আমেরিকা

প্রেসিডেন্সির সঙ্গে ব্যক্তিগত আয়: ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২, ২০২৬ ২:৫১
প্রেসিডেন্সির সঙ্গে ব্যক্তিগত আয়: ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক
প্রেসিডেন্সির সঙ্গে ব্যক্তিগত আয়: ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদ ঐতিহ্যগতভাবে মর্যাদা, দায়িত্ববোধ ও জনস্বার্থের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। দায়িত্ব পালনকালে ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থ থেকে দূরে থাকার এক ধরনের অলিখিত নৈতিক মানদণ্ডও দীর্ঘদিন ধরে অনুসরণ করেছেন দেশটির নেতারা। তবে সাম্প্রতিক এক আর্থিক প্রতিবেদনে সাবেক ও বর্তমান প্রেসিডেন্টদের সেই ধারা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

 

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান দায়িত্ব শেষে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় ছিলেন। সেনাবাহিনী থেকে পাওয়া মাসিক মাত্র ১১৩ ডলারের পেনশনই ছিল তার একমাত্র আয়। পরে নিজের স্মৃতিচারণে তিনি লিখেছিলেন, প্রেসিডেন্ট পদের সম্মানকে ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক লাভের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।

 

একই ধরনের সতর্কতা দেখা গেছে সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের ক্ষেত্রেও। নির্বাচনে দাঁড়ানোর আগেই তিনি নিজের বিনিয়োগ ‘ব্লাইন্ড ট্রাস্ট’-এর অধীনে হস্তান্তর করেন, যাতে দায়িত্ব পালনকালে কোনো সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত না হয়। এমনকি ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা তার ব্যক্তিগত সম্পদের ওপর কী প্রভাব ফেলেছিল, সে বিষয়েও তিনি অজ্ঞ ছিলেন বলে দায়িত্বের শেষ দিকে জানান।

 

তবে এই ঐতিহ্য থেকে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার সর্বশেষ দায়িত্বকালেই ট্রাম্প অন্তত ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্টের জন্য নজিরবিহীন বলে মনে করছেন ইতিহাসবিদরা।

 

ইতিহাসবিদ বারবারা পেরির ভাষায়, প্রেসিডেন্সির ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা আগে কখনো দেখা যায়নি এবং এটি একেবারেই ব্যতিক্রমী।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের আয়ের বড় একটি অংশ এসেছে ক্রিপ্টোকারেন্সি খাত থেকে। এই খাত থেকেই তিনি প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘সেলিব্রেশন কয়েন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি প্রায় ৬৩৫ মিলিয়ন ডলার রয়্যালটি পেয়েছেন, যা তার চালু করা ‘$TRUMP’ মিম কয়েনের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এছাড়া ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিনান্সিয়াল’ নামের একটি ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকেও তার আয় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও এরিক ট্রাম্প এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততার কথাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

 

২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ট্রাম্পের আয় প্রায় চার গুণ বেড়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

 

তবে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প বা তার পরিবারের কোনো সিদ্ধান্তে স্বার্থের সংঘাত ঘটেনি। তাদের বক্তব্য, সব সিদ্ধান্তই যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

 

এ নিয়ে অবশ্য ভিন্ন মত দিচ্ছেন ইতিহাসবিদ ও নৈতিকতা বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, অতীতে কিছু প্রেসিডেন্টের পরিবার ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হলেও, দায়িত্ব পালনকালে কোনো প্রেসিডেন্ট নিজে এত বড় পরিসরে ব্যক্তিগত আয় করেছেন—এমন নজির নেই।

 

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ইউলিসিস গ্রান্ট ও ওয়ারেন হার্ডিংয়ের প্রশাসনের সময় রাজনৈতিক দুর্নীতির ঘটনা ঘটলেও, সেগুলোর প্রকৃতি ছিল ভিন্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো—তিনি এবং তার পরিবার সরাসরি ক্ষমতায় থাকাকালেই ব্যবসায়িকভাবে উল্লেখযোগ্য লাভ করেছেন।

 

অন্যদিকে, জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন বা সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের ভাইয়ের ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো আলোচিত হলেও, তা প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত আয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত ছিল না বলে মনে করা হয়।

 

দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার আগে ট্রাম্প তার পারিবারিক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ছেলেদের হাতে দিলেও সম্পদ ‘ব্লাইন্ড ট্রাস্ট’-এ স্থানান্তর করেননি, যা নিয়ে সমালোচনা আরও জোরালো হয়েছে।

 

সাবেক হোয়াইট হাউস নৈতিকতা উপদেষ্টা রিচার্ড পেইন্টার বলেছেন, এই পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে স্বার্থের সংঘাতের ইঙ্গিত দেয় এবং এটি জনসাধারণের জন্য উদ্বেগজনক।

 

বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্সি ও ব্যক্তিগত ব্যবসার এই মিশ্রণ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও নৈতিকতার প্রশ্নে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছে।

 

এই প্রতিবেদনটি বিবিসির তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
প্রেসিডেন্সির সঙ্গে ব্যক্তিগত আয়: ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক
প্রেসিডেন্সির সঙ্গে ব্যক্তিগত আয়: ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদ ঐতিহ্যগতভাবে মর্যাদা, দায়িত্ববোধ ও জনস্বার্থের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। দায়িত্ব পালনকালে ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থ থেকে দূরে থাকার এক ধরনের অলিখিত নৈতিক মানদণ্ডও দীর্ঘদিন ধরে অনুসরণ করেছেন দেশটির নেতারা। তবে সাম্প্রতিক এক আর্থিক প্রতিবেদনে সাবেক ও বর্তমান প্রেসিডেন্টদের সেই ধারা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।   ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান দায়িত্ব শেষে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় ছিলেন। সেনাবাহিনী থেকে পাওয়া মাসিক মাত্র ১১৩ ডলারের পেনশনই ছিল তার একমাত্র আয়। পরে নিজের স্মৃতিচারণে তিনি লিখেছিলেন, প্রেসিডেন্ট পদের সম্মানকে ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক লাভের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।   একই ধরনের সতর্কতা দেখা গেছে সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের ক্ষেত্রেও। নির্বাচনে দাঁড়ানোর আগেই তিনি নিজের বিনিয়োগ ‘ব্লাইন্ড ট্রাস্ট’-এর অধীনে হস্তান্তর করেন, যাতে দায়িত্ব পালনকালে কোনো সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত না হয়। এমনকি ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা তার ব্যক্তিগত সম্পদের ওপর কী প্রভাব ফেলেছিল, সে বিষয়েও তিনি অজ্ঞ ছিলেন বলে দায়িত্বের শেষ দিকে জানান।   তবে এই ঐতিহ্য থেকে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার সর্বশেষ দায়িত্বকালেই ট্রাম্প অন্তত ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্টের জন্য নজিরবিহীন বলে মনে করছেন ইতিহাসবিদরা।   ইতিহাসবিদ বারবারা পেরির ভাষায়, প্রেসিডেন্সির ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা আগে কখনো দেখা যায়নি এবং এটি একেবারেই ব্যতিক্রমী।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের আয়ের বড় একটি অংশ এসেছে ক্রিপ্টোকারেন্সি খাত থেকে। এই খাত থেকেই তিনি প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘সেলিব্রেশন কয়েন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি প্রায় ৬৩৫ মিলিয়ন ডলার রয়্যালটি পেয়েছেন, যা তার চালু করা ‘$TRUMP’ মিম কয়েনের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।   এছাড়া ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিনান্সিয়াল’ নামের একটি ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকেও তার আয় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও এরিক ট্রাম্প এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততার কথাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।   ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ট্রাম্পের আয় প্রায় চার গুণ বেড়েছে বলেও জানানো হয়েছে।   তবে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প বা তার পরিবারের কোনো সিদ্ধান্তে স্বার্থের সংঘাত ঘটেনি। তাদের বক্তব্য, সব সিদ্ধান্তই যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।   এ নিয়ে অবশ্য ভিন্ন মত দিচ্ছেন ইতিহাসবিদ ও নৈতিকতা বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, অতীতে কিছু প্রেসিডেন্টের পরিবার ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হলেও, দায়িত্ব পালনকালে কোনো প্রেসিডেন্ট নিজে এত বড় পরিসরে ব্যক্তিগত আয় করেছেন—এমন নজির নেই।   যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ইউলিসিস গ্রান্ট ও ওয়ারেন হার্ডিংয়ের প্রশাসনের সময় রাজনৈতিক দুর্নীতির ঘটনা ঘটলেও, সেগুলোর প্রকৃতি ছিল ভিন্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো—তিনি এবং তার পরিবার সরাসরি ক্ষমতায় থাকাকালেই ব্যবসায়িকভাবে উল্লেখযোগ্য লাভ করেছেন।   অন্যদিকে, জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন বা সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের ভাইয়ের ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো আলোচিত হলেও, তা প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত আয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত ছিল না বলে মনে করা হয়।   দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার আগে ট্রাম্প তার পারিবারিক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ছেলেদের হাতে দিলেও সম্পদ ‘ব্লাইন্ড ট্রাস্ট’-এ স্থানান্তর করেননি, যা নিয়ে সমালোচনা আরও জোরালো হয়েছে।   সাবেক হোয়াইট হাউস নৈতিকতা উপদেষ্টা রিচার্ড পেইন্টার বলেছেন, এই পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে স্বার্থের সংঘাতের ইঙ্গিত দেয় এবং এটি জনসাধারণের জন্য উদ্বেগজনক।   বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্সি ও ব্যক্তিগত ব্যবসার এই মিশ্রণ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও নৈতিকতার প্রশ্নে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছে।   এই প্রতিবেদনটি বিবিসির তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২, ২০২৬ ২:৫১
ছবি: নিউ ইয়র্ক পোস্ট

৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবস ঘিরে নিউইয়র্কে নজিরবিহীন নিরাপত্তা, প্রস্তুত পুলিশ-কোস্ট গার্ড-নৌবাহিনী

২ জুন, ২০২৬ তারিখে সাউথ ডাকোটা প্রাইমারি নির্বাচনের সময় সু ফলস-এর একটি ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা তাঁদের ব্যালট পূরণ করছেন । ছবি: ম্যাকেঞ্জি হুবার

ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার অনীহায় পিছিয়ে বাংলাদেশি প্রার্থীরা: ‘আমার একটি ভোটে কী আসে-যায়’ মানসিকতাই বড় বাধা

এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের চূড়ায় উঠে শান্তির বার্তা সম্বলিত ব্যানার টানানোর পর প্রেম নিবেদন করেন অ্যাঞ্জেলা নিকোলাউ ও ইভান বেয়ারকুস । ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের চূড়ায় উঠে প্রেম নিবেদন, পুলিশি হেফাজতে দুঃসাহসী যুগল

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানের প্রতীকী ছবি । ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন অভিযানে ব্যাপক ধরপাকড়, পাঁচ দিনে ১০ হাজারের বেশি আটক

ওয়াশিংটন, ২ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অভিবাসন আইন বাস্তবায়নে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। দেশটির অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা জানিয়েছে, গত পাঁচ দিনে পরিচালিত অভিযানে ১০ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ দাবি করেছে, আটক হওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ৭০ শতাংশের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ রয়েছে অথবা তারা আগে কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।   স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল বৈধ কাগজপত্র ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। বিভাগটির দাবি, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিবাসন আইন কার্যকর করতেই দেশব্যাপী এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।   তবে স্বাধীনভাবে সরকারি তথ্য বিশ্লেষণকারী গবেষকদের প্রতিবেদনে কিছুটা ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। সরকারি নথির ভিত্তিতে করা এক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতিদিন এক হাজারেরও বেশি ব্যক্তিকে আটক করা হচ্ছে। এসব আটকের প্রায় অর্ধেকই স্থানীয় কারাগার, আটককেন্দ্র অথবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজত থেকে হয়েছে।   এদিকে নিউইয়র্কের আইনজীবীদের একটি সংগঠনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শহরটিতে প্রশাসনিকভাবে আটক হওয়ার সংখ্যা ২০১৭ অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৩৫ শতাংশ বেড়েছে। তাদের তথ্যমতে, আটক হওয়া শত শত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগে কোনো ফৌজদারি মামলার রেকর্ড ছিল না। আবার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে মামলা বিচারাধীন রয়েছে।   অন্যদিকে সরকারি নথি বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা জানিয়েছেন, চলতি বছরের জুলাই মাসের শুরুতেই নিউইয়র্কে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের আটকের সংখ্যা ২০২৪ সালের পুরো বছরের মোট আটকের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।   এই অভিযান এমন সময়ে জোরদার করা হয়েছে, যখন সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের বিদ্যমান নীতিতে পরিবর্তন আনার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আবেদন নাকচ করে দেয়। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া অধিকাংশ শিশুর নাগরিকত্বের বর্তমান সাংবিধানিক ব্যবস্থা বহাল রয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, অভিবাসন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রে কঠোর অবস্থানের ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক অভিযান নতুন করে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি করেছে। যদিও প্রশাসনের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তবু স্বাধীন তথ্য বিশ্লেষণ বলছে, আটক হওয়া সবার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রেকর্ড নেই। ফলে অভিযানটি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কও অব্যাহত রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১, ২০২৬ ২২:৩১
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক শক্তি টিকিয়ে রাখতে প্রতিরক্ষায় বড় বিনিয়োগ জরুরি: হেগসেথ

ছবি: সাইবারনিউজ

এআই অবকাঠামো এখন চোরদের নিশানায়, যুক্তরাষ্ট্রে ১৩ লাখ ডলারের ডেটা সেন্টার সরঞ্জাম চুরি

ছবি: সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কার পরও ‘বার্থ ট্যুরিজম’ দমনে কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প প্রশাসন

ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে ধর্ষণ মামলা: সাজা কম হওয়ায় ক্ষোভ, কলম্বিয়ান নাগরিককে বহিষ্কারের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে এক ১৪ বছর বয়সী কিশোরকে ধর্ষণের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক অবৈধ অভিবাসীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজা ভোগ শেষে তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা। একই সঙ্গে নিউইয়র্কে সাজা ঘোষণার পর অভিযুক্তকে ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে দায়ের হওয়া আরেকটি ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি করতে সেখানে পাঠানো হয়েছে।   ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় ও মার্কিন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার ৩১ বছর বয়সী নাগরিক নিকল আলেক্সান্দ্রা কনত্রেরাস-সুয়ারেজ ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ম্যানহাটনের থমাস জেফারসন পার্কের বিপরীতে অবস্থিত একটি বডেগা দোকানের শৌচাগারে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরকে ধর্ষণ করেন।   পরবর্তী সময়ে মার্চ মাসে তিনি দ্বিতীয় ডিগ্রির ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে নেন। ভুক্তভোগী কিশোরকে যেন আদালতে এসে পুনরায় সাক্ষ্য দিতে না হয়, সেই বিষয়টি বিবেচনা করে প্রসিকিউশনের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়। এই সমঝোতার ভিত্তিতে আদালত তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন।   আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, কনত্রেরাস-সুয়ারেজকে দ্বিতীয় স্তরের যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকতে হবে। এর পাশাপাশি আগামী ১০ বছর তাকে প্রবেশন পর্যবেক্ষণে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অভিযুক্ত একজন অভিবাসী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধে লিপ্ত হয়েছে।   তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সাজা ভোগ করা শেষ হলে তাকে দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে এবং ভবিষ্যতে আর কখনোই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, “এটি কোনো ভুল ছিল না, এটি ছিল সচেতন সিদ্ধান্ত। আমার ছেলের সঙ্গে এই ঘটনা না ঘটলেও অন্য কোনো শিশুর সঙ্গে এমন অপরাধ ঘটতে পারত।”   আদালতে দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে ভুক্তভোগী কিশোর জানায়, এই ঘটনাটি তাকে মানসিকভাবে গভীরভাবে আঘাত করেছে এবং সে এই বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত আলোচনা করতে চায় না। সে এখন সমস্ত অতীত ভুলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে আগ্রহী। কিশোরটি বলে, “এখন অভিযুক্ত আর এখানে নেই। অবশেষে আমি মনে করছি, কিছুটা শান্তি ফিরে পেয়েছি।”   মার্কিন ফেডারেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৩ সালের মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে কনত্রেরাস-সুয়ারেজকে আটক করা হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর ২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে এই ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে।   চলতি বছরের মার্চ মাসে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এই মামলায় মাত্র ছয় মাসের সাজা প্রদানের বিষয়টিকে “ন্যায়বিচারের গুরুতর ব্যর্থতা” হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র সমালোচনা করেছিল।   ধর্ষণের মামলায় দণ্ডিত হওয়ার ফলে কনত্রেরাস-সুয়ারেজের বিরুদ্ধে অভিবাসন-সংক্রান্ত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়। তবে তাকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে ফেডারেল অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তাকে জামিন ছাড়া কঠোর হেফাজতে রাখা হয়েছে।   এদিকে, নিউইয়র্কের সাজা শেষে কনত্রেরাস-সুয়ারেজকে ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের মেডফোর্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র ডাকাতি, পতিতাবৃত্তি-সংক্রান্ত অপরাধ এবং হামলার অভিযোগে পৃথক ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১, ২০২৬ ২১:২৬
কন্যাশিশুকে মাটিতে আছড়ে হত্যার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার I  ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় কন্যাশিশুকে মাটিতে আছড়ে হত্যার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন গড়ে ৮ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু I ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন গড়ে ৮ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু, দুর্ঘটনা থেকে আত্মহত্যা কোন কারণে কত প্রাণ ঝরে?

ছবি: নিউইয়র্ক পোস্ট

মেয়ে ও চার নাতি-নাতনিকে হত্যার পর নিজের জীবনও শেষ করেন দাদি, মৃত্যুর পরও ক্ষমা করল না পরিবার

0 Comments