বিশ্ব

মধ্যপ্রাচ্য সংকট: সামরিক বাস্তবতার বদল ও বৈশ্বিক শক্তির নতুন সমীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়—বরং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য, সামরিক কৌশল এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে স্পষ্ট হয়ে উঠছে, বিশ্ব একটি নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে এগোচ্ছে, যেখানে প্রচলিত শক্তির আধিপত্য আর নিশ্চিত নয়।

 

ইসরায়েলের বহুস্তর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত সামরিক কৌশলের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে। এটি দেখিয়েছে, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কেবল প্রতিরক্ষামূলক প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা যথেষ্ট নয়; বরং বহুমাত্রিক ও অভিযোজিত কৌশলই হয়ে উঠছে নতুন বাস্তবতা।

 

যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সংকট

বর্তমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র কার্যত একক অবস্থানে রয়েছে। ন্যাটো কিংবা আঞ্চলিক মিত্রদের সরাসরি সমর্থনের অভাব মার্কিন নেতৃত্বের প্রতি আস্থার সংকটকে সামনে এনেছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও বাহরাইনের মতো দেশগুলো মনে করছে, তাদের ভূখণ্ডে হামলার ঝুঁকি বেড়েছে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির কারণে।

 

এ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে তাদের প্রভাব প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

 

ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও নতুন কৌশল

ইরান দীর্ঘদিন ধরে একটি বিকেন্দ্রীভূত ও প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক কাঠামো গড়ে তুলেছে, যা ‘মোজাইক ডকট্রিন’ নামে পরিচিত। ছোট ইউনিট, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমন্বিত হামলার মাধ্যমে এই কৌশল প্রচলিত যুদ্ধনীতিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। ইরানের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন ঘাঁটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চাপে পড়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে ইরান বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

 

সংঘাতের বিস্তার ও বৈশ্বিক প্রভাব

হিজবুল্লাহ, হুতি ও ইরাকি মিলিশিয়াদের সম্পৃক্ততায় সংঘাত আঞ্চলিক সীমা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক মাত্রা পাচ্ছে। বাব আল-মান্দেব প্রণালি বা সাবমেরিন কেবল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

দিয়েগো গার্সিয়া: নিরাপত্তার নতুন প্রশ্ন

ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে দিয়েগো গার্সিয়াকে লক্ষ্য করে হামলার প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য বড় ধরনের সতর্কবার্তা। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের এই ঘাঁটিকে নিরাপদ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হলেও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, ইউরোপসহ বিস্তৃত অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে।

 

‘এসকালেশন ট্র্যাপ’-এ যুক্তরাষ্ট্র

বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র একটি জটিল কৌশলগত ফাঁদে পড়েছে। পিছু হটলে কৌশলগত পরাজয়ের আশঙ্কা, আর এগোলে বৃহত্তর সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি। এই বাস্তবতা আঞ্চলিক যুদ্ধকে বৈশ্বিক সংঘাতে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

 

কূটনৈতিক পথ ও পাকিস্তানের উদ্যোগ

এই সংকটে পাকিস্তানের উদ্যোগকে একটি প্রাথমিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে। ইরানের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের সক্ষমতা সংলাপের একটি সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য প্রয়োজন বহুপাক্ষিক উদ্যোগ। বিষয়টি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তোলা হলে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক ঐকমত্য গঠনের সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা একক শক্তির ওপর নির্ভরতা কমাবে।

 

অনিশ্চয়তার নতুন বিশ্ব

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এখন আর শুধু একটি আঞ্চলিক ইস্যু নয়; এটি বৈশ্বিক শক্তির পুনর্বিন্যাসের সূচনা। সামরিক কৌশলের পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থার উত্থান—সব মিলিয়ে একটি নতুন বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সংলাপ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক ঐক্য ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। অন্যথায় বিশ্ব আরও গভীর সংকটের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত।
তুরস্কে ইসরায়েলি কনসুলেটের কাছে গোলাগুলি, ৩ হামলাকারী নিহত

তুরস্কের বাণিজ্যিক রাজধানী ইস্তাম্বুলে অবস্থিত ইসরায়েলি কনস্যুলেটের বাইরে ভয়াবহ এক বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে ঘটা এই সংঘর্ষে সন্দেহভাজন তিন হামলাকারী নিহত হয়েছেন। তুর্কি সংবাদমাধ্যম এবং সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম জানিয়েছে, ইস্তাম্বুলের লেভেন্ট ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত ইসরায়েলি কনস্যুলেট লক্ষ্য করে হঠাৎ গোলাগুলি শুরু হয়। এতে দায়িত্বরত দুই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই দ্রুত ব্যবস্থা নেয় তুর্কি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের পাল্টা গুলিতে ঘটনাস্থলেই তিন হামলাকারী নিহত বা "নিউট্রালাইজড" হয়। তুর্কি চ্যানেল 'হ্যাবারতুর্ক'-এর প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, কনস্যুলেট ভবনের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য এবং বিশেষ ইউনিট। পুরো এলাকাটি বর্তমানে নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢাকা রয়েছে এবং সাধারণের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। আহত পুলিশ সদস্যদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনার পর ইস্তাম্বুল জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তুর্কি প্রশাসন জানিয়েছে, এটি কোনো পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা কি না তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

দেশের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত ১৪ মিলিয়ন ইরানি: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সেনাসদস্য বেন রবার্টস-স্মিথ

যুদ্ধনায়ক থেকে যুদ্ধাপরাধী: অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সেনাসদস্য গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত।

পৃথিবী থেকে দূরতম পথ পাড়ি, মহাকাশে ইতিহাস গড়ল আর্টেমিস ২

১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার
১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।   মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর উত্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।   মন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করতে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।   তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ৪৮তম বিসিএসের মাধ্যমে ২ হাজার ৯৮৪ জন সহকারী সার্জন ও ২৭৯ জন ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে ৯৮ জন এমবিবিএস চিকিৎসক এবং ২২ জন ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ পেয়েছেন।   এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে আরও ১৬২ জন এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়।   অন্য এক প্রশ্নের জবাবে, যা ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন উত্থাপন করেন, মন্ত্রী জানান—২০২০-২১ অর্থবছর থেকে করোনা মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিন ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানি এবং ক্রয়ের জন্য মোট ৪ হাজার ৬৪৫ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ভ্যাকসিন ক্রয়ে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা।   তিনি বলেন, সিরিঞ্জ কেনায় ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। ভ্যাকসিন ও সিরিঞ্জ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দিতে পরিবহন খাতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিংয়ে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি টাকা।   মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ভ্যাকসিন ক্রয় নিয়ে মন্ত্রণালয়ে কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতে এ সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের তেল সম্পদে নজর ট্রাম্পের

ইরানে হামলার প্রভাব পড়বে খাবারের টেবিলে

হরমুজ প্রণালি সংকট: ইরানে হামলার প্রভাব পড়বে খাবারের টেবিলে

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের শর্তে যুদ্ধবিরতি চায় ইউক্রেন

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের শর্তে যুদ্ধবিরতি চায় ইউক্রেন

ছবি: সংগৃহীত
চাঁদ থেকে এশিয়া-আফ্রিকার ছবি তুলবে নাসা, নজিরবিহীন দৃশ্য ধারণের প্রস্তুতি

চাঁদে পরিচালিত অভিযানের অংশ হিসেবে পৃথিবীর এশিয়া, আফ্রিকা ও ওশেনিয়া অঞ্চলের ছবি তোলার পরিকল্পনা করছে নাসা। সংস্থাটি জানিয়েছে, অভিযানে থাকা নভোচারীরা চাঁদ থেকে পৃথিবীর বিরল দৃশ্য ধারণ করবেন।   নাসার বিজ্ঞান কর্মকর্তা কেলসি ইয়ং বলেন, ‘আর্থসেট’ ও ‘আর্থরাইজ’ পর্যায়ে নভোচারীরা পৃথিবীর যে অংশ দেখতে পাবেন, সেখানে সরাসরি এশিয়া, আফ্রিকা ও ওশেনিয়া অঞ্চল দৃশ্যমান থাকবে। এ সময় পৃথিবীর মানুষের উদ্দেশে প্রতীকীভাবে ‘হাত নেড়ে শুভেচ্ছা’ জানানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি।   এর আগে অভিযানের কিউরেশন লিড জুলিয়ান গ্রস জানান, চাঁদের বিভিন্ন ভৌগোলিক গঠন কাছ থেকে পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাবেন নভোচারীরা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অ্যারিস্টার্কাস মালভূমি, গ্রিমাল্ডি এবং ওশেনাস প্রোসেলারাম অঞ্চল।   নাসা জানিয়েছে, এই মিশনের মাধ্যমে চাঁদ ও পৃথিবীর বিরল এবং গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য ধারণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ মহাকাশ গবেষণায় নতুন তথ্য যোগ করবে।     ইতিমধ্যে আর্টেমিস টু মিশনের নভোচারীরা চাঁদের ‘ফার সাইড’ বা দূরবর্তী অংশ প্রদক্ষিণ শুরু করেছেন। এই অংশটি পৃথিবী থেকে সরাসরি দেখা যায় না এবং মানুষের জন্য এটি এখনো অনেকটাই অজানা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মিশন মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্রতর: যুদ্ধবিরতির আশা ক্ষীণ, পাল্টা প্রস্তাবে ইরান

ছবি: সংগৃহীত

লস অ্যাঞ্জেলেসে ইরানের নিহত জেনারেল কাসেম সোলেইমানির ভাতিজি ও তার মেয়ে গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

"পাওয়ার প্ল্যান্ট ডে" বনাম সংবিধান: ট্রাম্পকে কি অপসারণ করবে নিজ মন্ত্রিসভা?

0 Comments