সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

রাহুল নাকি বিজয়? প্রধানমন্ত্রী পদ নিয়ে কংগ্রেস টিভিকে জোটে টানাপোড়েন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ ৯:৫৪
ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাহুল গান্ধী ও টিভিকে প্রধান বিজয়। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাহুল গান্ধী ও টিভিকে প্রধান বিজয়। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের আগামী লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী পদে কে থাকবেন, তা নিয়ে কংগ্রেস ও তামিলনাড়ুর দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে)-এর মধ্যে মতপার্থক্যের জল্পনা তৈরি হয়েছে।

 

সম্প্রতি টিভিকে-র কয়েকজন নেতা দলটির প্রধান ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরায় এ আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেসের একটি অংশ প্রধানমন্ত্রী পদে রাহুল গান্ধীকে সামনে রাখার পক্ষে।

 

এ নিয়ে বিজেপিও কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সি আর কেশবন প্রশ্ন তুলেছেন, কংগ্রেস যদি টিভিকে-কে সমর্থন করে থাকে, তাহলে কেন তারা সেই সমর্থন প্রত্যাহার করছে না।

 

কেশবনের অভিযোগ, কংগ্রেসের এই অবস্থান মূলত রাজনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, টিভিকে-র সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে এত আলোচনা ও মতবিরোধের পরও কংগ্রেস কেন তাদের সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।

 

এদিকে কংগ্রেস ও টিভিকে নেতাদের বক্তব্য ঘিরে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী পদে রাহুল গান্ধী নাকি বিজয়কে সামনে রাখা হবে, সেটিই এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনার অন্যতম বিষয়।

 

তবে এখনো প্রধানমন্ত্রী পদে আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। ফলে কংগ্রেস ও টিভিকে-র মধ্যকার এই টানাপোড়েন শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
ম্যানচেস্টার সিনাগগ হামলার আদলে ভুয়া বিস্ফোরক ভেস্ট বানানোর দায়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ খালিল নাদির। ছবি: সংগৃহীত
ম্যানচেস্টার হামলাকারীকে অনুকরণ, ভুয়া বোমা ভেস্ট পরায় মোহাম্মদ খালিলের কারাদণ্ড

যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে সিনাগগে হামলাকারীর ব্যবহৃত ভুয়া বিস্ফোরক ভেস্ট নিয়ে গবেষণা করে একই ধরনের একটি ভেস্ট বানিয়ে ভিডিও প্রকাশের ঘটনায় ১৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ খালিল নাদিরকে সাড়ে ৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার লিডস ক্রাউন কোর্টে তাকে এই সাজা দেওয়া হয়।   নাদির ইংল্যান্ডের মিডলসব্রোর ক্লফ ক্লোজের বাসিন্দা। আদালতে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী উদ্দেশ্যে সামগ্রী রাখার এবং সন্ত্রাসবাদী প্রকাশনা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। জুনে অনুষ্ঠিত বিচারে জুরি তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি মুক্তির পর তাকে আরও তিন বছর বর্ধিত লাইসেন্সের আওতায় থাকতে হবে।   কাউন্টার টেররিজম পুলিশিং নর্থ ইস্ট জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর ম্যানচেস্টারের হিটন পার্ক হিব্রু কংগ্রেগেশন সিনাগগে হামলার পর নাদির হামলাকারী জিহাদ আল-শামির পরা ভুয়া বিস্ফোরক ভেস্ট নিয়ে অনলাইনে গবেষণা শুরু করেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি একই ধরনের একটি ভেস্ট অর্ডার করেন।   ভেস্টটি হাতে পাওয়ার দিন নাদির অনলাইনে ৫০০টি স্টিল বল বিয়ারিং কেনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলেও আদালতে জানানো হয়। পরে তিনি ভেস্টটিতে নকল তার ও ট্রিগার যুক্ত করে সেটি পরা অবস্থায় একটি ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওতে বিস্ফোরণের শব্দ যোগ করে সেটি টেলিগ্রামে ছড়িয়ে দেন।   ২০২৫ সালের অক্টোবরে নাদিরকে গ্রেপ্তারের পর তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ওই ভারী ভেস্টটি উদ্ধার করে পুলিশ। তার ডিভাইসগুলো থেকেও বিপুল পরিমাণ সন্ত্রাসবাদী উপকরণ পাওয়া যায়। এর মধ্যে শহীদ হওয়ার নামে সহিংসতা উসকে দেওয়া হাতে লেখা নথি, দায়েশের প্রচারণামূলক ভিডিও এবং হত্যাকাণ্ডে উৎসাহিত করে এমন লেখা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।   কাউন্টার টেররিজম পুলিশিং নর্থ ইস্টের প্রধান ডিটেকটিভ চিফ সুপারিনটেনডেন্ট জেমস ডানকারলি বলেন, তদন্তে নাদিরের উগ্রবাদী বিশ্বাস গত দুই বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ওঠার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি শুধু সন্ত্রাসবাদী প্রচারণা নিজের কাছে রাখেননি, অনলাইনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা ও প্রচারণামূলক উপকরণও ছড়িয়েছেন।   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অনলাইন চ্যাট ও ভয়েস নোটে নাদিরের সহিংসতার প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং ভয় সৃষ্টি করতে সহিংসতা ব্যবহারের মানসিকতারও প্রমাণ পাওয়া যায়।   নাদিরের মামলাটি ২০২৫ সালের ম্যানচেস্টার সিনাগগ হামলার পর অনলাইনে উগ্রবাদী প্রচারণা ও হামলার অনুকরণ নিয়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের উদ্বেগের মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে।   ওই হামলায় ৩৫ বছর বয়সী জিহাদ আল-শামি গাড়ি দিয়ে সিনাগগের গেটে ধাক্কা দেওয়ার পর ছুরি নিয়ে হামলা চালান। তিনি শরীরে একটি ভুয়া আত্মঘাতী ভেস্ট পরেছিলেন। হামলায় মেলভিন ক্রাভিটজ, ৬৬, এবং অ্যাড্রিয়ান ডলবি, ৫৩, নিহত হন। পরে সশস্ত্র পুলিশ আল-শামিকে গুলি করে হত্যা করে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ ১০:৯
ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাহুল গান্ধী ও টিভিকে প্রধান বিজয়। ছবি: সংগৃহীত

রাহুল নাকি বিজয়? প্রধানমন্ত্রী পদ নিয়ে কংগ্রেস টিভিকে জোটে টানাপোড়েন

৪৭ বছর বয়সী রমাবাই রণবীর

মেয়ের পড়ার খরচ জোগাতে খালি পায়ে দৌড়ে ম্যারাথনে প্রথম ৪৭ বছরের মা

ভারতীয় ব্যবসায়ী অশোক কুমার চৌরাসিয়া

বন্যার আগে ৪৫ কোটি রুপির সম্পদের মালিক, আজ ধার করা শার্টে দিন কাটছে তার

দেশজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ইরান
শত্রুর যেকোনো হামলা মোকাবিলায় দেশজুড়ে ৩৮০০ প্রতিরক্ষা ইউনিট মোতায়েন করেছে ইরান

নিজস্ব আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতে এবং শত্রুপক্ষের যেকোনো সম্ভাব্য হামলা রুখে দিতে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ইরান। এই লক্ষ্যে দেশের তিন হাজার আটশটিরও বেশি স্থানে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার খাতাম আল-আনবিয়া এয়ার ডিফেন্স বেস প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় বিমান প্রতিরক্ষা দিবস উপলক্ষে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ইরানের সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-সমন্বয়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাদেঘিয়ান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   মেহের নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা যায়, ইরানের এই সুবিশাল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণ, সার্বক্ষণিক নজরদারি, অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান এবং প্রয়োজনে তা ধ্বংস করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করে থাকে। জেনারেল সাদেঘিয়ান জানান, দেশের আকাশসীমা এবং এর বাইরেও যেকোনো উড়ন্ত বস্তুকে দ্রুততম সময়ে শনাক্ত করে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনায় যুদ্ধবিমান বা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে ইরানি বাহিনী। শত্রুপক্ষের যেকোনো বিমানকে তাদের মিশন সম্পন্ন করতে না দেওয়াই এই ব্যবস্থার চূড়ান্ত লক্ষ্য।   যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পাশাপাশি শান্তিকালেও ইরানের এই আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আকাশসীমায় প্রবেশকারী সব ধরনের যাত্রীবাহী ও বাণিজ্যিক বিমান, অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট এবং উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত হেলিকপ্টারের গতিবিধি সরাসরি এই কর্তৃপক্ষের সমন্বয় ও অনুমতির আওতায় পরিচালিত হয়। দেশের মরুভূমি, উপকূলীয় অঞ্চল, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত দ্বীপাঞ্চলেও এই বাহিনীর সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। উন্নত রাডার নেটওয়ার্ক, আধুনিক ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল প্রযুক্তি এবং নজরদারি ইউনিটগুলোর মাধ্যমে ইরানের আকাশসীমা ও এর বাইরের আকাশপথ এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সুরক্ষিত।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ ৬:১১
পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক সিন্ধু পানি চুক্তি। ছবি: সংগৃহীত

‘আন্তর্জাতিক আদালতে পাত্তাই পেল না ভারত!’ সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতের সুযোগ নেই

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৪৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৪৪৯, ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ আরও হাজারো

নেপালে আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যার পর ৩৯টি দেশের অন্তত ৫৯০ জন বিদেশি নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় ৩৯ দেশের অন্তত ৫৯০ বিদেশি নাগরিক নিখোঁজ

ইসলামকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধর্ম হিসেবে উল্লেখ করে জীবনে একবার হজ পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বাসবরাজ রায়ারেড্ডি। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে ইসলামের প্রশংসা, হজ পালনের ইচ্ছা জানিয়ে বিতর্কে মন্ত্রী

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বাসবরাজ রায়ারেড্ডি ইসলামকে বিশ্বের ‘শ্রেষ্ঠ ও বৈজ্ঞানিক ধর্ম’ হিসেবে উল্লেখ করে জীবনে অন্তত একবার হজ পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যের পর রাজ্যটিতে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।   শনিবার কপ্পাল জেলার কুকানুরে মুসলিম সম্প্রদায়ের আয়োজিত একটি গণবিবাহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় রায়ারেড্ডি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ইসলাম মানবতার শিক্ষা দেয় এবং সমাজে একজন মানুষের কীভাবে জীবনযাপন করা উচিত, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে। একই সঙ্গে ইসলাম সম্পর্কে সমাজে নানা ভুল ধারণা ছড়ানো হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   রায়ারেড্ডি বলেন, কোরআন শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, যে কেউ এটি পড়তে পারেন। নিজেও কোরআন পড়তে ও ইসলামসহ বিভিন্ন ধর্মের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে আগ্রহী বলে জানান তিনি।   হজ পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করে রায়ারেড্ডি বলেন, জীবনে অন্তত একবার মক্কায় গিয়ে হজ করার তাঁর ইচ্ছা রয়েছে। তবে অমুসলিম হওয়ায় হজ পালনের সুযোগ না পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।   ধর্মীয় সম্প্রীতির আহ্বান জানিয়ে রায়ারেড্ডি বলেন, কোনো ধর্ম বা সম্প্রদায়ের প্রতি উগ্র হওয়া উচিত নয়। সব ধর্মের ভালো শিক্ষা ও মূল্যবোধ গ্রহণ করে তা জীবনে প্রয়োগ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।   তবে তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কর্ণাটকে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিজেপির নেতারা রায়ারেড্ডির বক্তব্যের সমালোচনা করে দাবি করেছেন, তাঁর মন্তব্যে হিন্দু ধর্মের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। বিজেপি নেতা ও বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা আর অশোক রায়ারেড্ডির কাছে বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।   এদিকে সমালোচনার পর রায়ারেড্ডি তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, কোনো ধর্মকে ছোট করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। তাঁর দাবি, তিনি ইসলামের কিছু মূল্যবোধ ও আদর্শের প্রশংসা করেছেন। সব ধর্মই মহান এবং কোনো ধর্মই খারাপ নয় বলেও পরে মন্তব্য করেন তিনি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৩১, ২০২৬ ১০:৪১
ভারতের কর্ণাটকে মদ্যপ অবস্থায় খাবারে বেশি মুরগি নেওয়াকে কেন্দ্র করে ঝগড়ার জেরে বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ। ছবি: সংগৃহীত

মুরগির মাংসের টুকরো বেশি খাওয়ায় কে কেন্দ্র করে বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

নেপালে বন্যাকবলিত এলাকায় ছোট বোনকে পিঠে নিয়ে এক শিশুর এগিয়ে যাওয়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ছবি: সংগৃহীত

বন্যার ধ্বংসস্তূপে ছোট বোনকে আগলে ভাই, নেপালের দৃশ্য মনে করাল ‘গ্রেভ অব দ্য ফায়ারফ্লাইস’

রাশিয়ায় যুদ্ধকালীন ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা, বিয়ের আইন

রাশিয়ায় যুদ্ধে যাওয়ার আগে সৈনিকদের বিয়ে, ক্ষতিপূরণ পেতে ‘ব্ল্যাক উইডো’ চক্র

0 Comments