাস, হিজাব, রমজান ও মুসলিম জীবনের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা রয়েছে। ২০২৫ সালে কুয়েত টাইমসেও তাঁর নামে রমজানের বিভিন্ন ঐতিহ্য নিয়ে লেখা প্রকাশিত হয়েছে।   তাঁর ইসলাম গ্রহণের গল্পের মূল অংশটি দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে বিভিন্ন ইসলামি প্রকাশনা ও বক্তৃতার মাধ্যমে প্রচারিত হয়ে আসছে। তবে গোষ্ঠীটি ঠিক কোন প্রতিষ্ঠান ছিল, সেটির সরকারি পরিচয় বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে শারিফা কার্লোর নিজের বক্তব্যকেই প্রধান উৎস হিসেবে দেখা প্রয়োজন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ৩:৪৪
মামদানির মন্তব্যের মধ্যেই নিউ জার্সিতে নামল নেতানিয়াহুর বিমান

মামদানির মন্তব্যের মধ্যেই নিউ জার্সিতে নামল নেতানিয়াহুর বিমান

বিবাহবার্ষিকীতে ক্রুজ থেকে ৩ সন্তানের বাবার ঝাঁপ, সামনে এলো নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিবাহবার্ষিকীতে ক্রুজ থেকে ৩ সন্তানের বাবার ঝাঁপ, সামনে এলো নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য

কমিউনিজমের মধ্যেও আমার শৈশব ছিল সুন্দর, বললেন মেলানিয়া ট্রাম্প

কমিউনিজমের মধ্যেও আমার শৈশব ছিল সুন্দর, বললেন মেলানিয়া ট্রাম্প

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নারী নেতাদের সভায় বক্তব্য রাখলেন ডা. জুবাইদা রহমান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নারী নেতাদের সভায় বক্তব্য রাখলেন ডা. জুবাইদা রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন ঘিরে নিউইয়র্কে আয়োজিত নারী নেতাদের একটি সভায় বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন তিনি। তাঁর এই অংশগ্রহণ জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মসূচিতে বাংলাদেশের নারী নেতৃত্বের প্রতিনিধিত্বের একটি উল্লেখযোগ্য পর্ব হিসেবে সামনে এসেছে।   ডা. জুবাইদা রহমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে যান। ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের স্বাগত প্রাতরাশেও তিনি অংশ নেন। সেখানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সঙ্গে তাঁকে দেখা যায়।   নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও অনুষ্ঠানে বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি তাঁদের জীবনসঙ্গীরাও অংশ নিচ্ছেন। নারী নেতৃত্ব, শিশুদের শিক্ষা, প্রযুক্তি, নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশসহ বিভিন্ন সামাজিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় এসব অনুষ্ঠানে আলোচনায় এসেছে।   এর আগে চলতি বছরের আগস্টে ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়, ইউএন উইমেন ও ইউএনওপিএস বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ‘শি লিডস টুমরো’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডা. জুবাইদা রহমান। ওই অনুষ্ঠানে তিনি তরুণী ও কিশোরীদের নেতৃত্ব বিকাশের গুরুত্ব তুলে ধরেন। জাতিসংঘের বাংলাদেশ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওই উদ্যোগে এক হাজারের বেশি কিশোরী ও তরুণীকে নেতৃত্ব ও সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেওয়া হয়।   এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের বক্তব্য দেবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি জাতিসংঘে তাঁর প্রথম ভাষণ। তাঁর সফরসূচিতে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা, জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ইস্যুতে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে।   জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনকে ঘিরে নিউইয়র্কে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, মন্ত্রী এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অবস্থান করছেন। এর মধ্যেই ডা. জুবাইদা রহমানের নারী নেতাদের সভায় অংশগ্রহণ বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির পাশাপাশি নারী নেতৃত্ব ও সামাজিক বিষয়ক আলোচনায় তাঁর অংশগ্রহণকেও সামনে এনেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ১:২৬
শি জিনপিংকে বিমানবন্দরে বিরল অভ্যর্থনা ট্রাম্পের, সামনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

শি জিনপিংকে বিমানবন্দরে বিরল অভ্যর্থনা ট্রাম্পের, সামনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

আমেরিকার শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনীর তালিকায় যেতে কত সম্পদ লাগবে

আমেরিকার শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনীর তালিকায় যেতে কত সম্পদ লাগবে? জেনে নিন

আইসিই হেফাজতে কেটেছে ৫২ দিন, এখন অন্যদের জন্য লড়তে হতে চান ইমিগ্রেশন আইনজীবী

আইসিই হেফাজতে কেটেছে ৫২ দিন, এখন অন্যদের জন্য লড়তে হতে চান ইমিগ্রেশন আইনজীবী

0 Comments