শাকিরা

ছবি: সংগৃহীত
গ্যালারিতে শাকিরার গালে চুমু, কে এই তরুণ?

ডালাসের স্টেডিয়ামে ফুটবল ম্যাচ চলাকালে গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করছিলেন বিশ্বখ্যাত কলম্বিয়ান পপ তারকা Shakira। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে গ্যালারির একটি মুহূর্ত, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।   সম্প্রচার ক্যামেরা যখন শাকিরার দিকে ঘুরে যায়, তখন তার পাশে বসা এক তরুণকে দেখা যায় গালে স্নেহের চুমু দিতে। কয়েক সেকেন্ডের সেই দৃশ্য দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই ওই তরুণের পরিচয় নিয়ে নানা জল্পনা শুরু করেন। কেউ কেউ ধারণা করেন, তিনি হয়তো শাকিরার নতুন কোনো ঘনিষ্ঠ সঙ্গী বা বিশেষ ব্যক্তি।   তবে পরে জানা যায়, রহস্যময় সেই তরুণ আসলে অন্য কেউ নন, শাকিরার বড় ছেলে Milan Piqué Mebarak। ফুটবল ম্যাচ দেখতে শাকিরা তার দুই ছেলে মিলান ও Sasha Piqué Mebarakকে সঙ্গে নিয়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন। ক্যামেরায় ধরা পড়া মুহূর্তটি ছিল মা ও ছেলের স্বাভাবিক পারিবারিক ভালোবাসার প্রকাশ।   শাকিরার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে যারা খুব বেশি অবগত নন, তাদের অনেকেই প্রথমে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের মন্তব্য ও আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু ছেলেদের পরিচয় স্পষ্ট হওয়ার পর দ্রুতই সেই জল্পনার অবসান ঘটে।   ম্যাচ চলাকালে শুধু এই একটি মুহূর্তই নয়, আরও কয়েকবার ক্যামেরার ফোকাসে আসেন শাকিরা। এক পর্যায়ে তাকে দুই ছেলের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় দেখা যায়। দর্শকদের উদ্দেশে উড়ন্ত চুম্বন ছুড়ে দিতেও দেখা গেছে জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পীকে। স্টেডিয়ামে তার উপস্থিতি এবং পরিবারের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো দর্শকদের মধ্যে আলাদা আগ্রহের জন্ম দেয়।   উল্লেখ্য, শাকিরা ও সাবেক স্প্যানিশ ফুটবলার Gerard Piquéর দুই ছেলে মিলান ও সাশা দীর্ঘদিন ধরেই গণমাধ্যম ও ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও পারিবারিক আয়োজনে তাদের মায়ের সঙ্গে দেখা যায়। ফলে সাম্প্রতিক এই ভাইরাল মুহূর্তটিও শেষ পর্যন্ত একটি সাধারণ পারিবারিক দৃশ্য হিসেবেই সামনে এসেছে।   মাঠের উত্তেজনাপূর্ণ ফুটবল লড়াই শেষ হওয়ার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল শাকিরা ও তার দুই ছেলের উপস্থিতি। বিশেষ করে মা-ছেলের স্নেহময় মুহূর্তটি ভক্তদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। অনেকেই এটিকে একজন মায়ের সঙ্গে সন্তানের স্বাভাবিক ও সুন্দর সম্পর্কের প্রতিচ্ছবি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুন ২২, ২০২৬ ১৪:০
আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে গাইছেন শাকিরা I এএফপি
মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামে শাকিরার পারফরম্যান্সে শুরু হলো বিশ্বকাপ ২০২৬

স্টেডিয়ামের ঠিক মাঝখানে জ্বলজ্বল করছে বিশাল এক সোনালি ট্রফি, আর তাকে ঘিরে সোনালি পোশাকের শিল্পীদের নজরকাড়া পরিবেশনা। আজটেক সভ্যতার সোনালি অতীতের ছোঁয়া মেশানো পোশাক ও নাচের অনন্য ঢঙে মেক্সিকান সংগীতশিল্পী লিলা ডাউনস সুরেলা কণ্ঠে বিশ্ববাসীকে স্বাগত জানিয়ে গেয়ে উঠলেন, ‘বিশ্ববাসী, মেক্সিকোয় স্বাগত!’ আর এর মধ্য দিয়েই মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে বেজে উঠল ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের দামামা।   রঙিন আবিরে ছেয়ে যায় স্টেডিয়ামের চারপাশ। এই নিয়ে তিনটি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করে ইতিহাসের পাতায় প্রথম এবং একমাত্র স্টেডিয়াম হিসেবে নাম লেখাল ফুটবলের এই ‘ক্যাথেড্রাল’। যদিও সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাতেও আলাদাভাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে, তবে ঐতিহ্য ও ইতিহাসের বিচারে বিশ্বকাপের মূল উদ্বোধনটি এখানেই সম্পন্ন হলো।   উদ্বোধনী মঞ্চে মেক্সিকোর কিংবদন্তি রক ব্যান্ড ‘মানা’ যখন ‘ওই মি আমোর’ (হে, আমার ভালোবাসা) গানের সুর তোলে, তখন গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকরা দুই হাত প্রসারিত করে তৈরি করেন বিখ্যাত ‘মেক্সিকান ওয়েভ’।   এরপর ভেনেজুয়েলার গায়ক ড্যানি ওশানের পরিবেশনা এবং মেক্সিকান মিউজিক্যাল গ্রুপ লস অ্যাঞ্জেলস আজুলসের সঙ্গে ফোক ব্যালে পারফরম্যান্সও ছিল বেশ নজরকাড়া। মঞ্চে আসেন কলম্বিয়ান গায়ক জে বলভিনও।   তবে দর্শকদের আসল উন্মাদনা শুরু হয় যখন হলুদ, বেগুনি ও সাদা পোশাকে মঞ্চে প্রবেশ করেন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ‘রানি’ শাকিরা। সানগ্লাস চোখে নাইজেরিয়ান গায়ক বার্না বয়কে সঙ্গী করে তিনি যখন ‘দাই দাই’ গানের সুর ধরেন, তখন গোটা স্টেডিয়াম যেন আনন্দে ফেটে পড়ে। ২০১০ সালের ‘ওয়াকা ওয়াকা’ খ্যাত শাকিরার জাদুকরী পারফরম্যান্স ছাড়া বিশ্বকাপ যেন সত্যিই অসম্পূর্ণ!   শাকিরার সুরের মূর্ছনার পাশাপাশি মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচকে ঘিরে স্বাগতিক দর্শকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। বাদ্যযন্ত্র, নাচ-গান আর লাল রঙের আবিরে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে ৮০ হাজার আসনবিশিষ্ট এই স্টেডিয়ামের গ্যালারি।   অলিম্পিকের আদলে ৪৮টি অংশগ্রহণকারী দেশের পতাকা হাতে মাঠে প্রবেশ করেন প্রতিনিধিরা। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো যখন সোনালি ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরেন, তখন দর্শকদের গর্জনে প্রকম্পিত হয় পুরো গ্যালারি।   তবে স্টেডিয়ামের ভেতরের এই সুশৃঙ্খল উৎসবের বিপরীতে মেক্সিকো সিটির ফ্যান জোনগুলোতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় নিরাপত্তাকর্মীদের। অতিরিক্ত ভিড় এবং ধাক্কাধাক্কির কারণে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলেও, সব মিলিয়ে ফুটবলের এই মহোৎসবের উন্মাদনায় মেতে উঠেছে গোটা বিশ্ব।

ইসতিয়াক আহমেদ জুন ১১, ২০২৬ ১৪:০
ল্যাটিন পপ সম্রাজ্ঞী শাকিরা | ছবি: সংগৃহীত
ফিরছেন শাকিরা: ২০২৬ বিশ্বকাপের থিম সং ‘দাই দাই’-এর টিজার প্রকাশ

দীর্ঘ বিরতির অবসান ঘটিয়ে আবারও ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছেন ল্যাটিন পপ সম্রাজ্ঞী শাকিরা। ২০২৬ উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং 'দাই দাই'-এর টিজার প্রকাশ করে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন তিনি। এবারের গানে তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন নাইজেরিয়ান মিউজিক সেনসেশন বার্না বয়। বৃহস্পতিবার ব্রাজিলের ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে ধারণ করা ভিডিওটির একটি টিজার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন শাকিরা।   ভিডিওটিতে এবারের বিশ্বকাপের তিন আয়োজক দেশ—মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার জাতীয় পতাকার রঙে একদল নৃত্যশিল্পীকে পারফর্ম করতে দেখা যায়। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ভিডিওতে শাকিরার আগের গাওয়া গানগুলোর প্রতি সম্মান জানিয়ে ২০০৬, ২০১০ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ম্যাচ বলগুলো রাখা হয়েছে। জানা গেছে, নতুন এই ট্র্যাকে ল্যাটিন পপের ছন্দের সঙ্গে আফ্রো-বিটের এক অনন্য ফিউশন ঘটিয়েছেন শাকিরা ও বার্না বয়।   আগামী ১৪ মে আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ থিম সংটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালে জার্মানিতে 'হিপস ডোন্ট লাই', ২০১০-এ দক্ষিণ আফ্রিকায় কালজয়ী 'ওয়াকা ওয়াকা' এবং ২০১৪ সালে ব্রাজিলে 'লা লা লা' গেয়ে ফুটবল বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন শাকিরা। মাঝখানে বিরতি দিয়ে আবারও তাঁর রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা যোগ করেছে।   আগামী ১১ জুন থেকে উত্তর আমেরিকায় ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ, যা চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। আসর শুরুর আগে শাকিরার এই গানটিকেই ধরা হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল কাউন্টডাউন। ১৪ মে গানটি প্রকাশের পর থেকেই বিশ্বকাপের বৈশ্বিক উন্মাদনা নতুন মাত্রা পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তাবাস্সুম মে ৭, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Top week

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু
আমেরিকা

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

নীলুফা নিশাত জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:০