বিশ্ব

শান্তিচুক্তির বাস্তবতায় ইরানের তেল খাত হবে ‘পরীক্ষার মঞ্চ’: তেলমন্ত্রী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ২:৩৩
শান্তিচুক্তির বাস্তবতায় ইরানের তেল খাত হবে ‘পরীক্ষার মঞ্চ’
শান্তিচুক্তির বাস্তবতায় ইরানের তেল খাত হবে ‘পরীক্ষার মঞ্চ’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি কার্যকর হলে ইরানের তেল শিল্পই হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষার ক্ষেত্র—এমনটাই মনে করছেন দেশটির তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ।

 

ইরানের তেল মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সংস্থা ‘শানা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকনেজাদ বলেন, চুক্তি-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ইরানের জ্বালানি খাত বিশ্ব অর্থনীতির জন্য নতুন করে বড় ধরনের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে স্থবির হয়ে থাকা এই খাত আবারও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

তেলমন্ত্রী জানান, ইরানের হাতে ইতোমধ্যেই শতাধিক প্রস্তুত বিনিয়োগ প্রকল্প রয়েছে। এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত, যেখানে বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও পরিচালনাগত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরের অপেক্ষায় আছে বলেও তিনি জানান।

 

পাকনেজাদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে ইরানের জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। এতে শুধু দেশটির অর্থনীতিই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও ইরানের প্রভাব আরও দৃশ্যমান হবে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল ও গ্যাস মজুদের অধিকারী ইরান দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞার কারণে তার পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারেনি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

 

এ প্রেক্ষাপটে তেহরান-ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য সমঝোতা শুধু রাজনৈতিক নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিশ্ব

View more
মায়ের মরদেহ দীর্ঘদিন ফ্রিজারে রেখে দেওয়ার ঘটনায় কারাদণ্ড পেয়েছেন ক্রিস্টোফার ফিলিপস। ছবি: সংগৃহীত
আর্থিক সুবিধার জন্য তিন বছরের বেশি সময় ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হলো মায়ের লাশ, ছেলের কারাদণ্ড

যুক্তরাজ্যের ওয়েলসে আর্থিক সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজের মায়ের মরদেহ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে বাড়ির ফ্রিজারে লুকিয়ে রাখার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে দুই বছরের বেশি কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।   গ্রে নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬০ বছর বয়সী ক্রিস্টোফার ফিলিপস সোমবার আদালতে দুই বছরের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। এর আগে গত ২০ মার্চ তিনি একটি মৃতদেহের আইনসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ দাফন বা সৎকারে বাধা দেওয়া এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ স্বীকার করেন।   তদন্ত অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সাউথ ওয়েলস পুলিশ সিলভিয়া ফিলিপস নামে এক বৃদ্ধার খোঁজ নিতে একটি বাড়িতে যায়। চিকিৎসকদের সঙ্গে ২০২২ সালের পর থেকে তার কোনো যোগাযোগ না থাকায় তার খোঁজখবর নিতে পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছিল।   পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্রিস্টোফার ফিলিপসের সঙ্গে কথা বলে। মায়ের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, তার মা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে লন্ডনে আছেন। তবে কোথায় আছেন বা কার সঙ্গে আছেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।   পরে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ একটি ফ্রিজারের ভেতরে সিলভিয়া ফিলিপসের মরদেহ উদ্ধার করে। কর্মকর্তারা জানান, মরদেহের ওপর ফুল রাখা ছিল।   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিলভিয়া ফিলিপসের বয়স আশির কোঠায় ছিল। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।   আদালতে উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়, ক্রিস্টোফার ফিলিপস আর্থিক সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন। যদিও প্রতিবেদনে তিনি ঠিক কী ধরনের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।   মামলার রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, মৃত ব্যক্তির মরদেহ দীর্ঘ সময় গোপন রাখা এবং যথাযথভাবে দাফন বা সৎকারে বাধা দেওয়া গুরুতর অপরাধ। একই সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও আদালতে প্রমাণিত হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৪, ২০২৬ ২৩:২৮
বার্ড ফ্লুর ঝুঁকিতে মেলবোর্নের সেন্ট কিল্ডার ‘লিটল পেঙ্গুইন’ উপনিবেশ। ছবি: এআই

বার্ড ফ্লুর হুমকিতে অস্ট্রেলিয়ার ‘লিটল পেঙ্গুইন’, মারা যেতে পারে ৪০ শতাংশ

যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধ নতুন মাত্রা পেয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

কূটনৈতিক বিরোধে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

Indian Prime Minister Narendra Modi and Sheikh Hasina

শেখ হাসিনার অনুষ্ঠানে সরকারের ভূমিকা নেই: ভারত

কৃষ্ণসাগরে নৌ চলাচলে ড্রোন হামলা ছবি: সংগৃহীত
ড্রোন হামলার পর কৃষ্ণসাগরে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে রাশিয়া-ইউক্রেনের প্রতি তুরস্কের আহ্বান

কৃষ্ণসাগরে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার পর নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাশিয়া ও ইউক্রেন—উভয় পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। আঙ্কারা বলেছে, বেসামরিক জাহাজ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নৌপথের নিরাপত্তা বজায় রাখতে উভয় দেশকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।   তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলায় একটি তুর্কি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে তিনজন নাবিক গুরুতর আহত হন। আহতদের চিকিৎসার বিষয়টি তুরস্ক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানানো হয়েছে।    আঙ্কারা আরও বলেছে, কৃষ্ণসাগরে বেসামরিক জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। তাই এমন ঘটনা এড়াতে এবং নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাশিয়া ও ইউক্রেন—উভয় পক্ষকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।    এটি প্রথমবার নয়। চলতি বছর কৃষ্ণসাগরে তুর্কি মালিকানাধীন একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। এসব ঘটনার পর তুরস্ক বারবার মস্কো ও কিয়েভের কাছে কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানিয়ে বেসামরিক জাহাজে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই কৃষ্ণসাগর আন্তর্জাতিক শিপিং ও শস্য রপ্তানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। সাম্প্রতিক হামলাগুলো জাহাজ চলাচল, বীমা ব্যয় এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: আগস্ট ৪, ২০২৬ ৮:৩
র্বোচ্চ স্তরের তাপপ্রবাহ সতর্কতা জারি

দক্ষিণ কোরিয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহে ১৬ জনের মৃত্যু, ১২২ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

চাপা পড়ে থাকা ১১২ ফিলিস্তিনির মরদেহ

ধ্বংসস্তূপের নিচে দুই বছর পর মিলল ১১২ মরদেহ, গাজায় গণদাফন

পাকিস্তানে আলজাজিরার সম্প্রচার বন্ধ,

পাকিস্তানে আলজাজিরার সম্প্রচার বন্ধ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন বিতর্ক

ক্ষমা চাওয়ায় ইউক্রেনে পরিকল্পিত হামলা বাতিল করল ইরান
ক্ষমা চাওয়ায় ইউক্রেনে পরিকল্পিত হামলা বাতিল করল ইরান

৪ আগস্ট ২০২৬, কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউক্রেনের অভ্যন্তরে সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল ইরান। তবে ইউক্রেন আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ ও উত্তেজনা প্রশমনের উদ্যোগ নেওয়ার পর সেই পরিকল্পনা শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয় বলে দাবি করেছেন ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মহসেন রেজাই।    সোমবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মহসেন রেজাই বলেন, ইউক্রেনের তিনটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু ইউক্রেনের পক্ষ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা এবং উত্তেজনা কমানোর বার্তা পাওয়ার পর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়নি।    গত জুলাইয়ের শেষ দিকে কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হন। ইরান ওই হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করে এবং ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও আগ্রাসন হিসেবে আখ্যা দেয়। এ ঘটনার জেরে তেহরান ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনীতিককে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদও জানায়।    অন্যদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা জানান, তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত ছিল বলে ব্যাখ্যা দেন এবং পরিস্থিতি যাতে আরও উত্তপ্ত না হয়, সে আহ্বান জানান। ইরানও আলোচনায় ক্ষতিপূরণের বিষয়টি উত্থাপন করে।    তবে ইরানের দাবি করা হামলার পরিকল্পনা এবং তা বাতিলের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ইউক্রেনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য প্রকাশ করেনি। ফলে বিষয়টি এখনো মূলত ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করেই জানা যাচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৪, ২০২৬ ২:৩১
ভাইরাল হলো ১ কোটি ১০ লাখ ভিউয়ের পোস্ট

ইলন মাস্কের ছবি এঁকে প্রশংসা নয়, ‘ব্লক’ পেলেন শিল্পী; ভাইরাল হলো ১ কোটি ১০ লাখ ভিউয়ের পোস্ট

ইরানের একটি বাড়িতে ৯০০ কেজির বোমা ফেলল মার্কিন বাহিনী

ইরানের একটি বাড়িতে ৯০০ কেজির বোমা ফেলল মার্কিন বাহিনী, একই পরিবারের তিনজন নিহত

ইউরোপে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে ধারাবাহিকভাবে

ইউরোপে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে ধারাবাহিকভাবে, মোট জনসংখ্যা ৪৬ মিলিয়ন

0 Comments