জেলেনস্কি

রাতভর রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় কিয়েভের বিভিন্ন এলাকায় আগুন ও ক্ষয়ক্ষতি হয় । ছবি: এএফপি
ইউক্রেনে রাশিয়ার রাতভর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, নিহত ২

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাতভর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত দুইজন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্ভাব্য ‘বড় ধরনের রুশ হামলার’ বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করেছিলেন।   কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো টেলিগ্রামে জানান, শহরটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আক্রমণের মুখে পড়ে। হামলায় একটি হোটেলের ছাদে আগুন ধরে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে রাজধানীর কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের ওই ভবনের ওপরের অংশে আগুন জ্বলতে দেখা যায়।   পরে ক্লিচকো জানান, হামলায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। একটি নয়তলা আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে কয়েকজন আটকা পড়েন। আরেকটি বহুতল ভবনের ছাদেও আগুন লাগে।   বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, শহর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী হামলায় অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন। রুশ হামলার সময় অনেক বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য মেট্রো স্টেশনে ছুটে যেতে দেখা যায়। অনানুষ্ঠানিক টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলোতে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, বহু মানুষ ভূগর্ভস্থ স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন।   এএফপির সাংবাদিকরা কিয়েভের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে এক ডজনের বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। একই সময়ে ইউক্রেনের বিমান বাহিনী সতর্ক করে জানায়, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রাজধানীর দিকে এগিয়ে আসছে। হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিনের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী রাশিয়া আরেকটি বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিয়েছে।   পরে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, তিনি দ্রুত ইউক্রেনে ফিরে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে দেশবাসীকে বিমান হামলার সতর্কবার্তা মেনে চলতে এবং নিজেদের পরিবার ও শিশুদের নিরাপদ রাখার আহ্বান জানান। জেলেনস্কির দাবি, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দীর্ঘদিন ধরেই বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেন বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক মাধ্যমে আলোচনার প্রস্তুতির কথা জানালেও রাশিয়া তা প্রত্যাখ্যান করেছে। তার ভাষায়, পুতিন ইউক্রেনের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ ও সমগ্র ইউরোপের বিরুদ্ধেও আগ্রাসন চালিয়ে যেতে চান।

শাহারিয়া নয়ন জুলাই ১, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে চুম্বন চেষ্টা জেলেনস্কির, অস্বস্তিতে মেলোনি

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের নানা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও। এতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির একটি শুভেচ্ছা বিনিময়ের মুহূর্ত দেখা যায়, যা নিয়ে নেটদুনিয়ায় চলছে নানা ব্যাখ্যা ও আলোচনা।   সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির ফাঁকে ধারণ করা ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের সঙ্গে কথা বলছিলেন জেলেনস্কি। ঠিক সেই সময় সেখানে এসে পৌঁছান ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। একপর্যায়ে দুই নেতা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান।   ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেক ব্যবহারকারী তাদের শরীরী ভাষা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের ধরন নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করতে শুরু করেন। কেউ কেউ ঘটনাটিকে বিব্রতকর মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আবার অনেকে বলেছেন এটি ছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত স্বাভাবিক সামাজিক অভিবাদনের অংশ।   ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, দুজন নেতা একে অপরের কাছে এগিয়ে এসে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং এরপর স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের কাজে ফিরে যান। তবে কয়েক সেকেন্ডের এই দৃশ্যই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোতে বিশ্বনেতাদের আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক আচরণ প্রায়ই জনসাধারণের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। অনেক সময় একটি ছোট্ট মুহূর্তও সামাজিক মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যার জন্ম দেয়।   এদিকে জি-৭ সম্মেলনে আরেকটি মুহূর্তও আলোচনায় এসেছে। সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনের আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হচ্ছে।   ভিডিওতে দেখা যায়, বিশ্বনেতাদের ভিড়ের মধ্য থেকে মেলোনি এগিয়ে এসে মোদির সঙ্গে করমর্দন করেন। এরপর দুজনের মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপ হয় এবং একপর্যায়ে হাস্যোজ্জ্বল পরিবেশ তৈরি হয়।   আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময় দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ কথোপকথন হয়। সামাজিক মাধ্যমে তাদের পূর্ববর্তী কিছু ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হওয়ার কারণে এই সাক্ষাৎও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   উল্লেখ্য, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত এবারের জি-৭ সম্মেলনে ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি, বৈশ্বিক অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের বাইরে বিশ্বনেতাদের কিছু অনানুষ্ঠানিক মুহূর্তও জনসাধারণের আগ্রহ কাড়তে সক্ষম হয়েছে।   সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নিয়ে নানা ধরনের ব্যাখ্যা সামনে এলেও সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। ফলে ভিডিওটি ঘিরে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।   তবে কয়েক সেকেন্ডের এই দৃশ্য যে জি-৭ সম্মেলনের রাজনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি বিনোদনপ্রেমী ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের কাছেও বিশেষ আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে, তা বলাই যায়।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুন ১৭, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার ৭০০ কিলোমিটার গভীরে ইউক্রেনের ভয়াবহ হামলা, জ্বলছে তেল ডিপো ও কারখানা

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ময়দানে এবার দৃশ্যপট পাল্টাতে শুরু করেছে। সীমান্ত থেকে ৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি গভীরে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। রবিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন যে, তাদের বিশেষ বাহিনী রাশিয়ার ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেলের মজুত বা রিজার্ভ স্থাপনা এবং তুলা অঞ্চলের 'আজোট' রাসায়নিক কারখানায় সফল ও সুনির্দিষ্ট আঘাত হেনেছে।   উল্লেখ্য, এই রাসায়নিক কারখানাটি রুশ সামরিক বাহিনীর জন্য গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক তৈরির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।   এই আকস্মিক ও দূরপাল্লার জোরালো হামলায় রীতিমতো কেঁপে উঠেছে রাশিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই নজিরবিহীন হামলার জেরে রাশিয়ার অন্তত ২৮টি অঞ্চলে জরুরি বিমান হামলার সতর্কতা (এয়ার রেইড অ্যালার্ট) জারি করতে বাধ্য হয় পুতিন প্রশাসন।   উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ ছয়টি বিমানবন্দরে উড়ান চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। মূল ভূখণ্ডের পাশাপাশি, ইউক্রেনের ভেতরে রুশ বাহিনীর দখলকৃত অঞ্চলগুলোতে থাকা সামরিক লজিস্টিকস ও রসদ সরবরাহ কেন্দ্রগুলোতেও সফল আঘাত হেনেছে কিয়েভ। ইয়ারোস্লাভল ও তুলা অঞ্চলের স্থানীয় রুশ গভর্নররা হামলার বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছেন, ড্রোনের আঘাতে শিল্পাঞ্চলে আগুন ধরে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি পরিষেবা দল কাজ করছে।   এই পরিকল্পিত সামরিক অভিযানকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের কার্যকর 'দূরপাল্লার নিষেধাজ্ঞা' বা 'লং-রেঞ্জ স্যাংশনস'-এর অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানান, যুদ্ধ বন্ধের জন্য কিয়েভের পক্ষ থেকে বারবার আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও মস্কো তা বারবার প্রত্যাখ্যান করে উল্টো আগ্রাসন বাড়ানোর পথই বেছে নিয়েছে।   তারই সমুচিত জবাব হিসেবে এই দূরপাল্লার আঘাত হানা হচ্ছে। জেলেনস্কি তার বার্তায় দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "যুদ্ধ এখন সেখানেই ফিরে যাচ্ছে, যেখান থেকে এর শুরু হয়েছিল।" যুদ্ধের ময়দানে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দেওয়ার পাশাপাশি ইউক্রেনের শান্তির প্রতি অবিচল অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

ইসতিয়াক আহমেদ জুন ১৩, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় সহায়তা দিয়েছে ইউক্রেন: জেলেনস্কি

মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশকে ইরানের তৈরি ‘শাহেদ’ ড্রোন ভূপাতিত করতে কারিগরি ও সামরিক সহায়তা দিয়েছে ইউক্রেন—এমন দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেনীয় সামরিক বিশেষজ্ঞরা মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে স্থানীয় বাহিনীকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। বিশেষ করে ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থার মাধ্যমে কীভাবে ইরানি ড্রোন প্রতিহত করতে হয়, তা দেখানো হয়েছে।   জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন মোকাবিলায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, যা এখন অন্য দেশগুলোর সঙ্গে ভাগাভাগি করা হচ্ছে।   গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্য সফরের সময় তিনি এসব দেশের সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়টি চূড়ান্ত করেন। সে সময় উপসাগরীয় অঞ্চল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে ছিল। জেলেনস্কি আরও দাবি করেন, ইউক্রেন শুধু একটি দেশে নয়, বরং একাধিক দেশে এই সহায়তা দিয়েছে এবং ইতোমধ্যে সফলভাবে ইরানি ড্রোন ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই সহযোগিতা মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ইউক্রেনের সামরিক দক্ষতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও বাড়াবে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ৯, ২০২৬ ১৪:০
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি
জেলেনস্কির যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ রাশিয়ার, শান্তির সম্ভাবনা অনিশ্চিত

ইউক্রেন যুদ্ধের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইস্টার উপলক্ষে প্রস্তাবিত সাময়িক যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি-এর দেওয়া এ প্রস্তাবকে ‘অস্পষ্ট’ বলে মন্তব্য করেছে ক্রেমলিন।   মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, এই প্রস্তাবে স্থায়ী শান্তির জন্য প্রয়োজনীয় কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। বরং বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধ বন্ধ করার প্রয়োজন ইউক্রেনেরই বেশি বলে দাবি করেন তিনি।   এর আগে সোমবার অর্থোডক্স ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আসন্ন ১২ এপ্রিলের ইস্টার উপলক্ষে সাময়িক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান জেলেনস্কি। তিনি এই উদ্যোগকে ‘আপসের একটি পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজে বের করা জরুরি।   তবে রাশিয়ার মতে, এমন প্রস্তাব বাস্তবসম্মত নয়। পেসকভ দাবি করেন, রুশ বাহিনী বর্তমানে বিভিন্ন ফ্রন্টে অগ্রসর হচ্ছে কোথাও দ্রুত, কোথাও ধীরগতিতে। এ অবস্থায় ইউক্রেনের নেতৃত্বকে সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষায়, দেরি হলে সেই সিদ্ধান্তের মূল্য আরও বেড়ে যাবে।   রাশিয়ার এই অবস্থান ইঙ্গিত দেয় যে, তারা বর্তমান সামরিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনের ওপর চাপ ধরে রাখতে চায়।   গত বছর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একতরফাভাবে ইস্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও, উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে তা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। তখন জেলেনস্কি ওই বিরতি ৩০ ঘণ্টা থেকে বাড়িয়ে ৩০ দিনে নেওয়ার প্রস্তাব দিলেও তা গ্রহণ করেননি পুতিন।   এবার জেলেনস্কি জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বন্ধ রাখারও প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে বৈশ্বিক তেল-গ্যাস বাজারে চাপ কমানো যায়। তবে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি পেসকভ। তিনি শুধু জানান, রাশিয়া তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো রক্ষায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।   সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করেছে। বিশেষ করে বাল্টিক সাগর অঞ্চলের উস্ত-লুগা ও প্রিমোরস্ক বন্দরে ধারাবাহিক আঘাত হানা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাশিয়ার জ্বালানি আয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে কিয়েভ।   এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন করে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করছে। ফলে আন্তর্জাতিক মহল এখন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৩১, ২০২৬ ১৪:০
জর্ডানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি
মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা: জর্ডানে পৌঁছে যে বার্তা দিলেন জেলেনস্কি

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের আবহে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সমর্থন ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আদায়ে এবার জর্ডানে পৌঁছেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।  কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের পর এটিই তার এই ঝটিকা সফরের সর্বশেষ গন্তব্য। জর্ডান বিমানবন্দরে অবতরণের পর জর্ডানি কর্মকর্তাদের সাথে কুশল বিনিময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন জেলেনস্কি। সেখানে তিনি স্পষ্ট জানান, এবারের সফরে তার মূল লক্ষ্য হলো ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত করা’।  ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তি বিনিময়ের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে ইতিমধ্যে সৌদি আরব ও কাতারের সাথে চুক্তি সম্পন্ন করেছেন তিনি। জর্ডানের সাথেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার কথা রয়েছে তার, যেখানে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা এবং কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টি প্রাধান্য পাবে।

ইসমাইল হোসাইন মার্চ ২৮, ২০২৬ ১৪:০
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি
মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর তথ্য ইরানের হাতে তুলে দিয়েছে রাশিয়া: জেলেনস্কি

বিশ্বরাজনীতির প্রেক্ষাপটে এক নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়েছে রাশিয়া এবং সেই তথ্য তুলে দেওয়া হয়েছে ইরানের হাতে। জেলেনস্কির দাবি অনুযায়ী, রুশ স্যাটেলাইটগুলো চলতি সপ্তাহে অন্তত সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনার ছবি তুলেছে এবং তথ্য সংগ্রহ করেছে। এই নজরদারির তালিকায় কুয়েত, সৌদি আরব, তুরস্ক ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন ও ব্রিটিশ ঘাঁটিসহ ভারত মহাসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই ইরান দিয়েগো গার্সিয়া লক্ষ্য করে দুটি মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল। যদিও মিসাইলগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে, তবে এটি ইরানের দীর্ঘপাল্লার হামলার সক্ষমতা বিশ্বের সামনে স্পষ্ট করে তুলেছে। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জেলেনস্কি বলেন, "এটি অত্যন্ত আশ্চর্যজনক যে একদিকে রাশিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হচ্ছে, আর অন্যদিকে সেই আক্রমণকারী দেশটিই এমন দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করছে যারা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা বলছে।" ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্প্রতি রাশিয়ার তেলের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সাময়িক শিথিলতার দিকেই তিনি ইঙ্গিত করেছেন। পশ্চিমা গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাশিয়া ইরানকে কেবল মার্কিন সামরিক সম্পদের অবস্থান বা গতিবিধিই জানাচ্ছে না, বরং শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে হামলা চালানোর কৌশলগত পরামর্শও দিচ্ছে। যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন গোয়েন্দা সংক্রান্ত এই স্পর্শকাতর বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

ইসমাইল হোসাইন মার্চ ২৮, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবে জেলেনস্কি: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফরে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং নিরাপত্তা সহযোগিতার লক্ষ্যেই এই সফর।  প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে রয়েছেন ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের প্রধান রুস্তম উমেরভ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় জেলেনস্কি জানান, "সৌদি আরবে পৌঁছেছি। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে। যারা আমাদের সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করতে আগ্রহী এবং আমাদের সমর্থন করছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।" সাম্প্রতিক সময়ে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন ইউক্রেন তাদের নিজস্ব 'এয়ার ডিফেন্স' বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ড্রোন প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাব দিয়েছে। কিয়েভ ইতিমধ্যে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবে বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জেলেনস্কি এই সহায়তার বিনিময়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সৌদি আরবের আর্থিক সমর্থন এবং উন্নত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন। মূলত 'প্রযুক্তি ও অর্থ'-এর বিনিময়ে নিরাপত্তা সহযোগিতার এই নতুন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে ইউক্রেন।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ২৬, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Top week

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু
আমেরিকা

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

নীলুফা নিশাত জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:০