আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল ১৮ মাসের শিশুকে, মর্গে গিয়ে ধরা পড়ল সে এখনো জীবিত

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২, ২০২৬ ২৩:৪২
পুলে ডুবে যাওয়ার পর হাসপাতাল শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেছিল। ছবি: সংগৃহীত
পুলে ডুবে যাওয়ার পর হাসপাতাল শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেছিল। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে ১৮ মাস বয়সী এক শিশুকে সুইমিং পুলে ডুবে যাওয়ার পর হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হলেও, পরে মর্গে নেওয়ার সময় তার শরীরে ক্ষীণ হৃদস্পন্দন শনাক্ত হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি ঘিরে হাসপাতালের চিকিৎসা প্রক্রিয়া এবং শিশুটির পরিবারের বিরুদ্ধে পুলিশের তদন্তও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটে চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের গিলবার্ট শহরে। সম্প্রতি প্রকাশিত ৯১১ নম্বরে করা জরুরি ফোনকলের অডিও, পুলিশ নথি এবং তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে ঘটনার বিস্তারিত সামনে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৮ মাস বয়সী ভিনসেন্ট লরেঞ্জো ফিওরডিলিনোকে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির পেছনের সুইমিং পুলে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। এরপর অল্প সময়ের ব্যবধানে একই ঠিকানা থেকে জরুরি সেবা নম্বরে দুটি ফোন করা হয়।

 

প্রথম ফোনে এক স্বজন আতঙ্কিত কণ্ঠে জানান, তিনি তার ভাগ্নেকে পুলে পড়ে থাকতে দেখেছেন। অপারেটর জানতে চান শিশুটি শ্বাস নিচ্ছে কি না। জবাবে তিনি বলেন, তারা নিশ্চিত নন।

অন্য একটি ফোনকলে পরিবারের এক নারী সদস্য কান্নাজড়িত কণ্ঠে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, শিশুটিকে উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা তার বুকে চাপ দিয়ে পুনরুজ্জীবনের (সিপিআর) চেষ্টা করছেন। তবে শিশুটি কতক্ষণ পানির নিচে ছিল, তা তারা জানতেন না।

 

জরুরি সেবা কেন্দ্রের অপারেটর শিশুটির ওজন, ঠিকানা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি সিপিআর চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিতে থাকেন। ফোনালাপের একপর্যায়ে পরিবারের সদস্য জানান, শিশুটি সামান্য সাড়া দিতে শুরু করেছে বলেও মনে হচ্ছে।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর শিশুটিকে দ্রুত মার্সি গিলবার্ট মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

তবে পুলিশি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হাসপাতালে পৌঁছানোর পর দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ সদস্য শিশুটির শরীরে জীবনের কিছু লক্ষণ লক্ষ্য করেছিলেন। এমনকি একজন নার্সও শিশুটির হৃদস্পন্দন অনুভব করার কথা বলেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

এক পুলিশ কর্মকর্তার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিকিৎসককে বিষয়টি জানানো হলেও তিনি নিজের চিকিৎসাগত সিদ্ধান্তের ওপর আস্থা রাখার কথা বলেন এবং দায়িত্ব পালনে বাধা না দিতে অনুরোধ করেন।

 

এর কয়েক ঘণ্টা পর মর্গ থেকে মরদেহ গ্রহণ করতে আসা এক মেডিকেল পরীক্ষক শিশুটির শরীরে ক্ষীণ হৃদস্পন্দন টের পান। সঙ্গে সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে তাকে ফিনিক্স চিলড্রেনস হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

শিশুটির পরিবারের খোলা তহবিল সংগ্রহের (গোফান্ডমি) পৃষ্ঠায় জানানো হয়, প্রথমদিকে চিকিৎসকেরা আশঙ্কা করেছিলেন যে শিশুটির একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাচ্ছে এবং তার মস্তিষ্কে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।

 

তবে কয়েক দিন পর করা এমআরআই পরীক্ষায় দেখা যায়, তার মস্তিষ্কে স্থায়ী কোনো ক্ষতি হয়নি। কেবল সামান্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা শিশুটির বেড়ে ওঠার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কাটিয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

পরিবারের ভাষ্য, শিশুটি এখনো দীর্ঘ চিকিৎসা, নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন ধরনের পুনর্বাসন থেরাপির প্রয়োজন হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারির সর্বশেষ স্বাস্থ্য হালনাগাদে জানানো হয়, সে ভেন্টিলেটরের সহায়তায় শ্বাস নিচ্ছে এবং চিকিৎসকেরা ধীরে ধীরে তার চিকিৎসা এগিয়ে নিচ্ছেন। হাসপাতালের চিকিৎসাকর্মীদের কেউ কেউ তাকে "অলৌকিক শিশু" বলেও উল্লেখ করেছেন।

 

তবে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, নিবিড় পরিচর্যা, বিমানযোগে স্থানান্তর, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং পুনর্বাসনের ব্যয় বহন করা পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা অনলাইনে অনুদান সংগ্রহ শুরু করেন।

এদিকে ঘটনাটি ঘিরে শিশুটির বাবা-মায়ের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর করা বিষবিদ্যা পরীক্ষায় শিশুটির বাবা-মায়ের শরীরে টিএইচসি (গাঁজার সক্রিয় উপাদান) শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে পৌঁছে কর্মকর্তারা বাড়ির গ্যারেজে গাঁজার তীব্র গন্ধও পেয়েছিলেন বলে তদন্ত নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

তদন্তকারীদের মতে, মাদক সেবনের কারণে শিশুর নিরাপত্তায় অবহেলার পরিস্থিতি তৈরি হয়ে থাকতে পারে। এ কারণে গিলবার্ট পুলিশ বিভাগ শিশুটির বাবা ও মায়ের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত একটি গুরুতর অভিযোগ আনার সুপারিশ করেছে।

 

পুলিশ বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে দুজনের বিরুদ্ধেই শিশু নির্যাতনের একটি ফৌজদারি অভিযোগ আনার সুপারিশ করা হয়েছে।

 

তবে ম্যারিকোপা কাউন্টি অ্যাটর্নি'স অফিস জানিয়েছে, তারা পুলিশের সুপারিশ পেয়েছে এবং বিষয়টি এখনো পর্যালোচনাধীন রয়েছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
তিব্বত প্রশ্নে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করলেন তিব্বতি বিক্ষোভকারী

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক তিব্বতি বিক্ষোভকারী। তিব্বতের ওপর চীনের নিয়ন্ত্রণের প্রতিবাদ জানাতে তিনি এ পদক্ষেপ নেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।   স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় ম্যানহাটনের ফার্স্ট অ্যাভিনিউ ও ৪২তম স্ট্রিটে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, তিব্বতি পতাকা হাতে ওই ব্যক্তি ফুটপাতে দাঁড়িয়ে কিছু লিফলেট ছড়িয়ে দেন। এরপর তিনি নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন। পুরো ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচারও করা হয়।   নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম লোবগা রাংজেন। তার বয়স ৪২ বছর। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন এবং উবারচালক হিসেবে কাজ করতেন। এক বন্ধুর মাধ্যমে তার পরিচয় জানা গেলেও পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে তা নিশ্চিত করেনি।   আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে থাকা উদ্ধারকর্মীরা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দিয়ে আগুন নেভান। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে বেলভিউ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিউ জার্সির এক বাসিন্দা জানান, তিনি প্রথমে ধোঁয়া দেখতে পান। পরে বড় আগুনের শিখা দেখতে পান এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তাকর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।   নিহতের বন্ধু লবসাং পালজর জানান, রাংজেন সব সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সমর্থক ছিলেন। তিনি তিব্বতের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিতেন এবং চীনের শাসনের বিরোধিতা করতেন।   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি লিফলেট উদ্ধার করেছে। এর মধ্যে একটি পোস্টারে "China Out of Tibet" লেখা ছিল, যা তিব্বতের স্বাধীনতাকামী আন্দোলনের বহুল ব্যবহৃত একটি স্লোগান।   মানবাধিকার সংগঠন ফ্রি টিবেট-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে তিব্বত ও আশপাশের অঞ্চলে ১৫০ জনের বেশি মানুষ চীনের নীতির প্রতিবাদে একই ধরনের আত্মাহুতি দিয়েছেন। এসব ঘটনার মাধ্যমে তারা তিব্বতে মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক অধিকারের দাবিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন।   নিউইয়র্ক পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ৩, ২০২৬ ০:০
পুলে ডুবে যাওয়ার পর হাসপাতাল শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেছিল। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল ১৮ মাসের শিশুকে, মর্গে গিয়ে ধরা পড়ল সে এখনো জীবিত

যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের জন্য চালু হচ্ছে ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্ট’। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের জন্য চালু হচ্ছে ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্ট’, মিলতে পারে ১ হাজার ডলার পর্যন্ত সরকারি অনুদান

যুক্তরাষ্ট্রে গম চাষে দেখা দিয়েছে দেড় শতাব্দীর সবচেয়ে বড় সংকট। ছবি: সংগৃহীত

১৫০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের গম চাষ, খাদ্যদাম নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

৯০ দিনের বেশি কোনো অভিবাসীকে শুনানি ছাড়া আটক রাখা যাবে না। ছবি: সংগৃহীত
৯০ দিনের বেশি অভিবাসী আটক রাখতে আদালতের অনুমতি লাগবে, রায়ে চাপে ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনবিষয়ক কঠোর নীতির বিরুদ্ধে বড় ধরনের আইনি ধাক্কা খেল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির একটি ফেডারেল আপিল আদালত রায় দিয়েছে, কোনো অভিবাসীকে ৯০ দিনের বেশি আটক রাখতে চাইলে সরকারকে অবশ্যই আদালতে তার যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে হবে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের পর কোনো ব্যক্তিকে অনির্দিষ্টকাল জামিনের সুযোগ ছাড়া আটকে রাখা যাবে না। এই রায়ে টেক্সাস, লুইজিয়ানা ও মিসিসিপিসহ পঞ্চম সার্কিট আপিল আদালতের আওতাভুক্ত অঙ্গরাজ্যগুলোতে আটক থাকা হাজারো অভিবাসীর ওপর প্রভাব পড়তে পারে।   বৃহস্পতিবার নিউ অরলিন্সভিত্তিক পঞ্চম সার্কিট আপিল আদালত ২-১ ভোটে এই সিদ্ধান্ত দেন। আদালতের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত লিখেছেন বিচারক লেসলি এইচ. সাউথউইক। তিনি বলেন, কাউকে আটক করার ৯০ দিনের মধ্যে অবশ্যই একটি জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হতে হবে। সেই শুনানিতে সরকারকে আদালতের সামনে পৃথকভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে কেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আরও আটক রাখা প্রয়োজন। শুধু সাধারণ যুক্তি দেখিয়ে কাউকে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য আটক রাখা যাবে না। রায়ে আদালত বলেন, সরকার যদি কাউকে জামিন ছাড়া আরও আটক রাখতে চায়, তাহলে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি সমাজের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে অথবা আইনের দৃষ্টিতে তাকে আটক রাখার অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ আছে।   তবে আদালত একই সঙ্গে স্পষ্ট করেছেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করে প্রবেশ করা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ফেডারেল আইন অনুযায়ী বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আটক রাখার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে আসা এবং পরে গ্রেপ্তার হওয়া অনথিভুক্ত অভিবাসীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। আদালতের মতে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে নিশ্চিত করা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার সুরক্ষা পাওয়ার অধিকারী। তাই তাদের কোনো শুনানির সুযোগ না দিয়ে দীর্ঘদিন আটক রাখা সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিচারক সাউথউইক ২০০১ সালের যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের উল্লেখ করে বলেন, সাংবিধানিক সুরক্ষা শুধু নাগরিকদের জন্য নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের সীমানার ভেতরে থাকা প্রত্যেক মানুষের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তিনি রায়ে লেখেন, সংবিধানের অন্যতম শক্তি হলো, এটি দেশের ভেতরে থাকা মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম করে না। ব্যক্তিগত স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হলে সেই ব্যক্তির কথা শোনার অধিকারও সংবিধান নিশ্চিত করেছে।   একই মামলায় বিচারক জেমস ই. গ্রেভস জুনিয়র সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের সঙ্গে একমত হলেও মন্তব্য করেন, ৯০ দিন অপেক্ষাও অনেক দীর্ঘ সময়। তার ভাষায়, বর্তমানে আটক অভিবাসীদের অনেকেই এমন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন, যা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অন্যদিকে ট্রাম্প মনোনীত বিচারক কোরি উইলসন এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। তার মতে, বর্তমান অভিবাসন আইন অনুযায়ী অনথিভুক্ত অভিবাসীদের আটকাদেশ চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। এই মামলার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তিন ব্যক্তি, ইগনাসিও সোসনাভা রদ্রিগেজ, মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল গোমেজ আলভারাদো এবং আলেহান্দ্রো ভিয়েগাস অ্যাঞ্জেল। ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে টেক্সাসে নিয়মিত ট্রাফিক তল্লাশির সময় অঙ্গরাজ্যের পুলিশ তাদের আটক করে। তিনজনই অন্তত ১৪ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন। তাদের নিয়মিত চাকরি ছিল এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক সন্তানদের লালন-পালন করছিলেন।   পরে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা আইসের (ICE) কাছে হস্তান্তর করা হয়। সংস্থাটি তাদের কোনো বিচারকের সামনে হাজির না করেই আটক রাখে। পরে ফেডারেল আদালতের বিচারকরা রায় দেন, জামিন শুনানির সুযোগ না দিয়ে তাদের আটক রাখা সংবিধানে নিশ্চিত করা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার লঙ্ঘন করেছে। এরপর ট্রাম্প প্রশাসন সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে।   ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি ছিল, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে চালু করা তাদের নতুন নীতির আওতায় অনথিভুক্ত অভিবাসীদের বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আটক রাখার বিধান রয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে জামিন শুনানির প্রয়োজন নেই। এই নীতির বিরুদ্ধে দেশজুড়ে ব্যাপক আইনি লড়াই শুরু হয়। অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম প্রোপাবলিকার তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম ১৩ মাসে আটকাদেশ চ্যালেঞ্জ করে প্রায় ৪৭ হাজার হেবিয়াস করপাস আবেদন দায়ের করা হয়েছে। এই সংখ্যা আগের তিনটি প্রশাসনের মোট আবেদনের চেয়েও বেশি। এসব মামলার প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগই টেক্সাসের ফেডারেল আদালতে দায়ের হয়েছে।   রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই ধরনের মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ফেডারেল আপিল আদালতে ভিন্ন ভিন্ন রায় হওয়ায় বিষয়টি এখন আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ এই রায়ের আগে তিনটি আপিল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল, দুটি আদালত প্রশাসনের পক্ষে রায় দিয়েছিল এবং আরেকটি আদালতে বিষয়টি এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।   আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বিভিন্ন আদালতের পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্তের কারণে শেষ পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টেই হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২, ২০২৬ ২১:১৯
ছবি: নিউইয়র্ক পোস্ট

ল্যাম্বরগিনি নিয়ে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে পালানোর চেষ্টা, বন্দুকের মুখে থামলেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার

ছবি: নিউইয়র্ক পোস্ট

বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা, তবু রক্ষা পেলেন না—ফ্লোরিডায় কুমিরের হামলায় নারীর মৃত্যু

ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয় I ছবি: সংগৃহীত

ফ্লোরিডার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবৈধ অভিবাসীদের ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা

ইবি-৫ ভিসায় নতুন কড়াকড়ি আনছে ট্রাম্প প্রশাসন I ছবি: সংগৃহীত
গ্রিন কার্ডের পথ কঠিন হচ্ছে, ইবি-৫ ভিসায় নতুন কড়াকড়ি আনছে ট্রাম্প প্রশাসন

বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থা সংকুচিত করার অংশ হিসেবে এবার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় 'ইবি-৫' (EB-5) ইনভেস্টর ভিসা কর্মসূচিতে বড় ধরনের কড়াকড়ি ও সংস্কারের প্রস্তাব এনেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। নতুন একটি ফেডারেল রেজিস্টার ফাইলিংয়ের মাধ্যমে উন্মোচিত এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো জালিয়াতি রোধ, তহবিল উৎসের ওপর সরকারি নজরদারি বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী নাগরিকত্ব বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার দীর্ঘদিনের কিছু প্রচলিত পথ বন্ধ করা।   ২০২২ সালে বাইডেন প্রশাসনের আমলে কংগ্রেসের পাস করা ‘ইবি-৫ রিফর্ম অ্যান্ড ইন্টিগ্রিটি অ্যাক্ট’-এর আলোকেই বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন এই কঠোর কমপ্লায়েন্স ও তদারকি নীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।   ইবি-৫ কর্মসূচির আওতায় সাধারণত বিদেশি নাগরিকরা মার্কিন ব্যবসায় ন্যূনতম ১০ লাখ ৫০ হাজার ডলার অথবা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া ও গ্রামীণ এলাকায় ৮ লাখ ডলার বিনিয়োগ করে এবং অন্তত ১০টি স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে গ্রিন কার্ডের আবেদন করতে পারেন। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন প্রস্তাবে আঞ্চলিক বিনিয়োগ কেন্দ্রগুলোর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং জাতীয় নিরাপত্তা বা জালিয়াতির সংশয় থাকলে মার্কিন অভিবাসন কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিকভাবে আবেদন বাতিল কিংবা স্থায়ী নাগরিকত্বের মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।   এছাড়া, আর্থিকভাবে সংকটাপন্ন কোম্পানিগুলোর বিদ্যমান চাকরি রক্ষার মাধ্যমে গ্রিন কার্ড পাওয়ার 'ট্রাবলড বিজনেস' সুবিধাটি পুরোপুরি বাতিলের প্রস্তাব করেছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)। অন্যদিকে, আবাসন খাতের ডেভেলপারদের ব্যবহৃত স্বল্পমেয়াদি 'ব্রিজ ফাইন্যান্সিং' বা অন্তর্বর্তীকালীন ঋণ সুবিধার ওপরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা বা এটি পুরোপুরি বন্ধের প্রস্তাব আনা হয়েছে, যা আবাসন প্রকল্পগুলোতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।   নতুন এই নীতিমালায় ডিজিটাল সম্পদ বা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্জিত অর্থের বিষয়েও কড়া নজরদারির কথা বলা হয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্সির অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এর আইনি উৎস, করের রেকর্ড এবং অ্যাকাউন্ট মালিকানার পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রমাণ দিতে হবে আবেদনকারীদের। ইউএসসিআইএস (USCIS)-এর তথ্যমতে, ২০১৮ সালে এই ভিসার আবেদন যেখানে ৬ হাজার ৬২৬টি ছিল, তা কমে ২০২২ সালে মাত্র ৬৫৪টিতে নেমে আসে।   তবে সাম্প্রতিক সময়ে তা আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং ২০২৫ অর্থবছরে আবেদনের সংখ্যা প্রাক-মহামারি আমলকে ছাড়িয়ে ৬ হাজার ৬৫৪টিতে পৌঁছায়। নতুন এই প্রস্তাবিত নীতিমালার কারণে বার্ষিক ৩ কোটি ৯০ লাখ থেকে ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার পর্যন্ত প্রশাসনিক তদারকি ও কমপ্লায়েন্স ব্যয় বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আপাতত ৬০ দিনের জন্য সাধারণ মানুষের মতামতের জন্য উন্মুক্ত থাকা এই প্রস্তাবটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হলে বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখা এবং গ্রিন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে এক নতুন আইনি কঠোরতার সৃষ্টি হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২, ২০২৬ ১৮:৩৮
ছবি: নিউইয়র্ক পোস্ট

নিউইয়র্কে খুনের ঘটনা ২৫ শতাংশ কমে ইতিহাসের সর্বনিম্নে, ভেঙে গেল আগের সব রেকর্ড

অটিজম শনাক্তে এআই টুল বানাল মার্কিন স্কুলছাত্র I ছবি: সংগৃহীত

মাত্র ১৭ বছর বয়সে চিকিৎসা বিজ্ঞানে চমক, অটিজম শনাক্তে এআই টুল বানাল মার্কিন স্কুলছাত্র

কোলাজ: আমেরিকা বাংলা

ক্যালিফোর্নিয়ায় গাছের ডাল ভেঙে ৮ বছরের শিশুর মৃত্যু, পরিবার পাচ্ছে ১৯ মিলিয়ন ডলার

0 Comments