খাদ্য সহায়তা

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে গরিবদের খাদ্য সহায়তায় ট্রাম্পের শর্ত আরোপ স্থগিত করলেন আদালত

যুক্তরাষ্ট্রে দরিদ্র নাগরিকদের জন্য বরাদ্দ ‘ফুড স্ট্যাম্প’ কর্মসূচির ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শর্ত আরোপের চেষ্টা স্থগিত করে দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। গত শুক্রবার ২০টি ডেমোক্রেটিক শাসিত অঙ্গরাজ্যের পক্ষে রায় দিয়ে আদালত এই স্থগিতাদেশ জারি করেন। সোমবার বার্তা সংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   বোস্টনের ইউএস ডিস্ট্রিক্ট বিচারক মিয়ং জৌন ট্রাম্প প্রশাসনের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে একটি প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসন ফুড স্ট্যাম্প কর্মসূচির শত শত কোটি ডলারের তহবিল পাওয়ার ক্ষেত্রে অঙ্গরাজ্যগুলোর ওপর ‘লিঙ্গাদর্শন’, ‘অভিবাসন’ এবং ‘নারীদের খেলাধুলায় ন্যায্য সুযোগ’ সংক্রান্ত কিছু বিতর্কিত শর্ত জুড়ে দিতে চেয়েছিল।   মামলাকারী অঙ্গরাজ্যগুলো আদালতে যুক্তি দেয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি মন্ত্রণালয় কংগ্রেসের তৈরি করা মূল কর্মসূচির মাঝে অবৈজ্ঞানিক ও বেআইনি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। এর ফলে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য জরুরি পুষ্টি সহায়তা, গুরুত্বপূর্ণ কৃষি গবেষণা এবং জাতীয় খাদ্য শৃঙ্খলের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়েছে।   অন্যদিকে সরকারের পক্ষে আইনজীবীরা এই নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে জানান, নতুন শর্তগুলো করদাতাদের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং সরকারি তহবিলের ওপর তদারকি বাড়াতে সাহায্য করত। তবে বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের এই যুক্তি নাকচ করে দিয়ে আপাতত তাদের এই উদ্যোগ স্থগিত করার নির্দেশ দেন।   ফুড স্ট্যাম্প হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে দেশটির প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ দরিদ্র মানুষ মুদি কেনাকাটার জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকে। তবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, গত বছর রিপাবলিকানদের পাস করা একটি ব্যয় সংকোচন বিলের নতুন শর্তের কারণে এরই মধ্যে ৪৩ লাখেরও বেশি মানুষ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

তাবাস্সুম জুন ৭, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
সপ্তাহে অন্তত ২০ ঘণ্টা কাজ বাধ্যতামূলক, ফুড স্ট্যাম্প হারানোর ঝুঁকিতে হাজারো মার্কিন নাগরিক

যুক্তরাষ্ট্রে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য চালু থাকা খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। ফেডারেল সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শ্রেণির কর্মক্ষম প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি সপ্তাহে অন্তত ২০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। অন্যথায় তারা খাদ্য সহায়তার সুবিধা হারাতে পারেন।   নতুন এই নিয়ম ইতোমধ্যে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে নিউইয়র্কসহ বড় শহরগুলোতে অনেক মানুষ এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, শুধু নিউইয়র্ক শহরেই প্রায় ৪০ হাজার মানুষ খাদ্য সহায়তা হারানোর ঝুঁকিতে আছেন।   খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করছে। বাজারের উচ্চ মূল্য, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে লাখো মানুষ এই সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। তবে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, নির্ভরশীল সন্তান ছাড়া কর্মক্ষম প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়মিত চাকরি, প্রশিক্ষণ অথবা অনুমোদিত স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে অংশ নিতে হবে।   সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মানুষকে কর্মসংস্থানে উৎসাহিত করতেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে সামাজিক সংগঠন ও অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা না করেই কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তাদের মতে, যারা অনিয়মিত কাজ করেন বা স্থায়ী চাকরি খুঁজে পাচ্ছেন না, তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।   নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি নতুন নীতির সমালোচনা করে বলেন, “মানুষকে কাজের সুযোগ না দিয়ে খাদ্য সহায়তায় কড়াকড়ি বাড়ালে ক্ষুধা ও দুর্ভোগই বাড়বে।” তিনি আরও বলেন, অনেক মানুষ আগে থেকেই কাজ করছেন, কিন্তু বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় এত বেশি যে শুধুমাত্র উপার্জনের ওপর নির্ভর করে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।   সিটি প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, খাদ্য সহায়তা পাওয়া অধিকাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে আয়মূলক কাজে যুক্ত কিন্তু খণ্ডকালীন চাকরি, কম মজুরি এবং উচ্চ ব্যয়ের কারণে তারা এখনো সরকারি সহায়তার প্রয়োজন অনুভব করেন।   নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর অনেক মানুষ তাদের যোগ্যতা প্রমাণে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি সংগঠন এখন মানুষকে সহায়তা করার চেষ্টা করছে। ফোন কল, সচেতনতামূলক প্রচার এবং সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে মানুষকে নতুন নিয়ম সম্পর্কে জানানো হচ্ছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময়ে জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, তাতে খাদ্য সহায়তা কমে গেলে নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর সংকট আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে অভিবাসী পরিবার, গৃহহীন ব্যক্তি এবং অস্থায়ী কর্মসংস্থানের ওপর নির্ভরশীল মানুষেরা সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বেন।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। কেউ কেউ মনে করছেন কর্মক্ষম মানুষকে কাজের আওতায় আনার উদ্যোগ ইতিবাচক হতে পারে। আবার অনেকে বলছেন, পর্যাপ্ত চাকরির সুযোগ ও ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত না করে এমন কঠোর নিয়ম সাধারণ মানুষের জন্য নতুন সংকট তৈরি করবে।

শাহারিয়া নয়ন জুন ১, ২০২৬ ১৪:০
এসএনএপি জালিয়াতি দমনে যুক্তরাষ্ট্রে অভিযান জোরদার করেছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ | ছবি: এআই, আমেরিকা বাংলা
বিলাসবহুল গাড়ির মালিকদের কাছেও ফুড স্ট্যাম্প, যুক্তরাষ্ট্রে অভিযানে গ্রেপ্তার ১,০ হাজারের বেশি

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি এসএনএপি বা “ফুড স্ট্যাম্প” নিয়ে বড় ধরনের জালিয়াতির অভিযোগ সামনে এসেছে। অপব্যবহার ও প্রতারণা ঠেকাতে দেশজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ১ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, কিছু ব্যক্তি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হওয়া সত্ত্বেও ভুল তথ্য ব্যবহার করে সরকারি খাদ্য সহায়তা নিচ্ছেন।   যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিমন্ত্রী ব্রুক রলিন্স জানান, কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে এমন ব্যক্তিদের খুঁজে পাওয়া গেছে, যাদের কাছে ফেরারি, বেন্টলি ও ল্যাম্বরগিনির মতো বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে, অথচ তারা ফুড স্ট্যাম্প সুবিধাও গ্রহণ করছেন।   তিনি আরও বলেন, তদন্তে প্রায় ৫ লাখ ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক সুবিধা অবৈধভাবে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া প্রায় ২ লাখ ৪৪ হাজার মৃত ব্যক্তির নামেও খাদ্য সহায়তা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।   এসএনএপি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিগুলোর একটি, যা নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিচালিত হয়। তবে দীর্ঘদিন ধরেই এই কর্মসূচিতে জালিয়াতি ও অপব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে।   নতুন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ফুড স্ট্যাম্প গ্রহণকারী দোকানগুলোর জন্যও নতুন নিয়ম আনা হচ্ছে। এখন থেকে দোকানগুলোতে প্রোটিন, শস্য, দুগ্ধজাত পণ্য, ফল ও সবজি মিলিয়ে অন্তত সাত ধরনের খাদ্যপণ্য রাখা বাধ্যতামূলক হবে।   কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রাপ্যতা বাড়ানো এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারের ওপর নির্ভরতা কমাতেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন নিয়ম ২০২৬ সালের শরৎ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন মে ৭, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Top week

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু
আমেরিকা

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

নীলুফা নিশাত জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:০