বিশ্ব

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ঠেকাতে রাশিয়া–চীনের প্রতি ইরানের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র যেন ইরানের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য রাশিয়া ও চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা নতুন প্রস্তাবের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

 

তিনি বলেন, “নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলো, বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনসহ যারা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাদের উচিত এই পরিষদের অপব্যবহার রোধ করা।” আরাগচি আরও জানান, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় অটল রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর যেকোনো হামলা ‘যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার’ শামিল হবে এবং এর জবাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 

তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘অবৈধ হামলা’ মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ-নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি দিলেও পরে সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন। তিনি দাবি করেন, দুই দেশের মধ্যে ‘গঠনমূলক আলোচনা’ চলছে এবং পরিস্থিতির অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে হামলার পরিকল্পনা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।

 

অন্যদিকে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও নীতিমালার প্রতি মস্কো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

সূত্র: প্রেস টিভি

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
৫৩ বছর পর মানুষকে চাঁদের কক্ষপথে পাঠাচ্ছে নাসা, শুরু হচ্ছে আর্টেমিস-২ অভিযান

৫৩ বছর পর আবারও মানুষকে চাঁদের দিকে পাঠাচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সর্বশেষ ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো-১৭ অভিযানের মাধ্যমে নভোচারী চাঁদে পৌঁছেছিলেন। এবার আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে নতুন করে মানুষ্যবাহী মহাকাশযান চাঁদের কক্ষপথে যাত্রা করবে।   নাসা জানিয়েছে, অভিযানে চারজন নভোচারী থাকবেন। দেশটির স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটের পর ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে যাত্রা শুরু হবে। উড্ডয়নের জন্য দুই ঘণ্টা সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে; আবহাওয়া ও প্রযুক্তিগত পরিস্থিতি অনুযায়ী এটি সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিট থেকে রাত ৮টা ২৪ মিনিটের মধ্যে হতে পারে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী উড্ডয়ন হবে আজ ভোরের দিকে।   অভিযানটির উড্ডয়নপর্ব ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ও টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। নভোচারীরা হবেন মার্কিন রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং কানাডার জেরেমি হ্যানসেন। তারা ওরিয়ন ক্রু ক্যাপসুলে চাঁদের চারপাশে কক্ষপথে ঘুরে প্রায় ১০ দিনের মিশনের পর পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। যদিও এই মিশনে চাঁদে অবতরণের কোনো পরিকল্পনা নেই, এটি পৃথিবী থেকে মানুষের দূরতম যাত্রা হিসেবে ইতিহাসে থাকবে।   নাসার আর্টেমিস কর্মসূচি বহু বিলিয়ন ডলারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, যার লক্ষ্য চাঁদে স্থায়ী মানব উপস্থিতি গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যতে মঙ্গলগ্রহে মানুষের যাত্রা সহজ করা। আর্টেমিস-২ এ এই কর্মসূচির প্রথম মানববাহী মিশন। মিশনের মাধ্যমে ওরিয়ন মহাকাশযানের জীবনরক্ষা ব্যবস্থা, নেভিগেশন, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং তাপরোধী ঢাল পরীক্ষা করা হবে।   মিশনে ব্যবহৃত এসএলএস রকেটের মূল অংশ নির্মাণ করেছে বোয়িং, কঠিন জ্বালানির বুস্টার তৈরি করেছে নর্থরপ গ্রুম্যান এবং ওরিয়ন মহাকাশযান তৈরি করেছে লকহিড মার্টিন।   চার নভোচারীর মধ্যে তিনজনের মহাকাশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়েছে। রিড ওয়াইজম্যান ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ১৬৫ দিন কাটিয়েছেন, ভিক্টর গ্লোভার ২০২০ সালে স্পেসএক্স ক্রু-১ মিশনে ১৬৮ দিন মহাকাশে ছিলেন, এবং ক্রিস্টিনা কচ ২০১৯ সালে টানা ৩২৮ দিন মহাকাশে অবস্থান করেছেন। জেরেমি হ্যানসেনের এটি প্রথম মহাকাশযাত্রা।   এই মিশনে আরও কয়েকটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত ঘটবে। ভিক্টর গ্লোভার চাঁদের নিকটবর্তী অঞ্চলে যাওয়া প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নভোচারী হবেন। ক্রিস্টিনা কচ প্রথম নারী নভোচারী হিসেবে এ ধরনের মিশনে অংশ নেবেন। জেরেমি হ্যানসেন হবেন প্রথম অমার্কিন নভোচারী, যিনি পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথের বাইরে পা রাখবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
আব্বাস আরাঘচি। ছবি: সংগৃহীত

সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, মধ্যপ্রাচ্যে সম্পূর্ণ যুদ্ধের সমাপ্তি চাই: আরাঘচি

হরমুজ প্রণালির মানচিত্রের ইলাস্ট্রেশন। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল সচল রাখতে চীনের আরও সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান ফরাসি নৌপ্রধানের

ইরানের রাজধানী তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের একটি হামলার পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছে। ১ এপ্রিল ২০২৬। ছবি : রয়টার্স

ইরান: ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির দাবিটা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার ফ্রান্স ও জাপানের

বৈশ্বিক অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা নিরসনে একজোট হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।  টোকিও’র আকাসাকা প্রাসাদে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই বিশ্বনেতা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জাপান সফররত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ জানান, ফ্রান্স ও জাপান উভয় রাষ্ট্রই আন্তর্জাতিক বিধি-বিধান এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। তিনি বলেন, আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য হলো শান্তি ফিরিয়ে আনা। আমরা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, স্থিতিশীলতা এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজের অবাধ ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার পক্ষে জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির নাজুকতা তুলে ধরে বলেন, সংঘাতের দ্রুত প্রশমন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে দুই দেশ একমত হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমানের এই কঠিন আন্তর্জাতিক পরিবেশে ফ্রান্স ও জাপানের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা গভীর হওয়া অত্যন্ত অর্থবহ। দুই নেতাই মনে করেন, হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নিরাপত্তা বজায় রাখা বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন জনগণের উদ্দেশ্যে ইরানের প্রেসিডেন্টের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বার্তা

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান ফাতিহ বিরল।

ইউরোপে ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের হুঁশিয়ারি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
অন্তত ছয় মাস যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত ইরান: আব্বাস আরাগচি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরান প্রয়োজনে অন্তত আগামী ছয় মাস বা তার বেশি সময় ধরে এই যুদ্ধ ও পাল্টা সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে সক্ষম। বুধবার (১ এপ্রিল, ২০২৬) তেহরানে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। আরাগচি স্পষ্টভাবে জানান, শত্রুপক্ষ কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করে দিলেও ইরান তা গ্রাহ্য করবে না। তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিরক্ষা কার্যক্রম কতদিন চলবে তা আমরাই নির্ধারণ করব। ইরান অন্তত ছয় মাস বা তার বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত এবং আমাদের বাহিনীর সেই সক্ষমতা রয়েছে।” ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আলোচনার যে দাবি করা হচ্ছে, তাকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পরিভাষায় দুই দেশের মুখোমুখি বসে সমঝোতায় পৌঁছানোকে ‘আলোচনা’ বলে।  বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তেমন কোনো পরিস্থিতি নেই।” তবে তিনি স্বীকার করেন যে, বন্ধুরাষ্ট্র বা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় বার্তার আদান-প্রদান চলছে, যা কোনোভাবেই আনুষ্ঠানিক আলোচনা নয়। তিনি আরও যোগ করেন, মার্কিন প্রশাসনের ওপর ইরানের আস্থার হার বর্তমানে ‘শূন্য’। আরাগচি জানান, ইরান কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং পুরো অঞ্চলে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান চায়। তার মতে, যুদ্ধের অবসানে ইরানের শর্তগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট: ১. ইরানসহ পুরো অঞ্চলে (লেবানন, ইরাক, ইয়েমেন) যুদ্ধের অবসান। ২. আগ্রাসন আর ঘটবে না—এমন গ্যারান্টি প্রদান। ৩. ইরানি জনগণের ওপর হওয়া ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ। হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি ইরান ও ওমানের অভ্যন্তরীণ জলসীমার অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে এটি উন্মুক্ত থাকলেও যেসব দেশ ইরানের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত, তাদের জাহাজের জন্য এই পথ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর নিরাপদ যাতায়াতের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি আরও সতর্ক করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আঞ্চলিক দেশগুলোর মাটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালায়, তবে ইরান ওইসব দেশের ভেতরে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোকেই লক্ষ্যবস্তু করবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রচারণাকে নাকচ করে আরাগচি বলেন, ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও হামলা চালানোর ক্ষমতা অটুট রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে, মাত্র দুই দিন আগেই ইরানের একটি স্বল্পমূল্যের ড্রোনের আঘাতে মার্কিন 'অ্যাওয়াকস' (AWACS) নজরদারি বিমান ধ্বংস হয়েছে। সবশেষে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানকে হুমকি বা আল্টিমেটাম দিয়ে কোনো লাভ হবে না। ইরান যুদ্ধের জন্য উস্কানি দেয়নি, কিন্তু আত্মরক্ষার প্রয়োজনে যেকোনো সীমা পর্যন্ত যেতে প্রস্তুত।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ক্রাইমিয়ায় রুশ সামরিক বিমান বিধ্বস্ত: ২৯ আরোহীর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

তুরস্ক উপকূলে নৌকাডুবি: প্রাণ হারালেন ১৮ অভিবাসীবাহী

ছবি: সংগৃহীত

হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় উত্তর ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

0 Comments