বিশ্ব

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল: ট্রাম্পের দাবির সঙ্গে মিলছে না আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের দাবি ও বাস্তব চিত্রের মধ্যে অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হলেও, পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর তথ্য ভিন্ন বাস্তবতা তুলে ধরছে।

 

হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে এই প্রণালি দিয়ে আগের তুলনায় বেশি জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। একই সুরে কথা বলেন পিট হেগসেথ। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উদ্যোগের ফলে জাহাজ চলাচল বেড়েছে।

 

এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান এই পথ দিয়ে অতিরিক্ত ২০টি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্ল্যাটফর্ম MarineTraffic-এর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাস্তবে পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। আজ মাত্র তিনটি জাহাজ ট্র্যাকার চালু রেখে প্রণালিটি অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে দুটি ছিল সাধারণ মালবাহী জাহাজ এবং অন্যটি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেলবাহী ট্যাংকার ‘লুইজা’। আরও কয়েকটি জাহাজ পার হওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।

 

এ ছাড়া বিশ্লেষণ সংস্থা Kpler জানিয়েছে, গত কয়েক দিনেও জাহাজ চলাচলের সংখ্যা ছিল অত্যন্ত সীমিত। সোমবার চারটি, রোববার ছয়টি এবং গত এক সপ্তাহে সর্বোচ্চ ১৩টি জাহাজ এই পথ অতিক্রম করেছে। অথচ সংঘাত শুরুর আগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৪০টি জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করত।

 

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘সিগন্যাল জ্যামিং’ বা সংকেত বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা বাড়ছে। অনেক জাহাজ নিরাপত্তার কারণে তাদের ট্র্যাকার বন্ধ রাখছে, ফলে প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ এই প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। এমন পরিস্থিতিতে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

 

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাস্তব পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলেও এটিকে ‘কূটনৈতিক সাফল্য’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে হোয়াইট হাউস। তবে কার্যত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকায় বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
প্রতীকী ছবি
বিশ্বজুড়ে ইতিহাসের ভয়াবহতম জ্বালানি সংকটের শঙ্কা; আইইএ প্রধানের চরম সতর্কতা

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরল এক ভয়াবহ সতর্কবাণী উচ্চারণ করে জানিয়েছেন, চলমান ইরান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট তেল ও গ্যাস সংকট ১৯৭৩, ১৯৭৯ এবং ২০২২ সালের সম্মিলিত সংকটের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী রূপ নিয়েছে। ফরাসি সংবাদপত্র ল্য ফিগারোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালি অবরোধের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা ইতিহাসের সবথেকে গুরুতর সংকট।   আইইএ প্রধানের মতে, এই সংকটে সবথেকে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে উন্নয়নশীল দেশগুলো। তেলের আকাশচুম্বী দামের কারণে এসব দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতির হার দ্রুত ত্বরান্বিত হবে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করে তুলবে। পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলোসহ জাপান ও অস্ট্রেলিয়াও এই অর্থনৈতিক ধাক্কার বাইরে থাকবে না বলে তিনি সতর্ক করেন। এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে এক ধরনের স্থবিরতা আসার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।   মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া চরম হুঁশিয়ারির পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ট্রাম্প তার বার্তায় উল্লেখ করেন, ইরান যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চুক্তিতে না আসে তবে আজ রাতেই একটি আস্ত সভ্যতা বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ০.৭ শতাংশ বেড়ে ১১০.৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং নিউ ইয়র্ক লাইট ক্রুডের দাম ২.৫ শতাংশ বেড়ে ১১৫.১৭ ডলারে পৌঁছেছে।   ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে জ্বালানি বাজারের এই অস্থিরতা এখন বিশ্ববাসীর প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে বিশ্ব অর্থনীতি এক মহাবিপর্যয়ের মুখে পড়বে। আইইএ প্রধানের এই বিরল সতর্কতা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।   সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
খারগ দ্বীপ। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের খারগ দ্বীপে হামলার খবর

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

আজ রাত নিয়ে ট্রাম্পের চাঞ্চল্যকর দাবি: ‘মুছে যেতে পারে একটি সভ্যতা’

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ও শুল্ক ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টকে তীব্র আক্রমণ ট্রাম্পের

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ও শুল্ক ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টকে তীব্র আক্রমণ ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত
ইস্তাম্বুলে ইসরায়েলি কনস্যুলেটের কাছে গুলিবর্ষণ, নিহত ২

তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে ইসরায়েলি কনস্যুলেটের আশপাশে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে অন্তত দুইজন হামলাকারী নিহত হয়েছেন এবং আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।   বুধবার স্থানীয় সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে রয়টার্স জানায়, ঘটনাস্থলে কয়েক মিনিট ধরে গুলির শব্দ শোনা যায় এবং পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। নিরাপত্তা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, কনস্যুলেট ভবনের সামনে টানা গুলিবর্ষণ চলছে এবং এক ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। অন্য কিছু ফুটেজে এক হামলাকারীকে পার্ক করা নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়ির আড়াল নিয়ে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ও হ্যান্ডগান দিয়ে গুলি চালাতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলের আশপাশে দুইজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। কনস্যুলেটটি ওই এলাকার একটি বহুতল ভবনের ওপরের দিকে অবস্থিত।   ২০২৩ সালে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছিল।   অন্যদিকে, একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে তুরস্কে কোনো ইসরায়েলি কূটনীতিক অবস্থান করছেন না। তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফা চিফতচি জানিয়েছেন, হামলায় জড়িত তিনজন একটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত, যারা ধর্মকে অপব্যবহার করে। নিহতদের মধ্যে দুজন সহোদর ছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধ প্রসঙ্গে ঈশ্বরের অবস্থান নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য

ধ্বংস হওয়া মার্কিন বিমান নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করল ইরান

ধ্বংস হওয়া মার্কিন বিমান নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করল ইরান

ছবি: সংগৃহীত।

তুরস্কে ইসরায়েলি কনসুলেটের কাছে গোলাগুলি, ৩ হামলাকারী নিহত

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
দেশের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত ১৪ মিলিয়ন ইরানি: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

ইরানের আকাশ এখন যুদ্ধের মেঘে আচ্ছন্ন। এই সংকটময় মুহূর্তে জাতির উদ্দেশ্যে এক আবেগঘন ও শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইতোমধ্যে ১ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি সাহসী ইরানি তাদের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান নিজের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, "আমি নিজেও ইরানের জন্য আমার জীবন উৎসর্গ করেছি; আমি আগেও প্রস্তুত ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও দেশের জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে অটল থাকব।" উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে লক্ষ্য করে গুপ্তহত্যা চালিয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রভাবশালী সচিব আলী লারিজানি।  চলমান এই সংঘাতের ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইরানে এখন পর্যন্ত অন্তত ২,০৭৬ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন প্রায় ২৬,৫০০ মানুষ।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সেনাসদস্য বেন রবার্টস-স্মিথ

যুদ্ধনায়ক থেকে যুদ্ধাপরাধী: অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সেনাসদস্য গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত।

পৃথিবী থেকে দূরতম পথ পাড়ি, মহাকাশে ইতিহাস গড়ল আর্টেমিস ২

১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার

১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0 Comments