বাংলাদেশ

জাতিসংঘ শান্তি মিশনে অবদানে বাংলাদেশকে সম্মাননা, জর্জিয়া স্টেটের বিশেষ রেজোল্যুশন

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ব্রায়ান পি কেম্পের কাছ থেকে জর্জিয়া স্টেট সিনেট কর্তৃক গৃহীত রেজোল্যুশন গ্রহণ করছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: আইএসপি
জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ব্রায়ান পি কেম্পের কাছ থেকে জর্জিয়া স্টেট সিনেট কর্তৃক গৃহীত রেজোল্যুশন গ্রহণ করছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: আইএসপি

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান–এর হাতে একটি রেজোল্যুশন তুলে দেওয়া হয়।

 

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় জর্জিয়া স্টেট সিনেটের এক আনুষ্ঠানিক অধিবেশনে গভর্নর ব্রায়ান পি কেম্প এ সম্মাননা প্রদান করেন।

 

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় দলের সমর্থনে গৃহীত এই রেজোল্যুশনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। রেজোল্যুশন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিনেটর শেখ রহমান।

 

এর আগে একই দিনে সেনাবাহিনী প্রধান গভর্নর কেম্পের দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সিনেট অধিবেশনে অংশ নেয়। সেখানে তিনি জর্জিয়ার লেফটেন্যান্ট গভর্নর বার্ট জোনস–এর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

 

উল্লেখ্য, সেনাবাহিনী প্রধান গত ২৮ মার্চ সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
ছবি: সংগৃহীত
মাহফুজ আলম: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করা অনুচিত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বা দেশের অন্য কোনো গণআন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাহফুজ আলম।   বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করা যেমন ভুল, তেমনি এটিকে দেশের অন্য কোনো গণআন্দোলনের সঙ্গে একইভাবে দেখাও সঠিক নয়।   মাহফুজ আলম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া একটি বড় রাজনৈতিক উদ্যোগ। তিনি এটিকে মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রকে নতুনভাবে গড়ে তোলার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এই উদ্যোগ সফল হয়েছে কি না—সে বিষয়ে এখনো সময়ের মূল্যায়ন প্রয়োজন।   তিনি জানান, এই অভ্যুত্থানের মূল দাবির মধ্যে ছিল রাষ্ট্র সংস্কার, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত। তার মতে, এত বিস্তৃত রাষ্ট্রকাঠামোগত ধারণা দেশের অন্য কোনো গণআন্দোলনে দেখা যায়নি।   মাহফুজ আলম আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দেশের দীর্ঘ গণতান্ত্রিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন থেকে অনুপ্রাণিত। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বাঙালির উপনিবেশবিরোধী সংগ্রামের চূড়ান্ত অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।   তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের লড়াইয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গুরুত্ব অনন্য উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি দেশীয় আন্দোলনগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে চলমান সংগ্রামের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জে জমি বিরোধে মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙার অভিযোগ, অভিযুক্ত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ব্রায়ান পি কেম্পের কাছ থেকে জর্জিয়া স্টেট সিনেট কর্তৃক গৃহীত রেজোল্যুশন গ্রহণ করছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: আইএসপি

জাতিসংঘ শান্তি মিশনে অবদানে বাংলাদেশকে সম্মাননা, জর্জিয়া স্টেটের বিশেষ রেজোল্যুশন

ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি সংকটে ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ

ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা আধিপত্য ধরে রাখতে দেশগুলো ধ্বংস করছে: রাবি ছাত্রশিবির সভাপতি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আমেরিকা তার সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব ও আধিপত্য বজায় রাখতে গিয়ে বিভিন্ন দেশ ধ্বংস করেছে। আফগানিস্তান ও ফিলিস্তিনের ব্যাপারে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই দেশগুলোকে তারা তছনছ করেছে এবং মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর নির্বাচিত সরকারে হস্তক্ষেপ চালাচ্ছে।   এ মন্তব্য তিনি করেছেন বুধবার (১ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের আয়োজিত আলোচনা সভায়। সভার শিরোনাম ছিল “আল-আন্দালুস থেকে গ্রানাডা: ইতিহাসের শিক্ষা ও বর্তমান ভাবনা”।   সাদ্দাম বলেন, “আমেরিকার অর্থনীতি ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। তারা বড় ধরনের যুদ্ধ সৃষ্টি করবে এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি করছে। সাম্রাজ্যকে রক্তপাতহীনভাবে ধরে রাখা সম্ভব নয়। তারা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে দেশগুলো ধ্বংস করছে, মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে হস্তক্ষেপ করছে এবং নির্বাচিত সরকারকে প্রতিস্থাপন করছে।”   তিনি আরও বলেন, মুসলিম বিশ্বের প্রাচীন ইতিহাস যেমন করডোবার নগরীর শাসনকাল প্রমাণ করে, মুসলিমরা যুগে যুগে বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল। “যখন মুসলমানেরা বিদ্যুতের বাতি আবিষ্কার করেছিল, ইউরোপ তা ব্যবহার করতে শতাব্দী পরে সক্ষম হয়। সেই সময় মুসলমানরা জ্ঞান ও ধর্মকে সমন্বিত করতে পারতেন,” তিনি উল্লেখ করেন।   আলোচনা সভার সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কথাসাহিত্যিক নাজিব ওয়াদুদ, কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক হাফেজ আবু মুসা, শাখা সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজীব এবং বিভিন্ন হল ও অনুষদের নেতৃবৃন্দ।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

রাবির উপাচার্য ড. ফরিদুল ইসলাম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ সার্চ কমিটির সদস্য

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে পেট্রোল ও সিএনজি বিক্রি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন লুবাবা: সম্পন্ন হয়েছে বাগদান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
চলতি বছরে ৩০ হাজার পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরের শেষ তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও সচল হবে।   বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী। এটি তার প্রথম সংসদীয় প্রশ্নোত্তর, যেখানে তিনি সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।   ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গত ১০ মার্চ থেকে দেশের ১৩টি জেলা এবং ৩টি সিটি করপোরেশন/ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৩৭ হাজার ৮১৪টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই কার্ডের মাধ্যমে ভাতা প্রদান করা হয়েছে।   প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারকে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, কার্ডটি নারীপ্রধানের নামে প্রদত্ত হওয়ায় পরিবারের সম্পদের ওপর নারীর নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে পরিবারের খাদ্য, পুষ্টি, জরুরি চিকিৎসা এবং শিক্ষার খাতে সহায়তা সরাসরি পৌঁছাবে।   ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়ন এবং পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যও ধরা হয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার তেলের পাম্পে দীর্ঘ সারি: রাইড শেয়ারিং বাইকারদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ

ছবি: সংগৃহীত

পটিয়ায় ওয়েল্ডিংয়ের স্ফুলিঙ্গে তুলার গুদামে ভয়াবহ আগুন

ছবি: সংগৃহীত

হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই লঞ্চে সন্তান প্রসব, নবজাতকের আজীবন ভাড়া ‘ফ্রি’

0 Comments