সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের দমনে ১৬.৭ মিলিয়ন ডলারের ‘ইলেকট্রিক শক গ্লাভস’ কিনছে আইসিই

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২৭, ২০২৬ ১৯:৫৯
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের দমনে ১৬.৭ মিলিয়ন ডলারের ‘ইলেকট্রিক শক গ্লাভস’ কিনছে আইসিই
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের দমনে ১৬.৭ মিলিয়ন ডলারের ‘ইলেকট্রিক শক গ্লাভস’ কিনছে আইসিই

মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) আটককৃত অভিবাসী এবং বিক্ষোভকারীদের দমনের জন্য ১৬.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চরম বিতর্কিত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায় সংস্থাটি ৬ হাজার জোড়া ‘ইলেকট্রিক শক গ্লাভস’ বা বৈদ্যুতিক শক দিতে সক্ষম বিশেষ ধরনের হাতমোজা কিনতে যাচ্ছে।

 

মানবাধিকার কর্মী এবং ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের ব্যাপক বিরোধিতা ও উদ্বেগ সত্ত্বেও এই বিপুল পরিমাণ গ্লাভস কেনার চুক্তি চূড়ান্ত করেছে আইসিই। সংস্থাটির দাবি, যেসব বন্দি বা বিক্ষোভকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাধা সৃষ্টি করবে, তাদের দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতেই কর্মকর্তারা এই বিশেষ গ্লাভস ব্যবহার করবেন।

 

বৃহস্পতিবার ফেডারেল ডেটাবেসে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেন্টাকি-ভিত্তিক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘কমপ্লায়েন্ট টেকনোলজিস এলএলসি’-এর সাথে কোনো ধরনের পূর্ব দরপত্র ছাড়াই এই চুক্তি করেছে আইসিই।

 

চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ৬ হাজার জোড়া গ্লাভস এবং এর আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম সরবরাহ করবে প্রতিষ্ঠানটি। সাধারণ টহল গ্লাভসের মতোই দেখতে এই ডিভাইসের নির্দিষ্ট বোতাম চাপলে তা মুহূর্তেই বৈদ্যুতিক মোডে চলে যায়।

 

এরপর সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে এলে এটি এমনভাবে শক তৈরি করে, যা তীব্র ব্যথার সৃষ্টি করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু স্থানীয় কারাগার ও পুলিশ বিভাগ এই বিশেষ গ্লাভস ব্যবহার করলেও, ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির অধীনে আইসিই কর্মকর্তাদের হাতে এর ব্যবহার চরম মাত্রায় ক্ষমতার অপব্যবহার ডেকে আনতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

 

এই গ্লাভস কেনার পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট সিনেটররা। নেভাডার ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্যাথরিন কর্টেজ মাস্তোর নেতৃত্বে ১৬ জন আইনপ্রণেতা আইসিই-র ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের কাছে চিঠি দিয়ে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিলের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

 

চিঠিতে তারা লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো এবং মিনিয়াপোলিসসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অমানবিক আচরণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছেন, সুস্পষ্ট নীতিমালা ও যথাযথ নজরদারি ছাড়া এই গ্লাভসের ব্যবহার সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

 

তবে সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়ে আইসিই-র মূল সংস্থা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট (ডিএইচএস) পাল্টা বিবৃতিতে জানিয়েছে, ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহারে বাধা দেওয়া মূলত দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের জীবন বিপন্ন করার একটি হীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চেষ্টা।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্স
নেটফ্লিক্সে চাকরি হারানোর শঙ্কায় ৮০০ কর্মী, বড় ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনার খবর

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্স প্রায় ৫ শতাংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। গত বছরের শেষের কর্মীসংখ্যা ধরে এই হার কার্যকর হলে প্রায় ৮০০ জন চাকরি হারাতে পারেন। তবে প্রতিষ্ঠানটি এখনো ছাঁটাইয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের বরাতে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম পাক নিউজ জানায়, পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এই ছাঁটাই হতে পারে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, পরের সপ্তাহেই ঘোষণা আসতে পারে। অর্থাৎ সম্ভাব্য ঘোষণার সময় চলতি সপ্তাহ। নেটফ্লিক্স এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।    ভ্যারাইটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ নেটফ্লিক্সের পূর্ণকালীন কর্মী ছিলেন প্রায় ১৬ হাজার। সেই সংখ্যার ৫ শতাংশ হিসাবে সম্ভাব্য ছাঁটাইয়ের পরিমাণ প্রায় ৮০০। এটি চূড়ান্ত তালিকা নয়। কোন বিভাগ বা দেশের কর্মীরা বেশি প্রভাবিত হবেন, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। প্রতিষ্ঠানটির মোট কর্মীর প্রায় ৬৮ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ১০ হাজার ৯০০ জন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় কর্মরত ছিলেন। তবে সম্ভাব্য ছাঁটাইয়ের কত অংশ এই দুই দেশে হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।    এর আগে ২০২২ সালে বড় পরিসরে কর্মী ছাঁটাই করেছিল নেটফ্লিক্স। সে সময় প্রায় ৪৫০ জনকে বাদ দেওয়া হয়। ওই বছরের প্রথম প্রান্তিকে এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবার প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকসংখ্যা কমেছিল। চলতি বছরের শুরুতেও পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে বৈশ্বিক পণ্য উন্নয়ন দলের কয়েক ডজন কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে।  নতুন ছাঁটাইয়ের খবর এমন সময়ে এসেছে, যখন নেটফ্লিক্সের ব্যবস্থাপনা আরও দ্রুত ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্য জানাচ্ছে। ভ্যারাইটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সহপ্রধান নির্বাহী টেড সারানডোস সম্প্রতি বলেছেন, দ্বিতীয় প্রান্তিকে সব ভৌগোলিক অঞ্চলে রাজস্বে দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি হলেও প্রতিষ্ঠানটি আরও দ্রুত এগোতে চায়। তবে এই বক্তব্যের সঙ্গে সম্ভাব্য ছাঁটাইয়ের সরাসরি সম্পর্ক নিশ্চিত করেনি নেটফ্লিক্স।    নেটফ্লিক্সের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফল ও ব্যবসার পূর্বাভাস প্রকাশ করা হবে। একই দিনে ব্যবস্থাপনা বিশ্লেষকদের প্রশ্নের উত্তর দেবে। কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়ে আলাদা ঘোষণা আসবে কি না, সে সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটি এখনো কিছু জানায়নি।  

প্রকাশ: অক্টোবর ১২, ২০২৬ ৩:৫১
আইআইটি কানপুরের সাবেক শিক্ষার্থী গৌতম দেব।

ডালাসে রেন্ট জোগাতে অমানবিক হিমশিম, ভারত ফেরার কথা ভাবছেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদকে অর্থ সহায়তার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন নিউইয়র্কের ক্যাথরিন বেথ ওয়াশবার্ন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ফিলিস্তিনের ইসলামিক জিহাদকে ৩০ হাজার ডলার সহায়তার অভিযোগে নিউইয়র্কের নারীর বিরুদ্ধে মামলা

২০৫০ সালে আমেরিকার শহরগুলোতে পরিবেশবান্ধব এবং সাশ্রয়ী বহুতল ভবনের আধিক্য দেখা যাবে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

২০৫০ সালে বদলে যাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়িঘর, রোবটে তৈরি হবে শহর, স্বয়ংক্রিয় হবে বাড়ি

আইসিই হেফাজতে থাকার মিথ্যা দাবি করে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন সুন্দাস নকভি। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
আইসিইর হাতে ২ দিন আটক থাকার দাবি, বাস্তবে হোটেলে স্পা নিচ্ছিলেন নারী, এখন ১০ লাখ ডলারের মামলা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের হাতে প্রায় ৪৩ ঘণ্টা অবৈধভাবে আটক থাকার দাবি ঘিরে আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা সুন্দরস ‘সানি’ নাকভির বিরুদ্ধে এক মিলিয়ন ডলার বা ১০ লাখ ডলারের মানহানির মামলা করেছেন উইসকনসিনের ডজ কাউন্টির শেরিফ ডেল শ্মিট। শেরিফের অভিযোগ, নাকভি আটকের যে বিবরণ প্রকাশ করেছিলেন, তা সত্য নয় এবং ওই বক্তব্য তাঁর ও তাঁর দপ্তরের সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে। তবে মামলাটি এখনো বিচারাধীন, তাই অভিযোগগুলোকে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।   ২০২৬ সালের মার্চে নাকভি দাবি করেছিলেন, তুরস্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর শিকাগোর ও’হেয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পরে তাঁকে ইলিনয়ের ব্রডভিউয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার (আইসিই) একটি আটককেন্দ্রে নেওয়া হয় এবং শেষ পর্যন্ত উইসকনসিনের ডজ কাউন্টি কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। তাঁর আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমর্থকেরা বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেন। ঘটনাটি অভিবাসন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা এবং মার্কিন নাগরিকদের আটক করার অভিযোগ ঘিরে আলোচনা তৈরি করে।   তবে ডজ কাউন্টির শেরিফ ডেল শ্মিট এসব দাবি অস্বীকার করেন। ১০ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নাকভিকে ডজ কাউন্টি শেরিফের দপ্তর কখনো আটক করেনি এবং কারাগারের নথিতেও তাঁর নাম নেই। শেরিফের দপ্তর জানায়, সংশ্লিষ্ট সময়ের কারাগারের নথি, বার্তা, হোটেলের তথ্য এবং নজরদারি ভিডিও পর্যালোচনা করে তারা নাকভির বর্ণনার সঙ্গে অসংগতি পেয়েছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতেই শ্মিট দাবি করেন, আটকের ঘটনাটি যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, তার পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।   শেরিফের দায়ের করা মামলার নথিতে বলা হয়েছে, নাকভি ৫ মার্চ শিকাগোর ও’হেয়ার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ইলিনয়ের রোজমন্ট এলাকার হ্যাম্পটন ইন অ্যান্ড সুইটস হোটেলে ওঠেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ৭ মার্চ ভোরে তাঁকে উইসকনসিনের বেভার ড্যাম এলাকার একটি হলিডে ইন হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। শ্মিটের দাবি, এসব তথ্য এবং অন্যান্য নথি তাঁর আটকে থাকার বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তবে হোটেলে অবস্থান বা যাতায়াতের তথ্য একাই পুরো ঘটনার সব দিক চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করে না। আদালতে উপস্থাপিত প্রমাণ ও উভয় পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই বিষয়টির নিষ্পত্তি হওয়ার কথা।   ১০ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনের পূর্বাঞ্চলীয় জেলা আদালতে দায়ের করা মামলায় শ্মিট অভিযোগ করেন, নাকভি এবং তাঁর বক্তব্য প্রচারে ভূমিকা রাখা কয়েকজন ব্যক্তি মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। মামলায় কুক কাউন্টির কমিশনার ও সাবেক কংগ্রেস প্রার্থী কেভিন মরিসনের নামও রয়েছে। শেরিফের দাবি, নাকভির আটকের ঘটনা নিয়ে প্রচারিত বক্তব্য তাঁর দপ্তর সম্পর্কে জনমনে ভুল ধারণা তৈরি করেছে। তিনি ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক মিলিয়ন ডলার দাবি করেছেন। পরে মামলার সংশোধিত অভিযোগপত্রে নাকভির বোন সারাহ আফজালকেও বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয় এবং অভিযোগে ষড়যন্ত্রের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।   মামলার নথি অনুযায়ী, শ্মিটের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট হোটেল ও মুঠোফোনের তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগও নেওয়া হয়। ১৩ এপ্রিল আদালত নির্দিষ্ট কিছু তথ্য সংগ্রহের জন্য তৃতীয় পক্ষের কাছে নথি চাওয়ার অনুমতি দেয়। এই আদেশ মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের অনুমতি, নাকভির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত রায় নয়। পরবর্তী সময়ে বিবাদীপক্ষ মামলা খারিজের আবেদন করে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া আদালতের নথিতে এসব আবেদনের বিষয়ে শুনানি ও জবাব দাখিলের সময়সূচি নির্ধারণের তথ্য রয়েছে।   ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই সামনে আসে। নাকভির আটকের দাবি প্রকাশ্যে আসার পর তাঁর সমর্থকেরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। অন্যদিকে, শেরিফের দপ্তর বলেছে, তাদের কাছে থাকা নথি ও ভিডিওর সঙ্গে ওই দাবির মিল পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক পরিসরে আলোচনা হলেও, কোনো পক্ষের বক্তব্যকে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সমতুল্য ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।   বর্তমানে মামলার মূল প্রশ্ন হলো, নাকভির আটকের বিষয়ে প্রচারিত বক্তব্য মিথ্যা ছিল কি না এবং তা শেরিফের সুনাম ক্ষুণ্ন করার মতো মানহানিকর ছিল কি না। এ ছাড়া অন্য বিবাদীরা কীভাবে ওই বক্তব্য প্রচারে যুক্ত ছিলেন, সেটিও মামলার অংশ। আদালতে উপস্থাপিত প্রমাণ, বিবাদীপক্ষের জবাব এবং বিচারকের সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই এসব প্রশ্নের নিষ্পত্তি হবে। ফলে ঘটনাটিকে ইতিমধ্যে প্রমাণিত প্রতারণা বা সাজানো ঘটনা হিসেবে বর্ণনা না করে, শেরিফের অভিযোগ ও মামলার বর্তমান অবস্থান আলাদা করে তুলে ধরা জরুরি।

প্রকাশ: অক্টোবর ১১, ২০২৬ ২৩:৬
আগামী ১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মান সময় অনুযায়ী ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হবে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রে ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা পেছাবে এক ঘণ্টা, সময় পরিবর্তন বন্ধের উদ্যোগ অনিশ্চিত

নিউইয়র্কের স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অ্যান্টি-বুলিং পলিসি চালু রয়েছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

নিউইয়র্কের স্কুলে বুলিংয়ের শিকার শিশু, কোথায় অভিযোগ জানাবেন বাংলাদেশি অভিভাবকেরা

নিহত অ্যাঞ্জেলিনা স্টোন এবং তাঁর দুই শিশুসন্তানের স্মৃতিতে শোক পালন করছেন স্থানীয়রা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

সন্তান জন্মের চার দিন আগে পেনসিলভানিয়ায় গুলিতে নিহত অন্তঃসত্ত্বা নারী

আটলান্টিক বা প্রশান্ত মহাসাগরের নাম পরিবর্তন করে ট্রাম্প ওশান রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
আটলান্টিক বা প্রশান্ত মহাসাগরের নাম ‘ট্রাম্প মহাসাগর’ করার প্রস্তাব ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টিক বা প্রশান্ত মহাসাগরের নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প মহাসাগর’ অথবা ‘আমেরিকার মহাসাগর’ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শনিবার, ১০ অক্টোবর, টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কসভিলে এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ ধারণার কথা জানান। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা নির্বাহী আদেশের ঘোষণা আসেনি। ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন এর আগে মেক্সিকো উপসাগর ও লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে তাঁর প্রশাসন।   সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নাম পরিবর্তন করা একটি উপসাগর ও একটি সুন্দর হ্রদ রয়েছে। এবার কেউ একজন তাঁকে একটি নদীর নাম পরিবর্তনের কথাও বলেছেন। তবে হাডসন নদীর নাম পরিবর্তন করতে চান না বলে জানান তিনি। এরপর আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে যেকোনো একটির নাম পরিবর্তনের সম্ভাবনা তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, এর নাম ‘ট্রাম্প মহাসাগর’ অথবা ‘আমেরিকার মহাসাগর’ রাখা যেতে পারে। তাঁর বক্তব্যে নতুন নামকরণের বিষয়টি উঠে এলেও কোন মহাসাগরকে বেছে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু জানাননি তিনি।   বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প এর আগেও কথা বলেছেন। গত ২৭ আগস্ট একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের সময় তিনি মহাসাগরের নাম পরিবর্তনের সম্ভাবনা তুলে ধরেছিলেন। শনিবারের সমাবেশে সেই প্রসঙ্গ আবার সামনে এনে তিনি বলেন, তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে একটি বড় নদীর নাম পরিবর্তনের ইচ্ছার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তবে মিসিসিপি নদীর নাম পরিবর্তন করবেন না বলে স্পষ্ট করেন ট্রাম্প। মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনী সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই অঙ্গরাজ্যকে তিনি ভালোবাসেন।   ট্রাম্পের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগের পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক স্থানের নাম নতুন করে নির্ধারণের ধারাবাহিকতা। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে মেক্সিকো উপসাগরের নাম ‘গালফ অব আমেরিকা’ করার উদ্যোগ নেন। এর আগে উপসাগরটি আন্তর্জাতিকভাবে ‘গালফ অব মেক্সিকো’ নামেই পরিচিত ছিল। ট্রাম্প নতুন নামটিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উপযুক্ত বলে বর্ণনা করেছিলেন। তাঁর প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নামটির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।   চলতি বছরের আগস্টে লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার উদ্যোগও নেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তবর্তী পাঁচটি বৃহৎ হ্রদের একটি লেক অন্টারিও। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই নাম পরিবর্তনের এই পদক্ষেপ আসে। ট্রাম্প একটি ভিডিওতে মানচিত্রে হ্রদটির পুরোনো নামের ওপর দাগ টেনে নতুন নাম লেখার দৃশ্য দেখিয়েছিলেন। পরে তাঁর প্রশাসনের নির্দেশনায় যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ব্যবহারে নতুন নামটি অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।   এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ডেনালির নাম পরিবর্তন করে মাউন্ট ম্যাককিনলি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও নিয়েছিলেন ট্রাম্প। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন ২০১৫ সালে আলাস্কার আদিবাসীদের ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে পর্বতটির নাম ডেনালি পুনর্বহাল করেছিল। ট্রাম্পের প্রশাসন আবার পুরোনো নামটি ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ নেয়। এসব উদ্যোগের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক স্থানের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি তাঁর প্রশাসনের আলোচিত নীতিগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।   তবে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার নিজস্ব সরকারি নথি ও দেশীয় মানচিত্রে ভৌগোলিক নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে পারলেও অন্য দেশ বা আন্তর্জাতিক সংস্থাকে একই নাম গ্রহণে বাধ্য করতে পারে না। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে এ সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশাল জলভাগের নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তই যথেষ্ট হবে না। আন্তর্জাতিক মানচিত্র, ভৌগোলিক নামের স্বীকৃতি এবং অন্যান্য দেশের সরকারি ব্যবহারে নামটির গ্রহণযোগ্যতা আলাদা বিষয়।   এখন পর্যন্ত আটলান্টিক বা প্রশান্ত মহাসাগরের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে ট্রাম্প কোনো আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করেননি। ফলে ‘ট্রাম্প মহাসাগর’ বা ‘আমেরিকার মহাসাগর’ নাম দুটি আপাতত তাঁর বক্তব্যে উত্থাপিত প্রস্তাব হিসেবেই রয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নাম ব্যবহারে কী প্রভাব ফেলবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে কতটা গ্রহণযোগ্যতা পাবে, সেটিই হবে পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।   সূত্র: পিপল ম্যাগাজিন, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এবং ওয়াশিংটন পোস্ট।

প্রকাশ: অক্টোবর ১১, ২০২৬ ২০:৪৯
খাদ্যসহায়তা কর্মসূচি এসএনএপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন

যুক্তরাষ্ট্রে খাদ্যসহায়তার নতুন আয়সীমা কার্যকর, কারা সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন?

স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর উধাও, ২৫ বছরেও জানা গেল না ডেবরার ভাগ্যে কী ঘটেছিল

স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর উধাও, ২৫ বছরেও জানা গেল না ডেবরার ভাগ্যে কী ঘটেছিল

পণ্যের ব্যয় নিয়ে মানুষের অসন্তোষ বাড়ছে

যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে, ট্রাম্পের শুল্কনীতি ঘিরে চাপে ব্যবসা ও পরিবার

0 Comments