আমেরিকা

ভিসা যাচাইয়ে ১০ বছরের সোশ্যাল মিডিয়া তথ্য, বিদেশি কর্মী নিয়োগে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ২৩:৩১
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য সংগ্রহ আরও বিস্তৃত করার প্রস্তুতি চলছে। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য সংগ্রহ আরও বিস্তৃত করার প্রস্তুতি চলছে। ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশিংটন, ১৪ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড, নাগরিকত্ব ও ভ্রমণ অনুমতিসহ বিভিন্ন অভিবাসন আবেদনে আবেদনকারীর সর্বোচ্চ ১০ বছরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতি এবং পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য চাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে ভিসা আবেদনকারীদের অনলাইন কার্যক্রম যাচাই বাড়ায় প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব, অতিরিক্ত নথির অনুরোধ এবং বিদেশে গিয়ে আটকে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও কর্মী ব্যবস্থাপনায়।

 

থোমসন রয়টার্সের ওয়েস্টল টুডেতে ৬ জুলাই প্রকাশিত অভিবাসন আইনবিষয়ক এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদেশিদের জন্য নিরাপত্তা যাচাইয়ের পরিধি ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় ভিসা ও অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব, একই ধরনের আবেদনে ভিন্ন ফল এবং নিয়োগ পরিকল্পনায় বিঘ্ন দেখা দিচ্ছে। বিশ্লেষণটি সংবাদ প্রতিবেদন নয়; বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অভিবাসন ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করা আইনজীবী মনীশ দাফতারির পেশাগত মূল্যায়ন। 

 

নতুন যাচাই ব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি হয় ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে। আদেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী ও অভিবাসন সুবিধার আবেদনকারীদের জন্য আরও কঠোর ও অভিন্ন নিরাপত্তা যাচাই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ফেডারেল সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড, আর্থিক তথ্য এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই বাড়ানোর একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 

 

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা—USCIS জানিয়েছে, পরিচয় যাচাই, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতি সংগ্রহের ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত নোটিশে বলা হয়, নির্দিষ্ট অভিবাসন আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীর নাম বা ‘হ্যান্ডল’ সংগ্রহের জন্য USCIS একটি সাধারণ অনুমোদন কাঠামো তৈরি করছে। এখানে পাসওয়ার্ড নয়, আবেদনকারী কোন প্ল্যাটফর্মে কোন পরিচিতি ব্যবহার করেছেন, সেই তথ্য চাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

 

রয়টার্সে প্রকাশিত আইনজীবী বিশ্লেষণ অনুযায়ী, USCIS স্থায়ী বসবাস, নাগরিকত্ব ও ভ্রমণ অনুমতিসংক্রান্ত বিভিন্ন ফর্ম সংশোধনের পরিকল্পনা করেছে। নতুন ফর্মে আবেদনকারীর সর্বোচ্চ ১০ বছরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হ্যান্ডল চাওয়া হতে পারে—এমনকি ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া অ্যাকাউন্টের তথ্যও। আবেদনকারীর মা-বাবা, ভাই-বোনসহ নিকটাত্মীয়দের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য চাওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। তবে ৬ জুলাই পর্যন্ত এসব ফর্মের পূর্ণাঙ্গ নিয়ম ও বাস্তবায়নপদ্ধতি প্রকাশিত হয়নি। 

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য সংগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ব্যবস্থায় সম্পূর্ণ নতুন নয়। ২০১৯ সালের ৩১ মে থেকে অধিকাংশ অভিবাসী ও অ-অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীকে DS-160 ও DS-260 ফর্মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতি দিতে হচ্ছে। তখন মূলত আগের পাঁচ বছরের তথ্য চাওয়া হয়েছিল। বর্তমান উদ্যোগটি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে USCIS-এর কাছে গ্রিন কার্ড, নাগরিকত্ব ও অন্যান্য সুবিধার আবেদনকারীদের ওপরও আরও বিস্তৃতভাবে যাচাই প্রয়োগের পথ তৈরি করছে। 

 

২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর H-1B কর্মভিসা আবেদনকারী ও তাঁদের H-4 নির্ভরশীলদের জন্য অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনা সম্প্রসারণ করে। এর আগে শিক্ষার্থী ও বিনিময় কর্মসূচির F, M ও J ভিসা আবেদনকারীদের ওপর এ ধরনের পর্যালোচনা চালু ছিল। সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইল ‘পাবলিক’ বা উন্মুক্ত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রকাশ্য তথ্য পর্যালোচনা করতে পারেন। ২০২৬ সালের মার্চে আরও কয়েকটি অ-অভিবাসী ভিসা শ্রেণিতেও এই যাচাই সম্প্রসারিত হয়েছে। 

 

নিরাপত্তা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ‘আমেরিকাবিরোধী’ বা আপত্তিকর বক্তব্য শনাক্ত করার কথা বলা হলেও কোন ধরনের পোস্ট, মন্তব্য বা অনলাইন কার্যক্রমকে এই সংজ্ঞার মধ্যে ধরা হবে, তা স্পষ্ট নয়। সমালোচকেরা প্রশ্ন তুলেছেন, কোনো সরকারি নীতি বা প্রেসিডেন্টের সমালোচনা, বিক্ষোভে অংশগ্রহণ কিংবা রাজনৈতিক মত প্রকাশ ভিসা বা কাজের অনুমতির সিদ্ধান্তে নেতিবাচকভাবে ব্যবহৃত হতে পারে কি না। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে পরিষ্কার ও বিস্তারিত সরকারি মানদণ্ড প্রকাশ করা হয়নি। 

 

পুরোনো বা বন্ধ অ্যাকাউন্ট বাদ পড়ে যাওয়াও আবেদনকারীদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একজন আবেদনকারী বহু বছর আগে ব্যবহার করা কোনো ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম বা অন্য প্ল্যাটফর্মের অ্যাকাউন্ট ভুলে গেলে এবং পরে সরকারি যাচাইয়ে সেটি পাওয়া গেলে তথ্য গোপন বা ভুল তথ্য দেওয়ার প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে অনিচ্ছাকৃত ভুল এবং ইচ্ছাকৃত তথ্য গোপনের মধ্যে কর্তৃপক্ষ কীভাবে পার্থক্য করবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত নির্দেশনা নেই। 

 

কঠোর যাচাইয়ের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রভাব পড়ছে বিদেশে গিয়ে ভিসা স্ট্যাম্প নিতে যাওয়া কর্মীদের ওপর। যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজ করলেও বিদেশ সফরের পর ফিরে আসার জন্য অনেক H-1B কর্মীকে মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে নতুন ভিসা স্ট্যাম্প নিতে হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাইয়ের কারণে সাক্ষাৎকারের সময় পাওয়া, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়া এবং পাসপোর্ট ফেরত পেতে আগের তুলনায় বেশি সময় লাগতে পারে।

 

রয়টার্সের আইনজীবী বিশ্লেষণে ভারতের একটি ঘটনার উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। নতুন অনলাইন যাচাই ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতির সময় দেশটিতে নভেম্বর ও ডিসেম্বরের জন্য নির্ধারিত বহু H-1B ও H-4 ভিসা সাক্ষাৎকার মার্চ বা তার পরের সময়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এতে ছুটিতে দেশে যাওয়া কয়েকজন বিদেশি কর্মী মাসের পর মাস যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারেননি এবং তাঁদের চাকরিতে যোগদান ব্যাহত হয়। 

 

কোনো ভিসা আবেদনে অতিরিক্ত প্রশাসনিক যাচাই প্রয়োজন হলে কনস্যুলার কর্মকর্তা Immigration and Nationality Act-এর 221(g) ধারায় আবেদনটি সাময়িকভাবে আটকে রেখে আরও তথ্য চাইতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, এই প্রক্রিয়ার সময়সীমা প্রতিটি মামলার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এবং আবেদনকারীদের পরিকল্পিত সফরের অনেক আগে আবেদন করতে হবে। 

 

এ ধরনের বিলম্ব শুধু সংশ্লিষ্ট কর্মীর ব্যক্তিগত সমস্যা নয়। কর্মী সময়মতো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে না পারলে প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প, গ্রাহকসেবা, গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও নিয়োগ পরিকল্পনা ব্যাহত হতে পারে। নতুন বিদেশি কর্মীর যোগদানের তারিখ পিছিয়ে গেলে কোম্পানিকে পদটি খালি রাখতে, কাজ অন্য কর্মীদের মধ্যে ভাগ করতে অথবা প্রকল্পের সময়সীমা পরিবর্তন করতে হতে পারে।

 

সীমান্তে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ পরীক্ষা নিয়েও নিয়োগদাতাদের উদ্বেগ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন সীমান্তে বিদ্যমান ক্ষমতার আওতায় কোনো ভ্রমণকারীকে ডিভাইস আনলক করতে বলতে পারে। রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এমন পরীক্ষা বাড়লে ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের গোপন নথি, গ্রাহকের তথ্য ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ উন্মুক্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশি কর্মীদের আন্তর্জাতিক সফরের আগে সম্ভাব্য ভিসা বিলম্ব সম্পর্কে সতর্ক করা প্রয়োজন। কর্মীদের ব্যক্তিগত ডিভাইসে কোম্পানির সংবেদনশীল নথি সংরক্ষণ না করা, তথ্য নিরাপত্তার নীতি মেনে চলা এবং ছুটির সময় ভিসা স্ট্যাম্পিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় হাতে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বাংলাদেশি H-1B কর্মী, H-4 নির্ভরশীল, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, গ্রিন কার্ড আবেদনকারী ও নাগরিকত্বপ্রত্যাশীদের জন্যও পরিবর্তনগুলো গুরুত্বপূর্ণ। আবেদন করার আগে গত কয়েক বছরে ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম, ব্যবহারকারীর নাম, পুরোনো ও বন্ধ অ্যাকাউন্ট এবং নাম পরিবর্তনের তথ্য গুছিয়ে রাখা প্রয়োজন হতে পারে। আবেদনপত্রে দেওয়া নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, চাকরি ও পরিবারের তথ্যের সঙ্গে অনলাইন তথ্যের বড় ধরনের অসঙ্গতি থাকলে অতিরিক্ত প্রশ্ন উঠতে পারে।

 

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মতামত থাকা বা সরকারের সমালোচনা করলেই ভিসা প্রত্যাখ্যাত হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ভিত্তি এখনো নেই। রয়টার্সের বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের কারণে ব্যাপকভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যানের সুস্পষ্ট প্রবণতা এখনো দেখা যায়নি। নতুন ফর্ম ও নীতির পূর্ণ বাস্তবায়নের পর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আরও পরিষ্কার হবে। 

 

বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো অনিশ্চয়তা। আবেদনকারীদের আরও ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হতে পারে, কর্মকর্তাদের পর্যালোচনায় বেশি সময় লাগতে পারে এবং নিয়োগদাতাদের বিদেশি কর্মীর যোগদান ও ভ্রমণ পরিকল্পনায় অতিরিক্ত সময় রাখতে হতে পারে। নতুন ফর্ম প্রকাশের আগ পর্যন্ত কোন আবেদনকারীর কাছে ঠিক কত বছরের তথ্য চাওয়া হবে, কোন প্ল্যাটফর্ম অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং পুরোনো অ্যাকাউন্ট বাদ পড়লে কীভাবে তা বিবেচনা করা হবে—এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

আমেরিকা

View more
নিউইয়র্কে প্রকাশ্য রাস্তায় বন্দুক হামলায় ১২ বছরের শিশুকে গুলি করে হত্যা
নিউইয়র্কে প্রকাশ্য রাস্তায় বন্দুক হামলায় ১২ বছরের শিশুকে গুলি করে হত্যা, আহত ২

নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কসে প্রকাশ্য রাস্তায় বন্দুক হামলায় ১২ বছর বয়সী এক ছেলে নিহত হয়েছে। একই ঘটনায় আরও দুই ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার বিকেলে মাউন্ট ইডেন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি এবং তদন্ত চলছে।    নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের  তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার কিছু আগে ওয়ালটন অ্যাভিনিউ ও এলিয়ট প্লেসের কাছে গুলির ঘটনা ঘটে। ১২ বছর বয়সী শিশুটি কাঁধে গুলিবিদ্ধ হলে তাকে দ্রুত লিংকন হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত শিশুর পরিচয় পরিবারের সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।    এ ঘটনায় আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের মধ্যে ২৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিতম্বে এবং ৩৪ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। দুজনকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে পুলিশ।    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, কয়েকজন ব্যক্তির মধ্যে সংঘর্ষের একপর্যায়ে গুলি ছোড়া হয়। তবে নিহত ১২ বছর বয়সী শিশুটি ওই সংঘর্ষে জড়িত ছিল কি না, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। হামলার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।    এনওয়াইপিডি জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনদের শনাক্তে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার হয়নি এবং সন্দেহভাজনদের সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ০:৫৮
বিমানবন্দরেই আইসিইর হাতে গ্রেপ্তার এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট

বিমানবন্দরেই আইসিইর হাতে গ্রেপ্তার এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট, বিমানবন্দরে চাঞ্চল্য

ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের জন্য ২৯২ মিলিয়ন ডলারের আবাসন চুক্তি

ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের জন্য ২৯২ মিলিয়ন ডলারের আবাসন চুক্তি, দীর্ঘমেয়াদির ইঙ্গিত

আমেরিকান ব্যাতিত ইন-স্টেট টিউশন সুবিধা অসাংবিধানিক

আমেরিকান ব্যাতিত ইন-স্টেট টিউশন সুবিধা অসাংবিধানিক, আইন বাতিল করলেন বিচারক

সামরিক ভেটেরানদের ট্রাকচালক হিসেবে নিয়োগে ‘ফ্রিডম হলার্স’ কর্মসূচি চালু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ছবি: সংগৃহীত
অভিবাসী চালকদের তাদের দেশে ফিরিয়ে দিয়ে রিটায়ার্ড সেনাদেরকে ট্রাক চালাতে বলল ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতির কড়াকড়ির কারণে বাণিজ্যিক ট্রাকচালকদের লাইসেন্স হারানো বা কর্মক্ষেত্র ছাড়তে বাধ্য হওয়া চালকদের বিকল্প হিসেবে সামরিক ভেটেরানদের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা বিবেচনা করছে হোয়াইট হাউস। প্রশাসনের লক্ষ্য, ট্রাকচালকের ঘাটতি কমিয়ে পণ্য পরিবহন খাত সচল রাখা।    অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউস সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে যাতে বাণিজ্যিক গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা বা উপযুক্ত প্রশিক্ষণ থাকা সামরিক ভেটেরানদের ট্রাকচালক হিসেবে নিয়োগে উৎসাহিত করা যায়। পরিকল্পনাটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো নীতি ঘোষণা করা হয়নি।    সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাকচালকদের জন্য ইংরেজি ভাষাজ্ঞান ও অন্যান্য ফেডারেল বিধি কঠোরভাবে প্রয়োগের ফলে কিছু অভিবাসী চালকের বাণিজ্যিক ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পরিবহন খাতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট মহলের একটি অংশ।    হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা মনে করছেন, সামরিক বাহিনীতে ভারী যানবাহন পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা অনেক ভেটেরান এই খাতে দক্ষ জনবল হিসেবে কাজ করতে পারবেন। তবে পরিবহন খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামরিক অভিজ্ঞতা থাকলেও বেসামরিক ট্রাক পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স, প্রশিক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ করতে হবে।    এদিকে, ট্রাকিং শিল্পের কিছু প্রতিনিধি ও শ্রমসংগঠন বলছে, শুধু নতুন চালক নিয়োগ নয়, বরং বিদ্যমান চালকদের ধরে রাখা, কর্মপরিবেশ উন্নত করা এবং প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আগে সংশ্লিষ্ট সংস্থা, পরিবহন শিল্প এবং কংগ্রেসের সঙ্গে আরও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৫, ২০২৬ ২৩:৪৮
স্টিভেন ফিলিপসের ক্ষতিপূরণের অর্থে সাবেক স্ত্রীর দাবি খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ছবি: সংগৃহীত

২৪ বছর অন্যায় কারাভোগের পর পেলেন ৬ মিলিয়ন ডলার! ভাগ চেয়ে আদালতে সাবেক স্ত্রী

ঘটনাস্থলে তদন্ত চালাচ্ছেন অটোয়া কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় ও মিশিগান স্টেট পুলিশের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত

মিশিগানে বাড়িতে আগুনের পর একই পরিবারের ৮ জনের মরদেহ উদ্ধার, নিহতদের মধ্যে ৬ শিশু

মেইল-ইন ভোট সংক্রান্ত ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ২৩টি অঙ্গরাজ্যে আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। ছবি: সংগৃহীত

২৩ অঙ্গরাজ্যে আটকে গেল ট্রাম্পের মেইল-ইন ভোট সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশ

নিউ জার্সির বার্গেন কাউন্টিতে আয়ভিত্তিক সাশ্রয়ী ভাড়ার অ্যাপার্টমেন্টে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
মাত্র ৫৯৪ ডলারেই নিউ জার্সিতে ফ্ল্যাট! সীমিত ৭টি অ্যাপার্টমেন্টের জন্য শুরু হলো লটারি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির বার্গেন কাউন্টিতে স্বল্প আয়ের বাসিন্দাদের জন্য মাসিক মাত্র ৫৯৪ ডলার ভাড়ায় অ্যাপার্টমেন্ট পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ একটি নতুন আবাসন প্রকল্পের আওতায় মোট সাতটি সাশ্রয়ী মূল্যের ভাড়ার অ্যাপার্টমেন্টের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে। যোগ্য আবেদনকারীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে ভাড়াটিয়া নির্বাচন করা হবে।    প্রকল্পটিতে স্টুডিও, এক, দুই ও তিন বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। মাসিক ভাড়া ইউনিটের ধরন এবং আবেদনকারীর আয়ের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বনিম্ন ভাড়া ৫৯৪ ডলার থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন আয়ের শ্রেণি অনুযায়ী বাড়তে পারে। আবেদনকারীদের নির্ধারিত আয়সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জমা দিতে হবে।    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা পড়া সব বৈধ আবেদন একটি র্যান্ডম লটারিতে অন্তর্ভুক্ত হবে। লটারিতে যাদের নাম আগে আসবে, তাদের যোগ্যতা যাচাইয়ের পর পর্যায়ক্রমে অ্যাপার্টমেন্ট বরাদ্দ দেওয়া হবে। বার্গেন, হাডসন, পাসাইক ও সাসেক্স কাউন্টিতে বসবাসকারী বা কর্মরত আবেদনকারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।    নিউ জার্সিতে দীর্ঘদিন ধরেই সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসনের চাহিদা বেশি। রাজ্যের ‘অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং’ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন শহর ও কাউন্টিতে আয়ভিত্তিক ভাড়ার বাসা বরাদ্দে লটারির ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর জন্য তুলনামূলক কম খরচে নিরাপদ আবাসনের সুযোগ নিশ্চিত করা।    আগ্রহীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আবেদন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আবেদন জমা পড়ার পর লটারির মাধ্যমে নির্বাচিতদের সঙ্গে পরবর্তী ধাপে যোগাযোগ করা হবে এবং আয় ও অন্যান্য যোগ্যতা যাচাই শেষে চূড়ান্ত বরাদ্দ দেওয়া হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৫, ২০২৬ ২৩:১
এইচ-১বি ভিসায় ১ লাখ ডলারের অতিরিক্ত ফি পুনর্বহালের আবেদন খারিজ করেছে মার্কিন ফেডারেল আপিল আদালত। ছবি: সংগৃহীত

এইচ-১বি ভিসায় ১ লাখ ডলারের ফি আপাতত বহাল থাকছে না, ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন খারিজ আপিল আদালতে

মিশিগানে পোষা কুকুরের হামলার ঘটনাটি নতুন করে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা তৈরি করেছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ১১ মাসের শিশুর ওপর পোষা কুকুরের হামলায় খসে পড়ল শিশুর গালের মাংস, একাধিক অস্ত্রোপচারের পরও রয়ে গেছে দাগ

৯/১১ স্মরণানুষ্ঠানে মেয়র জোহরান মামদানির অংশগ্রহণের বিরোধিতা করে অনলাইন পিটিশন শুরু করেছেন নিহতদের পরিবারের একাংশ। ছবি: সংগৃহীত

মেয়র মামদানিকে ৯/১১ এ নিহতদের পরিবারের জন্য কষ্টের কারণ! নিষিদ্ধের দাবি ৯/১১ ভুক্তভোগী পরিবারের একাংশের

0 Comments