আমেরিকা

সুদের হার নিয়ে অপেক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র, ফেডের পরবর্তী সিদ্ধান্তে নজর বিশ্ববাজারের

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২, ২০২৬ ৬:১৮
সংগৃহীত
সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) পরবর্তী সুদের হার–সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে ঘিরে দেশটির আর্থিক বাজারে বাড়ছে অপেক্ষা। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারী, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টিও এখন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে। কারণ বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির সুদের হার পরিবর্তনের প্রভাব আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বৈদেশিক মুদ্রাবাজার এবং পণ্যমূল্যের ওপর সরাসরি পড়ে।

 

ফেড সর্বশেষ নীতিনির্ধারণী বৈঠকে মূল সুদের হার অপরিবর্তিত রাখে। সেই বৈঠকের পর প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়, ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়ানো, কমানো বা অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে নতুন অর্থনৈতিক তথ্যের ভিত্তিতে নেওয়া হবে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, ভোক্তা ব্যয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির তথ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

এখন বাজারের প্রধান আলোচনার বিষয় যুক্তরাষ্ট্রের জুন মাসের কর্মসংস্থান প্রতিবেদন এবং মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্য। এই দুটি সূচক প্রকাশের পর অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা আরও স্পষ্ট হবে। ফেডের পরবর্তী বৈঠকে সুদের হার নিয়ে কী ধরনের সিদ্ধান্ত আসতে পারে, তারও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত মিলতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির লক্ষণ দেখালেও মূল্যস্ফীতি এখনো ফেডের নির্ধারিত ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রায় পুরোপুরি পৌঁছায়নি।

 

ফলে মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং একই সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন ফেডের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

 

ওয়াল স্ট্রিটে লেনদেনেও সতর্কতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেক বিনিয়োগকারী বড় অঙ্কের নতুন বিনিয়োগ থেকে আপাতত বিরত রয়েছেন। তারা সরকারি অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশ এবং ফেডের পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছেন। ফলে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ওঠানামার পরিবর্তে সীমিত পরিসরে লেনদেন হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বেশি থাকলে ব্যাংক ঋণের খরচ বেড়ে যায়। এতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নতুন বিনিয়োগ ধীর হতে পারে। একই সঙ্গে আবাসন ঋণ, গাড়ির ঋণ এবং ব্যক্তিগত ঋণের সুদও বাড়ে। ফলে অনেক পরিবার ব্যয় কমিয়ে দেয়। অন্যদিকে সুদের হার কমে গেলে ঋণ গ্রহণ সহজ হয়, ব্যবসায় নতুন বিনিয়োগ বাড়ে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসে। তবে খুব দ্রুত সুদের হার কমানো হলে মূল্যস্ফীতি আবার বাড়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

 

ফেড একাধিকবার জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতিকে টেকসইভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা তাদের প্রধান লক্ষ্য। সে কারণে প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে তারা সর্বশেষ অর্থনৈতিক তথ্য পর্যালোচনা করছে। কোনো একটি সূচকের ওপর নির্ভর না করে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার এখনো তুলনামূলক শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। বিভিন্ন খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে এবং বেকারত্বের হারও স্থিতিশীল রয়েছে। তবে একই সময়ে ভোক্তা মূল্যসূচক ও মজুরি বৃদ্ধির গতিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, কারণ এসব তথ্য মূল্যস্ফীতির ভবিষ্যৎ প্রবণতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়।

 

ফেডের সিদ্ধান্ত শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকে না। ডলারের বিনিময় হার, আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজার, স্বর্ণের দাম, জ্বালানি তেলের মূল্য এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর আর্থিক বাজারেও এর প্রভাব পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বেশি থাকলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের একটি বড় অংশ ডলারভিত্তিক সম্পদের দিকে ঝুঁকে যায়। আবার সুদের হার কমলে অন্যান্য দেশের বাজারেও বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়তে পারে।

 

স্বাধীনতা দিবসের ছুটির আগে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক বাজারেও লেনদেন তুলনামূলক সংযত রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা নতুন অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশের আগে ঝুঁকি কমিয়ে আনতে চেষ্টা করছেন। বাজারের অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের বিনিয়োগ কৌশলও পুনর্মূল্যায়ন করছে।

 

ফেডের পরবর্তী বৈঠকের আগে প্রকাশিত প্রতিটি সরকারি অর্থনৈতিক প্রতিবেদন এখন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি, ভোক্তা ব্যয়, উৎপাদন এবং পরিষেবা খাতের কার্যক্রম সম্পর্কিত তথ্যই আগামী সিদ্ধান্তের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।

 

বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে যে কোনো সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। সে কারণে বিশ্বের বড় বড় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক এবং ব্যবসায়িক সংস্থাগুলো ফেডের প্রতিটি ঘোষণা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

 

আগামী বৈঠকে ফেড কী সিদ্ধান্ত নেবে, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—নতুন অর্থনৈতিক তথ্যই হবে সেই সিদ্ধান্তের প্রধান ভিত্তি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্ববাজারের দৃষ্টি এখন ফেডের পরবর্তী ঘোষণার দিকে, যা আগামী মাসগুলোর অর্থনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
লাইভ সম্প্রচারের প্রস্তুতির সময় শুরু হয় হামলা। ছবি: সংগৃহীত
লাইভ সম্প্রচারের প্রস্তুতির সময় সিবিএস নিউজের সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৩ জন

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের শিকাগো শহরে লাইভ সম্প্রচারের প্রস্তুতির সময় সিবিএস নিউজ শিকাগোর এক সংবাদদলের ওপর হামলার ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়েছে। একই দিন পরে ওই তিন ব্যক্তি শিকাগোর আরেকটি এলাকায় পথচারীদের দিকে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেছে পুলিশ। সিবিএস নিউজ শিকাগো ও শিকাগো পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার কিছু আগে অ্যাডলার প্ল্যানেটারিয়ামের কাছে ইস্ট সলিডারিটি ড্রাইভ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় একজন প্রতিবেদক ও একজন আলোকচিত্রী বিকেল ৪টার সংবাদ বুলেটিনের জন্য সরাসরি সম্প্রচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় একটি সাদা রঙের টো ট্রাক এসে তাদের সংবাদভ্যানের সামনে থামে।   অভিযোগ অনুযায়ী, ট্রাক থেকে নেমে আসা তিনজনের একজন একটি কুকুর নিয়ে সংবাদকর্মীদের দিকে এগিয়ে যান এবং আলোকচিত্রীকে উদ্দেশ্য করে বর্ণবাদী গালিগালাজ করতে থাকেন। পরে তিনি কুকুরটিকে হামলার নির্দেশ দিলেও কুকুরটি তা মানেনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরিস্থিতি হঠাৎ করেই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাদের একজন বলেন, হামলাকারীরা কোনো কারণ ছাড়াই সংবাদকর্মীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছিল। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি ও তার স্ত্রী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। একপর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে আলোকচিত্রী একটি ভাঁজ করা স্টুল দিয়ে হামলাকারীকে আঘাত করেন। তবে তাতেও হামলাকারী থামেননি।   এরপর অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন একটি পার্কিং কোন দিয়ে সংবাদভ্যানের সামনের কাচ ভেঙে ফেলেন এবং ক্যামেরাও ক্ষতিগ্রস্ত করেন। পরে তারা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। হামলার ঘটনায় প্রতিবেদক ও আলোকচিত্রী শারীরিকভাবে আহত না হলেও সংবাদ সরঞ্জামের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়। ঘটনার প্রায় আধা ঘণ্টা পর শিকাগোর ব্রাইটন পার্ক এলাকায় পুলিশ একই টো ট্রাকটি শনাক্ত করে। পুলিশ জানায়, তখন ওই তিন ব্যক্তি সড়কের পাশে থাকা কয়েকজন মানুষের দিকে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। পুলিশ তাদের আটক করার চেষ্টা করলে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে একটি পুলিশ গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষের পর তিনজনকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। হামলার সময় সঙ্গে থাকা কুকুরটি পালিয়ে যায়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কুকুরটিকে উদ্ধার করা গেছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি।   গ্রেপ্তার হওয়া ৩৭ বছর বয়সী জন টুইস্টের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপ্রসূত অপরাধ, সম্পত্তি নষ্ট এবং দায়িত্ব পালনরত পুলিশ কর্মকর্তার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। ৪১ বছর বয়সী উইলিয়াম হুয়ের্তার বিরুদ্ধে পুলিশের ধাওয়া এড়িয়ে পালানোর চেষ্টা, ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের দুই সরকারি কর্মচারীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, বেপরোয়া গাড়ি চালানো এবং দুর্ঘটনাস্থল ত্যাগের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগ মূলত ব্রাইটন পার্কের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত।   এ ছাড়া ২৯ বছর বয়সী রাফায়েল সালিনাসের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যকে আহত করা, ১০ হাজার থেকে ১ লাখ মার্কিন ডলারের মধ্যে সম্পদের ক্ষতি, বেপরোয়া আচরণ এবং গ্রেপ্তার প্রতিরোধের অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তে আরও জানা গেছে, তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধেই অতীতে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ ছিল। সিবিএস নিউজ শিকাগোর তথ্য অনুযায়ী, জন টুইস্ট অতীতে অপহরণ-সংক্রান্ত একটি মামলায় দোষ স্বীকার করেছিলেন এবং দুর্ঘটনায় পড়া ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে পরিচালিত একটি প্রতারণামূলক টো ট্রাক চক্রের মামলায়ও কারাদণ্ড ভোগ করেছেন। এক নারীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সুরক্ষা আদেশও জারি হয়েছিল।   উইলিয়াম হুয়ের্তার বিরুদ্ধে আগে প্রথম-ডিগ্রি হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। তবে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে গুরুতর হামলার দায়ে তিনি ছয় বছরের কারাদণ্ড ভোগ করেছেন। অন্যদিকে রাফায়েল সালিনাসের বিরুদ্ধে মে মাসে হিট অ্যান্ড রান ঘটনার পর পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল।   তদন্তকারীদের ধারণা, এই তিনজন অতীতেও টো ট্রাক ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার তাদের আটকাদেশ-সংক্রান্ত শুনানির জন্য আদালতে হাজির করা হবে। ঘটনার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২, ২০২৬ ৭:১৯
সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় লস অ্যাঞ্জেলেসে মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে অভিযানে ১০ জন গ্রেপ্তার

লাইভ সম্প্রচারের প্রস্তুতির সময় শুরু হয় হামলা। ছবি: সংগৃহীত

লাইভ সম্প্রচারের প্রস্তুতির সময় সিবিএস নিউজের সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৩ জন

সংগৃহীত

তীব্র তাপপ্রবাহে নিউইয়র্কে শতাধিক কুলিং সেন্টার চালু, প্রবীণ-শিশুসহ ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য

কানেকটিকাটের কস্টকোতে নাটকীয় অভিযানে গ্রেপ্তার দুই নিউইয়র্কবাসী। ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা
জাল ক্রেডিট কার্ডে কেনাকাটার চেষ্টা, কস্টকো থেকে নিউইয়র্কের দুই বাসিন্দা গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের সাউথ উইন্ডসরের একটি কস্টকো শাখায় জাল ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে পণ্য কেনার চেষ্টার অভিযোগে নিউইয়র্কের দুই বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে তাদের গাড়ি থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে থাকা ২৮টি চুরি করা আর্থিক নথি এবং অন্য একটি কস্টকো শাখা থেকে চুরি করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা পণ্যও উদ্ধার করা হয়েছে।   সাউথ উইন্ডসর পুলিশ বিভাগ (এসডব্লিউপিডি) জানায়, রোববার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে ১২২০ ট্যামারাক অ্যাভিনিউতে অবস্থিত কস্টকো শাখা থেকে জরুরি ফোন আসে। অভিযোগ ছিল, দুই ব্যক্তি দোকান থেকে পণ্য নিয়ে স্বয়ংক্রিয় বিলিং কাউন্টারে জাল ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে মূল্য পরিশোধের চেষ্টা করছেন। গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের ৩৫ বছর বয়সী ব্রিটানি এ. হাওয়ার্ড এবং ব্রুকলিনের ৩৪ বছর বয়সী কাশিম এম. উইলিয়ামস। পুলিশের ভাষ্য, তারা কস্টকোর একাধিক শাখায় একই ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত একটি চক্রের সদস্য হতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।   পুলিশ জানায়, ঘটনার আগে দোকান কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছিল যে, একই দুই ব্যক্তি প্রায় ৩০ মিনিট দূরে অবস্থিত কানেকটিকাটের এনফিল্ড এলাকার একটি কস্টকো শাখায়ও একই কৌশলে প্রতারণার চেষ্টা করেছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দুই সন্দেহভাজনকে আটক করে। পরে তাদের ব্যবহৃত গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২৮টি চুরি করা আর্থিক নথি উদ্ধার করা হয়। এসব নথি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ইস্যু করা ছিল। একই সঙ্গে এনফিল্ডের কস্টকো শাখা থেকে চুরি করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা বিভিন্ন পণ্যও উদ্ধার করা হয়।   তদন্তে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের বিরুদ্ধেই অন্য অঙ্গরাজ্যে পূর্বের পরোয়ানা ছিল। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কাশিম এম. উইলিয়ামসের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের সাফোক কাউন্টিতে ডাকাতি, শ্বাসরোধ করে হামলা এবং মারধরসহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল, যা কার্যকরযোগ্য।   অন্যদিকে ব্রিটানি এ. হাওয়ার্ডের বিরুদ্ধে নিউ জার্সির হাডসন কাউন্টিতে ক্রেডিট কার্ড চুরির মামলায় পরোয়ানা ছিল। সর্বশেষ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে ২৮টি পেমেন্ট কার্ড চুরি, চুরি, পরিচয় চুরি এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।   পুলিশ জানায়, আদালতের নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত দুজনকেই ২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের জামিনে আটক রাখা হয়েছে। সোমবার সকালে তাদের ম্যানচেস্টার সুপিরিয়র কোর্টে হাজির করার কথা ছিল।   তদন্তকারীরা এখন উদ্ধার হওয়া আর্থিক নথিগুলোর প্রকৃত মালিকদের শনাক্ত করার পাশাপাশি, এই দুই ব্যক্তি আরও কোনো অঙ্গরাজ্যে একই ধরনের প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছেন।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ২, ২০২৬ ৬:৫১
সংগৃহীত

১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে কানেকটিকাট, ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রার পূর্বাভাস

সংগৃহীত

সুদের হার নিয়ে অপেক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র, ফেডের পরবর্তী সিদ্ধান্তে নজর বিশ্ববাজারের

সংগৃহীত

শিকাগোতে ন্যায়বিচার নিয়ে সমালোচনা অনিয়মের অভিযোগে এক হাজারের বেশি মামলার পর্যালোচনা শুরু

ছবি সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হত্যা, এক কিশোর গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে পেন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা জানিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত দুই কিশোরের একজনকে কলোরাডো অঙ্গরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর সন্দেহভাজনকে ধরতে ফেডারেল ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।   ফিলাডেলফিয়া পুলিশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মার্শাল সার্ভিস জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া কিশোরের বয়স ১৬ বছর। তাকে কলোরাডো স্প্রিংস এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাকে পেনসিলভানিয়ায় ফিরিয়ে এনে হত্যাসহ একাধিক অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।   নিহত শিক্ষার্থীর নাম বিলি (উইলিয়াম) শ্মিট। তার বয়স ছিল ২২ বছর। তিনি পেন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ৬ জুন রাতে দক্ষিণ ফিলাডেলফিয়ায় নিজ বাসার কাছাকাছি হাঁটার সময় দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন।   পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি একটি ছিনতাইয়ের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানান, হামলার সময় বিলি শ্মিট নিজের মোবাইল ফোন ফেরত চাইছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা ক্যামেরার ভিডিও সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুই ১৬ বছর বয়সী কিশোরকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর একজন পালিয়ে কলোরাডোতে চলে যায় বলে তদন্তে জানা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের মার্শাল সার্ভিস জানায়, দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর অভিযুক্ত কিশোরকে কলোরাডো স্প্রিংসে তার স্বজনদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় কোনো ধরনের গোলাগুলি বা সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। তবে মামলার আরেক অভিযুক্ত এখনও পলাতক। তাকে ধরিয়ে দিতে তথ্য দিলে পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মার্শাল সার্ভিস। পুলিশ সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে এবং সন্দেহভাজনের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য থাকলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।   ফিলাডেলফিয়া পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, কিংবা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনায় আরও কেউ অংশ নিয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহত বিলি শ্মিটের মৃত্যুতে পেন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে তার পরিবার, বন্ধু ও সহপাঠীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেছে, এই মর্মান্তিক ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায় শোকাহত। শিক্ষার্থীর পরিবারও হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেছে। পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, বিলি ছিলেন শান্ত স্বভাবের, পরিশ্রমী এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখা একজন তরুণ।   তার মৃত্যু তাদের পরিবারকে গভীর শোকের মধ্যে ফেলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া কিশোরকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পেনসিলভানিয়ায় স্থানান্তর করা হবে। এরপর আদালতে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হবে। একই সঙ্গে পলাতক দ্বিতীয় সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। এই ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রে কিশোর অপরাধ, সশস্ত্র ছিনতাই এবং জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ মামলার বিষয়ে অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করছে না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২, ২০২৬ ৫:৫২
প্রেসিডেন্সির সঙ্গে ব্যক্তিগত আয়: ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

প্রেসিডেন্সির সঙ্গে ব্যক্তিগত আয়: ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

ছবি: নিউ ইয়র্ক পোস্ট

৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবস ঘিরে নিউইয়র্কে নজিরবিহীন নিরাপত্তা, প্রস্তুত পুলিশ-কোস্ট গার্ড-নৌবাহিনী

২ জুন, ২০২৬ তারিখে সাউথ ডাকোটা প্রাইমারি নির্বাচনের সময় সু ফলস-এর একটি ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা তাঁদের ব্যালট পূরণ করছেন । ছবি: ম্যাকেঞ্জি হুবার

ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার অনীহায় পিছিয়ে বাংলাদেশি প্রার্থীরা: ‘আমার একটি ভোটে কী আসে-যায়’ মানসিকতাই বড় বাধা

0 Comments