আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপের মাত্র ৭৬ দিন বাকি, কিন্তু আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি এখনো নিশ্চিত করেননি তিনি খেলবেন কি না। ২০২২ সালে ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে শেষ বিশ্বকাপ খেলার ঘোষণা দিয়েছিলেন মেসি। তবে নাটকীয় জয়ের পরও আকাশী নীল জার্সিতে মাঠে সমহিমায় তিনি এখনো উজ্জ্বল। মৌরিতানিয়া ও জাম্বিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে দুটি প্রীতি ম্যাচ। এই ম্যাচগুলিতে তাকে হয়তো বেঞ্চে রাখা হতে পারে, যদিও কোচ লিওনেল স্কালোনি নিশ্চিত করেছেন, মেসি দুটি ম্যাচেই জাতীয় দলে থাকবেন। স্কালোনি বলেন, “মেসির বিশ্বকাপে খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া তার নিজের ব্যাপার। মানসিক ও শারীরিক অবস্থার ওপর এটি নির্ভর করছে। আমরা চাই সে খেলুক, কিন্তু তাড়া নেই। সে নিজের ও দলের ভালোর জন্য সিদ্ধান্ত নেবে।” আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে। এরপর ‘জে’ গ্রুপে অস্ট্রিয়া ও জর্ডানের সঙ্গে তাদের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। স্কালোনি আশাবাদী, মেসি মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকলে তিনি দলের শক্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিশ্বকাপে ইরানের ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি উঠলেও পূর্বঘোষিত সূচিতে অনড় থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে ফিফা। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই সব দেশের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবং সূচি পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই। এর আগে ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদি তাজ দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ইরানি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর ইরান যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ম্যাচ খেলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে। ট্রাম্প বলেন, ইরান বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারে, তবে নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় তাদের যুক্তরাষ্ট্রে আসা ‘যুক্তিযুক্ত নাও হতে পারে’। এই মন্তব্যকে হুমকি হিসেবে দেখছে তেহরান। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান জানিয়েছে, যে দেশ অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, তাদের বিশ্বকাপ আয়োজনের যোগ্যতা থাকা উচিত নয়। ফিফার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা ইরানসহ সব অংশগ্রহণকারী দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। তবে ২০২৫ সালের ৬ ডিসেম্বর ঘোষিত সূচি অনুযায়ীই টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। সূচি অনুযায়ী, ইরানের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা— ১৬ জুন: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে (লস অ্যাঞ্জেলেস) ২১ জুন: বেলজিয়ামের বিপক্ষে (লস অ্যাঞ্জেলেস) ২৭ জুন: মিশরের বিপক্ষে (সিয়াটল) এতে স্পষ্ট হয়েছে, আপাতত ইরানের ম্যাচ মেক্সিকোতে সরানোর সম্ভাবনা নেই।
ফিফার সম্মতি মিললে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের ম্যাচগুলো আয়োজন করতে প্রস্তুত রয়েছে মেক্সিকো—এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক হামলার পর ইরানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় ফিফার কাছে ম্যাচ ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছে ইরান। এ প্রেক্ষাপটে ইরানের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে মেক্সিকোতে আয়োজনের প্রস্তাব এসেছে। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম জানিয়েছেন, ফিফা অনুমোদন দিলে ইরানের ম্যাচ আয়োজন করতে তাদের কোনো আপত্তি নেই। সূত্র: আল জাজিরা
নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। দেশটির ফুটবল ফেডারেশন ইতোমধ্যে ফিফার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে, যাতে তাদের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে মেক্সিকোতে আয়োজন করা হয়। গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা উল্লেখ করলেও তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার এই মন্তব্যের পরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয় ইরান। মেক্সিকোয় নিযুক্ত ইরানের দূতাবাসের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই যখন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না, তখন সেখানে গিয়ে খেলা সম্ভব নয়। তিনি জানান, এ বিষয়ে ফিফার সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ইরানের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ফিফার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা যৌথভাবে আয়োজন করছে। সূচি অনুযায়ী ইরানের গ্রুপপর্বের দুটি ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং একটি সিয়াটলে হওয়ার কথা ছিল। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং সাম্প্রতিক সংঘাত পরিস্থিতি ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে ভেন্যু পরিবর্তন না হলে ইরান বিশ্বকাপে খেলবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ইরান ফুটবল দলের অংশগ্রহণের পক্ষে নিজের ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন জাপানের ফুটবল কিংবদন্তি কিসুকে হোন্ডা। ইরানের প্রতি সংহতি জানানোয় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি নামী কোম্পানির সাথে তার প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া একটি বড় বিজ্ঞাপন চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। ৩৯ বছর বয়সী এই ফুটবল আইকন শনিবার (১৪ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত বৃহস্পতিবার হোন্ডা এক পোস্টে লিখেছিলেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়া সত্ত্বেও একজন ফুটবলার হিসেবে তিনি চান ইরান বিশ্বকাপে অংশ নিক। এই পোস্টের পরপরই সংশ্লিষ্ট মার্কিন কোম্পানিটি তাদের বিজ্ঞাপন প্রচার স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। উল্লেখ্য, বর্তমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন এবং দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রীও বিশ্বকাপে না যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে হোন্ডার এই মন্তব্যকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিজ্ঞাপন চুক্তি হারানো প্রসঙ্গে এসি মিলানের সাবেক এই তারকা বলেন, “যেসব কোম্পানি বিষয়ের মূল সারমর্ম বুঝতে না পেরে এমন বাজে সিদ্ধান্ত নেয়, তাদের সাথে না থাকাই ভালো।” নিজের নৈতিক অবস্থানে অনড় থেকে তিনি আরও জানান, অনেক মানুষ এবং বিশ্বাস এর সাথে জড়িত, তাই চাপের মুখে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করবেন না। কিসুকে হোন্ডা জাপানের হয়ে ৩টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন এবং এশিয়ান ফুটবলের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।
বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরান জাতীয় ফুটবল দলকে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করছেন, বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইরানের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকি থাকতে পারে। বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি বলেন, ইরান জাতীয় দলকে বিশ্বকাপে স্বাগত জানানো হলেও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। আগামী জুন–জুলাইয়ে ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে। সূচি অনুযায়ী গ্রুপ পর্বে ইরানের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে হওয়ার কথা রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই দেশটির বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশ্বকাপ প্রস্তুতি নিয়ে আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকেও ইরান প্রতিনিধিদল অংশ নেয়নি। তবে সম্প্রতি ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানান, ইরানের ফুটবল দলকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ামালি দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, সাম্প্রতিক হামলার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। তবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি ফিফা বা ইরান ফুটবল ফেডারেশন।
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের এই সময়টায় তিন দলের একটি টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলবেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। বিসিবি আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট থেকে কত আয় করবেন মোস্তাফিজ-লিটনরা? বিসিবি জানিয়েছে, বিশ্বকাপের এই এক মাসে লিটন দাসের ধূমকেতু, নাজমুল হোসেনের দুর্বার আর আকবর আলীর নেতৃত্বে মাঠে নামবে দুরন্ত একাদশ। ৫ ফেব্রুয়ারি শুরু এই টুর্নামেন্টের জন্য অনুশীলনও শুরু করেছে দলগুলো। টি-২০ বিশ্বকাপে না যাওয়ায় ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতির কিছুটা হলেও অদম্য বাংলাদেশ টি-২০ কাপ দিয়ে পুষিয়ে দিতে চায় বিসিবি। এ জন্য ৪ ম্যাচের এই টুর্নামেন্টে শুধু ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি আর প্রাইজমানি বাবদই বিসিবি খরচ করছে ২ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অদম্য বাংলাদেশ টি-২০ খেলে একজন ক্রিকেটার আসলে কত টাকা পাবেন সেটা অনেকাংশেই নির্ভর করবে তার দলের সাফল্যের ওপর। এমনিতে প্রতি ম্যাচের জন্য ক্রিকেটাররা ৫০ হাজার টাকা করে পাবেন ম্যাচ ফি হিসেবে। ম্যাচ জিতলে দলগুলো পাবে আরও ১০ লাখ টাকা। প্রতি দলে ২০ জন করে ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফের সদস্য থাকবেন। গড় হিসাবে ক্রিকেটাররা এখান থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা পাবেন। প্রথম পর্বের দুটি ম্যাচ জিতলে ২ লাখ টাকা করে পাবেন ক্রিকেটাররা। মূল আয়টা হবে যদি তারা চ্যাম্পিয়ন হন। লিগ পর্বে তিন ম্যাচ হওয়ার পর শীর্ষ দুটি দল ফাইনাল খেলবে। যেখানে চ্যাম্পিয়ন দল প্রাইজমানি হিসেবে পাবে ১ কোটি টাকা। গড় হিসেবেও ক্রিকেটাররা ৫ লাখ টাকা করে পাবেন। অর্থাৎ কোনো ক্রিকেটার যদি চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হন, তাহলে তিনি অন্তত ৭ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। রানার্সআপ দল প্রাইজমানি হিসেবে পাবে ৪০ লাখ টাকা। গড় হিসেবে জনপ্রতি তারা পাবেন ২ লাখ। এই দলের ক্রিকেটাররা টুর্নামেন্ট থেকে অন্তত ৪ লাখ টাকা পাবেন। এর বাইরেও ক্রিকেটারদের জন্য অর্থের ব্যবস্থা আছে—প্রতি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়কে পুরস্কার হিসেবে ১ লাখ টাকা দেওয়া হবে। টুর্নামেন্ট সেরা ক্রিকেটার পাবেন ৫ লাখ টাকা। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক আর উইকেটশিকারির জন্য থাকবে ৩ লাখ টাকা করে। আগামীকাল টুর্নামেন্টের প্রথম দিন লিটনের ধূমকেতু একাদশের মুখোমুখি হবে আকবরের দুরন্ত একাদশ। পরদিন নাজমুলের দুর্বারের বিপক্ষে লড়বে ধূমকেতু। ৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্বের শেষ দিনে দুর্বার ও দুরন্ত মুখোমুখি হবে। সব কটি ম্যাচই শুরু হবে সন্ধ্যা ছয়টায়। ম্যাচগুলো ছাত্ররা তাদের আইডি কার্ড দেখিয়ে ফ্রি দেখতে পারবেন।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।