বিশ্ব

ইসরায়েলে হুথিদের দ্বিতীয় দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা; মধ্যপ্রাচ্যে ২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সেনা সমাবেশ যুক্তরাষ্ট্রের

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে। ইরানের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ইসরায়েল লক্ষ্য করে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই গত ২০ বছরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের বৃহত্তম সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।


ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, শনিবার হুথি বিদ্রোহীরা ইসরায়েল অভিমুখে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তারা প্রথম দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সরাসরি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিজেদের অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা দিয়েছিল।


হুথিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা ইসরায়েলের ‘স্পর্শকাতর সামরিক স্থাপনা’ লক্ষ্য করে একঝাঁক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তবে ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, উভয় ক্ষেপণাস্ত্রই মাঝপথে বাধা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে এবং এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এই নতুন সংঘাত বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতার মুখে নজিরবিহীন সামরিক শক্তি বাড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, শনিবার ৩,৫০০ মেরিন সেনা ও নৌ-সদস্য নিয়ে উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ (USS Tripoli) এই অঞ্চলে পৌঁছেছে।


সেন্ট্রাল কমান্ডের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টে জানানো হয়, এটি গত ২০ বছরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক সমাবেশ। এই নতুন মেরিন সেনারা আগে থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সাথে যুক্ত হবে।


জানা গেছে, ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ এবং ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সেনারা মূলত জাপানে অবস্থান করছিল। তাইওয়ান প্রণালীর কাছাকাছি মহড়া চলাকালীন প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তাদের জরুরিভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই যুদ্ধজাহাজে মেরিন সেনাদের পাশাপাশি রয়েছে অত্যাধুনিক পরিবহন বিমান, স্ট্রাইক ফাইটার জেট এবং উভচর হামলার সরঞ্জাম।


এছাড়া, ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো থেকে ‘ইউএসএস বক্সার’ এবং আরও দুটি যুদ্ধজাহাজকে এই অঞ্চলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হুথিদের সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশাল সামরিক উপস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে একটি আঞ্চলিক মহাযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: রয়টার্স
সবাই হেরে যাচ্ছে ‘উলঙ্গ রাজা’ যুদ্ধে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত এমন এক যুদ্ধে পরিণত হয়েছে যেখানে কেউ জয়ী নয়। প্রচলিত যুদ্ধের নিয়ম অনুযায়ী, যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীরা জেতে বা হারতে পারে; কিন্তু ইরান যুদ্ধ এক ব্যতিক্রম। এখানে প্রতিটি দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, প্রতিটি মানুষের জীবন প্রভাবিত হচ্ছে।   যুদ্ধ শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, তখন তারা আশা করেছিল তা মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হবে। তারা বিশ্বাস করেছিল, খামেনিকে লক্ষ্য করলে ইরানের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ সৃষ্টি হবে এবং দ্রুত জয় আসবে। কিন্তু বাস্তবতা পুরোপুরি ভিন্ন। যুদ্ধ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে, এবং আরম্ভকারী পক্ষগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।   কার্টুনিস্ট ইলা ব্যারনের একটি কার্টুন যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বলতা প্রকাশ করেছে, যেখানে ট্রাম্পকে মিসাইল দিয়ে আচ্ছাদিত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে, আর নেতানিয়াহু তাকে পথ দেখাচ্ছেন। যুদ্ধের এক মাসের মধ্যে মার্কিন সামরিক সম্ভার, বিশেষ করে টমাহক মিসাইলের বড় অংশ, প্রায় শেষ হয়ে গেছে। একেকটি মিসাইলের দাম কয়েক মিলিয়ন ডলার, এবং বার্ষিক উৎপাদন সীমিত। যুদ্ধের আর্থিক প্রভাব ইতিমধ্যেই আমেরিকান নাগরিকদের ব্যয় ও দৈনন্দিন জীবনে প্রতিফলিত হচ্ছে—তেলের দাম, মুদ্রাস্ফীতি এবং নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি।   ইসরায়েলের পরিস্থিতিও সংকটজনক। সেনাবাহিনী জনবলসংকটে পড়ে এবং সস্তা ইরানি ড্রোন প্রতিহত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। নাগরিকরা আশ্রয়শিবিরে দৌড়াচ্ছেন, আর সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের সিদ্ধান্তগুলো তাদের দেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।   ইউরোপীয় দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধের অংশ না হলেও, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে। চীন ও রাশিয়াও মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।   বাংলাদেশে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেই, কিন্তু জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক সংকট এবং হরমুজ প্রণালির অস্থিতিশীলতা দেশের অর্থনীতি ও ভোক্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় তেলের মজুত রাখা হচ্ছে, যার ফলে আগুন লাগলে বিপদ বেড়ে যেতে পারে।   সরকারের ভর্তুকি ব্যবস্থা সাময়িক রেহাই দিলেও, দীর্ঘমেয়াদে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে।   ইরানের অবস্থাও গুরুতর। দেশটি বহু নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিকে হারিয়েছে, সহস্রাধিক মানুষ নিহত হয়েছে, তবে তারা সম্মানের সঙ্গে লড়ছে। ইরানের নাগরিকরা প্রশ্ন করছেন—এই যুদ্ধ কখন শেষ হবে? ইসরায়েলের ধ্বংস বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার পর্যন্ত কি লড়াই চলবে?   পরিস্থিতি স্পষ্ট—এ যুদ্ধের কোনো বাস্তব বিজয়ী নেই। যুদ্ধে শুধু দেখা যায় কে বেঁচে আছে এবং কে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ জন্যই নোবেল বিজয়ী মনীষী বার্নার্ড শ বলেছেন, যুদ্ধ কেবল নির্ধারণ করে কে বেঁচে থাকে, আর জয়ী বা পরাজিত হওয়ার ধারাবাহিকতা তা প্রকাশ করে না।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
গত ২৫ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত

আরব সাগরে যৌথ নৌ মহড়া করছে পাকিস্তান ও চীন

সৌদি আরবের যু্বরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ইরান পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প–সৌদি যুবরাজের আলোচনা

সংগৃহীত ছবি

ন্যাটোকে ঘিরে যুদ্ধের আশঙ্কা—রাশিয়ার অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ছবি: সংগৃহীত
ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মার্কো রুবিও

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ভাষণ ইরানকে ঘিরে ওয়াশিংটনের কৌশল ও লক্ষ্য স্পষ্ট করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য তুলে ধরেন।   রুবিওর মতে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল করতে চায়। এর অংশ হিসেবে অস্ত্র কারখানা ধ্বংস, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী অকার্যকর করা এবং ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে—তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।   তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—নিজেদের জনগণ ও স্বার্থ রক্ষায় দেশটি দৃঢ় এবং শক্তির মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখার নীতি অনুসরণ করবে।   এদিকে, বুধবার (১ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র তার কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তার ভাষায়, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কিন বাহিনী দ্রুত ও শক্তিশালী পদক্ষেপ নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।   তবে ট্রাম্প আবারও অভিযোগ করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দ্বারপ্রান্তে ছিল, যদিও তিনি এর পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি। অন্যদিকে, ইরান আগে থেকেই দাবি করে আসছে, তারা পারমাণবিক বোমা তৈরির কোনো কর্মসূচি চালাচ্ছে না।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

৫৩ বছর পর আবার চাঁদের পথে মানুষের যাত্রা

ব্যালট–সংক্রান্ত এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার সময় বক্তব্য দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে। ৩১ মার্চ ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইঙ্গিত: শিগগিরই ইরান যুদ্ধ শেষ হতে পারে

ছবি: সংগৃহীত

৫৩ বছর পর মানুষকে চাঁদের কক্ষপথে পাঠাচ্ছে নাসা, শুরু হচ্ছে আর্টেমিস-২ অভিযান

আব্বাস আরাঘচি। ছবি: সংগৃহীত
সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, মধ্যপ্রাচ্যে সম্পূর্ণ যুদ্ধের সমাপ্তি চাই: আরাঘচি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ইরান কোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়; বরং পুরো যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তিই তাদের লক্ষ্য।   আরাঘচি বলেন, “আমরা যুদ্ধবিরতি নয়, সম্পূর্ণ যুদ্ধের অবসান চাই—শুধু ইরানে নয়, গোটা অঞ্চলে।” তিনি আরও বলেন, এই মন্তব্যে বোঝা যাচ্ছে ইরান কেবল তাৎক্ষণিক শান্তির চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগ্রহী। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে প্রস্তাবগুলো এসেছে, সেগুলোর কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব এখনও তেহরান দেয়নি।   তিনি উল্লেখ করেন, কোনো পাল্টা প্রস্তাব বা শর্তও তারা উত্থাপন করেননি। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের বার্তাকেও তারা আনুষ্ঠানিক আলোচনার অংশ হিসেবে গ্রহণ করছে না। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির বিষয়ে আরাঘচি বলেন, এই জলপথ পুরোপুরি খোলা রয়েছে, তবে যারা ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তাদের জন্য এটি বন্ধ থাকবে। প্রয়োজনে স্থলযুদ্ধের জন্যও ইরান প্রস্তুত।   অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তুলনামূলকভাবে নরম সুরে বলেছেন, ইরান যুদ্ধ শেষ করতে সদিচ্ছা রাখে, তবে এর জন্য নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ জরুরি—বিশেষ করে ভবিষ্যতে যেন এমন সংঘাত আর না ঘটে। তিনি এই অবস্থান ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তার সঙ্গে ফোনালাপে পুনর্ব্যক্ত করেছেন।   ইরানের এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক অর্থবাজারে ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় উত্থান হয়েছে। ডাও জোন্স সূচক ২.১ শতাংশ বেড়ে ৪৯,১৬৪ পয়েন্টে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ২.৫ শতাংশ এবং নাসডাক সূচক ৩.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।   বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের বক্তব্য নতুন কিছু না হলেও এটি সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অচলাবস্থার প্রতিফলন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
হরমুজ প্রণালির মানচিত্রের ইলাস্ট্রেশন। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল সচল রাখতে চীনের আরও সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান ফরাসি নৌপ্রধানের

ইরানের রাজধানী তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের একটি হামলার পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছে। ১ এপ্রিল ২০২৬। ছবি : রয়টার্স

ইরান: ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির দাবিটা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার ফ্রান্স ও জাপানের

0 Comments