পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরের মসজিদে বো মা হা ম লা, নি হত অন্তত ১৬
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাট শহরে পুলিশ কমপ্লেক্সের ভেতরের একটি মসজিদের কাছে আ ত্ম ঘা তী গাড়ি বো মা হা মলায় অন্তত ১৬ জন নি হত হয়েছেন। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় চালানো এই হা মলায় নি হতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। আ হ ত হয়েছেন অন্তত ৫৭ জন। পুলিশ ও উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হা মলার পর ঘটনাস্থলে গু লি বি নি ময়ও হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বি স্ফো র ক বোঝাই একটি গাড়ি পুলিশ কমপ্লেক্সের বাইরের দেয়ালে ধাক্কা দেওয়ার পর বি স্ফো র ণ ঘটে। ওই সময় কমপ্লেক্সের ভেতরের মসজিদে পুলিশ সদস্য, তাদের পরিবারের সদস্য ও অন্যান্য মুসল্লিরা জুমার নামাজ আদায় করছিলেন। বি স্ফো র ণের পর কয়েকজন স শ স্ত্র হা ম লা কারী কমপ্লেক্সে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে গু লি বি নি ময় শুরু হয়।
খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ জানিয়েছেন, এটি একটি আ ত্ম ঘা তী হা ম লা ছিল। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আরও এক আ ত্ম ঘা তী হা ম লা কারী স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের কাছে বি স্ফো র ণ ঘটায়। হা মলায় জড়িত সাতজন হা ম লা কারী নি হত হয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। তবে কোনো গোষ্ঠী তাৎক্ষণিকভাবে হা ম লার দায় স্বীকার করেনি।
বি স্ফো র ণে মসজিদ ও আশপাশের স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাস্থলের ছবি ও ভিডিওতে ভবনের দেয়াল ও মসজিদের অংশবিশেষ ধসে পড়তে দেখা গেছে। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আ হ তদের বের করে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠায়। আ হ তদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
হা ম লার পর স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। উদ্ধারকাজ চলতে থাকায় হ তা হ তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন। প্রাথমিক প্রতিবেদনে নি হ তের সংখ্যা কম ছিল, পরে কর্মকর্তারা তা ১৬ জনে উন্নীত করেন। ফলে পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল।
আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখাওয়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স শ স্ত্র হা ম লার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে পাকিস্তানি তালেবান বা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান এবং তাদের সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর হা ম লা নিয়ে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। তবে শুক্রবারের হা ম লার দায় কোনো গোষ্ঠী নিয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এই হা ম লার এক দিন আগেই একই প্রদেশের হাঙ্গু জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি গাড়িবহরে রাস্তার পাশে বো মা হা মলায় ছয় সেনা নি হত হন। এরপর পাকিস্তানি বাহিনী হাঙ্গু ও উত্তর ওয়াজিরিস্তানে কয়েকটি অভিযান চালিয়ে ১০ জন সন্দেহভাজন জ ঙ্গিকে হ ত্যার করার কথা জানিয়েছিল। এসব ঘটনার পর অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কোহাটের এই হা ম লা পাকিস্তানে পুলিশ ও নিরাপত্তা স্থাপনার সঙ্গে থাকা মসজিদগুলো কতটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, সেই বিষয়টিও সামনে এনেছে। ২০২৩ সালে খাইবার পাখতুনখাওয়ার রাজধানী পেশোয়ারের একটি পুলিশ কমপ্লেক্সের মসজিদে আ ত্ম ঘা তী হা ম লায় শতাধিক মানুষ নি হত হয়েছিলেন, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন পুলিশ সদস্য।
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে চলমান সহিংসতার মধ্যে শুক্রবারের হা ম লাটি সর্বশেষ বড় প্রাণঘাতী ঘটনা। নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে অভিযান ও তল্লাশি চালাচ্ছে এবং হা ম লার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে তদন্ত চলছে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আন্তর্জাতিক
View moreজার্মানি যাওয়ার পথে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে তাঁকে বহনকারী উড়োজাহাজ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি) এ তথ্য জানিয়েছে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির। বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে শেরিং তোবগের জার্মানির উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইউএনবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান প্রায় ৪৫ মিনিটের হওয়ার কথা। এরপর একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে তাঁর জার্মানির উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে। ঢাকা ট্রিবিউনও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার বরাত দিয়ে একই তথ্য প্রকাশ করেছে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর এই যাত্রাবিরতিকে ঘিরে বাংলাদেশ সরকার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়। বাংলাদেশ সরকারের সরকারি গেজেটের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১৭ সেপ্টেম্বর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেখানে ১৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফরকালীন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ বা ভিভিআইপি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ফলে এটি কেবল একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ট্রানজিট ছিল না; একজন সরকারপ্রধানের যাত্রাবিরতি হিসেবে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিমানবন্দরে বাংলাদেশের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিও সেই আনুষ্ঠানিকতার অংশ।শেরিং তোবগে ভুটানের একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা এবং বর্তমানে দেশটির প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছে। বাংলাদেশ ও ভুটানের সম্পর্কেরও দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসেও ভুটানের বিশেষ অবস্থান রয়েছে। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ভুটান প্রথম দিককার দেশগুলোর একটি। সেই সময় থেকে ঢাকা ও থিম্পুর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রয়েছে। পরবর্তী দশকগুলোতে বাণিজ্য, শিক্ষা, পর্যটন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, যোগাযোগ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের যোগাযোগ বিস্তৃত হয়েছে। দুই দেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেও পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব রয়েছে। স্থলবেষ্টিত ভুটানের জন্য বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর ও যোগাযোগ অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ভুটানের জলবিদ্যুৎ খাতের সম্ভাবনার দিকে নজর রেখে আসছে। আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যের মাধ্যমে ভুটান থেকে পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ পাওয়ার সম্ভাবনা বাংলাদেশ-ভুটান সম্পর্কের অন্যতম আলোচিত ক্ষেত্র। শেরিং তোবগের এবারের ঢাকায় অবস্থান অবশ্য পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্রীয় সফর নয়। এখন পর্যন্ত প্রকাশিত সরকারি ও সংবাদমাধ্যমের তথ্যে বিমানবন্দরে অবস্থানকালে দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা জানানো হয়নি। তাই এই যাত্রাবিরতিকে নতুন কোনো চুক্তি বা রাজনৈতিক আলোচনার সঙ্গে যুক্ত করার মতো নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে অবস্থানের সময় নিয়ে সামান্য পার্থক্যও দেখা যাচ্ছে। ইউএনবি ও যমুনা টেলিভিশন প্রায় ৪৫ মিনিটের যাত্রাবিরতির কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে বাংলা ট্রিবিউন এটিকে প্রায় এক ঘণ্টার যাত্রাবিরতি হিসেবে উল্লেখ করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে ইউএনবি যে তথ্য দিয়েছে, তাতে প্রায় ৪৫ মিনিটের কথাই বলা হয়েছে। আজকের ঘটনাটি আরেকটি কারণেও উল্লেখযোগ্য। সাম্প্রতিক সময়ে ভুটানের শীর্ষ নেতৃত্বের ঢাকায় এটি দ্বিতীয় যাত্রাবিরতি বলে একুশে টেলিভিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটির তথ্য অনুযায়ী, এর আগে গত ২৬ আগস্ট ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেছিলেন। সেই যাত্রাবিরতির সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে ভুটানের রাজার সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছিল বলে একুশে টেলিভিশনের প্রতিবেদনে জানানো হয়। সেখানে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের ঢাকা হয়ে আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাত্রা দুই প্রতিবেশী দেশের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের আরেকটি ঘটনা হিসেবে সামনে এসেছে। তবে শুক্রবারের যাত্রাবিরতির ক্ষেত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী মূল বিষয় ছিল জার্মানি যাওয়ার পথে ঢাকার বিমানবন্দর ব্যবহার এবং সেখানে স্বল্প সময় অবস্থান। বাংলাদেশ ও ভুটান উভয়ই দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা কাঠামোর সদস্য। দুই দেশ সার্ক ও বিমসটেকসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ফোরামে একসঙ্গে কাজ করে। জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং জ্বালানি সহযোগিতার মতো ক্ষেত্রেও ঢাকা ও থিম্পুর স্বার্থের মিল রয়েছে। বিশেষ করে ভুটানের জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিপুল সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদার কারণে জ্বালানি সহযোগিতা দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি স্থলসীমান্ত না থাকায় ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সঞ্চালনের বিষয়টি এ ধরনের আঞ্চলিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য, তৈরি পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্য ভুটানের বাজারে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিপরীতে ভুটান থেকে পাথরসহ বিভিন্ন পণ্য বাংলাদেশে আসে। যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হলে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। পর্যটনের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যোগাযোগ রয়েছে। পাহাড়ি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য ভুটান বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো ক্ষেত্রেও দুই দেশের নাগরিক পর্যায়ে যোগাযোগ রয়েছে। এই বৃহত্তর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে শেরিং তোবগের শুক্রবারের সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি ছোট ঘটনা হলেও কূটনৈতিকভাবে দৃশ্যমান। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে তাঁকে স্বাগত জানানো এবং আগের দিন তাঁকে ভিভিআইপি ঘোষণা করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা এর আনুষ্ঠানিক গুরুত্ব তুলে ধরে।
পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরের মসজিদে বো মা হা ম লা, নি হত অন্তত ১৬
পর কীয়ার অভিযোগে প্রেমিক যুগলকে ১০০ বেত্রা ঘাত, ব্যথায় মাটিতে লুটিয়ে নারী
অপহরণের ৬ দিন পর ব্রিটিশ নারীকে উদ্ধার, অভিযানে ৪ সন্দেহভাজন নি হ ত
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ৫০ শতাংশ শুল্ক দীর্ঘ সময় কার্যকর থাকলে কানাডায় ৯০ হাজারের কাছাকাছি চাকরি হারানোর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগেরির অর্থনীতির অধ্যাপক ট্রেভর টম্বে। তার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, শুল্কের সরাসরি আওতায় থাকা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি তাদের সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট সেবা খাতেও কর্মসংস্থান কমতে পারে। তবে এটি নিশ্চিত চাকরি হারানোর সংখ্যা নয়; শুল্ক কতদিন বহাল থাকবে এবং ব্যবসাগুলো কীভাবে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেবে, তার ওপর প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে। টম্বের হিসাব অনুযায়ী, সম্ভাব্য চাকরি ক্ষতির মধ্যে ৫২ হাজারের বেশি সরাসরি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোতে হতে পারে। এসব প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকারী ও সেবা প্রদানকারী খাতের আরও প্রায় ৩৫ হাজার চাকরি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। সব মিলিয়ে সম্ভাব্য চাকরি ক্ষতির সংখ্যা ৮৭ হাজারের কিছু বেশি, যাকে প্রায় ৯০ হাজার হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই হিসাব একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। টম্বে ধরে নিয়েছেন, শুল্ক দীর্ঘ সময় বহাল থাকবে এবং শুল্কের আওতায় থাকা পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি শুল্কের হারের সমান অনুপাতে কমবে। তিনি নিজেই উল্লেখ করেছেন, বাস্তবে ব্যবসা ও ভোক্তাদের আচরণ ভিন্ন হতে পারে। ফলে প্রকৃত চাকরি ক্ষতির পরিমাণ তার অনুমানের চেয়ে কম বা বেশি হতে পারে। শুল্কের প্রভাব সব খাতে সমান হবে না। টম্বের বিশ্লেষণে যন্ত্রপাতি ও ইলেকট্রনিকস, প্লাস্টিক ও রাবার, আসবাবপত্র, খেলনা, কাঠজাত পণ্য, রাসায়নিক, খাদ্যপণ্য ও পোশাক খাতকে তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরাসরি রপ্তানি কমে গেলে পরিবহন, গুদামজাতকরণ, পাইকারি ব্যবসা এবং পেশাগত ও কারিগরি সেবার মতো খাতেও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান কমতে পারে। প্রদেশভেদেও সম্ভাব্য প্রভাবের পার্থক্য রয়েছে। টম্বের হিসাবে অন্টারিওতে প্রায় ৩৬ হাজার, কুইবেকে ১৮ হাজার, ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় ১১ হাজার এবং আলবার্টায় প্রায় ৯ হাজার চাকরি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। আলবার্টার নিজস্ব রপ্তানি নতুন শুল্কে তুলনামূলকভাবে কম প্রভাবিত হলেও অন্য প্রদেশের রপ্তানিকারকদের সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সেখানে কর্মসংস্থানের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নিয়ে কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সম্পর্কেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইউনাইটেড স্টিলওয়ার্কার্সের আন্তর্জাতিক প্রেসিডেন্ট রক্সান ব্রাউন বলেছেন, দুই দেশের বাণিজ্য বিরোধের প্রভাব উভয় দেশের শ্রমিকদের ওপর পড়ছে। সংগঠনটি দুই দেশের সরকারকে দ্রুত বাণিজ্য আলোচনা পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে। টম্বে বলেন, শুল্ক কতদিন বহাল থাকবে সেটিই কর্মসংস্থানের ওপর প্রভাবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বল্পমেয়াদে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত খরচ নিজেরা বহন করতে পারে বা কর্মীদের কাজের সময় কমাতে পারে। কিন্তু শুল্ক দীর্ঘস্থায়ী হলে চাকরি কমানোর চাপ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ব্যবসাগুলো নতুন কর্মী নিয়োগ ও নতুন পদ তৈরির গতিও কমিয়ে দিতে পারে। তবে সম্ভাব্য ৯০ হাজার চাকরি ক্ষতির হিসাবকে কানাডার অর্থনীতিতে বড় ধরনের মন্দার পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন না টম্বে। তার হিসাবে, এই শুল্কের কারণে কানাডার অর্থনীতি প্রায় ০.৪ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতির অনিশ্চয়তা দ্রুত পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে অথবা দুই দেশ দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছালেও পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। কানাডার শ্রমবাজারে শুল্কের সম্ভাব্য প্রভাব তাই শুধু সরাসরি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। রপ্তানি কমে গেলে তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবহন, সরবরাহ ও বিভিন্ন সেবা খাতেও কর্মসংস্থানের চাপ তৈরি হতে পারে। ফলে বাণিজ্য বিরোধ কতদিন স্থায়ী হয় এবং দুই দেশের আলোচনায় কী ধরনের সমাধান আসে, তার ওপর সম্ভাব্য চাকরি ক্ষতির মাত্রা অনেকটাই নির্ভর করবে। সূত্র: দ্য হাব
ছুটিতে বাবা-মায়ের সঙ্গে ভারতে গিয়ে বিরল মস্তিষ্কের রোগে আক্রান্ত, দুবাইয়ের ৭ বছরের আমেয়ার মৃত্যু
গ্রিনল্যান্ড-অ্যান্টার্কটিকায় ৪৭ বছরে গলেছে ১২.৫ ট্রিলিয়ন টন বরফ, বাড়ছে সমুদ্রের পানি
শেষ মুহূর্তে দিল্লির বৈঠক বাতিল করল আওয়ামী লীগ, হাসিনার ফেরার আলোচনা ঘিরে জল্পনা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহে প্রায় তিন মাস আটক থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ৬৬ বছর বয়সী জলিল আখতার। উত্তর দিনাজপুরের এই বাসিন্দার আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র ও রেশন কার্ডসহ বিভিন্ন নথি যাচাইয়ের পর বৈধ বলে উল্লেখ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। ১৫ সেপ্টেম্বর আদালত তাকে জামিন দেওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। জলিল আখতার উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘি এলাকার বাসিন্দা। পরিবারের দাবি, ১৯ জুন রাতে ডালখোলা থানার পুলিশ তাকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। তখন তাকে বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহ করা হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। পরদিন পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে তার পরিচয় প্রমাণের জন্য ভোটার পরিচয়পত্র, আধার কার্ড, রেশন কার্ড ও প্যান কার্ডসহ বিভিন্ন নথি জমা দেন। এরপর জলিলকে বিভিন্ন আটককেন্দ্রে রাখা হয় এবং পরে ইসলামপুরের কারাগারে পাঠানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়, তিনি ভারতের নাগরিক এবং তার পরিচয় ও বসবাসের পক্ষে দীর্ঘদিনের সরকারি নথি রয়েছে। তার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকার পাশাপাশি ২০২৬ সালের বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার নথিতেও রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জলিলকে বিদেশি নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করে অভিবাসন ও বিদেশি নাগরিকসংক্রান্ত আইনে মামলা করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তাকে বাংলাদেশের দিকে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল। তবে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে হস্তান্তরের পর তাকে বাংলাদেশে পাঠানো সম্ভব হয়নি এবং পরে তিনি আবার পুলিশের হেফাজতে ফিরে আসেন। মামলার তদন্তের সময় জলিলের পরিবারের দেওয়া বিভিন্ন নথি যাচাই করা হয়। আদালতের কার্যক্রমে তার আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র ও রেশন কার্ডের বৈধতা নিয়ে তথ্য উপস্থাপন করা হয়। তার বাবার নামে ১৯৬৭ সালের জমির নথিও পরিবার আদালতে জমা দেয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর ইসলামপুরের আদালত জলিলকে জামিন দেওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে পরিবারের কাছে ফিরে যান। জামিনের শর্ত হিসেবে তাকে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া নিজের এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না। প্রয়োজনে তাকে নিয়মিত আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। জলিলের পরিবার জানিয়েছে, প্রায় তিন মাস ধরে তাকে নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও আদালতে ছুটতে হয়েছে। পরিবারের দাবি, প্রয়োজনীয় নথি থাকার পরও একজন বয়স্ক মানুষকে এতদিন আটক রাখায় তারা মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। জলিল নিজেও মুক্তির পর তার নাগরিকত্ব নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে জলিলের বিরুদ্ধে করা মামলার পুরো আইনি প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি। আদালতের জামিনের অর্থ হলো তিনি বিচারাধীন অবস্থায় মুক্ত থাকবেন; এটি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি নয়। তদন্ত ও পরবর্তী আদালত কার্যক্রমের ভিত্তিতেই মামলার পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে। সূত্র: দ্য অবজারভার পোস্ট
ভেনিসে বিয়ের তিন মাসের মাথায় মৃ ত্যু, নৌকাডুবিতে প্রাণ হারালেন অন্তঃসত্ত্বা তরুণী ও তার স্বামী
১৩ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন