সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ৯ মাস গর্ভে সন্তান, অথচ টেরই পাননি ২১ বছরের কলেজছাত্রী; হঠাৎ কন্যাসন্তানের জন্ম

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ১২:১৩
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ৯ মাস গর্ভে সন্তান, অথচ টেরই পাননি ২১ বছরের কলেজছাত্রী; হঠাৎ কন্যাসন্তানের জন্ম
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ৯ মাস গর্ভে সন্তান, অথচ টেরই পাননি ২১ বছরের কলেজছাত্রী; হঠাৎ কন্যাসন্তানের জন্ম

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক অবিশ্বাস্য ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ২১ বছর বয়সী এক কলেজছাত্রী। গর্ভাবস্থার কোনো লক্ষণ বা শারীরিক পরিবর্তন ছাড়াই সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে নিজের ফ্ল্যাটে এক কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি।

 

ঘটনাটি ঘটেছে গত ২০ ফেব্রুয়ারি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটি ‘ক্রিপটিক প্রেগন্যান্সি’ বা গুপ্ত গর্ভাবস্থা, যেখানে একজন নারী সন্তান প্রসবের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজের গর্ভধারণ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত থাকেন।

 

অপরাধবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করা এই তরুণীর স্বপ্ন ছিল ল স্কুলে পড়ার। ২০২৩ সালে প্রেমিক প্রেস্টনের সঙ্গে পরিচয়ের পর থেকেই তিনি সতর্ক ছিলেন এবং নিয়মিত জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল গ্রহণ করছিলেন। প্রতি মাসে তার স্বাভাবিক পিরিয়ডও হতো। ২০২৫ সালের মে মাসে তিনি লন্ডনে ঘুরতে যান এবং আগস্টে ক্যাম্পাসে ফেরেন।

 

এরপর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তার ওজন ১০ পাউন্ডের মতো বেড়ে যায়, যাকে তিনি শুধুমাত্র অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের অভাব বলে ধরে নিয়েছিলেন। কোনো বমি বমি ভাব, ক্লান্তি বা অন্য কোনো গর্ভাবস্থার লক্ষণ তার মধ্যে ছিল না।

 

চিকিৎসকরা পরবর্তীতে জানান, তার প্লাসেন্টা বা অমরা জরায়ুর সামনের দিকে থাকায় তিনি গর্ভস্থ শিশুর কোনো নড়াচড়া টের পাননি।

 

ঘটনার দিন সকালে ক্লাস থেকে ফিরে পেটে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। ব্যথানাশক ওষুধ খেয়েও কোনো কাজ হয়নি। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে টয়লেটে যাওয়ার তীব্র চাপ অনুভব করেন এবং হঠাৎ করেই বুঝতে পারেন অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে। প্রথমে টিউমার ভেবে আতঙ্কিত হলেও দ্রুত প্রবৃত্তিগত তাড়নায় তিনি বেডরুমে গিয়ে একটি তোয়ালে বিছিয়ে ফ্লোরে বসে পড়েন।

 

অ্যাড্রেনালিনের প্রভাবে কোনো ব্যথা অনুভব না করেই মাত্র তিনটি পুশে তিনি নিজেই এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। এরপর ৯১১ নম্বরে কল করে সাহায্য চান এই হতবাক তরুণী।

 

খবর পেয়ে প্যারামেডিক দল এসে মা ও শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ছুটে আসেন হতবাক প্রেমিক প্রেস্টন। বয়স ও আর্থিক দিক বিবেচনা করে প্রথমে তারা সন্তান দত্তক দেওয়ার কথা ভাবলেও, পরদিনই প্রেস্টন একটি খেলনা নিয়ে এসে জানান তিনি সন্তানটিকে নিজেদের কাছেই রাখতে চান। তরুণীও একই অনুভূতি পোষণ করেন এবং তারা মেয়ের নাম রাখেন 'নেভি'।

 

সন্তান জন্মের আট দিন পর তারা পরিবারকে এই সুখবর জানান। শুরুতে তরুণী পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশনের মধ্য দিয়ে গেলেও মায়ের সাহায্যে তিনি ধীরে ধীরে মানিয়ে নেন।

 

মাতৃত্বের কারণে সাময়িকভাবে পড়াশোনায় বিরতি দিলেও আগামী শরতেই গ্র্যাজুয়েশন শেষ করতে যাচ্ছেন এই তরুণী। অনাকাঙ্ক্ষিত এই মাতৃত্ব এখন তার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
দ্য হার্ভার্ড শপের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থী আসিফ মুকতাদির।
হার্ভার্ডের হুডির দাম দেখে নতুন শিক্ষার্থীর চোখ কপালে, ‘একটাতেই সারা বছরের কাপড়ের বাজেট!’

ক্যামব্রিজ, ম্যাসাচুসেটস: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হওয়ার পর নিজের প্রথম দিকের অভিজ্ঞতা ফেসবুকে শেয়ার করেছেন বাফেলো, নিউইয়র্কে বসবাসকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আসিফ মুকতাদির। হার্ভার্ডের অফিসিয়াল শপে গিয়ে নিজের জন্য হুডি ও টি-শার্ট কিনতে গিয়ে দাম দেখে তাঁর যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেটিই মজার ভঙ্গিতে তুলে ধরেছেন তিনি।   আসিফ মুকতাদির একজন হেলথকেয়ার প্রফেশনাল ও লেখক। তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলের তথ্য অনুযায়ী, তিনি হার্ভার্ডে মাস্টার্স অব পাবলিক হেলথ (এমপিএইচ) পড়ছেন। পাশাপাশি তিনি দুইটি বইয়ের লেখক এবং বাফেলো, নিউইয়র্কে বসবাস করেন।   ফেসবুকে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে আসিফ মুকতাদির লেখেন, “আমি সাধারণত ব্র্যান্ডেড কাপড়চোপড় কিনি না। আমার কাছে মনে হয়, কাপড় ভালো হলেই হলো। শুধু ব্র্যান্ডের নামের জন্য এত টাকা খরচ করার কোনো মানে নেই। তারচেয়ে এই টাকা জমিয়ে ট্যুর দেওয়া ভালো।”   তবে হার্ভার্ডে নতুন শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হওয়ার পর সেই ভাবনায় কিছুটা ব্যতিক্রম ঘটেছে বলে জানান তিনি। নিজের অনুভূতি তুলে ধরে আসিফ আরও লেখেন, “কিন্তু হার্ভার্ডে পড়ার এক্সাইটমেন্ট বলে কথা! ভাবলাম, হার্ভার্ডের অফিসিয়াল শপ থেকে নিজের জন্য কয়েকটা হুডি আর টি-শার্ট কিনি।”   দোকানে গিয়ে পোশাক পছন্দ করা পর্যন্ত সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু প্রাইস ট্যাগ দেখার পরই আসে চমক। আসিফ লেখেন, “দোকানে ঢুকে কাপড় পছন্দ করা পর্যন্ত সবকিছু ঠিকই ছিল, কিন্তু প্রাইস ট্যাগ দেখার পর মনে হলো, একটা হুডির দামই বোধ হয় আমার সারা বছরের কাপড়ের বাজেটের সমান!”   হার্ভার্ডের হুডি ও টি-শার্টের দাম দেখে এই অভিজ্ঞতা তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের স্মৃতিতে। আসিফ আরও লেখেন, “বাংলাদেশে ভার্সিটিতে টি-শার্টের ডিজাইন করে চাঁদা তুলে তারপর ডিপার্টমেন্টের হুডি কেনার কথা মনে পড়ল। শীতের সময় প্রায় সব ডিপার্টমেন্টের নতুন হুডি।”   বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিভাগ, ব্যাচ কিংবা বিভিন্ন সংগঠনের নিজস্ব নকশার টি-শার্ট ও হুডি তৈরি করা পরিচিত একটি ক্যাম্পাস সংস্কৃতি। বন্ধুদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে শীতের মৌসুমে একই ডিজাইনের হুডি পরার স্মৃতিও অনেক শিক্ষার্থীর কাছে বিশেষ হয়ে থাকে।   হার্ভার্ডের ক্ষেত্রে অবশ্য এই পোশাকের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। ১৬৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হার্ভার্ড যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে পুরোনো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ম্যাসাচুসেটসের ক্যামব্রিজে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় চার শতাব্দী ধরে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।   হার্ভার্ডের নাম ও প্রতীকযুক্ত পোশাক তাই অনেক শিক্ষার্থীর কাছে শুধু সাধারণ কাপড় নয়। এগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে নিজের পরিচয় এবং শিক্ষাজীবনের স্মৃতি বহন করার একটি মাধ্যম হিসেবেও কাজ করে।   তবে ‘দ্য হার্ভার্ড শপ’-এর বিশেষত্ব শুধু হার্ভার্ডের নাম ও প্রতীকযুক্ত পণ্য বিক্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি শিক্ষার্থীদের পরিচালিত একটি ব্যবসা। দোকানটির তথ্য অনুযায়ী, এর কার্যক্রমের সঙ্গে হার্ভার্ডের শিক্ষার্থীরা সরাসরি যুক্ত থাকেন এবং ব্যবসা থেকে পাওয়া অর্থ শিক্ষার্থীদের মজুরি, আর্থিক সহায়তা ও পরিচালন ব্যয়ে ব্যবহার করা হয়।   হার্ভার্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য দোকানটিতে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাও রয়েছে। হার্ভার্ডের ইমেইল ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীরা কেনাকাটায় ২৫ শতাংশ ছাড় পান।   বাফেলোতে বসবাসকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আসিফ মুকতাদিরের কাছে তাই হার্ভার্ডের হুডি কেনার অভিজ্ঞতাটি শুধু দামের চমক নয়, বরং নতুন বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের একটি স্মরণীয় মুহূর্তও। বাংলাদেশের ক্যাম্পাসজীবনের হুডির স্মৃতির সঙ্গে হার্ভার্ডের হুডির দামের তুলনা করে করা তাঁর ফেসবুক পোস্টে সেই অভিজ্ঞতাই উঠে এসেছে।   একদিকে বিশ্বের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে শিক্ষাজীবন শুরুর আনন্দ, অন্যদিকে পছন্দের একটি হুডির প্রাইস ট্যাগ দেখে বাজেটের হিসাব। আসিফ মুকতাদিরের সেই অভিজ্ঞতা শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে হার্ভার্ডের নতুন শিক্ষার্থী হিসেবে তাঁর ক্যাম্পাসজীবনের একটি মজার স্মৃতি।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ১৩:৯
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ৯ মাস গর্ভে সন্তান, অথচ টেরই পাননি ২১ বছরের কলেজছাত্রী; হঠাৎ কন্যাসন্তানের জন্ম

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ৯ মাস গর্ভে সন্তান, অথচ টেরই পাননি ২১ বছরের কলেজছাত্রী; হঠাৎ কন্যাসন্তানের জন্ম

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের নতুন কল সেন্টার চালু

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের নতুন কল সেন্টার চালু, মিলবে দ্রুত কনস্যুলার সেবা

নিউইয়র্কে নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা এরিনের ৫ মাসের শিশুর জন্য ফান্ডে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার

নিউইয়র্কে নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা এরিনের ৫ মাসের শিশুর জন্য ফান্ডে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার

গ্রিন কার্ড স্পনসরদের ক্রেডিট তথ্য যাচাইয়ের নতুন সুযোগ পেল ইউএসসিআইএস
গ্রিন কার্ড স্পনসরশিপে ইউএসসিআইএসের নতুন পদক্ষেপ, বাড়ছে যাচাই

যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সদস্যের গ্রিন কার্ডের জন্য স্পনসর করা ব্যক্তিদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস বা ইউএসসিআইএস। নতুন ব্যবস্থায় গ্রিন কার্ড স্পনসরদের ক্রেডিট-সংক্রান্ত তথ্য ভোক্তা রিপোর্টিং এজেন্সির কাছ থেকে সংগ্রহ করার সুযোগ পেয়েছে সংস্থাটি। পরিবর্তনটি মূলত ফর্ম আই-৮৬৪, অর্থাৎ অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্টকে ঘিরে। যুক্তরাষ্ট্রে কোনো পরিবারের সদস্যকে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য স্পনসর করার ক্ষেত্রে এই ফর্মে স্বাক্ষর করে স্পনসরকে ওই অভিবাসীর আর্থিক দায়িত্ব নেওয়ার অঙ্গীকার করতে হয়। নতুন ফর্মে যুক্ত করা হয়েছে একটি প্রাইভেসি রিলিজ বা তথ্য সংগ্রহের অনুমতিসংক্রান্ত ধারা। এর মাধ্যমে ইউএসসিআইএস এক বা একাধিক কনজিউমার রিপোর্টিং এজেন্সির কাছ থেকে স্পনসরের তথ্য চাইতে পারবে। তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব তথ্য কীভাবে ব্যবহার করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখনো দেওয়া হয়নি। নতুন ব্যবস্থাটি ৩১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। ফলে যারা এখন পরিবারের সদস্যের গ্রিন কার্ডের জন্য অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট জমা দিচ্ছেন, তাদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট শুধু একটি সাধারণ ফর্ম নয়। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, এটি স্পনসর ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যে একটি আইনগতভাবে কার্যকর চুক্তি। স্পনসরকে নির্দিষ্ট শর্তে অভিবাসীর আর্থিক সহায়তার দায়িত্ব নিতে হয়। স্পনসরকে সাধারণত নির্দিষ্ট আয়ের যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। কেউ সেই আয়সীমা পূরণ করতে না পারলে যোগ্য জয়েন্ট স্পনসর ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, জয়েন্ট স্পনসরকে নিজস্ব আয়ের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আর্থিক যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। স্পনসরশিপের দায়িত্বও দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। সাধারণভাবে স্পনসর করা ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়া, ৪০টি কোয়ালিফাইং কোয়ার্টারের কাজের ক্রেডিট অর্জন করা, স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার মতো নির্দিষ্ট পরিস্থিতি না হওয়া পর্যন্ত এই দায়িত্ব বহাল থাকতে পারে। শুধু বিবাহবিচ্ছেদ হলে স্পনসরশিপের দায়িত্ব শেষ হয় না। নতুন ক্রেডিট-তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ ভবিষ্যতে গ্রিন কার্ড স্পনসরদের আর্থিক সক্ষমতা যাচাইয়ে আরও তথ্য ব্যবহারের পথ তৈরি করতে পারে। তবে বর্তমানে ইউএসসিআইএস প্রতিটি স্পনসরের ক্রেডিট রিপোর্ট কীভাবে বা কোন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করেনি। ফলে গ্রিন কার্ডের জন্য পরিবারের সদস্যকে স্পনসর করতে যাওয়া ব্যক্তিদের নতুন ফর্মের সর্বশেষ সংস্করণ এবং ইউএসসিআইএসের নির্দেশনা অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ৯:৫৩
অভিবাসন অভিযানের সময় গুলি চালানোর ঘটনায় আইসিই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফেডারেল অভিযোগ

ভেনেজুয়েলীয়কে গুলি, তদন্তকারীদের মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে আইসিই কর্মকর্তা আটক

পেন্সিল ব্যবহার করে জেলের সেলের দরজা খুলে পালিয়ে যান ৩০ বছর বয়সী এক বন্দী

পেন্সিল দিয়েই কারাগারের সেল খুলে পালালেন বন্দী, ৩০ মিনিটেই ফের আটক

নিউইয়র্কে গ্যাং সহিংসতায় বাংলাদেশি তরুণদের নাম, কমিউনিটিতে আতঙ্ক

টেট বর্তমানে তার ভাই ট্রিস্টান টেটের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মিয়ামির ফেডারেল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন
নাবালিকাকে যৌন শোষণের অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সার অ্যান্ড্রু টেটের বিরুদ্ধে রোমানিয়ায় নতুন মামলা

নারীবিদ্বেষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত ব্যক্তিত্ব অ্যান্ড্রু টেটের বিরুদ্ধে নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক, মানবপাচার ও অর্থপাচারের অভিযোগে রোমানিয়ায় নতুন করে অভিযোগপত্র দিয়েছে দেশটির প্রসিকিউটররা। শুক্রবার রোমানিয়ার সংগঠিত অপরাধ ও সন্ত্রাস তদন্ত অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, টেট ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে যৌন শোষণের উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেছিলেন।   ৩৯ বছর বয়সী অ্যান্ড্রু টেট বর্তমানে তার ভাই ট্রিস্টান টেটের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মিয়ামির ফেডারেল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন। যুক্তরাজ্যে ২০১০ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে সংঘটিত কথিত অপরাধের অভিযোগে তাদের যুক্তরাজ্যে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া চলছে। নতুন রোমানিয়ান মামলায় ট্রিস্টান টেটের বিরুদ্ধেও সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে দুই ভাইই তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।   রোমানিয়ার প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, অ্যান্ড্রু টেট ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে প্রথমে নিজের প্রতি আবেগগতভাবে আকৃষ্ট করেন। পরে তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে জোরজবরদস্তি, মানসিক চাপ ও শারীরিক আগ্রাসনের আশ্রয় নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ২০১২ সাল থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাজ্য ও রোমানিয়ায় ওই কিশোরীকে যৌনভাবে শোষণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।   তদন্তকারীদের দাবি, অ্যান্ড্রু টেট ওই কিশোরীকে যৌনভাবে স্পষ্ট ভিডিও তৈরি করতে বাধ্য করেন। পাশাপাশি তার মাধ্যমে ভিডিওচ্যাটভিত্তিক যৌন কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এসব কার্যক্রম থেকে টেট ভাইয়েরা মোট ১২ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেশি অর্থ আয় করেছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং টেটের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অপরাধের রায়ও হয়নি।   অভিযোগ অনুযায়ী, ট্রিস্টান টেটও তার ভাইকে সহযোগিতা করেছিলেন এবং বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানাননি। তিনি ওই কিশোরীর ভিডিওচ্যাটের হিসাব পরিচালনা করতেন এবং তার কার্যক্রম নজরদারি করতেন বলে প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কিশোরীটির ওপর ট্রিস্টান শারীরিক আগ্রাসন চালিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, কথিত যৌন শোষণ থেকে পাওয়া অর্থের একটি অংশ পরে বিলাসবহুল গাড়ি কেনায় ব্যবহার করা হয়।   রোমানিয়ার তদন্তকারীদের দাবি, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মধ্যে ওই অর্থ ব্যবহার করে চারটি গাড়ি কেনা হয়েছিল। গাড়িগুলোর সম্মিলিত মূল্য প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার ডলার। তদন্তকারীরা এসব গাড়ি জব্দ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এর পাশাপাশি অ্যান্ড্রু টেটের বিরুদ্ধে আরেক ১৫ বছর বয়সী কিশোরীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে রোমানিয়ার দুটি সম্পত্তিতে ওই ঘটনা ঘটে।   অ্যান্ড্রু ও ট্রিস্টান টেট ২০১৬ সাল থেকে রোমানিয়ায় বসবাস করছিলেন। দেশটিতে তাদের বিরুদ্ধে মানবপাচার, ধর্ষণ, সংগঠিত অপরাধী গোষ্ঠী গঠন ও অর্থপাচারের অভিযোগ নিয়ে আগে থেকেই তদন্ত চলছিল। এরই মধ্যে নতুন অভিযোগপত্র দেওয়া হলো। যুক্তরাজ্যেও দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং তাদের প্রত্যর্পণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আইনি লড়াই চলছে।   টেট ভাইদের আইনজীবী ইউজেন কনস্টান্টিন ভিদিনিয়াক বলেন, তার মক্কেলরা এখনো তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নতুন অভিযোগপত্র দাখিলের অর্থ এই নয় যে অ্যান্ড্রু বা ট্রিস্টান টেট দোষী প্রমাণিত হয়েছেন। তার দাবি, আগের অভিযোগপত্র নিয়ে আদালতে গুরুতর কিছু অনিয়ম চিহ্নিত হয়েছিল, যার কারণে মামলাটি বিচারে এগোতে পারেনি।   আইনজীবী আরও বলেন, নতুন অভিযোগপত্রের প্রতিটি বিষয় তারা কঠোরভাবে পর্যালোচনা করবেন। কোনো প্রমাণগত, আইনি বা প্রক্রিয়াগত দুর্বলতা থাকলে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেগুলো চ্যালেঞ্জ করা হবে। তার মতে, মামলার আগের কার্যক্রমের ইতিহাসও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। তিনি টেট ভাইদের জামিনে মুক্তির পক্ষেও যুক্তি দিয়ে আসছেন।   সম্প্রতি মিয়ামির একটি আদালতে অ্যান্ড্রু ও ট্রিস্টান টেটকে হাতকড়া পরা অবস্থায় আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে অ্যান্ড্রু টেট আশঙ্কা প্রকাশ করেন, রোমানিয়ায় আটক থাকলে তিনি অন্যায্যভাবে দীর্ঘমেয়াদি বা যাবজ্জীবন সাজা পেতে পারেন। অন্যদিকে ট্রিস্টান টেট দাবি করেন, কারাগারে থাকায় তিনি নিজের নির্দোষিতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রস্তুতি নিতে পারছেন না।   যুক্তরাজ্যে অ্যান্ড্রু টেটের বিরুদ্ধে মোট ৪২টি অভিযোগ রয়েছে এবং এসব অভিযোগ সাতজন ভুক্তভোগীকে কেন্দ্র করে। এর মধ্যে ধর্ষণ, পতিতাবৃত্তি নিয়ন্ত্রণ এবং যৌন শোষণের উদ্দেশ্যে মানবপাচারে সহায়তা বা তা আয়োজনের অভিযোগ রয়েছে। গত জুলাইয়েও অ্যান্ড্রু টেটের বিরুদ্ধে শিশুদের অশালীন ছবি ও চরম পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত আরও ১৯টি অভিযোগ যুক্ত করা হয়েছিল।   তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রোমানিয়ার নতুন অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। অ্যান্ড্রু ও ট্রিস্টান টেট উভয়েই তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং মামলাটি এখনো বিচারাধীন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ৮:১
নথিবিহীন শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বন্ধের সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ

ফ্লোরিডার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নথিবিহীন শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিষিদ্ধ

ড্রোন হামলার পর কোকা-কোলার কারখানা এলাকায় ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়

কিয়েভে কোকা-কোলার কারখানায় রুশ ড্রোন হামলা, জেলেনস্কির দাবি ‘আমেরিকার জন্য স্পষ্ট বার্তা’

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় রোগীর সঙ্গে গোপন যৌন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে থেরাপিস্ট মিশেল লুচাউ-রেবোরা গ্রেফতার হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

থেরাপি সেশনে রোগীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ, নারী থেরাপিস্ট গ্রেফতার

0 Comments