সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ফ্লোরিডায় স্টোর থেকে শিশুখাদ্য চুরি করে বিক্রি, ১১ লাখ ডলারের চক্রের মূল হোতা দম্পতি গ্রেপ্তার

ফ্লোরিডা প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ ১৯:৫৬
ফ্লোরিডায় স্টোর থেকে শিশুখাদ্য চুরি করে বিক্রি, ১১ লাখ ডলারের চক্রের মূল হোতা দম্পতি গ্রেপ্তার
ফ্লোরিডায় স্টোর থেকে শিশুখাদ্য চুরি করে বিক্রি, ১১ লাখ ডলারের চক্রের মূল হোতা দম্পতি গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ফ্লোরিডায় চুরি করা শিশুখাদ্য বা বেবি ফর্মুলা কেনাবেচার ১১ লাখ ডলারের এক বিশাল চক্রের মূল হোতা হিসেবে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা হলেন ৫৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ আলসাইদি এবং ৪৯ বছর বয়সী জেইনা আব্দুল-হাসান সু জাবিব। ফ্লোরিডার অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উথমিয়ার এবং পাম বিচ শেরিফ অফিস গত বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

তাদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও চুরি করা সম্পত্তি কেনাবেচার ষড়যন্ত্রসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

দীর্ঘ ১৫ মাসের নিবিড় তদন্ত শেষে লেক ওয়ার্থের একটি বাড়ি এবং ডেভি এলাকার একটি গুদাম থেকে এই অবৈধ চক্রটি পরিচালিত হওয়ার প্রমাণ পায় কর্তৃপক্ষ। চক্রের সাথে জড়িত পেশাদার চোরেরা (যাদের বুস্টার বলা হয়) পুবলিক্স, টার্গেট, ওয়ালমার্ট, সিভিএস এবং ওয়ালগ্রিনসের মতো বড় স্টোর থেকে বেবি ফর্মুলা চুরি করে আনত।

 

এরপর তারা বাজারদরের মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ দামে, অর্থাৎ প্রতি কৌটা ১০ ডলারে সেগুলো ওই দম্পতির কাছে বিক্রি করে দিত। পরবর্তীতে আলসাইদি এবং জাবিব বেশি লাভের আশায় এই শিশুখাদ্যগুলো গুদামে মজুত করে পুনরায় চড়া দামে বিক্রি করতেন। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ফ্লোরিডাজুড়ে ১৫০টিরও বেশি চুরির ঘটনার সাথে এই সংঘবদ্ধ চক্রের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

 

এই ন্যক্কারজনক অপরাধের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উথমিয়ার বলেন, যেসব বাবা-মা সন্তানদের খাওয়ানোর জন্য বেবি ফর্মুলার ওপর নির্ভরশীল, তাদের কাছ থেকে এটি চুরি করা অত্যন্ত বিবেকহীন কাজ।

 

পাম বিচ শেরিফ রিক ব্র্যাডশ জানান, স্টোরগুলোতে শিশুখাদ্যের সংকট দেখা দিলে তা সাধারণ পরিবারগুলোর মধ্যে মারাত্মক ভীতি ও ভোগান্তির সৃষ্টি করে।

 

এই ঘটনার সাথে জড়িত কেনেথ এল. জোন্স জুনিয়রসহ মোট ৯ জন পেশাদার চোরকে ইতোমধ্যে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে শুধু কেনেথই ৭০ হাজার ডলারেরও বেশি মূল্যের শিশুখাদ্য চুরি করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
প্যারিসের অভিজাত আবাসন বাজারে আমেরিকান ক্রেতাদের উপস্থিতি সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে। ছবি: সংগৃহীত
নিজ দেশের রাজনীতি ও ব্যয়বহুল জীবন ছেড়ে প্যারিসে বাড়ি কিনছেন মার্কিনীরা

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বাড়ি কিনতে আগ্রহী আমেরিকানদের সংখ্যা বাড়ছে। একসময় ধনী মার্কিন নাগরিকদের জন্য প্যারিসে বাড়ি কেনা মূলত ছুটির সময় ব্যবহারের জন্য একটি অতিরিক্ত ঠিকানা বা বিনিয়োগের বিষয় ছিল। এখন সেই প্রবণতা বদলে অনেকেই স্থায়ীভাবে প্যারিসে বসবাসের জন্য বাড়ি কিনছেন।   রাজনৈতিক পরিবেশ, জীবনযাত্রার মান, তুলনামূলকভাবে কম জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ইউরোপের কেন্দ্র থেকে জীবন শুরু করার সুযোগ আমেরিকানদের আকৃষ্ট করছে। একই সঙ্গে তাদের তুলনামূলক বেশি ব্যয়ের কারণে প্যারিসের বিলাসবহুল আবাসন বাজারেও তৈরি হচ্ছে নতুন চাপ। বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে ১৫ হাজার ৩৮৮ জন আমেরিকান ফ্রান্সে বসবাসের অনুমতির জন্য আবেদন করেন। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।   আবাসন বাজারে আমেরিকানদের উপস্থিতিও বেশ চোখে পড়ার মতো। প্যারিসে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে আমেরিকানদের অংশ উল্লেখযোগ্য এবং তাদের গড় ক্রয় বাজেট অন্যান্য অনেক বিদেশি ও স্থানীয় ক্রেতার তুলনায় বেশি। নোটারি দ্য গ্রঁ প্যারির তথ্যেও প্যারিসের আবাসন বাজারে আমেরিকানদের শক্ত অবস্থানের প্রমাণ পাওয়া যায়। ২০২৫ সালে ফ্রান্সের বাইরে বসবাসকারী বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে আমেরিকানরা প্যারিসে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন। তারা ২২০টি বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন, যা বিদেশি অনাবাসী ক্রেতাদের মোট কেনাকাটার ২৬ শতাংশ। তাদের মধ্যম ক্রয়মূল্য ছিল প্রায় ৮ লাখ ৬৪ হাজার ইউরো এবং গড় আয়তন ৬৫ বর্গমিটার।   এই প্রবণতার পেছনে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের পাশাপাশি রাজনৈতিক কারণও কাজ করছে। প্রতিবেদনে এমন কয়েকজন আমেরিকানের কথা তুলে ধরা হয়েছে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবেশে হতাশ হয়ে প্যারিসে স্থায়ীভাবে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মার্টি ইয়াব্রো ও তার স্ত্রী অ্যাঞ্জির গল্পটি তার একটি উদাহরণ। ২০২৪ সালে ইউরোপের তিনটি শহর ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করছিলেন তারা। কিন্তু ভ্রমণের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে তাদের মনে হয়, কয়েক সপ্তাহের সফরের বদলে ইউরোপেই যদি নতুন জীবন শুরু করা যায়। শেষ পর্যন্ত আটলান্টার বাড়ি বিক্রি করে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তারা প্যারিসে চলে যান।   অবসরপ্রাপ্ত এই দম্পতির কাছে শুধু রাজনীতি নয়, জীবনযাত্রার হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ফ্রান্সে স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য সামাজিক সুবিধার কাঠামো তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। প্যারিসের হাঁটাচলার উপযোগী পরিবেশের কারণে গাড়ির প্রয়োজনও কম, যা দীর্ঘমেয়াদে জীবনযাত্রার খরচ কমাতে পারে। প্যারিসে আগ্রহী আমেরিকানদের একটি বড় অংশ ঐতিহাসিক ও অভিজাত এলাকাগুলোর প্রতি আকৃষ্ট। সাঁ-জার্মাঁ-দে-প্রে, ওদেয়োঁ, ল্য মারেঁ এবং ত্রিয়ঁগল দ'অর এলাকার মতো জায়গাগুলো তাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। তবে এখন তারা শহরের আরও কিছু এলাকায়ও যেতে শুরু করেছেন, যেখানে তুলনামূলকভাবে স্থানীয় প্যারিসবাসীদের বসবাস বেশি।   নুভেল আথেন ও মনপারনাসের মতো এলাকাও আমেরিকান ক্রেতাদের নজরে এসেছে। এসব এলাকার কাছাকাছি দ্বিভাষিক স্কুল, বড় পার্ক ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধা রয়েছে। কেউ কেউ প্যারিসের বাইরে অভিজাত শহরতলিতেও বাড়ি খুঁজছেন। এই পরিবর্তন প্যারিসের আবাসন বাজারে শুধু ক্রেতার সংখ্যা বাড়াচ্ছে না, বাড়ির ধরন ও সংস্কারের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনছে। আমেরিকান ক্রেতারা সাধারণত সংস্কার করা রান্নাঘর, সংযুক্ত বাথরুম, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও লিফটের মতো সুবিধা চান। ফলে পুরোনো অ্যাপার্টমেন্ট কিনে সেগুলো আধুনিক করে বিক্রি করার ব্যবসাও বাড়ছে।   ফরাসি আবাসন বাজারে এই প্রবণতার আরেকটি দিক হলো আমেরিকান ক্রেতাদের তুলনামূলক বেশি অর্থ ব্যয় করার প্রবণতা। ব্যবসা-বাণিজ্যভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারিসে আমেরিকান ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি দাম পাওয়া সম্ভব বলে বাজারে একটি ধারণা রয়েছে। এর পেছনে ফরাসি আবাসন বাজারের কাঠামোগত পার্থক্যও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো ফ্রান্সে বাড়ি বিক্রির জন্য একটি একক বড় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম নেই। বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও স্থানীয় সংস্থার মাধ্যমে সম্পত্তির তথ্য ছড়িয়ে থাকে। ফলে নতুন বিদেশি ক্রেতাদের জন্য একই এলাকার বিভিন্ন বাড়ির দাম তুলনা করা কঠিন হতে পারে।   ফরাসি ক্রেতারা সাধারণত নিজের জন্য আলাদা ক্রেতা প্রতিনিধি নিয়োগ করেন না। তারা অনেক সময় সরাসরি বিক্রেতার প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিপরীতে আমেরিকান ক্রেতারা নিজেদের স্বার্থ দেখার জন্য আলাদা আবাসন প্রতিনিধি নিয়োগে বেশি আগ্রহী। এই পার্থক্য থেকে দুই দেশের ক্রয়প্রক্রিয়ার মধ্যেও বড় ব্যবধান তৈরি হচ্ছে। ফরাসি বাজারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসাবগুলোর একটি হলো প্রতি বর্গমিটারের দাম। আমেরিকান ক্রেতারা অনেক সময় মোট বাজেট এবং বাড়িতে কী কী সুবিধা চান, সেটিকে বেশি গুরুত্ব দেন। ফলে একই দামে কতটুকু জায়গা পাওয়া যাচ্ছে, সেটি তুলনায় কম গুরুত্ব পেতে পারে।   নোটারি দ্য গ্রঁ প্যারির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ফ্রান্সের বাইরে বসবাসকারী বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে আমেরিকানদের মধ্যম বাজেট ছিল ৮ লাখ ৬৪ হাজার ইউরো। একই সময়ে ফ্রান্সে বসবাসকারী ক্রেতাদের মধ্যম বাজেট ছিল ২ লাখ ৮৫ হাজার ইউরোর কাছাকাছি। এতে বোঝা যায়, অনাবাসী আমেরিকান ক্রেতারা প্যারিসের তুলনামূলক উচ্চমূল্যের বাজারে বেশি সক্রিয়।   তবে এর অর্থ এই নয় যে বিদেশি ক্রেতারাই পুরো প্যারিসের আবাসন বাজারের দাম নির্ধারণ করছেন। নোটারিদের আগের বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, বিদেশি অনাবাসী ক্রেতাদের মোট অংশ সামগ্রিক বাজারে তুলনামূলকভাবে ছোট। তবে শহরের নির্দিষ্ট অভিজাত এলাকা ও উচ্চমূল্যের বাজারে তাদের প্রভাব বেশি হতে পারে। প্যারিসের স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও এই প্রবণতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। একদিকে বিদেশি ক্রেতাদের অর্থ বাজারে নতুন লেনদেন ও বিনিয়োগ তৈরি করছে। পুরোনো বাড়ি সংস্কার, বিক্রি এবং মালিকদের বাড়ি বদলের ক্ষেত্রেও এটি সুযোগ তৈরি করছে।   অন্যদিকে স্থানীয়দের আশঙ্কা, বেশি অর্থ ব্যয় করতে প্রস্তুত বিদেশি ক্রেতাদের সংখ্যা বাড়লে বিশেষ করে অভিজাত এলাকাগুলোতে বাড়ির দাম আরও বাড়তে পারে। এতে স্থানীয় ক্রেতাদের জন্য বাজারে প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। ২০২৬ সালের নোটারি বিশ্লেষণেও দেখা গেছে, প্যারিসের উচ্চমূল্যের আবাসন বাজারে বিদেশি ক্রেতাদের ভূমিকা বাড়ছে। ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত পুরো ইল-দ্য-ফ্রঁস অঞ্চলে পুরোনো বাড়ির বিক্রি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ শতাংশ কমলেও প্যারিসের উচ্চমূল্যের বাজারে বিদেশি ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক শক্তিশালী।   আমেরিকানদের জন্য প্যারিসের বাড়ি শুধু বসবাসের জায়গা নয়, সম্পদ বৈচিত্র্য করার মাধ্যমও হয়ে উঠছে। ইউরোর মাধ্যমে সম্পদ রাখা তাদের জন্য মার্কিন ডলারের বাইরে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করে। প্যারিসের সীমিত ভৌগোলিক পরিসর, ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণের নীতি এবং ইউরোপের অন্যান্য শহরে সহজ যোগাযোগও দীর্ঘমেয়াদি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। তবে বাড়ি কেনার খরচও কম নয়। সম্পত্তি কেনার সময় কর, নোটারি ফি এবং অন্যান্য ব্যয় মিলিয়ে মোট লেনদেন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হতে পারে। নোটারি দ্য গ্রঁ প্যারির তথ্য অনুযায়ী, গ্রেটার প্যারিস এলাকায় ২০২৫ সালের পরিবর্তনের পর এসব কর ও ফি মিলিয়ে ক্রয়মূল্যের প্রায় ৮ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় হতে পারে।   তারপরও আমেরিকানদের আগ্রহ কমছে না। বরং প্যারিসের বিলাসবহুল আবাসন বাজারে তাদের উপস্থিতি নতুন ধরনের ব্যবসার জন্ম দিচ্ছে। ক্রেতাদের হয়ে সম্পত্তি খোঁজা, দাম নিয়ে দরকষাকষি এবং স্থানীয় বাজার বোঝাতে বিশেষায়িত প্রতিনিধি বা ক্রেতা-পরামর্শকের সংখ্যা বাড়ছে। প্যারিসের আবাসন বাজারে আমেরিকানদের এই প্রবেশ তাই কেবল বিদেশিদের বাড়ি কেনার গল্প নয়। এটি শহরের অভিজাত আবাসন বাজারের চাহিদা, সম্পত্তির সংস্কারের ধরন, ক্রয়প্রক্রিয়া এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বিদেশি ক্রেতাদের সম্পর্কেও পরিবর্তন আনছে।,   তবে প্যারিসের সামনে বড় প্রশ্ন হলো, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের অর্থনৈতিক সুবিধা ধরে রেখেও কীভাবে শহরটিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সাশ্রয়ী ও বাসযোগ্য রাখা যায়। বাজারে আমেরিকানদের আগ্রহ আপাতত কমার কোনো স্পষ্ট লক্ষণ নেই। সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ ২১:১৪
ওবামাকেয়ার গ্রাহকদের ৫০০ ডলার করে ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

৩০ অঙ্গরাজ্যের ১০ লাখ ওবামাকেয়ার গ্রাহককে ৫০০ ডলার করে ফেরত দেবেন ট্রাম্প

ফ্লোরিডায় স্টোর থেকে শিশুখাদ্য চুরি করে বিক্রি, ১১ লাখ ডলারের চক্রের মূল হোতা দম্পতি গ্রেপ্তার

ফ্লোরিডায় স্টোর থেকে শিশুখাদ্য চুরি করে বিক্রি, ১১ লাখ ডলারের চক্রের মূল হোতা দম্পতি গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের বার্ষিকী ঘিরে বাড়ছে ইসলামভীতি, সতর্ক ডালাসের মসজিদগুলো

যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের বার্ষিকী ঘিরে বাড়ছে ইসলামভীতি, সতর্ক ডালাসের মসজিদগুলো

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে নিজের দুই শিশুসন্তানকে শ্বাসরোধে হ ত্যার অভিযোগে আদালতে হাজির মা
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে নিজের দুই শিশুসন্তানকে শ্বাসরোধে হ ত্যার অভিযোগে আদালতে হাজির মা

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ওয়েলেসলিতে নিজের দুই শিশুসন্তানকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত মা জ্যানেট ম্যাকঅসল্যান্ডের ‘প্রোবাবেল কজ’ বা সম্ভাব্য কারণ নির্ণয়ের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার আদালতে এই শুনানি হয়। জ্যানেটের বিরুদ্ধে তার ৭ বছর বয়সী ছেলে কাই এবং ৬ বছর বয়সী মেয়ে এলাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   গত এপ্রিলে নিজ বাড়িতে দুই শিশুর মৃতদেহ উদ্ধারের পর পার্শ্ববর্তী ভারমন্ট অঙ্গরাজ্য থেকে এই নারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে সময় তিনি নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   শুনানিতে ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিস মামলার পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির জন্য আদালতের কাছে আরও সময় প্রার্থনা করে। মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের চার মাস পেরিয়ে গেলেও চিফ মেডিকেল এক্সামিনার অফিস এখনো শিশুদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করতে পারেনি।   চলতি বছরের শুরুর দিকে জ্যানেট ম্যাকঅসল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফার্স্ট-ডিগ্রি খুনের দুটি অভিযোগ আনা হলেও এখনো তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত বা ইন্ডিক্ট করা হয়নি। বিচারক প্রসিকিউশনের সময় বাড়ানোর এই আবেদন মঞ্জুর করেছেন এবং আগামী অক্টোবরের শেষদিকে উভয় পক্ষকে আবারও আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।   জ্যানেটের এই বিচার প্রক্রিয়া এমন এক সময়ে চলছে, যখন লিন্ডসে ক্ল্যান্সি নামের আরেক মার্কিন মায়ের বিচার নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক চলছে। লিন্ডসে প্রসবোত্তর মানসিক বিষণ্ণতার (পোস্টপার্টাম সাইকোসিস) কারণে নিজের সন্তানদের হত্যা করেছিলেন বলে দাবি করেছিলেন, যার বিচার সম্প্রতি বাতিল (মিসট্রায়াল) ঘোষণা করা হয়েছে।   জ্যানেটের আইনজীবী জোসেফ ক্রোস্কি স্বীকার করেছেন যে তার মক্কেলের সন্তানদের বয়স লিন্ডসের সন্তানদের চেয়ে বেশি ছিল, তবে ওই মামলাটি তাদের বিচার প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি বলেন, মানসিক অসুস্থতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা উচিত কি না, তা নিয়ে বর্তমানে পুরো যুক্তরাষ্ট্রে একটি বড় পরিসরে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ ১৯:১৫
শিশু নিপীড়কদের ধরতে গিয়ে ছুরিকাহত মার্কিন ইনফ্লুয়েন্সার নিজেই গ্রেপ্তার

শিশু নিপীড়কদের ধরতে গিয়ে ছুরিকাহত মার্কিন ইনফ্লুয়েন্সার নিজেই গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে জননিরাপত্তা নিয়ে শীর্ষ ৩৮ প্রতিষ্ঠানের উদ্বেগ, মেয়রের কাছে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে জননিরাপত্তা নিয়ে শীর্ষ ৩৮ প্রতিষ্ঠানের উদ্বেগ, মেয়রের কাছে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি

ক্যালিফোর্নিয়ায় ভোট জালিয়াতির অভিযোগ, গৃহহীনদের টাকা দিয়ে ভুয়া স্বাক্ষর করানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

ক্যালিফোর্নিয়ায় ভোট জালিয়াতির অভিযোগ, গৃহহীনদের টাকা দিয়ে ভুয়া স্বাক্ষর করানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

টেক্সাসে মেডেল অব অনার অনুষ্ঠানে গিয়ে ট্রাম্পের আবদার, নিজেকেও দিতে চান মেডেল
টেক্সাসে মেডেল অব অনার অনুষ্ঠানে গিয়ে ট্রাম্পের আবদার, নিজেকেও দিতে চান মেডেল

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘চ্যাম্পিয়ন অব অনার’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে ন্যাশনাল মেডেল অব অনার মিউজিয়াম ফাউন্ডেশন। সামরিক বাহিনীর সাহসিকতার সর্বোচ্চ পদক ‘মেডেল অব অনার’ প্রাপ্তদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং জাতীয় পর্যায়ে এই পদক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ট্রাম্পের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গত বৃহস্পতিবার তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।   অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা ও সমর্থকদের পাশাপাশি পদকপ্রাপ্তরাও উপস্থিত ছিলেন। ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে পদকপ্রাপ্তদের স্মরণে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের লক্ষ্যে প্রণীত ‘হার্শেল “উডি” উইলিয়ামস ন্যাশনাল মেডেল অব অনার মনুমেন্ট লোকেশন অ্যাক্ট’-এর প্রতি জোরালো সমর্থনের জন্যও ট্রাম্প অনুষ্ঠানে ব্যাপক প্রশংসিত হন।   তবে সম্মাননা গ্রহণের এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানেও স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে এক অদ্ভুত মন্তব্য করে বসেন ট্রাম্প। উপস্থিত ১৬ জন জীবিত মেডেল অব অনার বিজয়ীর মধ্যে ১৫ জনের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আমি নিজেকেই এটি দিতে চাই, আমার কোনো সমস্যা নেই, তবে আমাকে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।" তিনি আরও বলেন, নিজেকে দিলে এই সংখ্যাটি ১৫ এর বদলে ১৬ হতো।   যদিও পরক্ষণেই তিনি দাবি করেন যে তিনি নিছকই মজা করছিলেন। তবে কংগ্রেসের হয়ে প্রেসিডেন্ট এই পদক প্রদান করলেও সামরিক বাহিনীতে কাজ করার পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় আইন অনুযায়ী ট্রাম্প এটি পাওয়ার যোগ্য নন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতেও তিনি ২০১৮ সালের ইরাক সফরকে অত্যন্ত সাহসী আখ্যা দিয়ে নিজেকে মেডেল অব অনার দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন।   সাম্প্রতিক সময়ে দেশের সর্বোচ্চ এই সামরিক পদক নিয়ে ট্রাম্পের নানা মন্তব্য মার্কিন রাজনীতিতে বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। গত আগস্টে নিউজার্সিতে এক নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি বেসামরিক নাগরিকদের দেওয়া ‘প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম’-কে ‘মেডেল অব অনার’-এর চেয়ে ‘উন্নত’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।   তার যুক্তি ছিল, সামরিক বাহিনীর সদস্যরা এই পদক পাওয়ার সময় হয় বুলেটের আঘাতে মারাত্মক জখম অবস্থায় থাকেন, নয়তো মৃত্যুবরণ করেন। অন্যদিকে বেসামরিক ব্যক্তিরা সুস্থ অবস্থায় এটি গ্রহণ করেন। তার এমন অসংবেদনশীল মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে একে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বলে আখ্যায়িত করেছিল ভেটেরান্স অব ফরেন ওয়ার্স নামের সংগঠন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ ১৭:১৬
নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে স্ক্যাফোল্ডিংয়ে টেসলার ভয়াবহ ধাক্কায় প্রাণ গেল ২৭ বছরের যাত্রীর, গ্রেপ্তার নারী চালক

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে স্ক্যাফোল্ডিংয়ে টেসলার ভয়াবহ ধাক্কায় প্রাণ গেল ২৭ বছরের যাত্রীর, গ্রেপ্তার নারী চালক

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমায় ১৫ বছরের বড় ভাইকে মাথায় গুলি করে হ ত্যার দায়ে গ্রেপ্তার ১১ বছরের ছোট বোন

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমায় ১৫ বছরের বড় ভাইকে মাথায় গুলি করে হ ত্যার দায়ে গ্রেপ্তার ১১ বছরের ছোট বোন

ওবামাকেয়ারে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ, ১০ লাখ নাগরিককে ৫০০ ডলার করে ফেরত দিচ্ছেন ট্রাম্প

ওবামাকেয়ারে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ, ১০ লাখ নাগরিককে ৫০০ ডলার করে ফেরত দিচ্ছেন ট্রাম্প

0 Comments