সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বিশ্ব

শরীরের ৬৫% পুড়ে গেলেও প্রেমিকাকে ছাড়েননি, বরং চাকরি ছেড়ে হলেন তার সার্বক্ষণিক সেবক

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৩, ২০২৬ ২৩:১১
প্রতিকূলতার মধ্যেও অটুট থেকেছে তুরিয়া পিট ও মাইকেল হসকিনের ভালোবাসা। ছবি: সংগৃহীত
প্রতিকূলতার মধ্যেও অটুট থেকেছে তুরিয়া পিট ও মাইকেল হসকিনের ভালোবাসা। ছবি: সংগৃহীত

বাহ্যিক রূপ আর শারীরিক সৌন্দর্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা সম্পর্কগুলো যখন সামান্য প্রতিকূলতায় ভেঙে পড়ে, তখন বিশ্বজুড়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এক দম্পতির ভালোবাসা। আগুনে শরীরের অধিকাংশ অংশ ঝলসে যাওয়া ও দুই হাতের সাতটি আঙুল হারানোর পরও প্রেমিকার পাশে ছায়ার মতো দাঁড়িয়েছিলেন এক যুবক। শুধু পাশে থাকা নয়, প্রেমিকার পরিচর্যা করার জন্য নিজের স্বপ্নের চাকরি পর্যন্ত ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। অনন্য এই দম্পতি হলেন অস্ট্রেলিয়ার তুরিয়া পিট ও মাইকেল হসকিন।

 

ঘটনার সূচনা ২০১১ সালে। পেশায় খনি প্রকৌশলী ও অ্যাথলেট তুরিয়া পিট অস্ট্রেলিয়ার কিম্বার্লি অঞ্চলে ১০০ কিলোমিটারের একটি কঠিন আল্ট্রা-ম্যারাথনে অংশ নিয়েছিলেন। দৌড়ানোর মাঝপথে হঠাৎ পাহাড়ি এলাকায় ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুনের তীব্র শিখা ঘিরে ধরে তুরিয়াকে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের তাপে ঝলসে যায় তার শরীরের প্রায় ৬৫ শতাংশ।

 

মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার এতটাই অবক্ষয় ঘটেছিল যে, চিকিৎসকেরা তাকে প্রায় এক মাস কৃত্রিম কোমা বা চিকিৎসাজনিত অচেতন অবস্থায় রাখতে বাধ্য হন। কোমা থেকে ফেরার পর শুরু হয় বেঁচে থাকার আরেক কঠিন সংগ্রাম। শরীরের ক্ষত এতটাই গভীর ছিল যে, দীর্ঘ চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় তাকে দুই শতাধিক অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তার দুই হাত মিলিয়ে মোট সাতটি আঙুল কেটে ফেলতে হয়েছিল।

 

তবে তুরিয়ার এই অন্ধকার সময়ে আশার আলো হয়ে পাশে ছিলেন তার জীবনসঙ্গী মাইকেল হসকিন। ২০০৯ সাল থেকেই গভীর ভালোবাসার সম্পর্কে ছিলেন এই যুগল। মাইকেল পেশায় ছিলেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। তুরিয়ার দুর্ঘটনার পর তিনি বুঝতে পারেন, এই মুহূর্তে তুরিয়ার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাকে। প্রেমিকার পাশে থাকার তাগিদে মাইকেল নিজের পুলিশের চাকরি থেকে ইস্তফা দেন এবং নিজেকে তুরিয়ার সার্বক্ষণিক সেবক হিসেবে নিয়োজিত করেন।

 

হাসপাতালের বিছানা থেকে শুরু করে বাড়িতে ফেরার পর তুরিয়ার প্রতিদিনের ক্ষতের ড্রেসিং বদলে দেওয়া, ওষুধ খাইয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে যাবতীয় পরিচর্যার দায়িত্ব নিজ হাতে তুলে নেন মাইকেল।

 

সম্পর্কের সবচেয়ে স্পর্শকাতর সময়টি এসেছিল তুরিয়ার চিকিৎসার শুরুর দিকেই। তুরিয়া যখন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) জীবন ও মৃত্যুর মাঝে ঝুলছিলেন, ঠিক তখনই মাইকেল তার জন্য একটি বিয়ের এনগেজমেন্ট রিং কিনে রেখেছিলেন।

 

পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে মাইকেলকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তুরিয়ার এমন বিপর্যস্ত চেহারার পর কখনো কি তাকে ছেড়ে যাওয়ার কথা মাথায় এসেছিল? জবাবে মাইকেল ভালোবাসার এমন এক সংজ্ঞা দিয়েছিলেন, যা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। মাইকেল বলেছিলেন, "আমি তো তার রূপকে নয়, ভালোবেসেছিলাম তার আত্মা আর চরিত্রকে।"

 

দীর্ঘ চিকিৎসা, পুনর্বাসন আর মানসিক লড়াই শেষে ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তুরিয়া ও মাইকেল। আগুনে তুরিয়ার শারীরিক গঠনের অনেক কিছু বদলে গেলেও মাইকেলের ভালোবাসা আর বিশ্বাসে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে এই দম্পতির সংসারে রয়েছে দুই সন্তান। আগুনের নির্মম শিখা তুরিয়ার শরীর পুড়িয়ে দিলেও, তাদের পারস্পরিক বিশ্বাস ও ভালোবাসাকে ছাই করতে পারেনি।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিশ্ব

View more
গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র পেল স্থায়ী সামরিক অধিকার, চীন-রাশিয়ার ঘাঁটি স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি নতুন নিরাপত্তা চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাঁর দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আর্কটিক দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী নিরাপত্তা ও সামরিক অধিকার নিশ্চিত হয়েছে। তবে চুক্তিটি গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিচ্ছে না এবং এটি এখনো ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্টের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।   ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন ব্যবস্থার আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ীভাবে সামরিক প্রবেশাধিকার, ঘাঁটি ব্যবহারের অধিকার এবং আকাশপথ ব্যবহারের সুযোগ পাবে। প্রয়োজন মনে করলে নতুন সামরিক স্থাপনাও নির্মাণ করতে পারবে ওয়াশিংটন। মার্কিন এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, নতুন সামরিক স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক হবে না, যদিও তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা হবে।   চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, চীন, রাশিয়া এবং অন্যান্য ন্যাটোবহির্ভূত দেশগুলোকে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন বা সেনা মোতায়েন থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থা। একই সঙ্গে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো, সমুদ্রের নিচের যোগাযোগ কেবল, বন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ স্পর্শকাতর খাতে প্রতিপক্ষ দেশগুলোর বিনিয়োগ সীমিত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে ফক্স নিউজ জানিয়েছে।   ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে চুক্তিটিকে দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, এর মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থ দীর্ঘমেয়াদে নিশ্চিত হবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে বলেছেন, চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের সাফল্য এবং আর্কটিক অঞ্চলে মার্কিন নিরাপত্তা স্বার্থকে স্থায়ীভাবে নিশ্চিত করবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডকে উত্তর আমেরিকার কৌশলগত প্রতিরক্ষা এলাকার অংশ হিসেবে ধরে রাখতে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।   তবে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা পাচ্ছে না। গ্রিনল্যান্ড এখনো ডেনমার্কের রাজ্যের অধীন একটি স্বশাসিত অঞ্চল। নতুন চুক্তির আওতায় এর সার্বভৌমত্ব ডেনমার্কের কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে না। বরং মূল পরিবর্তনটি হচ্ছে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও সামরিক কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা আরও বিস্তৃত হওয়া।   চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার পরও গ্রিনল্যান্ড ভবিষ্যতে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হলে এর নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ব্যবস্থাগুলো বহাল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে এই বিষয়সহ চুক্তির বিস্তারিত শর্ত এখনো পুরোপুরি প্রকাশ্যে আসেনি।   গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি অবশ্য নতুন নয়। উত্তর গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের পিতুফিক মহাকাশ ঘাঁটি রয়েছে। ১৯৫১ সালের যুক্তরাষ্ট্র-ডেনমার্ক প্রতিরক্ষা চুক্তির ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ও প্রবেশাধিকার রয়েছে। ২০০৪ সালে ওই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছিল।   নতুন চুক্তির মাধ্যমে সেই বিদ্যমান সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের ধারণা, গ্রিনল্যান্ডে বাড়তি সামরিক অবকাঠামো ভবিষ্যতে ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পিত ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত হতে পারে। তবে নতুন ঘাঁটি বা স্থাপনা ঠিক কোথায় এবং কখন নির্মাণ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।   চুক্তিটি আসার পেছনে কয়েক মাসের গোপন আলোচনা কাজ করেছে। ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের মধ্যে একাধিক দফায় আলোচনা হয়েছে। মার্কো রুবিও, হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার এবং মার্কিন পররাষ্ট্র ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কর্মকর্তারা আলোচনায় যুক্ত ছিলেন।   রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও এর বিস্তারিত বাস্তবায়ন নিয়ে কিছু বিষয় এখনো পরিষ্কার নয়। চুক্তিটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্টের অনুমোদনও প্রয়োজন হবে।   ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত চুক্তি ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং গ্রিনল্যান্ডের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়। ফলে ট্রাম্পের আগের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবির তুলনায় নতুন চুক্তিটি ভিন্ন কাঠামোর। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহের পেছনে দ্বীপটির ভৌগোলিক অবস্থান অন্যতম কারণ। উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও আর্কটিক অঞ্চলের মধ্যবর্তী অবস্থানের কারণে সামরিক ও নিরাপত্তার দিক থেকে গ্রিনল্যান্ডকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের কার্যক্রম বাড়ায় ওয়াশিংটনের কৌশলগত উদ্বেগও বেড়েছে বলে মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে।   তবে নতুন চুক্তির প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে এর চূড়ান্ত আইনি কাঠামো, পার্লামেন্টের অনুমোদন এবং পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের সামরিক অবকাঠামো গড়ে তোলে তার ওপর। আপাতত চুক্তিটি গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা পরিবর্তনের পরিবর্তে দ্বীপটির নিরাপত্তা ও সামরিক ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি নিশ্চিত করার দিকে যাচ্ছে।   সূত্র: ফক্স নিউজ, রয়টার্স

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ২১:২০
চীনের মালান বিমানঘাঁটিতে দেখা যাওয়া রহস্যময় লেজবিহীন ড্রোন। ছবি: সংগৃহীত

চীনের ‘এরিয়া ৫১’ ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক ড্রোনের পরীক্ষা, উদ্বেগে যুক্তরাষ্ট্র

'আইভি লিগের যোগ্য নন’ বলা সেই ১৭ বছরের সেই কিশোরী মিশেল ওবামাই হলেন ফার্স্ট লেডি

'আইভি লিগের যোগ্য নন’ বলা সেই ১৭ বছরের সেই কিশোরী মিশেল ওবামাই হলেন ফার্স্ট লেডি

আইফোন ১৮ প্রো বাজারে আসার দিনই ইতালিতে ধর্মঘট ডাকলো অ্যাপল কর্মীরা

আইফোন ১৮ প্রো বাজারে আসার দিনই ইতালিতে ধর্মঘট ডাকলো অ্যাপল কর্মীরা

নারীদের গোপনে ভিডিও ধারণের ঘটনার পর ইউরোপে মেটার স্মার্ট গ্লাস নিয়ে চলছে বিতর্ক
নারীদের গোপনে ভিডিও ধারণের ঘটনার পর ইউরোপে মেটার স্মার্ট গ্লাস নিয়ে চলছে বিতর্ক

ফ্রান্সে স্মার্ট গ্লাসের অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্যারিসের প্রসিকিউটররা স্মার্ট গ্লাস ব্যবহার করে যৌন হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছেন। একই সময়ে দেশটির ডেটা সুরক্ষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্মক্ষেত্রে এসব ডিভাইস ব্যবহারের বিষয়ে একাধিক অভিযোগ পেয়েছে। প্রযুক্তিটির গোপনে ভিডিও ধারণের সক্ষমতা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্সে তদন্তের সূত্রপাত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন একটি প্রবণতা নিয়ে, যেখানে স্মার্ট গ্লাস ব্যবহার করে রাস্তায় নারীদের অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ করে পরে তা অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে। প্যারিস প্রসিকিউটর অফিস জানিয়েছে, সাইবারক্রাইম ইউনিট প্রায় দুই সপ্তাহ আগে এসব ডিভাইস পরীক্ষা করেছে, যাতে এগুলো ব্যবহার করে কী ধরনের অপরাধ সংঘটিত হতে পারে তা বোঝা যায়।    বাজারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্মার্ট গ্লাস থাকলেও মেটা ও ফ্রাঙ্কো-ইতালীয় চশমা নির্মাতা EssilorLuxottica-এর যৌথভাবে তৈরি গ্লাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। রয়টার্সের হিসাবে, বিশ্ববাজারে এ ধরনের গ্লাসের প্রায় ৭৬ শতাংশ বাজার অংশীদারিত্ব তাদের। মেটার এআই-সক্ষম স্মার্ট গ্লাসে ছোট ক্যামেরা রয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী ছবি বা ভিডিও ধারণ করতে পারেন। গত বছর এসব গ্লাসের প্রায় ৭০ লাখ ইউনিট বিক্রি হয়েছে।    গোপনে রেকর্ড করার সুযোগ থাকলেও মেটার স্মার্ট গ্লাসে একটি ছোট এলইডি লাইট থাকে, যা ছবি বা ভিডিও ধারণের সময় জ্বলে ওঠে। কোম্পানির বক্তব্য অনুযায়ী, এই ক্যাপচার লাইট বন্ধ করা যায় না। তবে গোপনীয়তা নিয়ে কাজ করা সংগঠন ও সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন তুলেছেন, দূর থেকে এই আলো দেখে বোঝা সবসময় সম্ভব কি না যে কাউকে রেকর্ড করা হচ্ছে।    ফ্রান্সের ডেটা সুরক্ষা সংস্থা CNIL জানিয়েছে, কর্মক্ষেত্রে স্মার্ট গ্লাস ব্যবহারের বিষয়ে তারা ১০টিরও কম অভিযোগ পেয়েছে। একই সঙ্গে আরও কিছু কোম্পানি জানতে চাইছে, কর্মীদের কর্মস্থলে স্মার্ট গ্লাস ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আইনগত সুযোগ তাদের রয়েছে কি না। কোন ব্র্যান্ডের গ্লাস নিয়ে এসব অভিযোগ এসেছে, তা সংস্থাটি প্রকাশ করেনি।    শুধু ফ্রান্স নয়, অন্য দেশেও স্মার্ট গ্লাস নিয়ে সতর্কতা বাড়ছে। যুক্তরাজ্যের কিছু সিনেমা হল এসব ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। জার্মানির একটি ভোক্তা অধিকার সংগঠনও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংক্রান্ত আইনের অভিযোগ তুলে মেটাসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ করেছে।    মেটার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্মার্ট গ্লাস তৈরির সময় থেকেই গোপনীয়তা সুরক্ষাকে নকশার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে এবং গ্লাসের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী করা হবে। EssilorLuxottica রয়টার্সের প্রশ্নের তাৎক্ষণিক জবাব দেয়নি।    স্মার্ট গ্লাসে ক্যামেরা, এআই এবং অন্যান্য প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ার ফলে সাধারণ চশমা ও ক্যামেরার মাঝামাঝি একটি নতুন ধরনের ডিভাইস তৈরি হয়েছে। ব্যবহারকারী নিজের চারপাশের ঘটনা সহজে ধারণ করতে পারলেও আশপাশের মানুষ সবসময় বুঝতে পারেন না যে তারা ক্যামেরার আওতায় রয়েছেন। ফলে প্রযুক্তিটির ব্যবহার কোথায় গ্রহণযোগ্য এবং কোথায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার সীমা লঙ্ঘন হতে পারে, তা নিয়ে আইন ও নীতিমালার নতুন প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।   ফ্রান্সের সাম্প্রতিক তদন্ত সেই বিতর্ককেই আরও সামনে এনেছে। তদন্তের মাধ্যমে স্মার্ট গ্লাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন প্রয়োগের সুযোগ এবং নতুন কোনো নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন কি না, সে বিষয়ে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে। আপাতত প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার ভারসাম্য কীভাবে বজায় রাখা হবে, সেটিই নিয়ন্ত্রকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ৯:৩১
ইয়ুঙ্গাস বনাঞ্চলে সন্ধান পাওয়া নতুন প্রজাতির ছোট বন্য বিড়াল ‘টিলকায়ো’

এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর ঘরোয়া বিড়ালের চেয়েও ছোট নতুন বিড়ালের সন্ধান বলিভিয়ায়

সৌদি আরবের কাছে ২৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অত্যাধুনিক এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র

মসজিদে নববীর নামাজের স্থানে বিছানো কার্পেট নিয়মিত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

প্রতিদিন ৪৩০ মেশিনে পরিষ্কার হয় মসজিদে নববীর ২৫ হাজার কার্পেট

শারজাহে মারা যাওয়া দন্ত চিকিৎসক ডা. আফিনা রাহিম। ছবি: সংগৃহীত
শারজাহে হঠাৎ পড়ে গিয়ে ৩২ বছর বয়সী ভারতীয় দন্ত চিকিৎসকের মৃত্যু

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহর আল কাসিমিয়া এলাকায় নিজ বাসায় হঠাৎ পড়ে গিয়ে ৩২ বছর বয়সী ভারতীয় দন্ত চিকিৎসক ডা. আফিনা রাহিমের মৃত্যু হয়েছে। তিনি দুই ছোট সন্তানের মা ছিলেন।   বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার সকালে আফিনা বাসার রান্নাঘরে হঠাৎ পড়ে যান। তিনি কেরালার মালাপ্পুরম জেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে শারজাহতে বসবাস করতেন।   আফিনা দন্ত চিকিৎসা পেশায় প্রশিক্ষিত হলেও দুই ছোট সন্তানের দেখাশোনার জন্য কিছুদিন ধরে পেশাগত বিরতিতে ছিলেন। তার স্বামী ইয়াসার টি. একজন শিক্ষক এবং ঘটনার সময় তিনি কর্মস্থলে ছিলেন।   পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, আফিনার ভাশুরের স্ত্রী রামশিনা তখন একই বাসায় ছিলেন। সকালে নিজের সন্তানকে স্কুলে পাঠানোর পর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। পরে আফিনার ছোট সন্তানের কান্নার শব্দ শুনে ঘুম থেকে উঠে তিনি রান্নাঘরে আফিনাকে পড়ে থাকতে দেখেন।   রামশিনা সঙ্গে সঙ্গে আফিনাকে সিপিআর দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং অ্যাম্বুলেন্সে খবর দেন। পরে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে বাঁচাতে পারেননি।   আফিনার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি আগে সুস্থ ছিলেন এবং তার কোনো পরিচিত অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা ছিল না। তবে হঠাৎ মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে আরও তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন।   খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফিনার পরিবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে তার মরদেহ ভারতে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার শেষকৃত্য কেরালার মালাপ্পুরমে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।   কেরালার সংবাদমাধ্যম Onmanorama জানিয়েছে, আফিনা মালাপ্পুরমের ওয়ান্ডুর এলাকার পুক্কুলামের বাসিন্দা ছিলেন। তার ভাইও দুই বছর আগে ভারতের তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।   আফিনার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার দুই শিশু সন্তানের বয়স প্রায় সাড়ে তিন বছর ও দেড় বছর বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ ৮:৪৫
রান যুদ্ধ ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান মিশনের প্রতিবেদন। ছবি: সংগৃহীত

ইরানে স্কুলে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত থাকার প্রমাণ পেল জাতিসংঘ

ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় এড শিরানের ট্যুর থেকে পাওয়া ১০ লাখ ডলার দানের ঘোষণা দিয়েছেন ম্যাকলমোর। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনকে ট্যুরের ১০ লাখ ডলার আয়ের পুরোটাই দিচ্ছেন ম্যাকলমোর

মাহমুদ আব্বাসসহ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের ভিসা নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টসহ কর্মকর্তাদের এবারও ভিসা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র

0 Comments