বিশ্ব

ডাউনিং স্ট্রিটে শারা-স্টারমার বৈঠক: নতুন সিরিয়া গঠনে বিশ্বনেতাদের সমর্থন

ইসমাইল হোসাইন প্রকাশ: মার্চ ৩০, ২০২৬ ১৯:১
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার ও সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার ও সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা

সিরিয়ার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটির গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এক ঝটিকা সফরে বের হয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা। 


এরই ধারাবাহিকতায় আজ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমারের সরকারি বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন এই দুই নেতা।


বৈঠকে সিরিয়ার বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি, মানবিক সহায়তা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ডাউনিং স্ট্রিট সূত্রে জানা গেছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সিরিয়ার গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।


উল্লেখ্য যে, লন্ডনে আসার ঠিক একদিন আগেই আহমেদ আল শারা বার্লিনে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ইউরোপের প্রভাবশালী দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে পর পর এই বৈঠকগুলো আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সিরিয়ার নতুন সরকারের অবস্থানকে আরও সুসংহত করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

বিশ্ব

View more
মহাকাশে হামলা সক্ষমতা অর্জনে কাজ করছে ইসরায়েল
মহাকাশে হামলা সক্ষমতা অর্জনে কাজ করছে ইসরায়েল, জানালেন কাটজ

মহাকাশকে ভবিষ্যৎ যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনায় রেখে নতুন ধরনের সামরিক সক্ষমতা গড়ে তুলতে কাজ করছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানিয়েছেন, মহাকাশ থেকে হামলা চালাতে সক্ষম এমন লেজার প্রযুক্তি উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়েছে তাদের সরকার।   সোমবার সামরিক প্রতিবেদকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে কাটজ বলেন, এই প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের সেরা মেধাবীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তার ভাষায়, এখনো পর্যন্ত কোনো দেশেরই মহাকাশ থেকে সরাসরি হামলা চালানোর পূর্ণ সক্ষমতা নেই, তবে এই ক্ষেত্রে বিশ্বে শীর্ষস্থান অর্জনের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে ইসরায়েল।   তিনি আরও বলেন, এই সক্ষমতা অর্জন করা গেলে তা শুধু প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রেই নয়, বরং শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে আঘাত হানা ও সামরিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের সুবিধা দেবে।   এর আগে গত বৃহস্পতিবারও কাটজ একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক বক্তব্যে প্রথমবারের মতো তিনি স্পষ্ট করে মহাকাশভিত্তিক লেজার প্রযুক্তির কথা উল্লেখ করেন। ইতোমধ্যে ইসরায়েল স্থলভিত্তিক ‘আয়রন বিম’ নামে একটি লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যা স্বল্প দূরত্বের হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহারের জন্য পরিকল্পিত। পাশাপাশি যুদ্ধবিমান থেকে লেজার নিক্ষেপের প্রযুক্তি নিয়েও কাজ চলছে বলে জানা গেছে।   বিশ্লেষকদের মতে, কাটজের বক্তব্যে পরোক্ষভাবে ইরানকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ইঙ্গিত করা হয়েছে। চলতি বছরে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার সময় ইসরায়েল ইরানের মহাকাশ-সম্পর্কিত কয়েকটি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল, যেগুলো স্যাটেলাইট প্রযুক্তি উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করা হয়।   তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, মহাকাশে সামরিক সক্ষমতার দৌড়ে ইসরায়েল একা নয়। রাশিয়া ও চীন ইতোমধ্যেই নিজেদের স্যাটেলাইট ধ্বংস করে পরীক্ষামূলক সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। ফলে মহাকাশকে কেন্দ্র করে নতুন এক প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের স্যাটেলাইট অচল করা বা ধ্বংস করার পাশাপাশি মহাকাশে তৈরি হওয়া বিপজ্জনক ধ্বংসাবশেষ নিয়ন্ত্রণের সম্ভাবনাও রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ এখন স্যাটেলাইটে হস্তক্ষেপ, সংকেত জ্যামিং বা কক্ষপথ পরিবর্তনের মতো বিকল্প কৌশল নিয়েও গবেষণা চালাচ্ছে।   এই প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের নতুন পরিকল্পনা মহাকাশভিত্তিক সামরিক প্রতিযোগিতাকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ৩০, ২০২৬ ৮:৫২
সীমান্ত এলাকায় চীনা উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ

সীমান্ত এলাকায় চীনা উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ, প্রশাসনের নজরদারির আহ্বান

সরকারি পরিসংখ্যানে ইসলাম গ্রহণের হার ঊর্ধ্বমুখী

কেরালায় ধর্মান্তরের প্রবণতা: সরকারি পরিসংখ্যানে ইসলাম গ্রহণের হার ঊর্ধ্বমুখী

কঙ্গোতে ইবোলার ভয়াবহ বিস্তার

কঙ্গোতে ইবোলার ভয়াবহ বিস্তার, আক্রান্ত ১,৩০৭, মৃত্যু ৩৭৭

ইরানের সীমান্ত শহরে গুলিতে নিহত বিপ্লবী গার্ডের দুই সদস্য
ইরানের সীমান্ত শহরে গুলিতে নিহত বিপ্লবী গার্ডের দুই সদস্য

ইরানের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী শহর পাভেহতে সশস্ত্র হামলায় ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি।   প্রতিবেদনে বলা হয়, অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা একটি বাড়ির ভেতরে ঢুকে ওই দুই সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হন। একই ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।   তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠীর নাম নিশ্চিত করা হয়নি। ইরান সাধারণত এ ধরনের হামলার জন্য কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করে থাকে।   পাভেহ শহরটি ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত, যেখানে দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তা উত্তেজনা বিরাজ করছে। সীমান্তবর্তী এসব এলাকায় কুর্দি জনগোষ্ঠীর বসবাস এবং তাদের একটি অংশের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবিকে কেন্দ্র করে ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক জটিল হয়ে উঠেছে।   ইরান সরকার অভিযোগ করে আসছে, এসব বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বিদেশি শক্তির সমর্থন পেয়ে থাকে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের সহায়তার অভিযোগ তোলে তেহরান।   রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ছিল একটি “কাপুরুষোচিত সশস্ত্র হামলা”। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে নিরাপত্তা বাহিনী তৎপরতা চালাচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-ইরাক সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এ ধরনের হামলা নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আবারও সামনে চলে এসেছে এই ঘটনার মধ্য দিয়ে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ৩০, ২০২৬ ৬:৩২
নেশন অব ইসলামের ‘মাদার খাদিজা’ আর নেই

নেশন অব ইসলামের ‘মাদার খাদিজা’ আর নেই

জাপানে ভিসা ফি পাঁচ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি

জাপানে ভিসা ফি পাঁচ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি, ১ জুলাই থেকে নতুন হার কার্যকর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফিফার প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ছবি: এএফপি

ট্রাম্পকে ‘ফিফা শান্তি পুরস্কার’ দেওয়া নিয়ে বিতর্ক, তদন্ত চাইলেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যরা

পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক
সিন্ধুর পানি নিয়ে ভারতকে কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের: ‘হাত বাড়ালে সেই হাত কেটে দেওয়া হবে’

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ভারতের পানি ব্যবহারের পরিকল্পনার জবাবে পাকিস্তানের এক মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত বাড়ালে সেই হাত কেটে দেওয়া হবে।   ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদমন্ত্রী সি আর পাতিল সম্প্রতি জানিয়েছেন, আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সব পানি দেশটির ভেতরেই পুরোপুরি ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া আসে।   ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক অভিযোগ করেন, ভারত পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত পানিপ্রবাহ বন্ধ করতে চায়।   তিনি বলেন, পাকিস্তানের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই অন্য কোনো দেশ তাদের খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি ও অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করবে—এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।   মুসাদিক মালিক বলেন, “আমাদের পানির অধিকার খর্ব করার চেষ্টা হলে তার মূল্য দিতে হবে। কেউ আমাদের পানির ওপর হাত বাড়ালে সেই হাত কেটে দেওয়া হবে।”   তিনি আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী উজানের কোনো দেশ ভাটির দেশের পানিপ্রবাহ একতরফাভাবে বন্ধ করতে পারে না। ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণের কথাও জানান পাকিস্তানের এই মন্ত্রী।   একই সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেন, সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি আইনগতভাবে এখনো বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ একতরফাভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।   তিনি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, সিন্ধু নদ পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এ বিষয়ে তাদের অবস্থান ‘রেড লাইন’।   অন্যদিকে ভারতের অবস্থানও কঠোর। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়াদিল্লি সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়।   ভারতের দাবি, পাকিস্তান তার ভূখণ্ডে সন্ত্রাসী অবকাঠামোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দৃশ্যমান প্রমাণ না দেওয়া পর্যন্ত এই চুক্তি পুনরায় কার্যকর করা হবে না।   সূত্র: এনডিটিভি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ৩০, ২০২৬ ২:৭
জিপিএস, নজরদারি ও স্যাটেলাইট বিধ্বংসী প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে চীন

জিপিএস, নজরদারি ও স্যাটেলাইট বিধ্বংসী প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে চীন

পাকিস্তানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত আফগানিস্তান

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলার নিন্দা ভারতের, বলল ‘সার্বভৌমত্বের ওপর আগ্রাসন’

ছবি: সংগৃহীত

মেক্সিকোর সৈকতে কুমিরের হামলায় যুবকের মৃত্যু, সামনে এলো নতুন ভিডিও

0 Comments