সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনার বিধবা স্ত্রীকে বিশেষ সরকারি সুযোগ সুবিধা না দেওয়ার অভিযোগ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ২২:২
নিহত মেজর জন ক্লিনারের স্ত্রী লিবি ক্লিনার স্বামীর মৃত্যুর পর প্রাপ্য সামরিক সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ছবি: সংগৃহীত
নিহত মেজর জন ক্লিনারের স্ত্রী লিবি ক্লিনার স্বামীর মৃত্যুর পর প্রাপ্য সামরিক সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ছবি: সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সহায়তাকারী মিশনে থাকা অবস্থায় নিহত এক মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্যের স্ত্রী দাবি করেছেন, স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি কিছু অতিরিক্ত সামরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ইরানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা না করায় ওই সুবিধাগুলো পাওয়ার ক্ষেত্রে তাকে অযোগ্য বলে জানানো হয়েছিল।

 

আলাবামার বাসিন্দা লিবি ক্লিনার হলেন মার্কিন বিমানবাহিনীর মেজর জন ‘অ্যালেক্স’ ক্লিনারের স্ত্রী। গত ১২ মার্চ ইরাকে একটি জ্বালানি সরবরাহ মিশনের সময় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ছয় মার্কিন সেনাসদস্যের একজন ছিলেন অ্যালেক্স ক্লিনার। তার পরিবারের সুবিধা নিয়ে ওঠা অভিযোগের পর বিষয়টি পর্যালোচনা করছে মার্কিন বিমানবাহিনী। সামরিক কর্মকর্তারা লিবি ক্লিনারের সঙ্গে যোগাযোগও করেছেন।

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম NOTUS-এর প্রতিবেদনের বরাতে ডেমোক্রেসি নাউ জানিয়েছে, লিবি ক্লিনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন যে তার স্বামীর মৃত্যুর পর কিছু সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক অভিযান চালালেও কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা না করায় কিছু সুবিধার জন্য তার পরিবারকে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি।

 

জন ক্লিনার ছিলেন বিমানবাহিনীর একজন মেজর। তিনি একটি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার বিমানে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহের ওই মিশনের সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ক্লিনারসহ ছয়জন বিমানসেনা নিহত হন। তারা ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের সহায়ক কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

স্বামীর মৃত্যুর পর লিবি ক্লিনার জানতে পারেন, কিছু সামরিক সুবিধা নিয়ে তার পরিবারের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনার পর তা দ্রুত আলোচনায় আসে। তার বক্তব্যের মূল প্রশ্ন ছিল, সামরিক সদস্যরা যখন ইরানসংক্রান্ত অভিযানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন, তখন কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করেনি বলে তাদের পরিবারের প্রাপ্য সুবিধা কেন ভিন্ন হবে।

 

ঘটনাটি সামনে আসার পর মার্কিন বিমানবাহিনী বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা শুরু করে। সামরিক কর্মকর্তারা সোমবার লিবি ক্লিনারের সঙ্গে কথা বলেন বলে NOTUS-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারটি তাদের প্রাপ্য সব সুবিধা পাচ্ছে কি না, সেটিও যাচাই করা হচ্ছে।

 

লিবি ক্লিনারের বিষয়টি এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের প্রকৃতি এবং সেটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করা হবে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেন। এরপর কয়েক মাস ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

 

এদিকে এই বিতর্কের মধ্যেই মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের একটি বক্তব্য নতুন করে সমালোচনার জন্ম দেয়। ২ সেপ্টেম্বর সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলে কোনো মার্কিন নাগরিক নিহত হয়নি এবং মূলত অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।

কিন্তু মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ইরান সংঘাতে ইতোমধ্যে ১৮ মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত এবং ৭৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। ফলে লুটনিকের বক্তব্য দ্রুত প্রশ্নের মুখে পড়ে।

 

পরদিন ৩ সেপ্টেম্বর লুটনিক নিজের বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। তিনি জানান, তিনি ভুল বলেছিলেন এবং আসলে ভেনেজুয়েলা নিয়ে সামরিক অভিযানের কথা মাথায় রেখেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধে ১৮ জন মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের ক্ষতির জন্য তিনি দুঃখিত।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও লুটনিকের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রীর মাথায় ভেনেজুয়েলার সামরিক অভিযান ছিল। ট্রাম্প একই সঙ্গে স্বীকার করেন যে ইরান সংঘাতে ১৮ জন নিহত হয়েছেন।

 

লিবি ক্লিনারের অভিযোগ এবং লুটনিকের ভুল বক্তব্য একই সময়ে সামনে আসায় ইরান অভিযানে নিহত মার্কিন সেনাদের পরিবারগুলোর প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে সামরিক অভিযানে নিহত সদস্যদের পরিবার কী ধরনের সুবিধা পাওয়ার অধিকারী এবং সেই সুবিধা নির্ধারণে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে লিবি ক্লিনারের পরিবার শেষ পর্যন্ত কোন কোন সুবিধা পাবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। বিমানবাহিনীর পর্যালোচনা শেষ হওয়ার পর বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

 

মার্কিন সামরিক সদস্যদের মৃত্যুর পর তাদের পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হয়। তবে সুবিধার ধরন ও যোগ্যতা নির্ধারণে সামরিক সদস্যের দায়িত্বের প্রকৃতি, মৃত্যুর পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট আইনি বিধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে ইরান অভিযানের মতো একটি চলমান সামরিক সংঘাতকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ হিসেবে কীভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হচ্ছে, তা পরিবারগুলোর জন্য বাস্তব আর্থিক প্রভাব ফেলতে পারে।

 

জন ক্লিনারের মৃত্যুর ঘটনাটি তাই শুধু একটি সামরিক দুর্ঘটনার বিষয় নয়। তার পরিবারের সুবিধা নিয়ে তৈরি হওয়া প্রশ্নটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের ইরান অভিযান, সামরিক সদস্যদের স্বীকৃতি এবং তাদের পরিবারের অধিকার নিয়ে বৃহত্তর বিতর্কের অংশ হয়ে উঠেছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
নিহত মেজর জন ক্লিনারের স্ত্রী লিবি ক্লিনার স্বামীর মৃত্যুর পর প্রাপ্য সামরিক সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনার বিধবা স্ত্রীকে বিশেষ সরকারি সুযোগ সুবিধা না দেওয়ার অভিযোগ

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সহায়তাকারী মিশনে থাকা অবস্থায় নিহত এক মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্যের স্ত্রী দাবি করেছেন, স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি কিছু অতিরিক্ত সামরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ইরানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা না করায় ওই সুবিধাগুলো পাওয়ার ক্ষেত্রে তাকে অযোগ্য বলে জানানো হয়েছিল।   আলাবামার বাসিন্দা লিবি ক্লিনার হলেন মার্কিন বিমানবাহিনীর মেজর জন ‘অ্যালেক্স’ ক্লিনারের স্ত্রী। গত ১২ মার্চ ইরাকে একটি জ্বালানি সরবরাহ মিশনের সময় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ছয় মার্কিন সেনাসদস্যের একজন ছিলেন অ্যালেক্স ক্লিনার। তার পরিবারের সুবিধা নিয়ে ওঠা অভিযোগের পর বিষয়টি পর্যালোচনা করছে মার্কিন বিমানবাহিনী। সামরিক কর্মকর্তারা লিবি ক্লিনারের সঙ্গে যোগাযোগও করেছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম NOTUS-এর প্রতিবেদনের বরাতে ডেমোক্রেসি নাউ জানিয়েছে, লিবি ক্লিনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন যে তার স্বামীর মৃত্যুর পর কিছু সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক অভিযান চালালেও কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা না করায় কিছু সুবিধার জন্য তার পরিবারকে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি।   জন ক্লিনার ছিলেন বিমানবাহিনীর একজন মেজর। তিনি একটি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার বিমানে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহের ওই মিশনের সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ক্লিনারসহ ছয়জন বিমানসেনা নিহত হন। তারা ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের সহায়ক কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   স্বামীর মৃত্যুর পর লিবি ক্লিনার জানতে পারেন, কিছু সামরিক সুবিধা নিয়ে তার পরিবারের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনার পর তা দ্রুত আলোচনায় আসে। তার বক্তব্যের মূল প্রশ্ন ছিল, সামরিক সদস্যরা যখন ইরানসংক্রান্ত অভিযানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন, তখন কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করেনি বলে তাদের পরিবারের প্রাপ্য সুবিধা কেন ভিন্ন হবে।   ঘটনাটি সামনে আসার পর মার্কিন বিমানবাহিনী বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা শুরু করে। সামরিক কর্মকর্তারা সোমবার লিবি ক্লিনারের সঙ্গে কথা বলেন বলে NOTUS-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারটি তাদের প্রাপ্য সব সুবিধা পাচ্ছে কি না, সেটিও যাচাই করা হচ্ছে।   লিবি ক্লিনারের বিষয়টি এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের প্রকৃতি এবং সেটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করা হবে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেন। এরপর কয়েক মাস ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।   এদিকে এই বিতর্কের মধ্যেই মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের একটি বক্তব্য নতুন করে সমালোচনার জন্ম দেয়। ২ সেপ্টেম্বর সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলে কোনো মার্কিন নাগরিক নিহত হয়নি এবং মূলত অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। কিন্তু মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ইরান সংঘাতে ইতোমধ্যে ১৮ মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত এবং ৭৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। ফলে লুটনিকের বক্তব্য দ্রুত প্রশ্নের মুখে পড়ে।   পরদিন ৩ সেপ্টেম্বর লুটনিক নিজের বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। তিনি জানান, তিনি ভুল বলেছিলেন এবং আসলে ভেনেজুয়েলা নিয়ে সামরিক অভিযানের কথা মাথায় রেখেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধে ১৮ জন মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের ক্ষতির জন্য তিনি দুঃখিত। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও লুটনিকের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রীর মাথায় ভেনেজুয়েলার সামরিক অভিযান ছিল। ট্রাম্প একই সঙ্গে স্বীকার করেন যে ইরান সংঘাতে ১৮ জন নিহত হয়েছেন।   লিবি ক্লিনারের অভিযোগ এবং লুটনিকের ভুল বক্তব্য একই সময়ে সামনে আসায় ইরান অভিযানে নিহত মার্কিন সেনাদের পরিবারগুলোর প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে সামরিক অভিযানে নিহত সদস্যদের পরিবার কী ধরনের সুবিধা পাওয়ার অধিকারী এবং সেই সুবিধা নির্ধারণে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে লিবি ক্লিনারের পরিবার শেষ পর্যন্ত কোন কোন সুবিধা পাবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। বিমানবাহিনীর পর্যালোচনা শেষ হওয়ার পর বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।   মার্কিন সামরিক সদস্যদের মৃত্যুর পর তাদের পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হয়। তবে সুবিধার ধরন ও যোগ্যতা নির্ধারণে সামরিক সদস্যের দায়িত্বের প্রকৃতি, মৃত্যুর পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট আইনি বিধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে ইরান অভিযানের মতো একটি চলমান সামরিক সংঘাতকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ হিসেবে কীভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হচ্ছে, তা পরিবারগুলোর জন্য বাস্তব আর্থিক প্রভাব ফেলতে পারে।   জন ক্লিনারের মৃত্যুর ঘটনাটি তাই শুধু একটি সামরিক দুর্ঘটনার বিষয় নয়। তার পরিবারের সুবিধা নিয়ে তৈরি হওয়া প্রশ্নটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের ইরান অভিযান, সামরিক সদস্যদের স্বীকৃতি এবং তাদের পরিবারের অধিকার নিয়ে বৃহত্তর বিতর্কের অংশ হয়ে উঠেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ২২:২
ফ্লোরিডার নর্থ লডারডেলে ওয়ালমার্টের পার্কিং লটে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত

পার্কিংয়ের জায়গা নিয়ে বিরোধ, গুলি করে ৬২ বছরের ব্যক্তিকে হত্যা: ফ্লোরিডার নারীকে করা হচ্ছে না মামলা

যুক্তরাষ্ট্রে এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে মর্টগেজ রেট। ছবি: সংগৃহীত

মর্টগেজ রেট এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনা আরও ব্যয়বহুল হচ্ছে

আইসিইর নিয়োগ ও নিরাপত্তা যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে হুইসেলব্লোয়ারের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত

আইসিই নিয়োগ নিয়ে হুইসেলব্লোয়ারের অভিযোগ, পূর্ণ ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের আগেই নিয়োগ পাচ্ছেন সশস্ত্র এজেন্টরা

টাম্পায় ৯৩ বছর বয়সী এক নারীর অ্যাপার্টমেন্টে অনুপ্রবেশের ঘটনায় গ্রেপ্তার হন ২৪ বছর বয়সী কনর নরক্রস। ছবি: সংগৃহীত
টাম্পায় ৯৩ বছরের নারীর বিছানার পাশে অচেনা যুবক, ৯১১ কলে গ্রেপ্তার

ফ্লোরিডার টাম্পায় নিজের অ্যাপার্টমেন্টে ঘুমিয়ে থাকা ৯৩ বছর বয়সী এক নারী ঘুম থেকে উঠে বিছানার পায়ের কাছে এক অচেনা যুবককে দেখতে পান। ঘটনাটি ঘটে ৩০ আগস্ট সকালে। পরে অ্যাপার্টমেন্টের নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজের সহায়তায় ২৪ বছর বয়সী কনর নরক্রসকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করেছে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ’স অফিসের গোয়েন্দারা।   শেরিফের অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওই নারী ঘুম থেকে উঠে নরক্রসকে তার বিছানার কাছে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন। প্রথমে তিনি তাকে নিজের নাতি মনে করে কাছে ডাকেন। পরে বুঝতে পারেন, লোকটি তার পরিচিত কেউ নন।   ওই নারী জানান, তাকে উঠতে হবে এবং ওষুধ খেতে হবে। তখন নরক্রস তার হাত ঘষতে শুরু করেন এবং তাকে ওষুধ এনে দেওয়ার কথা বলেন। নারীটি তাকে অ্যাপার্টমেন্ট থেকে চলে যেতে বললে তিনি পেছনের কাচের স্লাইডিং দরজা দিয়ে বেরিয়ে যান।   তবে কিছুক্ষণ পর নরক্রস আবার ফিরে এসে সামনের দরজা দিয়ে অ্যাপার্টমেন্টে ঢোকার চেষ্টা করেন। দরজাটি তখন লক করা ছিল। পরে তদন্তকারীরা অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে নরক্রসকে শনাক্ত করেন।   ১ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বসবাসরত ব্যক্তিসহ বাসায় চুরির উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তির ওপর শারীরিক হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।   পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী ঘটনা ঘটলেও আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত নরক্রসকে আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ফ্লোরিডা প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ২০:৪০
মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম আফগান-আমেরিকান হিসেবে শপথ নিলেন আয়েশা ওয়াহাব

মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম আফগান-আমেরিকান হিসেবে শপথ নিলেন আয়েশা ওয়াহাব

নিউইয়র্কের চিকটোওয়াগা টাউন কাউন্সিলে প্রথম বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান হলেন পারভেজ রহমান

নিউইয়র্কের চিকটোওয়াগা টাউন কাউন্সিলে প্রথম বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান হলেন পারভেজ রহমান

বাইডেনের নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারকের রায়ে আবারও আটকাল ট্রাম্পের বার্থরাইট সিটিজেনশিপ আদেশ

বাইডেনের নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারকের রায়ে আবারও আটকাল ট্রাম্পের বার্থরাইট সিটিজেনশিপ আদেশ

নিউইয়র্ক পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে সিলেটের ইকবালের নতুন মাইলফলক, ডিটেকটিভ ফার্স্ট গ্রেড পদে পদোন্নতি
নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টে ডিটেকটিভ ফার্স্ট গ্রেড পদে পদোন্নতি পেলেন সিলেটের ইকবাল হোসেন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) গোয়েন্দা শাখায় ডিটেকটিভ ফার্স্ট গ্রেড পদে পদোন্নতি পেয়ে ইতিহাস গড়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। এনওয়াইপিডির দীর্ঘ ইতিহাসে এই শীর্ষ পদে পদোন্নতি পাওয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি তিনি।   সোমবার সকাল ১০টায় নিউইয়র্ক পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে ইকবালের হাতে পদোন্নতির সনদ তুলে দেন পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিস। তার এই সাফল্যে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে উৎসবের আমেজ ও গভীর গর্বের সৃষ্টি হয়েছে।   সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের সন্তান ইকবাল হোসেন ১৯৯০ সালে মাত্র ছয় বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থায় বেড়ে ওঠা ইকবাল সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর ২০০৬ সালের জুলাই মাসে এনওয়াইপিডিতে যোগ দেন।   দীর্ঘ দুই দশকের কর্মজীবনে তিনি ৩২ ও ২৬ প্রিসিনক্ট, সন্ত্রাসবিরোধী ব্যুরোর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার কমান্ড এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ক ব্যুরোর মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিভাগে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।   কাজের প্রতি একাগ্রতা ও নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৬ সালে তিনি ডিটেকটিভ থার্ড গ্রেড এবং ২০২২ সালের এপ্রিলে ডিটেকটিভ সেকেন্ড গ্রেড পদে উন্নীত হন।   বিশেষ করে এনওয়াইপিডির অন্যতম চ্যালেঞ্জিং ‘ফোর্স ইনভেস্টিগেটিভ গ্রুপ’-এর ৫৪ নম্বর দলে কাজ করার সময় তার তীক্ষ্ণ মেধা ও পেশাদারিত্ব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রশংসা কুড়ায়, যার চূড়ান্ত স্বীকৃতি এই ডিটেকটিভ ফার্স্ট গ্রেড পদোন্নতি।   ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী নিলুফা বেগম ও তিন ছেলেকে নিয়ে নিউইয়র্কের সাউথ ওজন পার্কে বসবাস করেন ইকবাল। পুলিশের কঠোর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গেও নিবিড়ভাবে যুক্ত।   তার এই অনন্য অর্জন প্রবাসীদের জন্য শুধু গর্বের বিষয়ই নয়, বরং প্রবাসী তরুণ প্রজন্মের কাছে কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও একাগ্রতার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ১৭:৫১
শিক্ষকতার পবিত্র দায়িত্ব ভুলে ১৪ বছরের ছাত্রের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক, আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন শিক্ষিকা

শিক্ষকতার পবিত্র দায়িত্ব ভুলে ১৪ বছরের ছাত্রের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক, আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন শিক্ষিকা

ক্যালিফোর্নিয়ায় তিন ভারতীয় বান্ধবীর মধ্যে দুজনের মৃত্যু, হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃতীয়জন

ক্যালিফোর্নিয়ায় তিন ভারতীয় বান্ধবীর মধ্যে দুজনের মৃত্যু, হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃতীয়জন

খালাকে মা সাজিয়ে গ্রিন কার্ড নেওয়ার অভিযোগ, আসল মাকে স্পনসর করতে গিয়ে ধরা মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্য

খালাকে মা সাজিয়ে গ্রিন কার্ড নেওয়ার অভিযোগ, আসল মাকে স্পনসর করতে গিয়ে ধরা মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্য

0 Comments