আমেরিকায় বাংলাদেশিদের জন্য চাকরি খোঁজার সহজ গাইড
যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে। ফলে সঠিক চাকরির ওয়েবসাইট বেছে নেওয়া চাকরি প্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নিয়োগ-সংক্রান্ত সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান জবসয়েড প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে এমন ১৫টি জনপ্রিয় জব সাইটের তালিকা তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলো চাকরি খোঁজা ও নিয়োগ, উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরনের চাকরির প্ল্যাটফর্ম। এর মধ্যে রিমোট ও ফ্লেক্সিবল কাজের জন্য পরিচিত FlexJobs, পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ নিয়ে Indeed, প্রযুক্তি খাতের জন্য Dice, সরকারি চাকরির জন্য USAJobs এবং কোম্পানির রিভিউ ও বেতনসংক্রান্ত তথ্যের জন্য Glassdoor বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া CareerBuilder, Snagajob, Monster, Nexxt, ZipRecruiter, SimplyHired, The Muse, America's Job Exchange, LiveCareer এবং TheLadders-ও তালিকায় রয়েছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও ব্যবহারকারী ভিন্ন হওয়ায় চাকরি প্রার্থীদের একটি মাত্র ওয়েবসাইটের ওপর নির্ভর না করে একাধিক প্ল্যাটফর্মে প্রোফাইল তৈরি ও আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে চাকরির সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে দ্রুত জানা সম্ভব হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চাকরি খোঁজার ধরণেও পরিবর্তন এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন নিয়োগদাতারা শুধু জীবনবৃত্তান্ত নয়, প্রার্থীর অনলাইন প্রোফাইল, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং পেশাগত নেটওয়ার্ককেও গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ কারণে LinkedIn-এর মতো পেশাদার নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মও চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
চাকরি বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দিচ্ছেন, আবেদন করার আগে প্রতিষ্ঠানের তথ্য, কর্মপরিবেশ, বেতন কাঠামো ও কর্মীদের অভিজ্ঞতা যাচাই করে নেওয়া উচিত। পাশাপাশি ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন এড়াতে কেবল বিশ্বস্ত ও পরিচিত প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা এবং ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করার আগে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের কেপ কড এলাকায় একটি বিরল দুই মাথাওয়ালা কচ্ছপের ছানার সন্ধান পাওয়া গেছে। ব্যতিক্রমী এই প্রাণীটিকে দেখে অবাক হয়েছেন স্থানীয় পশু চিকিৎসকরা। বার্নস্টেবলে অবস্থিত কেপ ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টার বৃহস্পতিবার এই ডায়মন্ডব্যাক টেরাপিন প্রজাতির কচ্ছপটির একটি ছবি প্রকাশ করেছে। মাত্র ৫ দশমিক ২ গ্রাম ওজনের এই সদ্য জন্ম নেওয়া ছানাটিকে ওয়েলফ্লিটের একটি সংরক্ষিত বাসা তৈরির স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় দুই মাথা নিয়ে জন্ম নেওয়ার এই বিরল শারীরিক অবস্থাকে বলা হয় বাইসেফালি। ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত পাঁচ বছরে তারা এমন আরও মাত্র দুটি কচ্ছপ দেখেছেন। ফলে পশু চিকিৎসকদের দলটির কাছে এটি এখনও একটি অত্যন্ত বিরল ঘটনা। দুই মাথা নিয়ে জন্ম নেওয়া এই কচ্ছপটির আচরণ ও শারীরিক কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে চিকিৎসক দলটি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এর আগে তারা এমন বিরল প্রাণীর দেখা পেলেও প্রতিটি নতুন ঘটনাই তাদের এসব প্রাণীর শারীরস্থান ও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে নতুন কিছু শেখার সুযোগ করে দেয়। আপাতত কচ্ছপটির ক্ষুধা, শারীরিক বৃদ্ধি এবং আচরণের দিকে কড়া নজর রাখছেন বিশেষজ্ঞরা। নিউ ইংল্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারস এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যাক মের্টজ জানিয়েছেন, তাদের পশু চিকিৎসক দলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী কচ্ছপটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আচরণ করছে এবং এর দুটি অংশই বেশ সুস্থ ও সক্রিয় দেখাচ্ছে। তারা এই ব্যতিক্রমী কচ্ছপটি সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। ম্যাসাচুসেটসে ডায়মন্ডব্যাক টেরাপিনকে একটি সংকটাপন্ন প্রজাতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে কেপ ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারের পশু চিকিৎসকদের জন্য অদ্ভুত প্রাণী নিয়ে কাজ করা নতুন কোনো অভিজ্ঞতা নয়। গত বছর তারা বার্নস্টেবলের একটি বাড়ির বাথরুমে আটকে পড়া একটি প্যাঁচার চিকিৎসা করেছিলেন। এর আগে ২০২২ সালে এক পরিবার ভুল করে একটি নেকড়ের ছানাকে হারিয়ে যাওয়া কুকুরছানা ভেবে তাদের কাছে নিয়ে এসেছিল। এছাড়াও ২০২১ সালে সঙ্গীর কড়া পাহারার মধ্যে একটি রাজহাঁসের পায়ের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেছিলেন এখানকার চিকিৎসকরা।
মার্কিন নাগরিক পরিচয় জাল করে ৩০ বছর সামরিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি, গ্রেপ্তার মেক্সিকান নারী
নিউইয়র্কে মা ও নানির হাতে চার শিশু খুন, ৪০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে বাবার মামলা
মেটার এআই চশমায় গোপনে যৌনতা, নগ্নতা ও বাথরুমের দৃশ্য ধারণের অভিযোগ, ক্যালিফোর্নিয়ায় মামলা
যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ডালাস সেন্টারের ৯৮ বছর বয়সী পল লিটল জীবনের প্রায় আট দশক পর ফিরে পেলেন তাঁর হাইস্কুলের সনদ। স্কুলের পড়াশোনা শেষ করার সুযোগ না পেলেও দীর্ঘদিন শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করে যাওয়া এই প্রবীণকে বৃহস্পতিবার তাঁর নার্সিংহোমে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদটি তুলে দেওয়া হয়। পল লিটল ১৯৪৬ সালে ডালাস সেন্টার হাইস্কুল থেকে স্নাতক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তখন তিনি একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করতে স্কুল ছেড়ে কাজে যোগ দেন। এরপর আর পড়াশোনা শেষ করার সুযোগ হয়নি তাঁর। বৃহস্পতিবার ডালাস সেন্টারের একটি নার্সিংহোমে তাঁকে চমকে দিয়ে হাইস্কুলের সনদ তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় স্কুল জেলার কর্মকর্তারা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। স্কুল জেলার সুপারিনটেনডেন্ট সনদ নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলে বিষয়টি দেখে বিস্মিত হয়ে যান পল। সনদ পাওয়ার পর পল বলেন, এটি তাঁর কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে স্কুলের শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। স্কুল ছেড়ে দেওয়ার পর পল কৃষিকাজ শুরু করেন। পরে তাঁর স্ত্রী এলিনরের সঙ্গে মিলে কাছের একটি হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের সহায়তা করাকে নিজেদের অন্যতম অগ্রাধিকার বানান। গত ১৫ থেকে ১৮ বছরে তিনি শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ধাপের পড়াশোনা ও জীবনের প্রস্তুতিতে সহায়তার জন্য নিয়মিত অর্থ দিয়েছেন। প্যানোরামা কমিউনিটি স্কুলের সুপারিনটেনডেন্ট কেসি হিউবনার জানান, পলের সহায়তায় এ পর্যন্ত ১৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছে। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এসব শিক্ষার্থীর নাম দিয়ে একটি বিশেষ তালিকাও তৈরি করা হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘পলের হল অব ফেম’। বয়সের শেষ প্রান্তে এসে পল আবার ডালাস সেন্টারে ফিরে আসেন এবং একটি নার্সিংহোমে বসবাস শুরু করেন। সেখানে যাওয়ার সময় তিনি শুধু নিজের স্মৃতি ও ছবিই সঙ্গে নিয়ে আসেননি, শিক্ষার্থীদের জন্যও রেখে গেছেন বড় ধরনের সহায়তা। তিনি স্থানীয় শিক্ষা ফাউন্ডেশনে ৫০ হাজার ডলার দান করেছেন। স্কুল কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা স্কট ব্লাম বলেন, পলের মতো একজন অসাধারণ মানুষকে সম্মান জানাতে তাঁরা সামান্য ভূমিকা রাখতে পেরে আনন্দিত। তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান এখন যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সহায়তা করছে, একসময় সেটিই হয়তো তাঁর নিজের শিক্ষাজীবনের অংশ হতে পারত। পল নিজে হাইস্কুলের শিক্ষা শেষ করতে পারেননি। জীবনের প্রয়োজনেই কিশোর বয়সে তাঁকে পড়াশোনা ছেড়ে কাজে নামতে হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী জীবনে নিজের সেই অসম্পূর্ণ শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতাকে অন্য শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরিতে কাজে লাগিয়েছেন তিনি। ৮০ বছর পর পাওয়া হাইস্কুলের সনদ তাই পলের জন্য শুধু একটি শিক্ষাগত স্বীকৃতি নয়, তাঁর দীর্ঘ জীবনে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে আসার অবদানেরও একটি প্রতীক হয়ে উঠেছে। সূত্র: স্থানীয় আইওয়া সংবাদমাধ্যম ও প্যানোরামা কমিউনিটি স্কুল
নিউইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে এক ঘণ্টায় চার ছিনতাই, খোয়া গেল ৬ জনের মোবাইল
নিউইয়র্কের স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে নতুন মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টারের উদ্বোধন
মেরিল্যান্ডে কিশোরী যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে অবৈধ অভিবাসী চালক গ্রেপ্তার
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর আগমনকে সামনে রেখে তাঁকে স্বাগত জানাতে ওয়াশিংটন, ভার্জিনিয়া ও ম্যারিল্যান্ডের বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রস্তুতি চলছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ‘চল চল, নিউইয়র্ক চলো’ কর্মসূচির আওতায় গ্রেটার ওয়াশিংটন বিএনপির নেতা এজেএম হোসেনের নেতৃত্বে এসব প্রস্তুতি চলছে। এর অংশ হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে ধারাবাহিক মতবিনিময়, গণসংযোগ ও প্রস্তুতি সভা করা হচ্ছে। ১৬ সেপ্টেম্বর ভার্জিনিয়ার স্প্রিংফিল্ডের কমফোর্ট ইন-এ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের গণসংবর্ধনা ও নিউইয়র্ক যাত্রার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওয়াশিংটন, ভার্জিনিয়া ও ম্যারিল্যান্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরদিন ১৭ সেপ্টেম্বর স্থানীয় ডেরা রেস্টুরেন্টে আরেকটি আলোচনা ও প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৮ সেপ্টেম্বর কাবাব কিং রেস্টুরেন্টে নেতাকর্মীদের নিয়ে আরও একটি মিলন ও গণসংযোগ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে যাওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। পাশাপাশি ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে উপস্থিত থাকার জন্যও নেতাকর্মীদের আহ্বান জানানো হয়েছে। জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে ২৪ সেপ্টেম্বর তারেক রহমানের বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। তাঁর সফরে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক এবং বাংলাদেশ আয়োজিত রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক আলোচনায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে। এজেএম হোসেন বলেন, ওয়াশিংটন বিএনপি অতীতের মতো বর্তমানেও দলীয় কর্মসূচিতে ভূমিকা রাখবে। তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর আহ্বান জানান।
ক্যালিফোর্নিয়ায় হুইলচেয়ারে থাকা ব্যক্তিকে চাপা দিয়ে পালাল গাড়ি, র ক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে মৃ ত্যু
ক্যালিফোর্নিয়ায় দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুতে অভিযুক্ত পলাতক অবৈধ ট্রাকচালক গ্রেপ্তার