সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

আমেরিকায় স্বচ্ছন্দে থাকতে বছরে কত আয় দরকার, নতুন হিসাব

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ২:৫৭
আমেরিকায় স্বচ্ছন্দে থাকতে বছরে কত আয় দরকার, নতুন হিসাব
আমেরিকায় স্বচ্ছন্দে থাকতে বছরে কত আয় দরকার, নতুন হিসাব

যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ায় শুধু ৬ অঙ্কের বেতন পেলেই স্বচ্ছন্দে থাকা নিশ্চিত হচ্ছে না। ২০২৬ সালের এক নতুন বিশ্লেষণ বলছে, সন্তানহীন একক একজন প্রাপ্তবয়স্কের যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো অঙ্গরাজ্যে স্বচ্ছন্দে জীবনযাপন করতে বছরে অন্তত ৮০ হাজার ডলারের বেশি আয় প্রয়োজন। অঙ্গরাজ্যভেদে এই প্রয়োজন আরও অনেক বেশি। হাওয়াইয়ে একজনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার ডলার, আর নিউইয়র্কে প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার ডলার। 

 

স্মার্টঅ্যাসেটের ২০২৬ সালের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, স্বচ্ছন্দে জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় আয় নির্ধারণে আবাসন, খাবার, পরিবহন, হেলথ কেয়ারসহ মৌলিক খরচ বিবেচনা করা হয়েছে। এরপর ৫০/৩০/২০ বাজেট পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় বার্ষিক প্রি-ট্যাক্স আয় হিসাব করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে আয়ের ৫০ শতাংশ প্রয়োজনীয় খরচ, ৩০ শতাংশ ইচ্ছাধীন ব্যয় এবং ২০ শতাংশ সঞ্চয় ও ঋণ পরিশোধের জন্য ধরা হয়েছে। 

 

অর্থাৎ সর্বনিম্ন হিসাব অনুযায়ী, একজন একক ব্যক্তির মাসিক প্রি-ট্যাক্স আয় প্রায় ৬ হাজার ৮০০ ডলার বা তার বেশি হলে স্বচ্ছন্দে জীবনযাপনের লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব। তবে এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির হাতে থাকা মাসিক বেতন নয়। কর ও অন্যান্য কর্তনের পর হাতে পাওয়া অর্থ এর চেয়ে কম হবে।

 

অঙ্গরাজ্যভেদে ব্যবধানও বড়। সবচেয়ে কম খরচের অঙ্গরাজ্য হিসেবে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় একজন একক প্রাপ্তবয়স্কের জন্য বছরে প্রায় ৮১ হাজার ২৪৫ ডলার প্রয়োজন। বিপরীতে হাওয়াইয়ে প্রয়োজন ১ লাখ ২৯ হাজার ২ ডলার। নিউইয়র্কে প্রয়োজন ১ লাখ ২৪ হাজার ৩৪২ ডলার এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৭ ডলার। 

 

বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যেও পার্থক্য রয়েছে। টেক্সাসে একজন একক প্রাপ্তবয়স্কের স্বচ্ছন্দে থাকার জন্য বছরে প্রায় ৯০ হাজার ৫৬৩ ডলার প্রয়োজন বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। পেনসিলভেনিয়ায় প্রয়োজন প্রায় ৯৭ হাজার ১১ ডলার। নিউ জার্সিতে এই অঙ্ক প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার ৭৭৬ ডলার। 

 

পরিবার নিয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় আয় আরও বেড়ে যায়। দুই কর্মজীবী প্রাপ্তবয়স্ক ও দুই সন্তানের একটি পরিবারের স্বচ্ছন্দে জীবনযাপনের জন্য ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ৪০টিতেই বছরে অন্তত ২ লাখ ডলার প্রয়োজন বলে গবেষণায় বলা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ম্যাসাচুসেটসে, প্রায় ৩ লাখ ২৯ হাজার ৫৫৫ ডলার। বিপরীতে মিসিসিপিতে চার সদস্যের পরিবারের জন্য প্রয়োজন প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৩৩ ডলার। 

 

জীবনযাত্রার ব্যয়ের বড় অংশই যায় বাসস্থানে। যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি ব্যুরোর তথ্যের ভিত্তিতে ইউএসএফ্যাক্টস জানিয়েছে, ২০২৪ সালে ভাড়াটিয়া পরিবারের গড় মাসিক ভাড়া, ইউটিলিটিসহ, ছিল প্রায় ১ হাজার ৪৮৭ ডলার। একই সময়ে ভাড়াটিয়া পরিবারের গড় মাসিক আয় ছিল প্রায় ৪ হাজার ৫৩৭ ডলার। অর্থাৎ গড়ে আয়ের ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ ভাড়ায় চলে গেছে। 

 

তবে বাস্তবে কোনো পরিবার কত আয় করলে ভালোভাবে চলতে পারবে, তা শুধু অঙ্গরাজ্য দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না। একই অঙ্গরাজ্যের মধ্যেও শহর ও এলাকার ভিত্তিতে রেন্ট, যাতায়াত, চাইল্ড কেয়ার, হেলথ ইন্স্যুরেন্স এবং অন্যান্য খরচে বড় পার্থক্য থাকতে পারে।

 

গবেষণাটির হিসাবও মূলত একটি আর্থিক মানদণ্ড, কোনো পরিবারের জন্য নির্দিষ্ট বেতনসীমা নয়। গবেষণায় ব্যবহৃত মৌলিক জীবনযাত্রার খরচের তথ্য নেওয়া হয়েছে এমআইটির লিভিং ওয়েজ ক্যালকুলেটর থেকে। এরপর ৫০/৩০/২০ বাজেট পদ্ধতির ভিত্তিতে স্বচ্ছন্দে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় আয় নির্ধারণ করা হয়েছে। 

 

ফলে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে বসবাস শুরু করা বা অন্য অঙ্গরাজ্যে যাওয়ার পরিকল্পনা করা বাংলাদেশিদের জন্য শুধু বেতনের অঙ্ক নয়, বরং রেন্ট, কর, গাড়ি ও ইন্স্যুরেন্স, হেলথ কেয়ার, চাইল্ড কেয়ার এবং সঞ্চয়ের খরচ একসঙ্গে হিসাব করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
আবেদন থেকে ভিসা পাওয়া পর্যন্ত খরচ কত বাংলাদেশীদের জন্য নতুন হিসাব
আমেরিকার ভিসা পেতে কত টাকা লাগে? আবেদন থেকে ভিসা পাওয়া পর্যন্ত খরচ কত বাংলাদেশীদের জন্য নতুন হিসাব

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা করতে আবেদনকারীর খরচ ভিসার ধরন অনুযায়ী ভিন্ন। বর্তমানে সাধারণ ভিজিটর ভিসা, অর্থাৎ ব্যবসা বা পর্যটনের জন্য বি-১/বি-২ ভিসার আবেদন ফি ১৮৫ ডলার। শিক্ষার্থী ও অন্যান্য কিছু নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ক্ষেত্রেও ১৮৫ ডলার আবেদন ফি প্রযোজ্য। তবে বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য ২০২৬ সালে ভিসা বন্ডের নিয়ম চালু হওয়ায় মোট আর্থিক দায় অনেক বেড়েছে।    বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য বি-১/বি-২ ভিসার ক্ষেত্রে ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ভিসা বন্ডের নিয়ম কার্যকর হয়েছে। ভিসা কর্মকর্তা আবেদনকারীর সাক্ষাৎকারের সময় ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ১৫ হাজার ডলারের বন্ড নির্ধারণ করতে পারেন। তবে ভিসা বন্ড দিতে হবে শুধু তখনই, যখন কনস্যুলার কর্মকর্তা আবেদনকারীকে এ নির্দেশ দেবেন। শুধু নিজের ইচ্ছায় বন্ডের টাকা জমা দিলে তা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই।    এই বন্ড সাধারণ ভিসা ফি নয়। ভিসা অনুমোদনের পর নির্ধারিত শর্ত মেনে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ ছাড়লে বন্ডের অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বন্ডের টাকা যিনি জমা দেবেন, শর্ত পূরণ হলে ফেরতও তার কাছেই দেওয়া হবে।    ভিসা আবেদন ফি অবশ্য ফেরতযোগ্য নয়। অর্থাৎ আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলেও ১৮৫ ডলারের আবেদন ফি ফেরত পাওয়া যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বি-১/বি-২ ছাড়াও এফ-১ শিক্ষার্থী, এম-১ ভোকেশনাল স্টুডেন্ট, জে-১ এক্সচেঞ্জ ভিজিটরসহ বেশ কয়েকটি নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদন ফি ১৮৫ ডলার।    কাজের জন্য এইচ, এল, ও, পি, কিউ ও আর ক্যাটাগরির মতো পিটিশনভিত্তিক নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদন ফি ২০৫ ডলার। ই-ভিসার ক্ষেত্রে ফি ৩১৫ ডলার এবং মার্কিন নাগরিকের বাগদত্তা বা স্বামী-স্ত্রীর জন্য কে-ভিসার আবেদন ফি ২৬৫ ডলার।    ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ক্ষেত্রে খরচের কাঠামো আলাদা। পরিবারভিত্তিক ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদন ফি বর্তমানে জনপ্রতি ৩২৫ ডলার। কর্মসংস্থানভিত্তিক ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদন ফি ৩৪৫ ডলার। অন্যান্য কিছু ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ক্ষেত্রে ফি ২০৫ ডলার।    এর বাইরে পরিবারভিত্তিক ইমিগ্র্যান্ট ভিসার পিটিশন, অর্থাৎ আই-১৩০ জমা দেওয়ার জন্য ৬৭৫ ডলার ফি রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট পর্যালোচনার জন্য ১২০ ডলার ফিও প্রযোজ্য হতে পারে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর গ্রিন কার্ড তৈরির জন্য ইউএসসিআইএস ইমিগ্র্যান্ট ফিও দিতে হয়।    বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভিসার মেয়াদ ও প্রবেশের সংখ্যা। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বাংলাদেশ রিসিপ্রোসিটি তালিকায় বি-১, বি-২ এবং বি-১/বি-২ ভিসার জন্য কোনো আলাদা রিসিপ্রোসিটি ফি দেখানো হয়নি। একই তালিকায় এসব ভিসার মেয়াদ তিন মাস এবং প্রবেশের সংখ্যা একবার উল্লেখ করা হয়েছে।    ভিসা পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে কতদিন থাকা যাবে, সেটি ভিসার মেয়াদের সঙ্গে এক বিষয় নয়। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন কর্মকর্তা অনুমোদিত থাকার সময় নির্ধারণ করেন। তাই ভিসার গায়ে থাকা মেয়াদ দেখে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময় নিশ্চিত ধরে নেওয়া উচিত নয়।   আরেকটি বিষয় হলো, ২০২৫ সালে আইন করে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীদের জন্য ২৫০ ডলারের ভিসা ইন্টেগ্রিটি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। আইনে বলা হয়েছে, এই ফি ভিসা ইস্যুর সময় নেওয়া হবে এবং পরবর্তী বছরগুলোতে মূল্যস্ফীতির ভিত্তিতে সমন্বয় করা যেতে পারে। তবে এই ফি কীভাবে এবং কোথায় সংগ্রহ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।    ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, ইমিগ্র্যান্ট ভিসার প্রয়োজনীয় ফি নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী দিতে হয় এবং ভিসা না পেলে আবেদন ফি ফেরতযোগ্য নয়। ভিসার ধরন অনুযায়ী ফি পরিবর্তিত হতে পারে বলে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট ভিসা ক্যাটাগরির সর্বশেষ সরকারি তথ্য যাচাই করা জরুরি।    সব মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা করতে শুধু ১৮৫ ডলারের আবেদন ফি হিসাব করলেই হবে না। বিশেষ করে বি-১/বি-২ ভিসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি আবেদনকারীদের ভিসা বন্ডের সম্ভাব্য অর্থ, ভ্রমণসংক্রান্ত অন্যান্য খরচ এবং প্রযোজ্য অতিরিক্ত ফি সম্পর্কে আগে থেকেই পরিষ্কার ধারণা রাখা প্রয়োজন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ৩:২
আমেরিকায় স্বচ্ছন্দে থাকতে বছরে কত আয় দরকার, নতুন হিসাব

আমেরিকায় স্বচ্ছন্দে থাকতে বছরে কত আয় দরকার, নতুন হিসাব

পেনসিলভেনিয়ায় নতুন? চাকরি, শিক্ষা ও কমিউনিটি সহায়তার জন্য যেসব জায়গা চেনা ও জানা জরুরী

পেনসিলভেনিয়ায় নতুন? চাকরি, শিক্ষা ও কমিউনিটি সহায়তার জন্য যেসব জায়গা চেনা ও জানা জরুরী

এনওয়াইপিডির বিশেষ স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশী সার্জেন্ট মোহাম্মদ হক

এনওয়াইপিডির বিশেষ স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশী সার্জেন্ট মোহাম্মদ হক

যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক অঙ্গরাজ্যে জলাতঙ্ক নিয়ে সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক অঙ্গরাজ্যে জলাতঙ্ক নিয়ে সতর্কতা, বাড়ছে সংক্রমিত প্রাণীর সংখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক অঙ্গরাজ্যে প্রাণীদের মধ্যে জলাতঙ্কের ঘটনা বাড়ায় জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সতর্কতা জারি করেছেন। নর্থ ক্যারোলাইনায় একটি ভ্রাম্যমাণ পেটিং জুর কয়েকটি ছাগলের শরীরে জলাতঙ্ক শনাক্ত হওয়ার পর শত শত মানুষের সম্ভাব্য সংস্পর্শের বিষয়টি মূল্যায়ন করা হচ্ছে। একই সময়ে আইডাহোতে এ বছর ইতোমধ্যে ২৪টি জলাতঙ্ক আক্রান্ত বাদুড় শনাক্ত হয়েছে, আর টেক্সাসের সান আন্তোনিও এলাকায় বন্যপ্রাণীর মধ্যে সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।   নর্থ ক্যারোলাইনার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের হিসাবে, ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগগুলো পেটিং জুর ছাগলের সংস্পর্শে আসা ২৮৪ জনের জলাতঙ্কের ঝুঁকি মূল্যায়ন করেছে। তাদের মধ্যে ২১৩ জনকে পোস্ট এক্সপোজার প্রফাইল্যাক্সিস বা পিইপি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব মানুষ ২৮ জুলাই থেকে ২৭ আগস্টের মধ্যে ফার্ম অ্যাডভেঞ্চার্স নামের একটি ভ্রাম্যমাণ পেটিং জুর ছাগলের সংস্পর্শে এসেছিলেন।   অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, আইরেডেল কাউন্টির হারমোনিতে থাকা ওই পেটিং জুর তিনটি বাচ্চা ছাগলের পরীক্ষায় জলাতঙ্ক শনাক্ত হয়েছে। আরেকটি ছাগল পরীক্ষা করা না হলেও সেটিও আক্রান্ত ছিল বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের ধারণা, জুলাইয়ের শেষ দিকে ছাগলগুলোর খোঁয়াড়ে ঢুকে পড়া একটি স্কাঙ্কের মাধ্যমে তাদের মধ্যে ভাইরাস ছড়াতে পারে।   ছাগলগুলো নর্থ ক্যারোলাইনার বিভিন্ন এলাকায় শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষের জন্য আয়োজিত একাধিক অনুষ্ঠানে নেওয়া হয়েছিল। ফলে সম্ভাব্য সংস্পর্শের পরিধিও বড় হয়েছে। আক্রান্ত ছাগলগুলোর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসা প্রয়োজন কি না তা নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।   এদিকে আইডাহোতেও জলাতঙ্ক নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ২৪টি জলাতঙ্ক আক্রান্ত বাদুড় পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে। গত তিন বছরের যেকোনো পুরো বছরের তুলনায় এই সংখ্যা বেশি। বাদুড়ের সংস্পর্শে আসার সম্ভাব্য ঘটনা নিয়েও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের কাছে আগের তুলনায় বেশি ফোন আসছে।   কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মানুষের বসতি বাড়ার কারণে বন্যপ্রাণীর সঙ্গে মানুষের সংস্পর্শ বাড়তে পারে। তবে আইডাহোতে বাদুড়ের সংক্রমণ বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। বাসিন্দাদের বাদুড় ধরতে বা স্পর্শ না করতে এবং মানুষ বা পোষা প্রাণীর সম্ভাব্য সংস্পর্শ ঘটলে দ্রুত স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে।   টেক্সাসের সান আন্তোনিওতেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শহরটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন ও জুলাইয়ে বেক্সার কাউন্টিতে বন্যপ্রাণীর মধ্যে ২২টি জলাতঙ্কের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এর আগের দুই বছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল মাত্র দুই থেকে তিনটি।   এ সময় এক পোষা কুকুরের শরীরেও জলাতঙ্ক শনাক্ত হয়েছে, যা বেক্সার কাউন্টিতে এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে কোনো পোষা কুকুরের প্রথম নিশ্চিত সংক্রমণ। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, কুকুরটি জুলাইয়ের শেষ দিকে একটি বাচ্চা স্কাঙ্ক মেরে ফেলার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে পরীক্ষায় তার শরীরে জলাতঙ্কের ভাইরাস শনাক্ত হয়। সংস্পর্শে আসা মানুষ ও অন্যান্য পোষা প্রাণীকে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।   জলাতঙ্ক একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত আক্রান্ত প্রাণীর কামড়, আঁচড় বা লালার সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়। বন্য প্রাণী, বিশেষ করে বাদুড়, স্কাঙ্ক, র‍্যাকুন ও শেয়াল এ ভাইরাসের গুরুত্বপূর্ণ বাহক। আক্রান্ত প্রাণীর লালা চোখ, মুখ, নাক বা কাটা-ছেঁড়া ত্বকে লাগলেও সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।   সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো, জলাতঙ্কের উপসর্গ শুরু হয়ে গেলে রোগটি প্রায় সব ক্ষেত্রেই প্রাণঘাতী। তবে সম্ভাব্য সংস্পর্শের পর উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই দ্রুত পিইপি নেওয়া হলে সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।   যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা তাই পোষা কুকুর, বিড়ালসহ অন্যান্য প্রাণীর জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন আপডেট রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে অপরিচিত বা বন্য প্রাণীকে স্পর্শ না করা এবং কোনো প্রাণীর কামড়, আঁচড় বা লালার সম্ভাব্য সংস্পর্শ ঘটলে দেরি না করে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ বা চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ০:৩৩
তিন বছর ধরে ক্রুজ জাহাজেই দম্পতির সংসার

তিন বছর ধরে ক্রুজ জাহাজেই দম্পতির সংসার, দিনে খরচ মাত্র ৬৬ ডলার

চার অঙ্গরাজ্যে স্বর্ণের লোভ দেখিয়ে ১৫ লাখ ডলারের প্রতারণা, ভারতীয় নাগরিকের দোষ স্বীকার

চার অঙ্গরাজ্যে স্বর্ণের লোভ দেখিয়ে ১৫ লাখ ডলারের প্রতারণা, ভারতীয় নাগরিকের দোষ স্বীকার

১৯ সেকেন্ডের ভিডিও থেকে বিলিয়ন ডলারের ইউটিউব, নেপথ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাওয়েদ করিম

১৯ সেকেন্ডের ভিডিও থেকে বিলিয়ন ডলারের ইউটিউব, নেপথ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাওয়েদ করিম

নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে ফের ছুরিকাঘাত, মুখ ও পেটে আঘাত নিয়ে আহত ২৩ বছরের তরুণ
নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে ফের ছুরিকাঘাত, মুখ ও পেটে আঘাত নিয়ে আহত ২৩ বছরের তরুণ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের কেন্দ্রস্থল টাইম স্কয়ারে এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেভেন্থ অ্যাভিনিউ ও ওয়েস্ট ৫০ নম্বর স্ট্রিটের কাছে ২৩ বছর বয়সী এক তরুণের মুখ ও পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়।   পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারী বেইজ রঙের সোয়েটার পরিহিত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত ওই তরুণ বর্তমানে নিউইয়র্ক-প্রেসবাইটেরিয়ান বা উইল কর্নেল মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই হামলাটি কোনো বিরোধের জেরে নাকি সম্পূর্ণ আকস্মিক ছিল, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।   শনিবারের এই হামলার মাত্র কয়েকদিন আগেই টাইম স্কয়ারে আরেকটি মারাত্মক ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় পামেলা সিসনেরোস (৪৯) নামের মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী রোড আইল্যান্ডের ৬৮ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে ছুরিকাঘাত করেন। পরবর্তীতে ৪১ ও ৪২ নম্বর স্ট্রিটের মাঝে পুলিশের সঙ্গে পামেলার মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়।   পুলিশ তাকে ছুরি ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে চার মিনিট ধরে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ টিজার ব্যবহার করলে তিনি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। বাধ্য হয়ে পুলিশ গুলি চালালে ওই নারীর মৃত্যু হয়।   একের পর এক এমন সহিংস ঘটনায় টাইম স্কয়ারে আসা পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই এখন এই এলাকায় চলাফেরা করতে গিয়ে নিজেদের অনিরাপদ বোধ করছেন এবং চারপাশের পরিবেশ নিয়ে সতর্ক থাকছেন।   সাধারণ মানুষ ও দর্শনার্থীরা মনে করছেন, শহরে মানসিক স্বাস্থ্য সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে এবং এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। শনিবারের হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ধরতে পুলিশের তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ ২২:৩৬
স্টকিংয়ের অভিযোগে জন কেনেডি (৫৩) নামের হাইস্কুল শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

নিউইয়র্কে প্রাক্তন ছাত্রীকে স্টকিংয়ের অভিযোগ, শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলজীবনেই যৌ ন সম্পর্কের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের জন্য সুদ এড়িয়ে ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি ও বাড়ি কেনার যেসব বিকল্প আছে

যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের জন্য সুদ এড়িয়ে ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি ও বাড়ি কেনার যেসব বিকল্প আছে

যুক্তরাষ্ট্রে ঘুষের বিনিময়ে গ্রিন কার্ড-নাগরিকত্ব, সাবেক ইউএসসিআইএস কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ২

যুক্তরাষ্ট্রে ঘুষের বিনিময়ে গ্রিন কার্ড-নাগরিকত্ব, সাবেক ইউএসসিআইএস কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ২

0 Comments