ক্যাম্পাস

রাবি ক্যাম্পাসে ঈদ উদযাপন করবেন প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী, থাকছে বিশেষ আয়োজন

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মার্চ ২০, ২০২৬ ০:৪৬
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

চাকরির প্রস্তুতি ও পরীক্ষাসহ ব্যক্তিগত নানা কারণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী এবার ক্যাম্পাসেই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকা এসব শিক্ষার্থীর ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) যৌথভাবে বিশেষ উপহার ও গণভোজের আয়োজন করেছে।

 

রাকসু সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পাস অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের জন্য ইতোমধ্যে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ঈদ উপহার হিসেবে ছাত্রদের জন্য পাঞ্জাবি এবং ছাত্রীদের জন্য থ্রি-পিসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া ঈদের দিন সকল শিক্ষার্থীর জন্য একটি বড় গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্যও থাকছে বিশেষ আপ্যায়নের ব্যবস্থা। রাকসু নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতে তারা পালাক্রমে ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদের দিন সকালে প্রশাসন ও হলের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। একই সঙ্গে ছুটির সময়ে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের একটি বিশেষ টিম কাজ করছে। প্রিয়জনদের ছেড়ে ক্যাম্পাসে থাকা এসব শিক্ষার্থীর মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করতেই এই সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

প্রতিবেদকঃ রাফাসান আলম

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

ক্যাম্পাস

View more
নিরাপদ পরিবেশ, আধুনিক প্রযুক্তি ও শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনের অনন্য সমন্বয়
চীনে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা: নিরাপদ পরিবেশ, আধুনিক প্রযুক্তি ও শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনের অনন্য সমন্বয়

চীনকে অনেকেই সম্ভাবনা ও স্বপ্নপূরণের দেশ হিসেবে দেখেন। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে দেশটি এখন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী মুমতাহিনা পারভীনের অভিজ্ঞতায় উঠে এসেছে সেই বাস্তব চিত্র—যেখানে রয়েছে নিরাপদ, নিরিবিলি ও মনোযোগী পড়াশোনার পরিবেশ।   বর্তমানে তিনি চীনের শিয়ামেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোনোমেট্রিক্স বিভাগে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়ন করছেন। তিনি জানান, অনার্স সম্পন্ন করার পর আবারও চীনে ফিরে আসার পেছনে মূল অনুপ্রেরণা ছিল এখানকার শিক্ষার পরিবেশ। পাশাপাশি পূর্ণ বৃত্তি পাওয়া তার জন্য বড় একটি সুযোগ হয়ে এসেছে।   চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের শিয়ামেন শহরটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আধুনিক নগরায়নের এক অনন্য উদাহরণ। দ্বীপঘেরা এই শহরের একদিকে বিস্তীর্ণ সমুদ্রসৈকত, অন্যদিকে সারিবদ্ধ পাহাড়মালা—যা পুরো পরিবেশকে করেছে মনোমুগ্ধকর। শহরের রাস্তাঘাট পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন এবং সবুজে ঘেরা। পথচারী, সাইকেল ও মোটরযানের জন্য আলাদা লেন থাকায় চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় থাকে। এমনকি জেব্রা ক্রসিংয়ে পথচারী দাঁড়ালেই যানবাহন থেমে যায়—যা নাগরিক সচেতনতার একটি স্পষ্ট উদাহরণ।   শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে মুমতাহিনা বলেন, চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন মেধা গড়ার কেন্দ্র। লাইব্রেরিগুলোতে প্রবেশ করলে নীরবতা ও মনোযোগের এক ভিন্ন জগৎ অনুভব করা যায়। বসার জন্য আগাম নিবন্ধনের ব্যবস্থা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ এবং বিপুলসংখ্যক বই—সব মিলিয়ে পড়াশোনার জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি হয়েছে।   চীনের সংস্কৃতিতেও রয়েছে বৈচিত্র্য। বিভিন্ন উৎসবে পরিবারকেন্দ্রিক আয়োজন এবং ঐতিহ্যবাহী খাবারের সমাহার দেশটির সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। ডাম্পলিং ও নানা ধরনের নুডলস তার পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে। তুলনামূলক কম মসলা ব্যবহার এবং সেদ্ধ বা হালকা রান্নার কারণে খাবারগুলো স্বাস্থ্যকর বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   ভাষাগত কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও বর্তমানে চীনে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে। অনেক তরুণ-তরুণী ইংরেজিতে দক্ষ হয়ে উঠছেন, পাশাপাশি চীনা ভাষা শেখার জন্যও রয়েছে বিভিন্ন সহায়তা। ফলে নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া আগের তুলনায় সহজ হয়েছে।   প্রযুক্তির ব্যবহারে চীন যে অনেক এগিয়ে, সেটিও তার অভিজ্ঞতায় স্পষ্ট। দৈনন্দিন জীবনে মোবাইলভিত্তিক লেনদেন এখন সাধারণ বিষয়। উইচ্যাট ও আলিপে শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কেনাকাটা থেকে শুরু করে বিল পরিশোধ—সবকিছুই সহজে সম্পন্ন হয় মোবাইলের মাধ্যমে।   নিরাপত্তা ব্যবস্থায়ও প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় প্রবেশে মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়েছে অসংখ্য সিসিটিভি ক্যামেরা, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে।   অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রেও চীন অনেক এগিয়ে। তাওবাও ও পিনদুওদুওর মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা যায় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই তা পৌঁছে যায় গ্রাহকের কাছে।   পরিবহন ব্যবস্থাও অত্যন্ত উন্নত। বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশেই বাস, সাবওয়ে, বিআরটি ও সাইকেল স্টেশনের সুবিধা থাকায় চলাচল সহজ হয়েছে। এছাড়া মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই ট্যাক্সি ডাকা যায়, যা সময় বাঁচাতে সহায়ক।   মুমতাহিনা পারভীনের মতে, চীনের উন্নয়নের যাত্রা একসময় বাংলাদেশের মতোই ছিল। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা, কঠোর পরিশ্রম এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশটি আজ অনেক দূর এগিয়েছে। তিনি মনে করেন, চীনের ইতিবাচক দিকগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশও উন্নত ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৫, ২০২৬ ৭:৩৮
শাহরিয়ার নাজিম সীমান্ত | ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ পেলেন ঢাবি ছাত্র সীমান্ত

ছবি: সংগৃহীত

র‍্যাগিংয়ের ভিডিও ধারণ করায় প্রক্টরের সামনেই সাংবাদিক ও রাকসু নেতাদের মারধরের অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

শাহবাগ থানার ভেতরেই দুই ডাকসু নেতার ওপর ছাত্রদলের হামলা

ছবি: সংগৃহীত
‘কীসের সাংবাদিক’ বলে ঢাবির ১০ রিপোর্টারকে পেটালো ছাত্রদল

রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ‘কীসের সাংবাদিক’ বলে চিৎকার করে চালানো এই হামলায় অন্তত ১০ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে শাহবাগ থানার সামনে এই ঘটনা ঘটে। হামলার সময় পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।   আহতদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মানজুর হোসেন মাহি, সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম, শামসুদ্দৌজা নবাব, মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন সিফাতসহ আরও কয়েকজন। আহত সিফাত চোখ ও মুখে গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদল কর্মীরা বাধা দেয় এবং বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা শুরু করে।   প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিভিন্ন হল শাখার প্রায় দেড় শতাধিক নেতাকর্মী এই হামলায় অংশ নেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক সৌরভ ইসলাম অভিযোগ করেন, ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম মিশু ‘সাংবাদিক সাংবাদিক, এই মার মার’ বলে তেড়ে আসেন এবং একের পর এক সাংবাদিককে বেধড়ক মারতে থাকেন। হামলায় হল শাখা ছাত্রদলের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতার নাম উঠে এসেছে যারা সরাসরি মারধর ও উসকানিতে জড়িত ছিলেন।   এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর এখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির জানিয়েছেন, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন এবং বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এদিকে ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর এমন হামলায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ২৩, ২০২৬ ০:২৫
সারাদেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

সারাদেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যানে নতুন রেকর্ড: চরম ভোগান্তিতে বাংলাদেশি ও ভারতীয়রা

ছবি: সংগৃহীত

বেরোবিতে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘শহিদ আবু সাঈদ বইমেলা’; নববর্ষ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি

ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
নিজের মৃত্যুর গুজবে অবাক রাফিয়া; স্ট্যাটাসে জানালেন ‘আমি সুস্থ আছি’

ফেসবুকে নিজের ছবি দেওয়া ‘শোক সংবাদ’ দেখে স্তম্ভিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়া। গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভুয়া ফটোকার্ড ভাইরাল হয়, যেখানে রাফিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন বলে দাবি করা হয়। এই অপপ্রচারের মুখে সরাসরি মুখ খুলেছেন তিনি; সাফ জানিয়েছেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ও বেঁচে আছেন।   তদন্তে দেখা গেছে, এই বিভ্রান্তির মূলে রয়েছে নামের সাদৃশ্য। গত ৮ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেত্রী রাফিয়া সুলতানা রাফি ইন্তেকাল করেন। কিন্তু কিছু অতিউৎসাহী ইউজার এবং অসাধু চক্র প্রয়াত সেই রাফিয়ার খবরের সাথে ডাকসু নেত্রী উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়ার ছবি জুড়ে দিয়ে গুজব ছড়াতে শুরু করে। এমনকি বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে ‘বাংলা ট্রিবিউন’-এর লোগোও নকল করা হয়।   ভুয়া এই ফটোকার্ডটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে রাফিয়ার শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এর প্রেক্ষিতে তিনি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, নামের মিল থাকায় অনেকেই তাকে প্রয়াত রাফিয়া সুলতানা রাফির সাথে গুলিয়ে ফেলছেন। তিনি সুস্থ আছেন এবং তাকে নিয়ে ছড়ানো এই খবরটি স্রেফ একটি নোংরা গুজব। একইসাথে বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষও এই ফটোকার্ডটিকে ‘ফেক’ বা ভুয়া বলে নিশ্চিত করেছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ১০, ২০২৬ ০:২০
ছবি: সংগৃহীত।

‘লিডনেক্সট ২০২৬’ ফেলোশিপ, এশিয়া ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আবেদন করুন এখনই

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের গাড়িতে হামলা; অটোপাশের দাবি প্রত্যাখ্যান

ফাইল ছবি

রাবি ক্যাম্পাসে ঈদ উদযাপন করবেন প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী, থাকছে বিশেষ আয়োজন

0 Comments