পিএইচডি ও দুই মাস্টার্স ডিগ্রির পরও ৪১ বছর বয়সে এমবিএ করছেন ইন্টেলের কর্মকর্তা! লক্ষ্য এআইে দক্ষতা
উচ্চশিক্ষার একাধিক ডিগ্রি অর্জনের পরও শেখার আগ্রহে ভাটা পড়েনি মিহিরকান্ত উপাধ্যায়ের। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইন্টেলের গ্লোবাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই পেশাজীবী ৪১ বছর বয়সে ভর্তি হয়েছেন হাইব্রিড এমবিএ প্রোগ্রামে। তাঁর লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সম্পর্কে নতুন জ্ঞান অর্জন এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল করপোরেট দুনিয়ায় নিজের দক্ষতা প্রাসঙ্গিক রাখা।
পিএইচডি ও দুটি মাস্টার্স ডিগ্রি থাকার পরও নতুন করে এমবিএ করার সিদ্ধান্ত পেশাজীবীদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতে কাজ করা ব্যক্তিদের জন্য সময়ের সঙ্গে দক্ষতা হালনাগাদ করার গুরুত্ব তাঁর এই সিদ্ধান্তে নতুন করে সামনে এসেছে।
মিহিরকান্তের এই পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে এআইনির্ভর কর্মপরিবেশে নিজেকে প্রস্তুত রাখার পরিকল্পনা। প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজের ধরন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং ব্যবস্থাপনার কৌশল বদলে যাচ্ছে। ফলে শুধু পূর্বের শিক্ষাগত যোগ্যতা বা দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর না করে নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে শেখার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে।
হাইব্রিড এমবিএ প্রোগ্রামে অনলাইন ও সরাসরি শিক্ষার সমন্বয় থাকে। কর্মজীবনের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকায় এ ধরনের প্রোগ্রাম পেশাজীবীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
মিহিরকান্ত উপাধ্যায়ের সিদ্ধান্ত অনেকের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে। ক্যারিয়ারে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও শেখার নতুন সুযোগ গ্রহণ করা যায়। বয়স কিংবা আগে অর্জিত ডিগ্রির সংখ্যা নতুন কিছু শেখার পথে বাধা হওয়া উচিত নয়।
বিশেষ করে এআইয়ের বিস্তারের কারণে প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা, দুই ক্ষেত্রেই নতুন দক্ষতার চাহিদা তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত রাখার গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে।
তবে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, এমবিএ প্রোগ্রামের নাম এবং ভর্তির সময় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৪১ বছর বয়সে এমবিএ করার সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য এআই সম্পর্কে শেখা এবং পরিবর্তনশীল করপোরেট পরিবেশে নিজের দক্ষতা ধরে রাখা।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
শিক্ষা
View moreযুক্তরাজ্যে পড়াশোনা শেষ করে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাজ খোঁজা ও কর্মজীবন শুরু করার সুযোগ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। নির্বাচিত কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের জন্য পোস্ট-স্টাডি গ্র্যাজুয়েট ভিসার মেয়াদ আবারও দুই বছর করার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিবাসনবিধি মেনে চলার রেকর্ড ভালো এবং স্নাতকদের চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফল রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে। যুক্তরাজ্য সরকারের নতুন বাজেট ঘোষণায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে লেবার সরকার গ্র্যাজুয়েট ভিসার মেয়াদ দুই বছর থেকে কমিয়ে ১৮ মাস করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সাধারণ গ্র্যাজুয়েট ভিসার মেয়াদ ১৮ মাস হওয়ার কথা। তবে নতুন পরিকল্পনায় নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের জন্য দুই বছর থাকার সুযোগ রাখা হচ্ছে। গ্র্যাজুয়েট ভিসা মূলত যুক্তরাজ্যে স্নাতক বা উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য। এই ভিসার মাধ্যমে তাঁরা পড়াশোনা শেষে নির্দিষ্ট সময় দেশটিতে থেকে চাকরি খুঁজতে এবং কাজ করতে পারেন। সাধারণত এই ভিসার জন্য নিয়োগকর্তার কাছ থেকে স্পনসরশিপ নিতে হয় না। তবে এই ভিসা সরাসরি স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয় না। নতুন সিদ্ধান্তে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় দুই বছরের ভিসার সুবিধা পাবে, তা এখনো বিস্তারিতভাবে নির্ধারণ করা হয়নি। সরকারের ঘোষণায় ‘উচ্চ মাত্রায় নিয়ম মেনে চলা’ এবং স্নাতকদের কর্মসংস্থানের ভালো ফল—এই দুই বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কোন মানদণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যোগ্য ঘোষণা করা হবে, কতটি প্রতিষ্ঠান এই সুবিধা পাবে এবং কীভাবে স্নাতকদের চাকরির ফলাফল মূল্যায়ন করা হবে, তা স্পষ্ট নয়। এই পরিবর্তনকে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সরকারের নীতিতে আংশিক পিছু হটা হিসেবে দেখছেন উচ্চশিক্ষা খাতের বিশেষজ্ঞরা। উচ্চশিক্ষা নীতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক নিক হিলম্যান এই সিদ্ধান্তকে ‘ছোট পরিসরের নীতিগত পরিবর্তন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, কিছু প্রতিষ্ঠানকে আলাদা করে অন্যদের তুলনায় বেশি সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট শক্তিশালী যুক্তি থাকা দরকার। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই যুক্তি স্পষ্ট নয়। হিলম্যান আরও বলেছেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যে থাকার সময়সীমা তাঁদের স্নাতক পর্যায়ের কর্মসংস্থানের ফলাফলের সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্তটি যথেষ্ট যুক্তিসংগত নয়। কারণ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে চাকরি পাওয়ার বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলনামূলকভাবে সীমিত। ফলে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মজীবনে ভালো করছেন, তা নির্ধারণের জন্য পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া কঠিন হতে পারে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব স্টুডেন্টসের ইংল্যান্ড শাখার সভাপতি ফেভার স্যামুয়েলও এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অভিবাসনের নির্দিষ্ট একটি সংখ্যা কমানোর লক্ষ্য পূরণ করতে গিয়ে সরকার যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক সুনাম এবং বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থানকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। তিনি মনে করেন, শুধু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য গ্র্যাজুয়েট ভিসার মেয়াদ দুই বছর করা হলে পুরো ব্যবস্থায় বিভ্রান্তি আরও বাড়তে পারে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের বাছাই করা ও গবেষণায় অগ্রগামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিত্বকারী রাসেল গ্রুপের কৌশলগত নীতি বিভাগের পরিচালক হলি চ্যান্ডলার সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর মতে, বিশ্বের মেধাবী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও স্নাতকেরা যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি এবং কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় অভিবাসনসংক্রান্ত নিয়ম যথাযথভাবে মেনে চলে, সেসব প্রতিষ্ঠানের স্নাতকদের জন্য ভিসার মেয়াদ কমানোর পরিকল্পনা থেকে সরে আসা যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে সুনাম রক্ষায় সহায়তা করতে পারে। চ্যান্ডলার আরও বলেছেন, এই স্নাতকদের দক্ষতা ও অবদান কাজে লাগানোর সুযোগও এতে বাড়বে। নতুন নীতির বিস্তারিত নির্ধারণ এবং বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাসেল গ্রুপ। নতুন বাজেটে বিদেশি মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে আরও একটি পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ‘হাই পটেনশিয়াল ইন্ডিভিজুয়াল’ বা উচ্চ সম্ভাবনাময় ব্যক্তিদের ভিসার আওতা বাড়িয়ে বিশ্বের শীর্ষ ১৫০টি প্রতিষ্ঠানের যোগ্য ডিগ্রিধারীদের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগে এই ভিসার জন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠানের তালিকা ছিল তুলনামূলক ছোট। নতুন সম্প্রসারণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করা আরও বেশি মেধাবী ব্যক্তির যুক্তরাজ্যে আসার সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই ভিসার আওতায় আবেদনকারীদের যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে। সরকারের বৃহত্তর লক্ষ্য হলো, একদিকে অভিবাসনব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, অন্যদিকে দক্ষ আন্তর্জাতিক কর্মী ও মেধাবী স্নাতকদের জন্য যুক্তরাজ্যকে আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে ধরে রাখা। তবে গ্র্যাজুয়েট ভিসার নতুন সুবিধা কার্যকর করতে হলে যোগ্য বিশ্ববিদ্যালয় বাছাইয়ের মানদণ্ড এবং বাস্তবায়নের সময়সূচি স্পষ্ট করা জরুরি। যাঁরা যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করছেন বা পড়তে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—দুই বছরের ভিসার সুবিধা সব বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের জন্য নিশ্চিত নয়। নতুন নিয়মের বিস্তারিত প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্যতা ও ভিসার মেয়াদ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ধরে নেওয়া উচিত হবে না। বিশেষ করে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সাধারণ গ্র্যাজুয়েট ভিসার মেয়াদ কমানোর পরিকল্পনা থাকায়, আবেদন করার সময়কার কার্যকর নিয়ম এবং নিজের যোগ্যতা যাচাই করা জরুরি।
পিএইচডি ও দুই মাস্টার্স ডিগ্রির পরও ৪১ বছর বয়সে এমবিএ করছেন ইন্টেলের কর্মকর্তা! লক্ষ্য এআইে দক্ষতা
কানাডার এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে লাগে না ফি! জেনে নিন সম্পূর্ণ তালিকা
ব্রেক্সিটের পর ইরাসমাসে ফিরছে যুক্তরাজ্য, নভেম্বরেই আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীরা
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য উপযুক্ত শহর বেছে নিতে শুধু ভালো বিশ্ববিদ্যালয় দেখলেই হয় না। পড়াশোনার খরচ, আবাসন, চাকরির সুযোগ, নিরাপত্তা, বিনোদন এবং শিক্ষাজীবনের সামগ্রিক পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় বিবেচনায় ২০২৭ সালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সেরা কলেজ শহরের তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের অস্টিন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মিশিগানের অ্যান আরবার। এরপর ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিল, নর্থ ক্যারোলাইনার র্যালি এবং জর্জিয়ার আটলান্টা শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ৪১৫টি শহর নিয়ে করা এক গবেষণায় এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এতে ৩১টি সূচকের ভিত্তিতে শহরগুলোর পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয়, সামাজিক পরিবেশ, উচ্চশিক্ষার মান এবং অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থানের সুযোগ ছিল মূল্যায়নের প্রধান বিষয়। সাম্প্রতিক প্রকাশিত এই তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থী এবং তাঁদের পরিবারের জন্য শহর বাছাইয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিতে পারে। অস্টিনের শীর্ষে থাকার পেছনে রয়েছে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়, তুলনামূলক ভালো কর্মসংস্থান পরিস্থিতি এবং বিনোদনের বিস্তৃত সুযোগ। তবে তালিকার প্রথম স্থানে থাকা মানেই শহরটি সব দিক থেকে সবচেয়ে সস্তা, এমন নয়। বরং বিভিন্ন সূচকের সম্মিলিত মূল্যায়নে অস্টিন অন্য শহরগুলোর চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। টেক্সাসের রাজধানী অস্টিনে রয়েছে ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিন, হাস্টন-টিলটসন ইউনিভার্সিটি, সেন্ট এডওয়ার্ডস ইউনিভার্সিটি এবং কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটিসহ বেশ কয়েকটি উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের কারণে শহরটিতে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা ও শিক্ষাজীবনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। উচ্চশিক্ষার মানের দিক থেকে অস্টিন যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোর মধ্যে ২২তম অবস্থানে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শহরটির বেকারত্বের হার দেশের অন্যতম কম। বার্ষিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হারেও অস্টিন ৩৪তম অবস্থানে রয়েছে। ফলে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ খোঁজা কিংবা স্নাতক শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য শহরটি আকর্ষণীয় হতে পারে। শুধু শিক্ষা ও চাকরির সুযোগ নয়, অস্টিনে রয়েছে নানা ধরনের বিনোদনকেন্দ্র, ক্রীড়া ক্লাব এবং কেনাকাটার জায়গা। এসব সুবিধা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার বাইরেও সামাজিক জীবন উপভোগ করার সুযোগ দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে এমন পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মিশিগানের অ্যান আরবার। শহরটি ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। উচ্চশিক্ষার মানের সূচকে অ্যান আরবার ১২তম অবস্থানে রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য শহরটি বেছে নেওয়ার আগে ব্যয়ের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা জরুরি। সেখানে রাজ্যের বাসিন্দাদের জন্য টিউশন ফি, আবাসন ও খাবারসহ বার্ষিক গড় ব্যয় ৩৬ হাজার ৯৩২ ডলার বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যয়টি কম নয়, তবে সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরগুলোর ক্ষেত্রে বছরে প্রায় ৯৫ হাজার ডলার পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে গবেষণায় তুলে ধরা হয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিল। শহরটির উচ্চশিক্ষার সুনামের পেছনে ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক পরিবেশ এবং শিক্ষার জন্য পরিচিতি শহরটিকে তালিকার ওপরের দিকে নিয়ে এসেছে। চতুর্থ স্থানে থাকা নর্থ ক্যারোলাইনার রাজধানী র্যালি এবং পঞ্চম স্থানে থাকা জর্জিয়ার আটলান্টাও শিক্ষার্থীদের জন্য উল্লেখযোগ্য বিকল্প। এই দুই শহর শীর্ষ পাঁচে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক শহর উচ্চশিক্ষা, সামাজিক পরিবেশ ও কর্মসংস্থানের সুযোগের সমন্বয়ে ভালো অবস্থান তৈরি করেছে। শহর নির্বাচনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত পছন্দ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে গবেষণার বিশ্লেষক চিপ লুপোর মতে, উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নেওয়ার পাশাপাশি সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের শহরটি শিক্ষার্থীর জীবনযাপনের জন্য কতটা উপযোগী, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন। জীবনযাত্রার ব্যয় কম, বিনোদনের সুযোগ বেশি এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য—এমন শহরে কলেজজীবন তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে শক্তিশালী অর্থনীতি থাকলে পড়াশোনার সময় কিংবা স্নাতক শেষ করার পর চাকরি পাওয়ার সুযোগ বাড়তে পারে। তবে এই তালিকাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানের চূড়ান্ত র্যাঙ্কিং হিসেবে দেখা উচিত নয়। কোনো শহর সামগ্রিকভাবে ভালো অবস্থানে থাকলেও সেখানে নির্দিষ্ট বিষয়ে পড়াশোনার খরচ বেশি হতে পারে। আবার পছন্দের বিষয়ে ভালো সুযোগ থাকা কোনো শহর সামগ্রিক তালিকায় তুলনামূলক পিছিয়ে থাকতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি, আবাসন ব্যয়, বৃত্তি, যাতায়াত, পড়াশোনার বিষয় এবং স্নাতক শেষে চাকরির সম্ভাবনা আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। সব মিলিয়ে, অস্টিন, অ্যান আরবার, শার্লটসভিল, র্যালি ও আটলান্টা ২০২৭ সালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সেরা পাঁচ কলেজ শহর হিসেবে উঠে এসেছে। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও সামাজিক জীবনের সুযোগ বিবেচনায় শহরগুলো শিক্ষার্থীদের নজর কাড়তে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের আর্থিক সামর্থ্য ও শিক্ষাগত লক্ষ্য অনুযায়ী প্রতিটি শহরের সুবিধা-অসুবিধা তুলনা করে নেওয়াই হবে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ।
৫ কোটি টাকার ফেলোশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডির সুযোগ পেলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আশফাকুর
এইচএসসিতে জিপিএ ২.৯৩ পেয়েও ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডির অফার পেলেন রায়হান
হকিংয়ের পাওয়া পুরস্কার এবার বাঙালির! পদার্থবিদ্যার অস্কার ক্লেন মেডেল অশোক সেনের
সুইডেনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ টিউশন ফি ও মাসিক জীবনযাত্রার ভাতাসহ মাস্টার্স করার সুযোগ পাবেন আবেদনকারীরা। সুইডিশ ইনস্টিটিউটের এসআই স্কলারশিপ ফর গ্লোবাল প্রফেশনালসের আওতায় ২০২৭ থেকে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষে এই বৃত্তি দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে ১৬ অক্টোবর। বৃত্তির জন্য আলাদা আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। সুইডিশ ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচিতদের মাস্টার্স প্রোগ্রামের সম্পূর্ণ টিউশন ফি সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিশোধ করা হবে। পাশাপাশি পড়াশোনার সময়ে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে প্রতি মাসে দেওয়া হবে ১২ হাজার সুইডিশ ক্রোনা। বাংলাদেশি বৃত্তিপ্রাপ্তদের জন্য এককালীন ভ্রমণ অনুদান থাকবে ১৫ হাজার ক্রোনা। তবে আগে থেকেই সুইডেনে বসবাসকারীরা এই ভ্রমণ অনুদান পাবেন না। বৃত্তিটি নির্ধারিত পূর্ণকালীন এক বা দুই বছরের মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য প্রযোজ্য। এর আওতায় স্বাস্থ্যবিমা, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন ফি কিংবা সঙ্গে যাওয়া পরিবারের সদস্যদের বাড়তি খরচ বহন করা হয় না। ফলে টিউশন ফি ও মাসিক ভাতা পাওয়া গেলেও কিছু ব্যয় আবেদনকারীকে নিজস্বভাবে বহন করতে হবে। স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যও দেখে নিতে হবে। বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো কাজের অভিজ্ঞতা। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির আগে অন্তত তিন হাজার ঘণ্টার কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সর্বোচ্চ তিনজন নিয়োগকর্তার অধীনে অর্জিত অভিজ্ঞতা মিলিয়ে এই শর্ত পূরণ করা যাবে। পাশাপাশি বর্তমান বা আগের কর্মক্ষেত্র, নিজস্ব উদ্যোগ কিংবা সামাজিক সংগঠনে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতার প্রমাণ প্রয়োজন হবে। আবেদনকারীকে নির্বাচিত মাস্টার্স প্রোগ্রামের শিক্ষাগত ও ভাষাগত যোগ্যতাও পূরণ করতে হবে। শুধু বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া কিংবা কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেই বৃত্তি নিশ্চিত হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা এবং এসআইয়ের বৃত্তির যোগ্যতা আলাদাভাবে বিবেচিত হবে। বৃত্তির চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত প্রোগ্রামে ভর্তি অথবা শর্তসাপেক্ষ ভর্তির অনুমোদন প্রয়োজন। এই বৃত্তি সুইডেনের সব মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য উন্মুক্ত নয়। সুশাসন, জনস্বাস্থ্য, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও উদ্ভাবন এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতসংশ্লিষ্ট নির্ধারিত ইংরেজি মাধ্যমের প্রোগ্রাম এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ২০২৭ থেকে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের যোগ্য প্রোগ্রামের তালিকা এবং বৃত্তির আবেদনের প্রয়োজনীয় নথি আগামী ১৩ নভেম্বর প্রকাশের কথা রয়েছে। প্রোগ্রাম বাছাইয়ের সময় সেই তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। আবেদনের প্রথম ধাপে ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশনসের মাধ্যমে মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন করতে হবে। এই ধাপের শেষ সময় ২০২৭ সালের ১৫ জানুয়ারি। প্রয়োজনীয় সহায়ক কাগজপত্র জমা দেওয়া এবং প্রযোজ্য আবেদন ফি পরিশোধের শেষ সময় ১ ফেব্রুয়ারি। মাস্টার্সে ভর্তির ফল প্রকাশ হবে ১ এপ্রিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলেই এসআই বৃত্তির আবেদন সম্পন্ন হবে না। দ্বিতীয় ধাপে এসআইয়ের নির্ধারিত পোর্টালে বৃত্তির আবেদন জমা দিতে হবে ৮ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। শেষ দিন মধ্য ইউরোপীয় সময় দুপুর ২টা ৫৯ মিনিটে পোর্টাল বন্ধ হবে। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, বৃত্তির ফল প্রকাশ হবে ২২ এপ্রিল। আবেদনকারীদের সিভি, রেফারেন্স, কাজ ও নেতৃত্বের অভিজ্ঞতার প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় নথি এসআইয়ের হালনাগাদ নির্দেশনা ও নির্ধারিত ফরম অনুসারে প্রস্তুত করতে হবে।
বিদেশে উচ্চশিক্ষা: অধ্যাপককে ইমেইল পাঠানোর আগে জানতে ও যাচাই করতে হবে ১০ বিষয়
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অক্সফোর্ডে পাবলিক পলিসি পড়ছেন ইস্ট ওয়েস্টের ইসরাত জাহান