সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

নিউইয়র্কে ফুড স্ট্যাম্পে জালিয়াতি ঠেকাতে কার্ডে যুক্ত হচ্ছে চিপ প্রযুক্তি

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ১৫, ২০২৬ ৯:৬
ম্যাগনেটিক-স্ট্রাইপ কার্ডের পরিবর্তে নিরাপদ চিপ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কমবে ফুড স্ট্যাম্প জালিয়াতির ঝুঁকি। ছবি: সংগৃহীত
ম্যাগনেটিক-স্ট্রাইপ কার্ডের পরিবর্তে নিরাপদ চিপ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কমবে ফুড স্ট্যাম্প জালিয়াতির ঝুঁকি। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে ফুড স্ট্যাম্প (এসএনএপি) সুবিধাভোগীদের অর্থ চুরি ও কার্ড স্কিমিং প্রতিরোধে বড় ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে অঙ্গরাজ্য সরকার। গভর্নর ক্যাথি হোকুল ঘোষণা দিয়েছেন, ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিক থেকে ধাপে ধাপে চিপ প্রযুক্তিসংবলিত নতুন সুবিধা কার্ড বিতরণ শুরু হবে, যা বর্তমান ম্যাগনেটিক-স্ট্রাইপ কার্ডের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ।  

 

বর্তমানে ব্যবহৃত কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ থেকে তথ্য চুরি করে অপরাধীরা সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বহু ঘটনা ঘটেছে। নতুন চিপ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কার্ডের তথ্য কপি বা ক্লোন করা অনেক কঠিন হবে, ফলে স্কিমিংয়ের মাধ্যমে জালিয়াতির ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।  

 

নিউইয়র্ক স্টেট অফিস অব টেম্পোরারি অ্যান্ড ডিজঅ্যাবিলিটি অ্যাসিস্ট্যান্স জানিয়েছে, নতুন কার্ড সরবরাহের জন্য ফিডেলিটি ইনফরমেশন সার্ভিসের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ২০ লাখ নতুন কার্ড তৈরি করে ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিক থেকে ধাপে ধাপে বিতরণ করা হবে। একই সঙ্গে রাজ্যজুড়ে মুদি দোকান ও অন্যান্য খুচরা বিক্রেতার পেমেন্ট টার্মিনাল চিপ প্রযুক্তি সমর্থন করার উপযোগী করা হবে।  

 

ততদিন পর্যন্ত সুবিধাভোগীরা বর্তমান কার্ডই ব্যবহার করবেন। নতুন কার্ড ইস্যুর আগে প্রত্যেক গ্রাহককে আলাদাভাবে জানানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।  

 

গভর্নর হোকুল বলেন, খাদ্য সহায়তার অর্থ চুরি থেকে নিউইয়র্কবাসীকে সুরক্ষা দেওয়া এবং ইবিটি ব্যবস্থাকে আধুনিক করা রাজ্যের অন্যতম অগ্রাধিকার। তাঁর মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর প্রাপ্য সুবিধা আরও নিরাপদ থাকবে।  

 

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্ক চিপ প্রযুক্তিসংবলিত সুবিধা কার্ড চালুর পথে থাকা অল্প কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের একটি। ইতোমধ্যে পাঁচটি অঙ্গরাজ্যে এ ধরনের কার্ড চালু হয়েছে এবং নিউইয়র্কসহ আরও কয়েকটি রাজ্যে বাস্তবায়নের কাজ চলছে।  

 

কর্তৃপক্ষ সুবিধাভোগীদের সতর্ক থাকারও আহ্বান জানিয়েছে। ফোন, টেক্সট বার্তা বা ই-মেইলে কেউ কার্ড নম্বর বা পিন চাইলে তা কখনোই শেয়ার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কার্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি অ্যাপ বা অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে প্রয়োজনে কার্ড সাময়িকভাবে লক রাখার সুবিধাও ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রগামী যাত্রীদের জন্য নতুন স্বাস্থ্যসংক্রান্ত নিয়ম
ইবোলা আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্রগামী সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য নতুন নিয়ম সিডিসির

প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রগামী আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সব যাত্রীর জন্য নতুন স্বাস্থ্যসংক্রান্ত নিয়ম চালু করতে যাচ্ছে দেশটির সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন, সিডিসি। আগামী ৩ নভেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ কিংবা দেশটির কোনো বিমানবন্দর হয়ে অন্য দেশে যাওয়ার আগে যাত্রীদের নিশ্চিত করতে হবে, তাঁরা আগের ২১ দিনের মধ্যে আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে অবস্থান করেননি। নতুন এই নিয়ম যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, গ্রিন কার্ডধারী, বিদেশি পর্যটক এবং এয়ারলাইনসের কর্মীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।   তবে নিয়মটি কার্যকরের আগেই আপত্তি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বড় বড় এয়ারলাইনস। তাদের দাবি, এত অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নতুন যাচাইব্যবস্থা চালু করা কঠিন। এ কারণে ৩ নভেম্বরের নির্ধারিত সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বিমান সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলো। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ফক্স নিউজের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকির পরিপ্রেক্ষিতে সিডিসি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংস্থাটির উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক বিমানযাত্রার মাধ্যমে ভাইরাসটি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সম্ভাবনা কমানো। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে কঙ্গো সফর করেছেন এমন ব্যক্তিদের ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য আগেই যাচাই করতে চায় কর্তৃপক্ষ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রগামী আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ওঠার আগে প্রত্যেক যাত্রীকে একটি লিখিত অথবা ডিজিটাল ঘোষণাপত্র পূরণ করতে হবে। সেখানে নিশ্চিত করতে হবে, গত ২১ দিনের মধ্যে তিনি ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে গিয়েছেন কি না। এমনকি কোনো যাত্রী জীবনে কখনো কঙ্গো সফর না করলেও তাঁকে এই ঘোষণাপত্র জমা দিতে হবে। সিডিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ২১ দিনের মধ্যে কঙ্গোতে অবস্থান করেছেন এমন কোনো ব্যক্তি সাধারণভাবে যুক্তরাষ্ট্রগামী ফ্লাইটে উঠতে পারবেন না। এই বিধিনিষেধের মধ্যে কঙ্গোর কোনো বিমানবন্দর দিয়ে শুধু ট্রানজিট করেছেন এমন যাত্রীরাও পড়বেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিশেষ   এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নতুন নিয়ম শুধু কঙ্গো থেকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে আসা ফ্লাইটের জন্য নয়। বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্যই ঘোষণাপত্র পূরণ করার শর্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত কিংবা অন্য কোনো দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা যাত্রীদেরও এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা থেকে দুবাই, দোহা, ইস্তাম্বুল কিংবা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন বা যুক্তরাষ্ট্রের অন্য শহরে যাওয়ার সময় নতুন ঘোষণাপত্রের প্রয়োজন হতে পারে। তবে যাঁরা আগের ২১ দিনের মধ্যে কঙ্গোতে যাননি, তাঁদের ক্ষেত্রে শুধু সেই তথ্য নিশ্চিত করাই মূল শর্ত। এটি সব আন্তর্জাতিক যাত্রীর ওপর সাধারণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নয়। নতুন নিয়ম বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এয়ারলাইনসগুলোকেও। প্রতিটি বিমান সংস্থাকে যাত্রী এবং ক্রু সদস্যদের কাছ থেকে ঘোষণাপত্র সংগ্রহ করতে হবে। ফ্লাইট যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর অন্তত ৪২ দিন পর্যন্ত এসব নথি সংরক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজনে সিডিসি কিংবা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য পরীক্ষা করতে পারবে। এয়ারলাইনস ফর আমেরিকা নামের সংগঠনটি নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। সংগঠনটি আমেরিকান এয়ারলাইনস, ডেল্টা, ইউনাইটেড, সাউথওয়েস্ট এবং জেটব্লুসহ যুক্তরাষ্ট্রের বড় বিমান সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে। গত ২৬ অক্টোবর সিডিসির কাছে পাঠানো একটি চিঠিতে তারা নতুন নিয়ম পুনর্বিবেচনা এবং কার্যকরের সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে। সংগঠনটির বক্তব্য, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিডিসির উদ্দেশ্যকে তারা সমর্থন করে। তবে বিশ্বের সব আন্তর্জাতিক যাত্রীর জন্য একই ধরনের ঘোষণাপত্র বাধ্যতামূলক করা অতিরিক্ত বিস্তৃত একটি ব্যবস্থা। তাদের মতে, কঙ্গোতে সাম্প্রতিক সময়ে ভ্রমণ করেছেন এমন যাত্রীদের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে তুলনামূলক সীমিত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। এয়ারলাইনস ফর আমেরিকা জানিয়েছে, নতুন নিয়ম কার্যকর করতে বিমান সংস্থাগুলোর চেক ইন সিস্টেম, ডিজিটাল স্বাক্ষর সংগ্রহের ব্যবস্থা, বিমানবন্দরের কার্যক্রম এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণে পরিবর্তন আনতে হবে। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে এসব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করছে সংগঠনটি। একই ধরনের আপত্তি জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন, আইএটিএ। বিশ্বের ৩৭০টির বেশি বিমান সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী এই সংগঠনও সিডিসিকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছে। রয়টার্সের বরাতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আইএটিএ মনে করছে, দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রগামী সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে নতুন তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ অযৌক্তিক চাপ তৈরি করছে। বিমান সংস্থাগুলো আরও দুটি বিশেষ ছাড় চেয়েছে। প্রথমত, এয়ারলাইনসের পাইলট ও কেবিন ক্রু সদস্যদের নতুন ঘোষণাপত্রের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংগঠনটির যুক্তি, বিমানকর্মীদের ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন সরকারি ও বিমান চলাচল ব্যবস্থায় সংরক্ষিত থাকে। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জন্য পরিচালিত বিশেষ চার্টার ফ্লাইটগুলোকেও এই নিয়ম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। বিমান সংস্থাগুলোর মতে, সামরিক কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ব্যবস্থায় সদস্যদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য পর্যবেক্ষণ করে। তবে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) পর্যন্ত প্রকাশিত প্রতিবেদনে সিডিসি এসব অনুরোধ গ্রহণ করেছে কিংবা ৩ নভেম্বরের নির্ধারিত সময়সীমা পরিবর্তন করেছে, এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে আপাতত ঘোষিত সময় অনুযায়ী নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। ইবোলা একটি গুরুতর ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থ, যেমন রক্ত বা অন্যান্য সংক্রমিত নিঃসরণের সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে এটি ছড়াতে পারে। রোগটির প্রাথমিক লক্ষণের মধ্যে জ্বর, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, পেশিব্যথা এবং ক্লান্তি থাকতে পারে। পরবর্তী পর্যায়ে বমি, ডায়রিয়া এবং গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। সিডিসির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ইবোলা ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার পর লক্ষণ প্রকাশ পেতে সর্বোচ্চ ২১ দিন সময় লাগতে পারে। এ কারণেই নতুন ভ্রমণ ঘোষণাপত্রে আগের ২১ দিনের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হচ্ছে। এই সময়সীমার মাধ্যমে সম্ভাব্য সংক্রমণের ঝুঁকি শনাক্ত করার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ এবং ওয়েলনেস ইকুইটি অ্যালায়েন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. টাইলার ইভান্স ফক্স নিউজকে জানান, ইবোলার মতো রোগের বিস্তার ঠেকাতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণব্যবস্থায় সতর্কতা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, সংক্রামক রোগের ঝুঁকি শুধু একটি দেশের সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। ইভান্স অতীতে পশ্চিম আফ্রিকা এবং কঙ্গোতে ইবোলা মোকাবিলার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন। তিনি জানান, রোগটির প্রাথমিক লক্ষণ সাধারণ ফ্লুর মতো মনে হতে পারে। ফলে সম্ভাব্য সংক্রমণের ইতিহাস জানা এবং ভ্রমণকারীদের তথ্য যাচাই করা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়ক হতে পারে। তবে ইবোলা সাধারণ সর্দি বা ফ্লুর মতো বাতাসের মাধ্যমে সহজে ছড়ায় না। সংক্রমিত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থের সংস্পর্শই এর বিস্তারের প্রধান পথ। এ কারণে আন্তর্জাতিক ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধের পাশাপাশি রোগ শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা অন্যদের পর্যবেক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ। সিডিসি আরও জানিয়েছে, ঘোষণাপত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দিলে সংশ্লিষ্ট যাত্রী আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে পারেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী জরিমানা কিংবা ফৌজদারি মামলার ঝুঁকিও রয়েছে। তাই ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নতুন নিয়মের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য আলাদা ইবোলা টেস্ট কিংবা সব যাত্রীর বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এমন তথ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে নেই। মূল পরিবর্তনটি হলো কঙ্গোতে সাম্প্রতিক অবস্থানসংক্রান্ত ঘোষণাপত্র এবং নির্দিষ্ট ভ্রমণ ইতিহাস থাকা ব্যক্তিদের জন্য বোর্ডিং বিধিনিষেধ। এদিকে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোর আপত্তির কারণে আগামী কয়েক দিনে নিয়ম বাস্তবায়নের সময়সূচিতে পরিবর্তন আসে কি না, সেদিকে নজর রয়েছে। বিশেষ করে নতুন ডিজিটাল ফর্ম, বিমানবন্দরের চেক ইন ব্যবস্থা এবং ট্রানজিট যাত্রীদের যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা রয়েছে এমন বাংলাদেশি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি হলো ফ্লাইটের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের নির্দেশনা যাচাই করা। বিশেষ করে ৩ নভেম্বর বা তার পরে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর কথা থাকলে নতুন ঘোষণাপত্র পূরণের ব্যবস্থা সম্পর্কে আগেই জেনে নেওয়া উচিত। শুক্রবার পর্যন্ত ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩ নভেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রগামী আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রী ও ক্রু সদস্যদের জন্য এই নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। তবে বড় বিমান সংস্থাগুলো সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানানোয় চূড়ান্ত বাস্তবায়ন পরিস্থিতি সম্পর্কে সিডিসি এবং সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের পরবর্তী নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ হবে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৩০, ২০২৬ ৯:৫০
হঠাৎ আগুনের ঘরে আটকে থাকা ১৩ শিশুর জীবন বাঁচালেন অপরিচিত ব্যক্তি

নিজের পথে যাচ্ছিল, হঠাৎ আগুনের ঘরে আটকে থাকা ১৩ শিশুর জীবন বাঁচালেন অপরিচিত ব্যক্তি

ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে স্বয়ংক্রিয় মেয়াদ বৃদ্ধির সুবিধা বন্ধ

যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে স্বয়ংক্রিয় মেয়াদ বৃদ্ধির সুবিধা বন্ধ, প্রভাব পড়বে অভিবাসীদের ওপর

বড় ধরনের যুদ্ধে বিপুলসংখ্যক সেনাসদস্য নিহত হলে তাঁদের বিশেষ মহড়া চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী

বড় যুদ্ধের প্রস্তুতিতে বিপুল গণকবর খোঁড়ার মহড়া শুরু যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর

হোয়াইট হাউসের ওপর দিয়ে উড়ছে এয়ার ফোর্স ওয়ান
হ্যালোইন অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের উড়োজাহাজের আকস্মিক উড্ডয়ন, চমকে গেলেন অনেকে

ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের ওপর দিয়ে অস্বাভাবিক নিচু উচ্চতায় উড়ে গেল প্রেসিডেন্টের উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ান। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হ্যালোইন উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে এই বিশেষ উড্ডয়নের আয়োজন করা হয়। তবে আকস্মিকভাবে বিমানটিকে এত নিচ দিয়ে উড়তে দেখে শহরের অনেক বাসিন্দা ও দর্শনার্থী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কেউ কেউ প্রথমে বুঝতেই পারেননি এটি প্রেসিডেন্টের বিমান। তাঁদের মনে হয়েছিল, কোনো যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ হয়তো বিপদের মুখে পড়েছে।   ঘটনাটি ঘটে হোয়াইট হাউসের দক্ষিণ লনে আয়োজিত হ্যালোইন অনুষ্ঠানের সময়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প সেখানে শিশু ও তাদের পরিবারের সদস্যদের স্বাগত জানাচ্ছিলেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজটি হোয়াইট হাউসের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। বিমানটি যখন ভবনের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, তখন ট্রাম্পকে হাত নেড়ে অভিবাদন জানাতে দেখা যায়। মেলানিয়াও তাঁর পাশে ছিলেন। প্রশাসনের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি ওয়াশিংটন মনুমেন্টের পাশ দিয়ে এগিয়ে হোয়াইট হাউসের ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে। অন্য একটি ভিডিওতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিশুদের আকাশের দিকে তাকিয়ে বিমানটি দেখতে দেখা যায়। হোয়াইট হাউসের সাজসজ্জায়ও ছিল হ্যালোইনের ছোঁয়া। ভবনের সামনে লতা-পাতার অলংকরণ এবং ‘হ্যালোইন ২০২৬’ লেখা একটি সাইনবোর্ড দেখা যায়। বিমানটি একবার নয়, দুবার হোয়াইট হাউসের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ফ্লাইট ট্র্যাকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ডিসির ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় উড়োজাহাজটির উচ্চতা ছিল আনুমানিক ৪০০ থেকে ১ হাজার ফুটের মধ্যে। এত নিচু দিয়ে উড়োজাহাজ চলাচল রাজধানীটির বাসিন্দাদের কাছে বেশ অস্বাভাবিক। কারণ, নিরাপত্তার কারণে ওয়াশিংটনের আকাশসীমায় কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে বিমানটির আকস্মিক উপস্থিতি অনেকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা জানান। একজন লেখেন, ওয়াশিংটনে উড়োজাহাজের এ ধরনের প্রদর্শনী দেখতে তিনি অভ্যস্ত। কিন্তু এবার বিমানটি এত নিচ দিয়ে উড়তে দেখে ভয় পেয়েছেন। প্রথমে তাঁর মনে হয়েছিল, আকাশে কোনো যাত্রীবাহী বিমান দেখা যাচ্ছে, যা রাজধানীর মতো জায়গায় বড় কোনো বিপদের ইঙ্গিত হতে পারে। পরে বুঝতে পারেন, সেটি এয়ার ফোর্স ওয়ান। আরেকজন জানান, বিমানটি তাঁদের মাথার ওপর দিয়ে খুব নিচ দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় থাকা অন্যদের মতো তিনিও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর ভাষায়, মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল যেন হৃদ্‌যন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন ডিসির স্থানীয় প্রশাসনও। ডিসি কাউন্সিলের এক মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, শহরের কেন্দ্রীয় অংশ, পেন্টাগন এবং ন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এলাকায় থাকা মানুষকে বিমান উড্ডয়নের বিষয়ে মাত্র ১৫ মিনিট আগে সতর্ক করা হয়েছিল। এত অল্প সময়ের নোটিশে অনেকেই চমকে যান। কাউন্সিলের পক্ষ থেকেও এই আকস্মিক উড্ডয়ন নিয়ে উদ্বেগের কথা জানানো হয়। তবে বিমানটির উড্ডয়ন কোনো অননুমোদিত বা সমন্বয়হীন কার্যক্রম ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, উড্ডয়নটির বিষয়ে সংস্থাটির সঙ্গে আগে থেকেই সমন্বয় করা হয়েছিল। বিমানটির চলাচলের সুবিধার্থে ন্যাশনাল এয়ারপোর্টে কিছু সময়ের জন্য উড়োজাহাজের ভূমি থেকে উড্ডয়ন ও অবতরণ কার্যক্রমও স্থগিত রাখা হয়। বিমানটির নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়ার ঘটনায় ওয়াশিংটনের মানুষের উদ্বেগের পেছনে শহরটির অতীত নিরাপত্তা পরিস্থিতিও ভূমিকা রেখেছে। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলার সময় ছিনতাই করা আমেরিকান এয়ারলাইনসের ৭৭ নম্বর ফ্লাইট পেন্টাগনে আঘাত হানে। ওই ঘটনায় ১৮৪ জন নি হ ত হন। এ ছাড়া ২০২৫ সালে রিগ্যান ন্যাশনাল এয়ারপোর্টের কাছে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার স্মৃতিও স্থানীয়দের মনে রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে রাজধানীর আকাশে নিচু দিয়ে বড় উড়োজাহাজের আকস্মিক উপস্থিতি অনেকের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। ঘটনার আগে বৃহস্পতিবার বিকেল প্রায় ৪টা ৪০ মিনিটে হোয়াইট হাউসের প্রেস পুলের সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, হ্যালোইন অনুষ্ঠানের সময় প্রেসিডেন্টের বিমানটি ভবনের ওপর দিয়ে উড়বে। তিনি বলেছিলেন, অনুষ্ঠানে অনেক ছোট শিশু থাকবে, তাই বিমানটির উড্ডয়ন তাদের জন্য আনন্দের হবে। তাঁর আশা, শিশুরা এই দৃশ্য উপভোগ করবে। হোয়াইট হাউসের বার্ষিক হ্যালোইন আয়োজনের অংশ হিসেবে হাজারো শিশু ও তাদের পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ট্রাম্প ও মেলানিয়া তাঁদের সঙ্গে সময় কাটান এবং মিষ্টি বিতরণ করেন। শিশুদের আনন্দ দেওয়ার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা বিমান প্রদর্শনী অবশ্য ওয়াশিংটনের অনেক বাসিন্দার কাছে আনন্দের বদলে অপ্রত্যাশিত আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এয়ার ফোর্স ওয়ান মূলত প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজের পরিচিত নাম। প্রেসিডেন্ট উড়োজাহাজে থাকলেই সেটিকে এয়ার ফোর্স ওয়ান বলা হয়। বৃহস্পতিবারের এই উড্ডয়ন ছিল হ্যালোইন অনুষ্ঠানের পরিকল্পিত অংশ, তবে স্বল্প সময়ের আগাম সতর্কতা এবং বিমানটির নিচু উচ্চতা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৩০, ২০২৬ ৭:৫৪
ইবি-৫ বিনিয়োগ কর্মসূচিতে গ্রিন কার্ডের আবেদন

যুক্তরাষ্ট্রে ইবি-৫ বিনিয়োগকারী ভিসায় গ্রিন কার্ড, আবেদন থেকে স্থায়ী হওয়ার পুরো প্রক্রিয়া

ডিভি লটারি নিয়ে নতুন আইনি অনিশ্চয়তা

ডিভি লটারি চালুর নির্দেশে স্থগিতাদেশ, ২০২৭ সালের গ্রিন কার্ড আবেদন নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা

যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই নিয়মিত খাবার খাওয়ার খরচ সামলাতে পারছেন না। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ায় না খেয়ে থাকছেন অনেকে, বিপাকে সাধারণ পরিবার

যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রায় ৪৩ শতাংশ কিশোর-কিশোরী গত এক বছরে কোনো না কোনো জুয়ায় অংশ নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে ৪৩ শতাংশ কিশোর জুয়ায় জড়িয়েছে, নতুন জরিপে উদ্বেগজনক তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রে ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রায় ৪৩ শতাংশ কিশোর-কিশোরী গত এক বছরে কোনো না কোনো ধরনের জুয়ায় অংশ নিয়েছে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। শুধু তা-ই নয়, জুয়ায় অংশ নেওয়া অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ১১ শতাংশকে গুরুতর সমস্যার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন গবেষকেরা। রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের জুয়াবিষয়ক গবেষণাকেন্দ্রের এই তথ্য অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে অর্থের বিনিময়ে বাজি ধরার প্রবণতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে গবেষণাটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।   রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ থেকে ২৭ বছর বয়সী প্রায় এক হাজার ৭০০ জনের ওপর জরিপ পরিচালনা করেন। এতে অংশগ্রহণকারীদের ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ জানান, গত এক বছরে তাঁরা কোনো না কোনো ধরনের জুয়ায় অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে ১৭ বছর বা তার কম বয়সীদের মধ্যে এই হার প্রায় ৪৩ শতাংশ। গবেষণাটি বসন্ত ও গ্রীষ্মের শুরুর দিকে পরিচালিত হয়। গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই দশকের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কিশোর ও তরুণদের জুয়ায় অংশগ্রহণ নিয়ে এটিই প্রথম জাতীয় পর্যায়ের বিস্তৃত গবেষণা।   গবেষণায় আরও দেখা গেছে, জুয়ায় অংশ নেওয়া উত্তরদাতাদের প্রায় ৪০ শতাংশের মধ্যে সমস্যাজনক জুয়ার কিছু লক্ষণ রয়েছে। তাঁদের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশকে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে ১৭ বছর বা তার কম বয়সী যেসব কিশোর-কিশোরী জুয়ায় অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছে, তাদের প্রায় ১১ শতাংশ গুরুতর সমস্যার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকার অর্থ এই নয় যে প্রত্যেকের জুয়ার আসক্তি চিকিৎসাগতভাবে নিশ্চিত হয়েছে।   গবেষণাটির প্রধান লেখক এবং রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের জুয়াবিষয়ক গবেষণাকেন্দ্রের পরিচালক লিয়া নাওয়ার জানান, বর্তমান প্রযুক্তির কারণে জুয়ায় অংশ নেওয়া আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়ে গেছে। স্মার্টফোনের মাধ্যমে এখন বিভিন্ন ধরনের বাজি ও জুয়াসংক্রান্ত কার্যক্রমে প্রবেশ করা সম্ভব। তাঁর মতে, যেসব কিশোর-কিশোরীর খেলাধুলায় অংশ নেওয়ার কথা, তাদের অনেকেই এখন খেলাধুলার ফলাফল নিয়ে অর্থের বাজি ধরছে। এমনকি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কেউ কেউ এসব কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।   গবেষকেরা জুয়ার সংজ্ঞা নির্ধারণের ক্ষেত্রে মোট ২১ ধরনের কার্যক্রম বিবেচনা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে রাস্তার বিভিন্ন খেলা, লটারির টিকিট, দক্ষতাভিত্তিক প্রতিযোগিতা, ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন এবং ভবিষ্যতের কোনো ঘটনার ফলাফল নিয়ে অর্থের বাজি ধরার ব্যবস্থা। গবেষণায় মূলত এমন কার্যক্রমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে অনিশ্চিত ফলাফলের ওপর অর্থ বা মূল্যবান কিছু বাজি রেখে অতিরিক্ত অর্থ কিংবা বস্তুগত সুবিধা পাওয়ার প্রত্যাশা থাকে।   এই বিস্তৃত সংজ্ঞার কারণে গবেষণায় জুয়ায় অংশগ্রহণের হার শুধু প্রচলিত ক্যাসিনো কিংবা খেলাধুলায় বাজি ধরার তথ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন ধরনের অর্থভিত্তিক খেলা ও অনিশ্চিত ফলাফলের ওপর বাজি ধরার কার্যক্রমও এর অন্তর্ভুক্ত। ফলে জরিপে ৪৩ শতাংশ অপ্রাপ্তবয়স্কের জুয়ায় অংশ নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেলেও তাদের সবাই অনলাইনে খেলাধুলার বাজি ধরেছে কিংবা ক্যাসিনোতে অংশ নিয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।   জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত জুয়াসংক্রান্ত কার্যক্রম ছিল ঘষে ফলাফল বের করা যায় এমন লটারির টিকিট। এরপর রয়েছে বিঙ্গো এবং অন্যান্য লটারির টিকিট। অন্যদিকে জুয়ায় অংশ নেওয়ার কথা জানানো উত্তরদাতাদের প্রায় ২০ শতাংশ খেলাধুলার ফলাফলের ওপর অর্থের বাজি ধরেছেন। ভবিষ্যতের বিভিন্ন ঘটনার ফলাফল নিয়ে পরিচালিত বাজির বাজারে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ছয় শতাংশের কিছু বেশি উত্তরদাতা।   লিয়া নাওয়ারের মতে, জুয়া এখন আর শুধু ক্যাসিনো কিংবা লটারির টিকিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ভিডিও গেম, খেলাধুলার সম্প্রচার এবং তরুণদের ব্যবহারযোগ্য বিভিন্ন ডিজিটাল সেবার সঙ্গেও অর্থের বাজি ধরার সুযোগ যুক্ত হচ্ছে। ফলে অল্প বয়সেই জুয়াসংক্রান্ত কার্যক্রমের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। গবেষকেরা দীর্ঘদিন ধরে আশঙ্কা করছিলেন, এ ধরনের পরিবেশ তরুণদের মধ্যে সমস্যাজনক জুয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।   তবে নতুন গবেষণার ফলাফল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কিশোরদের জুয়ায় অংশগ্রহণ আগের তুলনায় কতটা বেড়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ গবেষণাটিতে অতীতের প্রবণতার সঙ্গে সরাসরি তুলনা করার মতো সমমানের তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। লিয়া নাওয়ার ২০০৭ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণার কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে ১৪ থেকে ২১ বছর বয়সী উত্তরদাতাদের ৬৮ শতাংশ গত এক বছরে জুয়ায় অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।   তবে ২০০৭ সালের গবেষণা এবং নতুন গবেষণার বয়সসীমা ও তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি আলাদা। ফলে দুটি গবেষণার ফলাফল সরাসরি তুলনা করে জুয়ায় অংশগ্রহণ বেড়েছে কিংবা কমেছে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সঠিক নয়। যদিও নতুন গবেষণায় সমস্যাজনক জুয়ার লক্ষণ এবং উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের হার আগের গবেষণার তুলনায় বেশি বলে মনে হচ্ছে, তবু গবেষণাপদ্ধতির পার্থক্য বিবেচনা করা জরুরি।   যুক্তরাষ্ট্রে খেলাধুলার ফলাফলের ওপর বাজি ধরার আইনি পরিবেশেও গত কয়েক বছরে পরিবর্তন এসেছে। আট বছরের বেশি সময় আগে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট এমন একটি ফেডারেল আইন বাতিল করেন, যা অঙ্গরাজ্যগুলোকে খেলাধুলার ওপর বাজি ধরার অনুমতি দিতে বাধা দিত। এরপর বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে এ ধরনের কার্যক্রমের বৈধতা সম্প্রসারিত হয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯টি অঙ্গরাজ্য এবং রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে কোনো না কোনো ধরনের খেলাধুলার বাজি বৈধ রয়েছে।   তবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্দিষ্ট শর্তে খেলাধুলার বাজি বৈধ হওয়ার অর্থ অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও তা অনুমোদিত নয়। নতুন গবেষণায় ১৭ বছর বা তার কম বয়সীদের জুয়ায় অংশগ্রহণের তথ্য বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। গবেষকদের উদ্বেগের অন্যতম কারণ হলো, অল্প বয়সে অর্থের বাজি ধরার অভ্যাস তৈরি হলে পরবর্তী সময়ে জুয়াসংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।   গবেষণার প্রধান লেখক লিয়া নাওয়ার জানান, অনেকেই প্রথমে বন্ধু কিংবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অল্প অর্থের বাজি ধরে জুয়ায় অংশ নেওয়া শুরু করেন। পরে সময়ের সঙ্গে অংশগ্রহণের ধরন, বাজি ধরার সংখ্যা এবং অর্থের পরিমাণ বাড়তে পারে। তাঁর মতে, জুয়ার সঙ্গে আচরণগত অভ্যাস তৈরির একটি সম্পর্ক রয়েছে, যা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে আসক্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে।   গবেষণার ফলাফলকে অভিভাবক, শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং নীতিনির্ধারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা হিসেবে বর্ণনা করেছেন নাওয়ার। তাঁর মতে, জুয়াসংক্রান্ত ক্ষতি প্রতিরোধে তরুণদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত নয়। বরং কম বয়স থেকেই সচেতনতা তৈরি, ঝুঁকি শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমান ডিজিটাল পরিবেশে জুয়ার ধরন ও সহজলভ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।   যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্যও গবেষণাটির ফলাফল প্রাসঙ্গিক। বিশেষ করে যেসব পরিবারে কিশোর-কিশোরী সন্তান রয়েছে, তাঁদের জন্য অনলাইন গেম, খেলাধুলার সম্প্রচার এবং অর্থের বিনিময়ে অংশ নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন থাকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে গবেষণায় বাংলাদেশি কিংবা দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত কিশোরদের আলাদা কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। ফলে এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে জুয়ায় অংশগ্রহণের হার সম্পর্কে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।   রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন গবেষণা যুক্তরাষ্ট্রের কিশোর ও তরুণদের মধ্যে জুয়ায় অংশগ্রহণের বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরেছে। প্রায় এক হাজার ৭০০ জনের জরিপে অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ৪৩ শতাংশ গত এক বছরে জুয়ায় অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। তাঁদের মধ্যে প্রায় ১১ শতাংশকে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গবেষকদের মতে, তরুণদের মধ্যে জুয়াসংক্রান্ত ক্ষতি প্রতিরোধে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আগাম সচেতনতা এবং কার্যকর পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।   সূত্র: এনবিসি নিউজ

প্রকাশ: অক্টোবর ৩০, ২০২৬ ৫:১৬
যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে গড় ব্যালেন্স প্রায় ১৬ হাজার ৮৯১ ডলার হলেও মধ্যম ব্যালেন্স মাত্র ২ হাজার ৮০০ ডলার। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে চেকিং অ্যাকাউন্টে গড়ে ১৬ হাজার ৮৯১ ডলার, জেনে নিন বাস্তবতা

কারাগার থেকে জন্ম নেওয়া অরোরা স্কাই কাস্টনার মেধার জোরে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির সুযোগ পেয়ে নজর কেড়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

কারাগারে জন্ম নেওয়া তরুণী ১৮ বছর বয়সেই ফুল ফান্ডে হার্ভার্ডে ভর্তির অনন্য গল্প

বিশ্বভ্রমণের স্বপ্ন পূরণ করতে বাড়ি ও সম্পত্তি বিক্রি করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পল ও লিন মন্টোয়া দম্পতি। ছবি: সংগৃহীত

সব সম্পত্তি বিক্রি করে বিশ্বভ্রমণে মার্কিন দম্পতি, মাঝপথে জাহাজ ছাড়ার নির্দেশ

0 Comments